EBEK

Dear All,
You all are doing well. Despite of all the good achievements it is reported that savings and loan instalments

are not done regularly. You must be serious to both the issues.UCO will be held responsible for all sorts of failures and draw backs. Please take care of the issues immediately as I

advised you to do during one-day orientation.

Best wishes with the great protest at Projanmo square that is a good learning for all of you to fight against evils.

sincerely
PD

This entry was posted in EBEK Admin. Bookmark the permalink.

80 Responses to EBEK

  1. Dear all, To day i am very very tired because i change my office. My new office is very beautiful. i love my mother land BANGLADESH, I love my UPZILLA, I love my EBEK, SHMITEE, MEMBER & ALL POOR PEOPLE. I proud of my job.

    SANTANU MOHAJAN (UCO),
    LAKSMICHARI,
    KHAGRACHARI.
    MOBIL NO-01559394563

    • GIAS UDDIN KHAN says:

      গর্বিত এবাখা পরিবার

      • hadiul islam says:

        আমি হাদিউল ইসলাম উপজেলা সমন্বয়কারী হিসাবে (এবাএখা)তে সাবেকে একটি উপজেলায় কমরত ছিলাম । বতমানে এবাএখা পল্লী সন্ঝয় ব্যাংক হিসাবে অনুমোদন লাফ করেছ। এখন এই ব্যাংকে সিনিয়র অফিসার,পিন্সপাল অফিসার কি সরাসরি নিয়োগ দেওয়া হবে ।জানলে উপকৃিত হবো ।

  2. OUR EBEK FAMILY
    LAKSMICHARI
    KHAGRACHARI

    *OUR PROFILE

    1/ santanu mohajan ………………..uco…………………………………01559394563
    2/ bivabo chakma ………………..Fs ………………………………..01553116488
    3/ shunul chakma ………………..Fs ………………………………..01550673851
    4/ shuman datta ………………..co-op ……………………………..01728814541
    5/ shushil chakma ………………..Fa (1no laksmichari) ………01556508733
    6/ kirti jibon chakma ……………..Fa (2no bormachori) ………01554992085
    7/ joti chakma ………………Fa (3no bormachori) ………01552645397

    *OUR SUCCESS

    1/ day by day GRAMEEN BANK, ASHA, UNDP (RICE ), KARITAS, TRINAMUL, JAVARANG, PLAN INTERNATIONAL, PROSHIKA, ALAM smole there activatice.
    2/ we able to motivate the poor people.
    3/now most of the poor people believe ebek .
    4/ we able a new office (officers quarter)
    5/ union-03
    6/ shomiti-27
    7/ member- 1620
    8/ online-27
    9/ manual-00
    10/ election- old 12 shomiti complied.

    *OUR PROBLEM

    1/ URDO absent of our upz.
    2/ARDO create problem all time.
    3/ network is not available .
    4/ only 18 km soling road .
    5/ only 01 high school & 08 primary school .
    6/ most of the poor people are lazy.

    *WHAT CAN WE DO?

    1/we try to solve all the problem. we know that ” ITS OUR DUTY & JOB”.

    *WHAT WE WONT?
    FOR IMPLEMENT OF OUR PROJECT WE WONT…………………………………
    1/ new 27 shomiti because most of the poor people is not include in our shomiti . its very argent.
    2/ Personal office of EBEK.
    3/ HONDA (150 CC) in that case Hill-tracts.

    WE ADAMANT THAT “BY HOOK AND COOK THE LAST PRO-POOR PEOPLE WILL BE INCLUDING IN THIS PROJECT OF OUR UPZILLA”

    santanu mohajan (uco)
    laksmichari,
    khagrachari.
    mobil-01559394563

  3. মোঃ নুরুল আমিন (কম্পি কাম হিঃ সহকারী) says:

    শোক সংবাদ
    নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের 6 নং রাজগঞ্জ ইউনিয়নের মনপুরা 6নং ওয়ার্ডের সফল ম্যানেজার জনাব ফয়েজ আহম্মেদ গত 22/7/2014 সালে রেলে পথে কাটা পড়ে নিহত হন। আমারা তার অকাল মৃত্যুতে গভীর ভাবে শোকাহত। আমরা সকলে তার বিদেহী আত্নার মাগফেরাত কামনা করছি।

  4. polli sanchi Bank bill 2013 on palament http://m.bdnews24.com/

  5. পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের বিল সংসদে
    সংসদ প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2014-03-31 20:50:29 BdST
    পল্লী এলাকার দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সঞ্চয় ও লেনদেন, ঋণ এবং বিনিয়োগের জন্য সংসদে ‘পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক’ স্থাপনের প্রস্তাব উঠেছে ।

    সোমবার বিশেষায়িত ব্যাংক হিসেবে ‘পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক বিল-২০১৪’ সংসদে উত্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আবুল আবদুল মুহিত। পরে এটি পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

    বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী সংসদে জানান, ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্পের কার্যক্রমকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে এ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করা হয়েছে।

    তিনি বলেন, “উক্ত কার্যক্রমকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপদান এবং তাদের সঞ্চয় ও অর্জিত অর্থ লেন-দেন ও রক্ষাবেক্ষণের জন্য পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক নামে একটি বিশেষায়িত ব্যাংক প্রতিষ্ঠা এবং আনুষাঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে আইন ও বিধান প্রণয়ন করার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।”

    খসড়া আইনে, ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন এক হাজার কোটি টাকা রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সঙ্গে পরিশোধিত মূলধন ২শ’ কোটি টাকা রাখা হয়েছে।

    পরিশোধিত মূলধনের ৫১ শতাংশ দেবে সরকার। ৪৯ শতাংশ দেবে ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্পের অধীনে গঠিত সমিতি।

    প্রস্তাবিত আইনে, ব্যাংকের পরিচালনা বোর্ডে ১৬জন পরিচালক রাখার বিধান রাখা হয়েছে।

    ব্যাংকটি প্রতিষ্ঠা হলে দারিদ্র বিমোচনে ভূমিকা রাখবে বলে মন্তব্য করেন মুহিত।

  6. HK Mazumder says:

    ধন্যবাদ একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প …..
    প্রত্যেক মাঠ সহকারী কে মাঠ পর্যায় আইডি কার্ড (একটি বাড়ি একটি খামার প্রকাল্প পরিচয় পত্র) দেওয়া যায়না….কারণ মাঠ পর্যায় কাজ করতে আনেক সময় অনেকে পরিচয় পত্র চাই এবং তারা বিশ্বস করতে চাই না…….

  7. MONOJIT says:

    অনুগ্রহ করে পড়ুন আর কিছু বলার নেই রাজতন্ত্র ও গণতন্ত্র এর পার্থক্য কি?

