মাধবপুরে একটি বাড়ি একটি খামারে উদ্ভুদ্ধ হয়ে স্বাবলম্বী গিয়াস উদ্দিন PDF Print E-mail
Written by Administrator   
Sunday, 14 October 2012 11:29

মাধবপুরে একটি বাড়ি একটি খামারে উদ্ভুদ্ধ হয়ে স্বাবলম্বী গিয়াস উদ্দিন

(উৎস্য: বাংলাদেশ বার্তা ডট কম, মার্চ ১০, ২০১২)

নাহিদুল ইসলাম লিলু, মাধবপুর (হবিগঞ্জ) : সরকারের একটি বাড়ি একটি খামার কার্যক্রমের প্রচারে উদ্ভুদ্ধ হয়ে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার স্বল্প শিক্ষিত দারিদ্রের কষাঘাতে নিষ্পেষিত গিয়াস উদ্দিন খান এখন স্বাবলস্বী। উপজেলার আদাঐর ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামের মৃত আব্দুল ছোবহান খানের ছেলে গিয়াস উদ্দিন খান (৫২) আর্থিক অনটনে লেখাপড়ায় বেশিদুর এগুতে পারেননি তিনি। আউলিয়াবাদ রামকেশর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অষ্টম শ্রেনী পাশ করেন। খুব একটা লেখাপড়া না থাকায় সরকারী/বেসরকারী কোনো চাকরিও জোটেনি তার কপালে। সংসারে স্ত্রী ও তিন কন্যাসহ ৫ সদস্য নিয়ে অতি কষ্টে দিনযাপন করতে থাকেন তিনি। পিতা মারা যাওয়ার পরে সর্বমোট ২৭ শতক ভূমির মালিক হন গিয়াস উদ্দিন খান। ওই ভূমির এক কুনে বসত ভিটি নির্মান করেন গিয়াস উদ্দিন খান। ২০০৭ সনে অবশিষ্ট ভূমিতে শুর করেন গাছের চারা উৎপাদন। মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর একটি বাড়ি একটি খামার কার্যক্রমের প্রচারে উদ্ভুদ্ধ হয়ে তার পুরো বাড়িটিকে খামারে রম্নপামত্মর করেন তিনি। তার খামারে রয়েছে কাঠ, ঔষধি, ফলজ, বনজ ও বিভিন্ন প্রকার ফুলের গাছসহ প্রায় শতাধিক প্রজাতির লক্ষাধিক গাছের চারা। প্রতিটি কাঠ গাছের চারা ২০ থেকে ২৫ টাকা, ফল গাছের চারা ৩০ থেকে ৫০ টাকা, ফুল গাছের চারা ১০ থেকে ৫০ টাকা ও ঔষধি গাছের চারা প্রতিটি ১০ থেকে ১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ থেকে তার প্রতি বছর সকল খরচ বাদে ২ থেকে আড়াই লক্ষ টাকা সঞ্চয় করছেন গিয়াস উদ্দিন খান। গিয়াস উদ্দিন খান জানান, ৩ মেয়ের বড় মেয়ে সাবিনা আক্তারকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করিয়ে বিয়ে দিয়েছেন। মেজো মেয়ে সুলতানা আক্তার এসএসসিতে ও ছোট মেয়ে শান্তা মনি আক্তার অষ্টম শ্রেনীতে লেখাপড়া করছে। গিয়াস উদ্দিন খান জানান, একটি বাড়ি একটি খামারের আওতায় তাকে সরকারী সহায়তা প্রদান করা হলে তিনি তার খামারের বিস্থৃতি ঘটিয়ে দেশের জন্য অবদান রাখতে পারবেন। তিনি আরো জানান, তার এ সফলতা দেখে পার্শ্ববর্তী কিছু লোক খামারে উদ্ভুদ্ধ হলেও শত্র পক্ষের কিছু লোক তার খামারটিকে ধ্বংস করার হীন উদ্দেশ্যে তার খামারের চতুর্দিকে রেইনট্রি চারা রোপন করে তার ব্যাপক ক্ষতি করছে।

Last Updated on Sunday, 14 October 2012 11:39