    একজন কঃ অঃ কাম হিসাব সহকারীর দায়িত্ব ও কর্তব্য :
    ১) উপজেলা সমন্বয়কারীর তত্ত্বাবধানে উপজেলা দপ্তরের প্রশাসিনিক এবং অর্থ ও হিসাব সংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করা।
    ২) ফাইল ও রেজিষ্টারসমূহ দায়িত্বশীলভাবে সংরক্ষণ করা।
    ৩) বিভিন্ন প্রকার চিঠি, বিল গ্রহন করে সংশ্লিষ্ট রেজিষ্টারে লিপিবদ্ধকরণসহ ফাইলে উপস্থাপন এবং কার্যক্রম গ্রহণ শেষে তা যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা।
    ৪) হিসাব সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রণয়ন করা।
    ৫) প্রকল্পের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের চাহিদানুযায়ী প্রশাসনিক ও আর্থিক রিপোর্ট-রিটার্ন প্রনয়ন, উপস্থাপন এবং অনুমোদনের পর উহা প্রেরণ নিশ্চিত করা।
    ৬) প্রকল্পের বাজেট বরাদ্দ অনুযায়ী বিল পরিশোধে সহায়তা করা।
    ৭) উপজেলা দপ্তরে হিসাব সংক্রান্ত যাবতীয় বহ, ক্যাশবুক, লেজার পোষ্টিং লিপিবদ্ধ নিশ্চিত করাসহ তা যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা।
    ৮) যাবতীয় বহিঃ রেজিষ্টার, খাতাপত্র সংরক্ষণ ও লিপিবদ্ধ করা।
    ৯) ভ্যাট, আয়কর ইত্যাদি নিয়মিতভাবে স্থানীয় ট্রেজারী অফিসে পরিশোধে সহায়তা করা।
    ১০) উপজেলা সমন্বকারীর নিয়ন্ত্রণে থেকে প্রকল্পের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডের জন্য সংগ্রহীত তথ্যাদি এন্ট্রি করা।
    ১১) চাহিদা অনুযায়ী প্রকল্পের দাপ্তরিক কাজে প্রয়োজনীয় পত্র ও প্রতিবেদন টাইপ এবং প্রিন্ট করা।
    ১২) কম্পিউটার ও প্রিন্টার ব্যাবহারের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কম্পিউটার এক্সেসরির এর চাহিদা দাখিল করা।
    ১৩) কম্পিউটার ও প্রিন্টার মেশিনসমূহ পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ও সংরক্ষণের দায়িত্ব পালন করা।
    ১৪) দৈনন্দিনভাবে প্রকল্পের ওয়েব সাইট ব্রাউজ করে পয়োজনীয় পত্রাদি ডাউনলোড এর মাধ্যমে প্রিন্ট কপি পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের জন্য উপস্থাপন করা।
    আমাদের কাজ একজন হিসাব রক্ষকের চেয়ে বেশী যারা বর্তমানে ৮০০০/- স্কেলে যাচ্ছেন। প্রকল্পের কেউ ৬৪০০-৮০০০ এ কেউ ৫২০০-৫৯০০ স্কেলে, ৪৭০০-৫২০০ স্কেলে তাহলে আমাদের এই বৈষম্য কি কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি গোচর হচ্ছেনা।
    কাউকে আঘাত করে বা ইর্ষান্বিত হয়ে লিখছিনা প্রকৃতপক্ষে আমাদের মর্যাদা আমাদের প্রদান করা হোক এটাই কামনা। আশা করি ব্যাংকের ক্ষেত্রে সঠিক মূল্যায়ন হবে? আর কবে হবে মূল্যায়ন?

  8. MONOJIT says:

    তোষামুদি জানিনা,
    তেলাতে পারিনা
    কপাল থাকলে ত পোড়বে , দিন রাত কাজ করে খুলনা জেলাধীন ফুলতলা উপজেলায় অনলাইন মোবাইল ব্যাংকিং শুরু করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি, দাওয়াত পেলাম না, আসলে ত আমরা ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চা, আমাদের গ্রামে একটি প্রবাদ আছে ঔষধ খাইল রশি গুণ করে মজির, কম্পিউটার না না কম্পিউটার ভাইয়েরা দুঃখেই থাকুন আমরা তো মানুষ না আমরা যান্ত্রিক এই বাজারে যা বেতন পাই তা দিয়ে কি চলে? আমরা তো যান্ত্রিক তাই ০১ লিটার তেলে যতদুর সম্ভব চালিয়ে নেওয়া যায় চলুক, তার পর নাচুনি তারপর ঝাকুনি পরে সোজা শ্মশানে, ভাতে মারব না তোদের টিপে মারব, , আগামী বাজেটে (—-) হ্যা -হ্যা -হ্যা -হ্যা -করা হবে ??????? তাহলে ……………কি ??

  9. MONOJIT says:

    জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু

  10. সৃষ্টির মাঝে আনন্দ আর স্বীকৃতিতে উৎসাহ-এই দুইকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার শত আকিঞ্চন আমাদেরকে অগ্রগতি ও প্রগতির দিকে এগিয়ে নেয়। গ্রামের মানুষের কাছে না গিয়ে গ্রামীন অর্থনীতি বুঝা যায়না। তাইতো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যখন পল্লী অঞ্চলের সমস্যার কথা বলেন, তখন তা বিশ্বাসযোগ্যতা পায়। তিনি গ্রামের মানুষ। তিনি গ্রামীন সমস্যা বুঝেন। দারিদ্র ও ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ গড়তে হলে গ্রামীন অর্থনীতির চাকা সচল করতে হবে সবার আগে। কারণ, এ দেশের অধিকাংশ মানুষ গ্রামে বসবাস করে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর “একটি বাড়ি একটি খামার” প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশকে দারিদ্রমুক্ত করার এই স্বপ্ন সফল হোক- সে প্রত্যাশা করছি।
    ড.মোঃ আঃ হাকিম

  11. jahid says:

    মুসলিম ভাইদের সালাম, হিন্দু ভাইদের নমস্কার…..
    কেমন আছেন ভাইয়েরা ?
    অনেকেই অনেক কিছু লিখছেন দেখছি এবং খুব মনোযোগ দিয়ে পড়ছি, ভালোই লাগছে…..
    বিশেষ করে সোহাগ ভাইয়ের সাহসী লেখাকে সালাম জানাই……….
    লোকবল দ্রুত নিয়োগ না হলে কাজের ধারাবাহিকতা ধরে রাখা কষ্টকর হবে।
    আমার ২টা প্রশ্নের উত্তর কি কেউ দিতে পারবেন ????
    প্রশ্ন ১ – লোকবল নিয়োগ হবে কবে ?
    প্রশ্ন ২ – “পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক” এর কার্যক্রম কতো দূর ?
    কেউ জানেন কিছু ?????
    # কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারী নম্বর পেয়ে ভালো লাগলো #
    ইতি রানী মন্ডল-পিরোজপুর সদর-০১৭২৮-৪৪৯৬২৬
    বিথী মিত্র-ভান্ডারিয়া,পিরোজপুর-০১৭৪৬-৮৩২৩২০
    ফারজানা আক্তার-কাউখালী, পিরোজপুর-০১৭৬৮-৪২২৪৬৮
    মো মাহমুদুল হাসান-জিয়ানগর,পিরোজপুর‌-০১৯৩৮-৬৩৯১৯৩ *
    মো ফোরকান-মঠবাড়ীয়া-০১৭২০-২৮৫৬৪৮
    মোসা সায়লা সারমিন-নেছারাবাদ, পিরোজপুর-০১৭২৫-৮৪৯৬৬৬
    মো নজরুল ইসলাম-নাজিরপুর, পিরোজপুর-০১৯১২-৮২০৬৪৭ *
    মেরাজ মুহাম্মদ খান-নলছিটি, ঝালকাঠী-০১৭৩৪-৫৫৭০৭১
    মনির হোসাইন-কাঠালিয়া,ঝালকাঠী-০১৭১৯-২৭২৫৪৯
    মো আজিজুল ইসলাম (শাওন) -বরিশাল সদর *-০১৬৭১-৭৭৮৫২৪/০১৮২৮১৪৬৩৭৩ *
    সৈয়দ মনিরুজ্জামান-বাকেরগঞ্জ, বরিশাল-০১৬৭৫-৪৯৫৬০৯ *
    জীবন চন্দ্র-হিজলা, বরিশাল-০১৭২২-৫৫৯০৩০
    মো হাসানাত-গেৌরনদী, বরিশাল-০১৬৮১-২৩২২৯৫
    মো সাইফুল ইসলাম-বাবুগঞ্জ, বরিশাল ০১৭৩২-১৬০২৩০
    নাসমিা আক্তার-আগৈলঝাড়া, বরিশাল-০১৭২১-২৪৫০২০
    রাবেয়া খাতুন সুমা-উজিরপুর, বরিশাল-০১৫৫৬-৪৩৪৭০৬ *
    মো আবুল বাশার-বানারিপাড়া, বরিশাল-০১৯২৫-৮০৭৮৪২
    শিউলি বেগম-মেহেন্দিগঞ্জ, বরিশাল-০১৯১৮-৮৩৩৫৯৪
    শাজাহান খান-দউলতখান-ভোলা- ০১৭১২-৮২৪০৭৫ *
    মোঃ আইউব হোসাইন (সুমন) -চউগাছা- যশোর- ০১৯১১-৫৯৪৪৮৪/০১৭৭১-৪৩৬৬৫৯ *
    শানজিদা পারভীন- সদর- যশোর – ০১৭৭৪-৯৯০৯৯০
    মোঃ রাসেল রানা- সারসা- যশোর- ০১৯৩৭-২৮৬৭৭৭
    মোঃ শাহা জামাল- জিকারগাছা – যশোর- ০১৭১৭-৯৬৬৫৫৮
    দেবাশীষ বিশ্বাস – অভয়নগর- যশোর- ০১৭১৯-০১৯৩৪৪
    সঞ্জয় রয়- কেশবপুর-যশোর- ০১৯১৮-৮০৭২৯৫
    দেবাংশু বিশ্বাস- মনিরাম পুর- ০১৭২৪-৯৯৯৬২৬
    বিপ্লব কুমার – বাগেরপাড়া – ০১৯৬৩-৪৯৮০৩৬
    ফাহিম সাহারিয়ার- সদর- কুষ্টিয়া – ০১৯২২-৩৫৯৭৭৫ **
    আলোমগীর – নোয়াখালী – ০১৭১৪-৭৮৫৪৬৭ *
    (——-) – পঞ্চগর- ০১৯৪৮-০৪৩০৪৭
    মোঃ জাহিদ – সদর- টাঙ্গাইল – ০১৮৪০-৯৭৫৩৫৭ *
    মোঃ জহিরুল – নওগাঁ – ০১৭৩১-২৭০২৪০ *
    তন্দ্রা রাণী মন্ডল-নড়াইল সদর-০১৯৩৮৬৮১৩৫২
    প্রনব মুজমদার-কালিয়া -০১৭৬৩৯৯০১০০
    ববিতা খাতুন-মাগুরা সদর-০১৭২৫৩৬৩৬৭৩
    সামছুন নাহার-শালিখা-০১৯২৯৩৮৪১০৫
    মো: আরিফুজ্জামান-মোহাম্মদপুর-০১৯১২৪৯১২৩৪
    পিকুল আবেদ-ঝিনাইদহ সদর-০১৭১৮৭৩৯১০২
    আব্দুর সালাম-শৈলকুপা-০১৯২৩১৮৫৯৫৭
    লাকী-আরা-নার্গিস-মহেশপুর-০১৭৩৩১৯৮২৭২
    চম্পা কোটচাদপুর-০১৯১৬৬৮১৩০৩
    মো: হোসেনুর আল তারিফ-হরিণাকুন্ড-০১৯২১১৫০০১৪
    মো: মোসত্মাফিজুর রহমান-কালীগঞ্জ-০১৭১৫২৯০৭৩৮

    • Sohag says:

      জাহিদ ভাই সাহসিকতা দেখাতে লিখি নি নিজের ও অন্যান্য সকল এর মনের কষ্ট ব্যক্ত করার চেষ্টা আর কি !!!! আমাদের কাঠামো ব্যবধান টা যথেষ্ট বেমানান ।

      • কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারী says:

        সবাইকে শুভেচ্ছা……….
        আপনাদের পরিবারে নতুন সদস্য, মাঝে মাঝে আপনাদের লেখা পড়ি লিখতে ইচ্ছা করে না, জানি না কেন, তবে মনে হচ্ছে এখন থেকে প্রায়ই লিখবো,
        কারন তো একটা আছে পরে বলবো…….
        সোহাগ ভাই এগিয়ে যান, আছি পাশে আমরা এবং আমরা সবাই…….

    • নিমাই চন্দ্র বসাক says:

      নিমাই চন্দ্র বসাক- দিনাজপুর সদর -০১৭২৩-১১০২৩৪

    • সুমন, চৌগাছা, ০১৯১১৫৯৪৪৮৪ says:

      চাঁদপুর জেলার
      ০১ ফরিদগঞ্জ মোঃ কাকন খাঁন ০১৯১৪৬৪৪৫৫৮
      ০২ সদর সোমা পাল ০১৯১৬৬৪৮৭১৩
      ০৩ হাইমচর মোঃ আবুল হাসনাত ০১৯১১৫৮০২৬১
      ০৪ হাজীগঞ্জ আঃ মুমিন ০১৯১৬৯৮৭৪০৪
      ০৫ শাহরাস্তি মোঃ সাখাওয়াত হোসেন ০১৭২৬৭৩২৬৫৪
      ০৬ কচুয়া মোঃ শরিফ হোসেন ০১৯২০১৫৮৫৯৩
      ০৭ মতলব(দঃ) মোঃ ওসমান গনি ০১৭১৮৮০১৩১৪
      ০৮ মতলব(উঃ) রোকসানা আক্তার ০১৮৫৭৩৩৪১৫৫

    • GIAS UDDIN KHAN says:

      মোঃ গিয়াস উদ্দিন খান, মোবাইল নম্বর-০১৭২২৫৯২৭২৯। বানিয়াচং, হবিগঞ্জ

  12. mizan uco says:

    একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পটিকে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক করায় মাননীয় প্রধান মন্ত্রী মহোদয়কে ধন্যবাদ।

  13. Sattyazit, Lipon, Monojit says:

    বাংলাদেশের মহান স্থপতি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সফল প্রধানমন্ত্রী ও ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার , দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার একমাত্র স্বপ্ন ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত ডিজিটাল বাংলাদেশ । সেই আলোকেই শুরু করেন “একটি বাড়ি একটি খামার ” প্রকল্প। বাংলাদেশের প্রতিটি উপজেলার ন্যায় খুলনা জেলার ফুলতলা উপজেলাতেও ২১৬০ জন হতদরিদ্র্য মানুষকে নিয়ে এই প্রকল্পটি বিদ্যমান। হতদরিদ্র্য মানুষ এ প্রকল্প থেকে ঋণ সহায়তা নিয়ে গড়ে তুলেছে আয় বর্ধনমূলক বিভিন্ন প্রকল্প। এই প্রকল্প থেকে ঋণ সহায়তা পাওয়ার কারণে ফুলতলা উপজেলাতে অন্যান্য মুনাফাখোর এনজিও-দের তৎপরতা একেবারেই নেই বললেই চলে। বিভিন্ন আয় বর্ধনমূলক খামার গুলো পরিদর্শনের জন্য মাননীয় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক , খুলনা – জনাব ড. মোঃ আঃ হাকিম, মহোদয় ও উপজেলা সমন্বয়কারী জনাব সত্যজিৎ বিশ্বাস, ফিল্ড সুপারভাইজার জনাব লিপন মোহন্ত , কম্পিউটার অপাঃ কাম হিসাব সহকারী মনোজিত কুমার মন্ডল ০৪/০৯/২০১৩খ্রিঃ তারিখ সকাল ০৮:০০ ঘটিকায় দামোদর দক্ষিণ পাড়া গ্রাম উ্ন্নয়ন সমিতি কর্তৃক আয়োজিত উঠান বৈঠকে উপস্থিত হয়ে সদস্যদের মাঝে মূন্যবান দিক নির্দেশনা ও দারিদ্র্য মুক্তির বিভিন্ন উপায় সম্পর্কে আলোচনা করেন। আলোচনা শেষে স্কীন প্রিন্ট, গবাদিপশু পালন, পান চাষ, কোয়েল পালন মৌ-চাষ খামার গুলো পরিদর্শন শেষে চলে যান বানিয়া পুকুর গ্রাম উন্নয়ন সমিতিতে মৎস্য চাষ, গবাদিপশু পালন, মৌ-চাষ ও ঋণ নিয়ে গড়ে ওঠা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র খামার গুলো পর্যবেক্ষণ করেন। তারপর রওনা হন কারিকর পাড়া গ্রাম উন্নয়ন সমিতিতে । সেখানে গিয়ে মহিলা তাতিদের গামছাবুনোন পরিদর্শন করে অত্যন্ত খুশি হন ও তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি জেলা প্রাশাসক খুলনা মহোদয়-কে অবহিত করেন। তার পর একটি বাড়ি একটি খামার কার্যালয়ে ফিরে এসে মাশরুম ও মৌ-চাষ পালনে বিশেষ প্রশিক্ষণ নেওয়া প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করেন। তারপর ফিরেযান বরণ পাড়া গ্রাম উন্নয়ন সমিতিতে সেখানে গিয়ে হাসের খামার পরিদর্শন করে অত্যন্ত খুশি মনে চলে যান গিলাতলা দঃ পাড়া গ্রাম উন্নয়ন সমিতিতে গিয়ে মাশরুম চাষ পরিদর্শন শেষে প্রকল্পের কর্মকর্তা কর্মচারীদের ধন্যবাদ জানান ও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করার অনুরোধ করেন এবং আগামী মাসে আবারো জেলা প্রশাসক খুলনা মহোদয়কে নিয়ে মৎস্য ঘের পরিদর্শনে যাবেন বলে সকলকে আশ্বস্থ করেন। সবশেষে বিকাল ০৩:০০ টায় সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে খুলনার উদ্দেশ্যে ফিরে যান। আমরা ফুলতলা একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের কর্মকর্তা কর্মচারী ও সকল সদস্যরা মিলে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক খুলনা মহোদয়কে স্বাগত জানাই।

  14. দেলোয়ার হোসেন says:

    ধন্যবাদ আলমগীর ভাই পিডি স্যারকে ই-মেইল করার জন্য আপনিতো সকল কম্পিউটার অপারেটর কাম- হিসাব সহকারীর মনের কষ্টের কথা লিখেছেন।

  15. মোঃ আলমগীর হোসেন says:

    আমি পিডি স্যার বরাবর নিমোক্তভাবে ই-মেইল করিছি।
    শ্রদ্ধেয় পিডি স্যার মহোদয়,
    আমরা যারা আপনার স্বাক্ষরিত চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপত্রের মাধ্যামে মহান কর্মে জড়িত থেকে দু-বেলা,ডাল ভাত খেয়ে জীবন ধারন করিতেছি,ঠিক তখনই আবার মহান বিধাতা করুনা আপনার উসিলাকে কেন্দ্র করে জীবনমান উন্নয়নের জন্যে আপনার হস্তক্ষেপ কামনা করি। ঠিক তখনই উপজেলা সমন্বয়কারী,মাঠ সংগঠক যদি আপনার সন্তান হয়ে থাকে,আমরা কি আপনার সন্তান নয়।আমরাতো আপনার সন্তানের মতো হয়ে মহান কর্মে জড়িত আছি। আপনার সকল উক্তি বুকে ধারন করে আমাদের অর্জিত শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে দ্রারিদ্র মানুষের অনুকুলে কাজ করিতেছি।আবার আপনার জ্ঞাতার্থে জানাতেছি যে, অনেক উপজেলা মাঠ সংগঠক পদায়ন নাই,সেইখানেতো সঞ্চয় উত্তোলন শতভাগ সম্পূর্ন হয়েছে,আবার যেখানে মাঠ সংগঠক পদায়ন আছে দেখা গেছে সেখানে সঞ্চয় উত্তোলন মাত্র ৩০-৪০ ভাগ সম্পুর্ন হয়েছে।তাই বলে কি কাজ থেমে আছে। সেখানে আমরা উপজেলা সমন্বয়কারীর সাথে মাঠে গিয়ে কাজ করিতেছি,অফিসিয়াল কজি করিতেছি,সেখানে কি আমাদের কাজকে ছোট করে দেখার আছে । সেজন্যে আপনার কাছে আকুল মিনতি মাঠ সংগঠকেরা যেমন স্মাতক উর্ত্তীন ,আমরো স্মাতক উর্ত্তীনসহ কম্পিউটার প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত,তাছাড়া অনেক উপজেলা কম্পিউটার অপারেটর উপজেলা সমন্বয়কারীর অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করে আসিতেছে। স্যার, আপনি ছাড়া আমাদেরতো মনের আকুতিগুলো কারোও কাছে বলার নাই,সেইজন্যে আমাদেরকে সম্মানজনক বেতন কাঠামোতে রাখার জন্যে আপনার নিকট আকুল মিনতি জ্ঞাপন করি।

  16. বরিশাল says:

    প্রকাশ : ২১ আগস্ট, ২০১৩ ০০:০০:০০
    একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প হচ্ছে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক
    আমিরুল ইসলাম

    অবশেষে সরকার বিলুপ্ত করছে বহুল আলোচিত-সমালোচিত কর্মসূচি একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের কার্যক্রম। তবে প্রকল্পটির আওতায় সুবিধাভোগীদের সঞ্চয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পল্লøী সঞ্চয় ব্যাংক নামে একটি নতুন ব্যাংক স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রকল্পটি বিলুপ্ত করে ব্যাংক গঠনের প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছেন। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের। সমবায় বিভাগ সূত্র জানায়, নবগঠিত ব্যাংকের মাধ্যমে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য সরকারি নিয়মিত অর্থ বরাদ্দ দেবে। প্রকল্পটির জনবল, অর্থ, স্থাবর-অস্থাবর সব সম্পদ, অফিস সরঞ্জাম, ব্যাংকের সম্পদ ও জনবল হিসেবে গণ্য হবে। দারিদ্র্যবিমোচন কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে ব্যাংকটি। প্রাথমিকভাবে দেশের ৪৮৫টি উপজেলায় পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের শাখা খোলা হবে। ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ধরা হয়েছে ৫০০ কোটি টাকা। এ বিষয়ে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব) প্রশান্ত কুমার রায় আলোকিত বাংলাদেশকে বলেন, প্রকল্পটি ব্যাংকে রূপান্তরের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা রয়েছে। সে আলোকে আমরা কাজ শুরু করেছি। এরই মধ্যে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের একটি খসড়া আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। তবে এখনও তা চূড়ান্ত করা হয়নি। একাধিক বৈঠক করে তা চূড়ান্ত করা হবে। ব্যাংক চালু হলে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প বিলুপ্ত হয়ে যাবে। এরই মধ্যে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের একটি আইন প্রণয়ন করা হয়েছে, যা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক ২০১৩ নামে নামকরণ করা হয়েছে। তৈরি করা খসড়ায় বলা হয়েছে, একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের সমিতি গঠন, সঞ্চয় জমা ও বৃদ্ধি, দারিদ্র্যবিমোচনে প্রশিক্ষণ, উঠান বৈঠক ও ঋণ প্রদানসহ যাবতীয় কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য ব্যাংক একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করবে। ব্যাংক কোম্পানি আইন ১৯৯৪ এবং ব্যাংক কোম্পানি সম্পর্কিত সময়ে সময়ে জারিকৃত আইন, বিধান বা নির্দেশনা নবগঠিত এ ব্যাংকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। কারণ সরকার দরিদ্র মানুষের পুঁজি গঠন ও দারিদ্র্যবিমোচনে এই বিশেষায়িত ব্যাংকটি সৃষ্টি করছে। তবে সরকার গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯৪ বা ব্যাংক কোম্পানি সম্পর্কিত সময়ে সময়ে জারিকৃত কোনো আইন, বিধি-বিধান ও নির্দেশনা অত্র ব্যাংকে প্রযোজ্য করার আদেশ জারি করতে পারবে।

    পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকায় এবং ৪৮৫টি ব্যাংকের শাখা খোলা হবে। পরে কাজের ব্যাপ্তির ওপর ভিত্তি করে ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যায়ে শাখা খোলা হবে। ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন হবে ৫০০ কোটি টাকা, যার পুরোটাই একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণোত্তর ঋণ সহায়তা তহবিল খাত দেয়া হবে। অনুমোদিত মূলধন ১ কোটি শেয়ারে বিভক্ত হবে এবং প্রতিটি শেয়ারের মূল্য হবে ১০০ টাকা। ভবিষ্যতে সরকারের অনুমোদনক্রমে মূলধনের পরিমাণ বাড়ানো যাবে। একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের সদস্যদের নিজস্ব সঞ্চয় ও সরকারের দেয়া কল্যাণ অনুদান তাদের শেয়ার সঞ্চয় হিসেবে গণ্য হবে।

    ব্যাংকের ৫০ ভাগ মালিকানা সরকারের অধীনে সংরক্ষিত থাকবে। তবে, এই মালিকানার জন্য সরকার কোনো লভ্যাংশ বা ডিভিডেন্ড পাবে না। এ আইনের অধীন প্রণীত বিধিমালা সাপেক্ষে, ব্যাংকের সাধারণ পরিচালনা, তদারকি এবং যাবতীয় প্রশাসনিক বিষয় ও কার্যক্রম বিধান অনুযায়ী পরিচালনা বোর্ডের ওপর ন্যাস্ত থাকবে। একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের আওতাধীন গঠিত সব গ্রাম সংগঠন সমিতি ব্যাংকের সদস্য পদ হবে। পল্লী অঞ্চলের যে কোনো প্রাথমিক সমবায় সমিতি ব্যাংকের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে। ১ হাজার টাকা ভর্তি ফি এবং কমপক্ষে ৫টি শেয়ার কিনে সমিতি ব্যাংকের সদস্য হতে পারবে। কোনো সমিতি ব্যাংকের কাছে ঋণ বা অন্য কোনো পাওনা না থাকলে ৩০ দিনের নোটিশ প্রদান করে সমিতি সদস্য পদ ত্যাগ করতে পারবে। সূত্র জানায়, ৩০ জুলাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পটি ব্যাংকে রূপান্তরের নির্দেশ দিয়েছেন। প্রকল্পটি গত সাড়ে ৪ বছর ধরে ৩ হাজার ১৬২ কোটি ৯৬ লাখ টাকা ব্যয়ে পরিচালিত হয়েছে। বর্তমানে প্রকল্পটিতে ৭ হাজার ১৬২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী কাজ করছেন। এসব জনবল নিয়োগে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। প্রকল্পটি ব্যাংকে রূপান্তর হলে এসব জনবল ব্যাংকের জনবল হিসেবে বিবেচিত হবে। তবে ব্যাংকের মাধ্যমে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পে সরকারি অর্থ বরাদ্দ অব্যাহত থাকবে বলে জানা গেছে।
    – See more at: http://www.alokitobangladesh.com/last-page/2013/08/21/17497#sthash.lFsCWEC5.dpuf

  17. মাজহারুল ইসলাম says:

    শ্রদ্ধেয় পিডি স্যার,
    আমি একজন ইউসিও। আমি একিটি প্রস্থাব করতে চাই। প্রস্বাবটি হচ্ছে, আমাদের প্রতিটি সমিতিতে সঞ্চয়ের বিপরীতে যে উৎসাহ সঞ্চয় দেওয়া হয়। এই উৎসাহ সঞ্চয় অনেক সদস্য ইতিমধ্যে ফেরৎ চাচ্ছে তাছাড়া ভবিষ্যতে যেকোন সময় ফেরৎ চাইবে, আর এই উৎসাহ সঞ্চয় ফেরৎ দেওয়া হলে সমিতির ফান্ড নষ্ট হবে, ফলে আমাদের এবাএখা’র সকল উদ্দেশ্য ব্যহত হবে। তাই উৎসাহ সঞ্চয় নামটি পরিবর্তন করে অন্য কোন ফান্ড হিসোবে টাকাটা সমিতিতে স্থানান্তর করলে সমিতির চিরস্থায়ী ফান্ড হয়ে থাকতো। আবার উৎসাহ সঞ্চয় না থাকলে যে সমস্যা হবে সেটা হলো সদস্যরা সঞ্চয়ে অনাগ্রহ প্রকাশ করতে পারে। তাই এমন কোন ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে, যাতে সদস্যরা সঞ্চয় জমা করতে বাধ্য হয়। যেমন :- 1)সমিতির সুবিধা ভোগ করতে হলে সদস্যকে নিয়মিত সঞ্চয় জমা করতে হবে। 2) সমিতি থেকে ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে সদস্যকে ঋণের ২০% সঞ্চয় জমা বাধ্যতামূলক করতে হবে। 3)সমিতির সদস্যদের মাঝে বছরে একবার নামমাত্র মূল্যের কৃষি বীজ অথবা কৃষি উপকরন বিতরণ করা যেতে পারে।
    তাছাড়া একনেক সভায় আরও কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে যা অত্যন্ত মঙ্গলজনক হবে।
    সকল প্রকার ভূলের জন্য ক্ষমা প্রার্থী।
    মাজহারুল ইসলাম।

  18. mizanur rahman says:

    একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প

  19. mizanurvrahman says:

    একটি বাড়ি একটি খামার

    • Abir says:

      সমন্বয়কারী ও মাঠ সংগঠকদের গ্রেড বৃদ্ধি করা হয়েছে। তাতে আমাদের কিছু বলার নেই। কিন্তু আমাদের গ্রেড বৃদ্ধি করা হয়নি কেন? তাহলে কি আমাদের সংখ্যালুঘু হিসাবে ধরা হয়েছে(যাদের অধিকার কম)। অনেকের মুখে শুনছি কম্পিউটার কাম হিসাব সহকারীদের ব্যাংক এশিয়া থেকে সম্মানী প্রদান করা হবে তার জন্য মুলত তাদের বেতন বৃদ্ধি করা হয়নি। কিন্তু আমার প্রশ্ন কম্পিউটার কাম হিসাব সহকারীদের যে সম্মানী প্রদান করা হবে তা কি এমনি নাকি ব্যাংক এশিয়ার কাজের মাধ্যমে। তাহলে প্রশ্ন দাড়ালো কি সমন্বয়কারী ও মাঠসংগঠকরা তাদের আগের অবস্থানে থেকে তাদের বেতন বৃদ্ধি আর আমরা আগের অবস্থানে থেকে বেতন বৃদ্ধি না হয়ে উপরোন্ত ব্যাংক এশিয়ার অতিরিক্ত কাজ করে পারিশ্রমিক আদায় করা যা নিতান্ত অমানবিক। এছাড়া এ প্রকল্পের উপজেলা পর্যায়ে সাফল্য ধরে রেখেছে আমার মতে উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তরা অথচ তাদেরকে আমারদের মত অবহেলার পাত্র করে দেখা হচ্ছে। আমাদের সম্মানীত উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয়গণ বরাবরই একটু বেশি ব্যস্ত থাকেন যার দরুন আমাদের সময় দিতে পারেন না তদুপরি আমাদের আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তা বেশি হওয়ায় প্রশাসনিক কাজের ক্ষেত্রে জটিলতা সৃষ্টি হয়। আশা করি প্রকল্পের উন্নয়নের স্বার্থে আমাদের প্রাণ প্রিয় পিডি মহোদয় উক্ত বিষয়গুলি অনুধাবন করে যথাযথ ব্যবস্থা নিবেন।

  20. sohag says:

    সুদিন এর অপেক্ষায় রইলাম

    • আর কত অপেক্ষা সুদিনের জন্য কেউ বলতে পারেন?

    • jereen khan says:

      একটি বাড়ি একটি খামার
      প্রকল্প সম্প্রসারণ অনুমোদন’
      পল্লী সমবায় ব্যাংক’ গঠনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
      নিজস্ব প্রতিবেদক:
      গ্রামীণ উন্নয়নে প্রতিটি বাড়িকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে তুলতে ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্পের কার্যক্রম সারা দেশে সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে দেশের সব ইউনিয়নে এই প্রকল্পের কার্যক্রম ছড়ানো হচ্ছে। এসব কারণে এই প্রকল্পের মেয়াদ ও বরাদ্দ দুটোই বেড়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের ব্যয় এক হাজার ৪৯৩ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে তিন হাজার ১৬৩ কোটি টাকা করা হয়েছে। এ ছাড়া এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন মেয়াদকাল ২০১৪ থেকে বাড়িয়ে ২০১৬ সাল পর্যন্ত করা হয়েছে। দ্বিতীয়বারের মতো এসব সংশোধনী এনে গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। রাজধানীর শেরে বাংলানগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করেন।
      সূত্র জানায়, এ সময় প্রএকটি বাড়ি একটি খামার
      প্রকল্প সম্প্রসারণ অনুমোদন’
      পল্লী সমবায় ব্যাংক’ গঠনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
      নিজস্ব প্রতিবেদক:
      গ্রামীণ উন্নয়নে প্রতিটি বাড়িকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে তুলতে ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্পের কার্যক্রম সারা দেশে সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে দেশের সব ইউনিয়নে এই প্রকল্পের কার্যক্রম ছড়ানো হচ্ছে। এসব কারণে এই প্রকল্পের মেয়াদ ও বরাদ্দ দুটোই বেড়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের ব্যয় এক হাজার ৪৯৩ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে তিন হাজার ১৬৩ কোটি টাকা করা হয়েছে। এ ছাড়া এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন মেয়াদকাল ২০১৪ থেকে বাড়িয়ে ২০১৬ সাল পর্যন্ত করা হয়েছে। দ্বিতীয়বারের মতো এসব সংশোধনী এনে গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। রাজধানীর শেরে বাংলানগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করেন।
      সূত্র জানায়, এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্পের টাকা-পয়সা লেনদেন ও এর কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পল্লী সমবায় ব্যাংক গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, দরিদ্র পরিবারগুলো টাকা সঞ্চয় করে। ক্ষুদ্র ঋণের পরিবর্তে এখন ক্ষুদ্র সঞ্চয় হচ্ছে। তাই দরিদ্র পরিবারগুলো যাতে তাদের পুঁজিকে কাজে লাগাতে পারে এবং এসব টাকা যেন বেহাত না হয় সে জন্য পল্লী সমবায় ব্যাংক গঠন খুবই জরুরি। তাই এই প্রকল্পের আওতায় পল্লী সমবায় ব্যাংক গঠন করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
      প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, এই ব্যাংক থেকে দরিদ্র নারী-পুরুষ চার থেকে পাঁচ শতাংশ সুদে ঋণ নিয়ে তাদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে পারবে। একই সঙ্গে এই ব্যাংকের মাধ্যমে তারা টাকা লেনদেনের পাশাপাশি সঞ্চয়ও করতে পারবে। এতে দুর্নীতি বন্ধ হবে। এই ব্যাংক গঠিত হলে গ্রামের সাধারণ মানুষ উপকৃত হবে বলে প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেন। বৈঠক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
      স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ‘এটি আপনার (প্রধানমন্ত্রীর) পছন্দের প্রকল্প। এই প্রকল্পের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ ব্যাপক উপকৃত হচ্ছে। প্রকল্পটি যাতে সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়িত হয়, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া হবে।’
      সূত্র জানায়, গতকালের একনেক সভায় ‘বরেন্দ্র এলাকায় গভীর নলকূপের মাধ্যমে সুপেয় পানি সরবরাহ’ শীষর্ক একটি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করা হয়। এ প্রকল্পটি অনুমোদনের বিরোধিতা করেন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী। তিনি বলেন, এমনিতেই বরেন্দ্র অঞ্চলে পানি কমে যাচ্ছে। পানির স্তর অনেক নিচে নেমে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে এই প্রকল্পটি ভালো ফল বয়ে আনবে না বলে মন্তব্য করেন কৃষিমন্ত্রী। এই প্রকল্পের মাধ্যমে মরুকরণ প্রক্রিয়া আরো ত্বরান্বিত হবে বলে জানান মন্ত্রী।
      কৃষিমন্ত্রীর বক্তব্যের সুর ধরে পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ড. শামসুল আলম বলেন, এ ধরনের প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে আরো বিচার-বিবেচনা করা উচিত। তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে গভীর নলকূপ বন্ধ করে দেওয়া উচিত। এই নলকূপের মাধ্যমেই আর্সেনিকের উপদ্রব বেড়েছে। গভীর নলকূপের পরিবর্তে বৃষ্টির পানি ধরে রাখা ও খাল-বিল পুনঃখননের ওপর বিশেষ জোর দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। সূত্র জানায়, এর জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ভবিষ্যতে বিষয়টি দেখা যাবে। প্রকল্পটি যেহেতু নিয়ে আসা হয়েছে, তাই অনুমোদন দেওয়া হলো।
      সভায় শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া তাঁর মন্ত্রণালয়ের ‘হাজারীবাগের চামড়াশিল্প সাভারের স্থানান্তর’ শীর্ষক প্রকল্পটি দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পনা কমিশনে পড়ে আছে বলে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ করেন। জবাবে পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য হেদায়েত উল্লাহ আল মামুন বলেন, কারখানার মালিকরা সাভারে যেতে না চাইলে কেন এই প্রকল্পটি অনুমোদন করতে হবে? পরিকল্পনাসচিব ভুঁইয়া সফিকুল ইসলাম বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ৬০০ কোটি টাকা ব্যয় হবে। এটি অপচয় হবে বলে জানান সচিব। তাই প্রকল্পটি অনুমোদন দরকার নেই বলেও জানান তিনি।
      এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কারখানা কারা স্থানান্তর করবে বা না করবে বিষয়টি আমরা দেখব। প্রয়োজনে তাদের হাজারীবাগ থেকে উচ্ছেদ করা হবে। আগামী একনেক সভায় প্রকল্পটি উত্থাপনের জন্য কমিশনকে নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, চামড়াশিল্পে উন্নয়ন সহযোগীরা সহায়তা করতে চায়। কিন্তু কারখানা স্থানান্তর না করায় তারা এগিয়ে আসছে না। দ্রুত সাভারের প্রকল্প এলাকাকে শিল্পপল্লী হিসেবে গড়ে তোলার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।
      সভা শেষে পরিকল্পনা বিভাগের সচিব ভুঁইয়া সফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, একনেকে চার হাজার ৫৩২ কোটি টাকা ব্যয়ে ১০টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে তিন হাজার ৯২৮ কোটি টাকা সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে এবং অবশিষ্ট ৬০৪ কোটি টাকা বৈদেশিক সাহায্য থেকে মেটানো হবে। একনেক সভায় অনুমোদিত অন্য প্রকল্পের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, ৫২ কোটি টাকা ব্যয়ে মাওলানা ভাসানি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় উন্নয়ন, ৪৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় উন্নয়ন, ১১০ কোটি টাকা ব্যয়ে দেশের বিদ্যমান স্টেডিয়াম সংস্কার ও উন্নয়ন, ১১০ কোটি টাকা ব্যয়ে গভীর নলকূপ থেকে পাইপের মাধ্যমে খাবার পানি সরবরাহ প্রকল্প। বৈঠক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
      স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ‘এটি আপনার (প্রধানমন্ত্রীর) পছন্দের প্রকল্প। এই প্রকল্পের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ ব্যাপক উপকৃত হচ্ছে। প্রকল্পটি যাতে সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়িত হয়, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া হবে।’
      সূত্র জানায়, গতকালের একনেক সভায় ‘বরেন্দ্র এলাকায় গভীর নলকূপের মাধ্যমে সুপেয় পানি সরবরাহ’ শীষর্ক একটি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করা হয়। এ প্রকল্পটি অনুমোদনের বিরোধিতা করেন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী। তিনি বলেন, এমনিতেই বরেন্দ্র অঞ্চলে পানি কমে যাচ্ছে। পানির স্তর অনেক নিচে নেমে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে এই প্রকল্পটি ভালো ফল বয়ে আনবে না বলে মন্তব্য করেন কৃষিমন্ত্রী। এই প্রকল্পের মাধ্যমে মরুকরণ প্রক্রিয়া আরো ত্বরান্বিত হবে বলে জানান মন্ত্রী।
      কৃষিমন্ত্রীর বক্তব্যের সুর ধরে পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ড. শামসুল আলম বলেন, এ ধরনের প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে আরো বিচার-বিবেচনা করা উচিত। তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে গভীর নলকূপ বন্ধ করে দেওয়া উচিত। এই নলকূপের মাধ্যমেই আর্সেনিকের উপদ্রব বেড়েছে। গভীর নলকূপের পরিবর্তে বৃষ্টির পানি ধরে রাখা ও খাল-বিল পুনঃখননের ওপর বিশেষ জোর দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। সূত্র জানায়, এর জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ভবিষ্যতে বিষয়টি দেখা যাবে। প্রকল্পটি যেহেতু নিয়ে আসা হয়েছে, তাই অনুমোদন দেওয়া হলো।
      সভায় শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া তাঁর মন্ত্রণালয়ের ‘হাজারীবাগের চামড়াশিল্প সাভারের স্থানান্তর’ শীর্ষক প্রকল্পটি দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পনা কমিশনে পড়ে আছে বলে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ করেন। জবাবে পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য হেদায়েত উল্লাহ আল মামুন বলেন, কারখানার মালিকরা সাভারে যেতে না চাইলে কেন এই প্রকল্পটি অনুমোদন করতে হবে? পরিকল্পনাসচিব ভুঁইয়া সফিকুল ইসলাম বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ৬০০ কোটি টাকা ব্যয় হবে। এটি অপচয় হবে বলে জানান সচিব। তাই প্রকল্পটি অনুমোদন দরকার নেই বলেও জানান তিনি।
      এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কারখানা কারা স্থানান্তর করবে বা না করবে বিষয়টি আমরা দেখব। প্রয়োজনে তাদের হাজারীবাগ থেকে উচ্ছেদ করা হবে। আগামী একনেক সভায় প্রকল্পটি উত্থাপনের জন্য কমিশনকে নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, চামড়াশিল্পে উন্নয়ন সহযোগীরা সহায়তা করতে চায়। কিন্তু কারখানা স্থানান্তর না করায় তারা এগিয়ে আসছে না। দ্রুত সাভারের প্রকল্প এলাকাকে শিল্পপল্লী হিসেবে গড়ে তোলার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।
      সভা শেষে পরিকল্পনা বিভাগের সচিব ভুঁইয়া সফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, একনেকে চার হাজার ৫৩২ কোটি টাকা ব্যয়ে ১০টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে তিন হাজার ৯২৮ কোটি টাকা সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে এবং অবশিষ্ট ৬০৪ কোটি টাকা বৈদেশিক সাহায্য থেকে মেটানো হবে। একনেক সভায় অনুমোদিত অন্য প্রকল্পের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, ৫২ কোটি টাকা ব্যয়ে মাওলানা ভাসানি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় উন্নয়ন, ৪৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় উন্নয়ন, ১১০ কোটি টাকা ব্যয়ে দেশের বিদ্যমান স্টেডিয়াম সংস্কার ও উন্নয়ন, ১১০ কোটি টাকা ব্যয়ে গভীর নলকূপ থেকে পাইপের মাধ্যমে খাবার পানি সরবরাহ প্রকল্প।

    • Eid mobrak all ebek servic holder’s UCO,COM-AC,FO

  21. mustafiz,kalignj,jhenaidah. says:

    গ্রামিন ব্যাংক নিয়ে অনেক দিন থেকে ভিবিন্ন ধরনের কথা হচ্ছে, অনেকে বলছে সরকার গ্রামিন
    ব্যাংকের মত একটি প্রতিষ্ঠান করে দেখাক ,

    আমার মনে হয় এর জবাব “একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প” দিতে পারে যদি সরকার সদয় হয়ে
    বিবেচনা করে।

    • jereen khan says:

      একটি বাড়ি একটি খামার
      প্রকল্প সম্প্রসারণ অনুমোদন’
      পল্লী সমবায় ব্যাংক’ গঠনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
      নিজস্ব প্রতিবেদক:
      গ্রামীণ উন্নয়নে প্রতিটি বাড়িকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে তুলতে ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্পের কার্যক্রম সারা দেশে সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে দেশের সব ইউনিয়নে এই প্রকল্পের কার্যক্রম ছড়ানো হচ্ছে। এসব কারণে এই প্রকল্পের মেয়াদ ও বরাদ্দ দুটোই বেড়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের ব্যয় এক হাজার ৪৯৩ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে তিন হাজার ১৬৩ কোটি টাকা করা হয়েছে। এ ছাড়া এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন মেয়াদকাল ২০১৪ থেকে বাড়িয়ে ২০১৬ সাল পর্যন্ত করা হয়েছে। দ্বিতীয়বারের মতো এসব সংশোধনী এনে গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। রাজধানীর শেরে বাংলানগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করেন।
      সূত্র জানায়, এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্পের টাকা-পয়সা লেনদেন ও এর কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পল্লী সমবায় ব্যাংক গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, দরিদ্র পরিবারগুলো টাকা সঞ্চয় করে। ক্ষুদ্র ঋণের পরিবর্তে এখন ক্ষুদ্র সঞ্চয় হচ্ছে। তাই দরিদ্র পরিবারগুলো যাতে তাদের পুঁজিকে কাজে লাগাতে পারে এবং এসব টাকা যেন বেহাত না হয় সে জন্য পল্লী সমবায় ব্যাংক গঠন খুবই জরুরি। তাই এই প্রকল্পের আওতায় পল্লী সমবায় ব্যাংক গঠন করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
      প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, এই ব্যাংক থেকে দরিদ্র নারী-পুরুষ চার থেকে পাঁচ শতাংশ সুদে ঋণ নিয়ে তাদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে পারবে। একই সঙ্গে এই ব্যাংকের মাধ্যমে তারা টাকা লেনদেনের পাশাপাশি সঞ্চয়ও করতে পারবে। এতে দুর্নীতি বন্ধ হবে। এই ব্যাংক গঠিত হলে গ্রামের সাধারণ মানুষ উপকৃত হবে বলে প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেন। বৈঠক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
      স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ‘এটি আপনার (প্রধানমন্ত্রীর) পছন্দের প্রকল্প। এই প্রকল্পের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ ব্যাপক উপকৃত হচ্ছে। প্রকল্পটি যাতে সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়িত হয়, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া হবে।’
      সূত্র জানায়, গতকালের একনেক সভায় ‘বরেন্দ্র এলাকায় গভীর নলকূপের মাধ্যমে সুপেয় পানি সরবরাহ’ শীষর্ক একটি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করা হয়। এ প্রকল্পটি অনুমোদনের বিরোধিতা করেন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী। তিনি বলেন, এমনিতেই বরেন্দ্র অঞ্চলে পানি কমে যাচ্ছে। পানির স্তর অনেক নিচে নেমে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে এই প্রকল্পটি ভালো ফল বয়ে আনবে না বলে মন্তব্য করেন কৃষিমন্ত্রী। এই প্রকল্পের মাধ্যমে মরুকরণ প্রক্রিয়া আরো ত্বরান্বিত হবে বলে জানান মন্ত্রী।
      কৃষিমন্ত্রীর বক্তব্যের সুর ধরে পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ড. শামসুল আলম বলেন, এ ধরনের প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে আরো বিচার-বিবেচনা করা উচিত। তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে গভীর নলকূপ বন্ধ করে দেওয়া উচিত। এই নলকূপের মাধ্যমেই আর্সেনিকের উপদ্রব বেড়েছে। গভীর নলকূপের পরিবর্তে বৃষ্টির পানি ধরে রাখা ও খাল-বিল পুনঃখননের ওপর বিশেষ জোর দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। সূত্র জানায়, এর জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ভবিষ্যতে বিষয়টি দেখা যাবে। প্রকল্পটি যেহেতু নিয়ে আসা হয়েছে, তাই অনুমোদন দেওয়া হলো।
      সভায় শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া তাঁর মন্ত্রণালয়ের ‘হাজারীবাগের চামড়াশিল্প সাভারের স্থানান্তর’ শীর্ষক প্রকল্পটি দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পনা কমিশনে পড়ে আছে বলে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ করেন। জবাবে পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য হেদায়েত উল্লাহ আল মামুন বলেন, কারখানার মালিকরা সাভারে যেতে না চাইলে কেন এই প্রকল্পটি অনুমোদন করতে হবে? পরিকল্পনাসচিব ভুঁইয়া সফিকুল ইসলাম বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ৬০০ কোটি টাকা ব্যয় হবে। এটি অপচয় হবে বলে জানান সচিব। তাই প্রকল্পটি অনুমোদন দরকার নেই বলেও জানান তিনি।
      এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কারখানা কারা স্থানান্তর করবে বা না করবে বিষয়টি আমরা দেখব। প্রয়োজনে তাদের হাজারীবাগ থেকে উচ্ছেদ করা হবে। আগামী একনেক সভায় প্রকল্পটি উত্থাপনের জন্য কমিশনকে নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, চামড়াশিল্পে উন্নয়ন সহযোগীরা সহায়তা করতে চায়। কিন্তু কারখানা স্থানান্তর না করায় তারা এগিয়ে আসছে না। দ্রুত সাভারের প্রকল্প এলাকাকে শিল্পপল্লী হিসেবে গড়ে তোলার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।
      সভা শেষে পরিকল্পনা বিভাগের সচিব ভুঁইয়া সফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, একনেকে চার হাজার ৫৩২ কোটি টাকা ব্যয়ে ১০টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে তিন হাজার ৯২৮ কোটি টাকা সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে এবং অবশিষ্ট ৬০৪ কোটি টাকা বৈদেশিক সাহায্য থেকে মেটানো হবে। একনেক সভায় অনুমোদিত অন্য প্রকল্পের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, ৫২ কোটি টাকা ব্যয়ে মাওলানা ভাসানি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় উন্নয়ন, ৪৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় উন্নয়ন, ১১০ কোটি টাকা ব্যয়ে দেশের বিদ্যমান স্টেডিয়াম সংস্কার ও উন্নয়ন, ১১০ কোটি টাকা ব্যয়ে গভীর নলকূপ থেকে পাইপের মাধ্যমে খাবার পানি সরবরাহ প্রকল্প।

  22. আলমগীর হোসেন says:

    আমি নির্ভরযোগ্যসূত্রে জানতে পারলাম যে, তিন (০৩) বছর প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি পেল, এর
    পরবর্তীতে foundation হবে, আর মাঠ সংগঠকদের গ্রেড ১২ হবে। আমি আরো জানতে পারলাম যে ,
    প্রা্য় ৮০ টি উপজেলার বেতন বিল সহ অন্যান্য বিল লেপস হয়ে গেল। আমার প্রশ্ন হলো ,আমিও
    কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারী, তাহলো যাদের বেতনভাতা সহ অন্যান্য বিল লেপস হলো
    তারা অফিসে কি করে? আমাদের হয়তবা গ্রেড ১৩ তে থাকতে হবে। তাদের কারনে আমাদের management
    সকল কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারীদের নেতিবাছক ধারনা জম্মিলো। আমরা সবাই এমনভাবে
    কাজ করতে হবে যেনে আমাদের management বলে আমরা আসলে কাজ করি। প্রতিদিন অফিসের কাজের
    পাশাপাশি মাঠ পরিদর্শন করতে হবে। আর এটা মনে রাখতে হবে বর্তমানে উক্ত অফিসে UCO (EBEK)
    আমাদের Superior তাদের সম্মান প্রদর্শনপূর্বক অফিস কার্য সম্পূর্ন করতে হবে।

    • MD. NURUL AMIN says:

      মাঠ সংগঠকরা যদি তাদের দাবিকৃত বেশি কাজের কারণে তাদের গ্রেড বৃদ্ধির আবেদন করেন। তাহলে সামনে যে সকল মাঠ সহকারী নিয়োগ দেয়া হচ্ছে তাদের কাজের পরিধি আরো বেশি হবে আমার মনে হয়। তাহলে কি তাদের বেতন মাঠ সংগঠকদের চেয়ে বেশি করা হবে? কাজ দিয়ে কি সব সময় বেতন নির্ধারণ করা হয়। যদি হয় তাহলে তো নিম্নস্তরের লোকদের বেতন বেশি হতো। আমরা কম্পি: কাম হি: সহকারীরা যে কি পরিমান দায়িত্বে আছি তা নিচ্চই আমাদের পিডি মহোদয় অবগত আছেন। তাছাড়া তারা কোন দিন আবার বলে বসে আমাদের হেড অফিসের কর্তারা তো অফিসে এসিতে বসে থাকেন আমাদের বেতন তাদের চেয়ে বেশি দিতে হবে!

  23. আরিফ,মাগুরা says:

    মাঠ সংগঠকরা অনেক পরিশ্রম করেন তাদের ভাল কিছু হোক এটা আমরা নিশ্চয় চাই। তবে আমরা যে
    শুধু অফিসে বসে থাকি এ রকম যিনি ভাবেন তারা হয়তো আমাদের কাজ সম্পর্কে ধারনাই নেই।তাদের
    ধারনা শুনে স্কুলের ইংরেজি পাঠ্যবইয়ের সেই গল্পের কথা মনে পড়ে যায় ‍‌’শরীরের প্রতিটি
    অংগ মনে কারে পেট কোন কাজ করেনা পেট শুধু খায় আর খায়।এ কথা শুনে যে দিন পেট খাওয়া বন্ধ
    করে দিলো সে দিন শরীরের হাত, পা ও অন্যান্য অংগ দুর্বল ও অচল হয়ে পড়লো তখন সবাই বুঝলো
    যে, পেট শুধু খাই না কাজও কারে। আমরা যারা কম্পি: অপা: কাম হিসাব সহকারী হিসেবে কাজ
    করছি তারা হিসাব , প্রসাশনিক, ও আইটি এ ৩টি শাখায় কাজ করি অর্থৎ অফিসের নথি প্রসেসিং এর
    মুল কাজটিই আমারা করে থাকি অফিসার বৃন্দ শুধুমাত্র স্বাক্ষর করেন।আমরা অফিস
    ব্যবস্থাপনার মূল কাজটি করে থাকি বিদায় ৫দিনের টিওটি প্রশিক্ষণ আমাদেরকেই দেওয়া
    হয়েছে।এবং অনেক উপজেলাতে সমন্বয়কারী হিসেবে কম্পি: অপা: কাম হিসাব সহকারীকেই দায়িত্ব
    দেওয়া হয়েছে। সুতারং কর্তৃপক্ষ আমাদের পদ মর্যাদার বিষয়টি নিশ্চয় খতিয়ে দেখবেন বলে আশা
    রাখি।

  24. babu says:

    আমরা এ অথဃ বছরে ভালই সঞ্চয় আদায় করলাম। হত-দরিদ্র মানুষকে যথেষ্ট মুটিভেশন
    করলাম…কিন্তু অনেক বেক পেতে হল কারণ সুদ-খোর কিছু এনজিও একটি বাড়ি একটি খামার সম্পকেဃ
    কত যে ধোকাবাজি, বেলকিবাজির কথা বলে তা গ্রামের সহজ সরল দরিদ্র জনগোষ্ঠীরা খুব সহজে
    আমাদের কাছে এবার প্রকাশ করেছে।যদি হত-দরিদ্র মানুষকে আরও বেশি বেশি মুটিভেশন করলে অথবা
    সাধারণ উপকারভোগীদের সাথে খুব বেশি মিশতে পারলে আমাদের সফলতা আরও বেশি হবে এটা
    নিঃসন্দেহে বলতে পারি……এবং আমাদেরকে কোন সুদ-খোর এনজিওর(যারা এবাএখা বিরোধী)
    বিরুদ্ধে কোন প্রতিবাদী ভাষা ব্যবহার করতে হবে না কারন আমাদের মুটিভেশন করা সমগ্র দেশের
    উপকারভোগীরা রক্তচুষা এনজিওর বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হয়ে উঠবে।

  25. মোঃ ওমর ফারুক says:

    “একটি বাড়ী একটি খামর ” প্রকল্পের দারিদ্রতার কমিয়ে আনার লক্ষে আমরা সবাই কাজ করে
    যাচ্ছি। ‍কিন্তু প্রকল্পের জন্য একটি মোটরসাইকেল এবং দু’টি বাইসাইকেল দেওয়া হয়েছে।
    বর্তমানে আমাদের মাঠ সংগঠক ভাইয়েরা ডিজিটাল যুগে লজ্জায় না অংহকারে /কষ্ঠের কারণে
    বাইসাকেল চালিয়ে মাঠ পর্যায়ে পরিদর্শন করতে অনীহা/আগ্রহ বোধ দেখা যায় না। আমাদের
    উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষের কাছে আমার অনুরোধ মাঠ কর্মী ভাইদের জন্য একটি করে মোটসাইকেল
    প্রদান এবং তাদের বেতন থেকে আনুপাতিক হারে কর্তন করে উক্ত টাকা পরিশোধের ব্যবস্থা করলে
    প্রকল্পের গতি ফিরে আসবে এবং নিয়মিত পরিদর্শন সহ যাবতীয় কার্যক্রম হবে বলে আমার
    বিশ্বাস।

  26. এবাএখা says:

    একাটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পে গত দু’বছরে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা তহবিল
    দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী সৈয়দ
    আশরাফুল ইসলাম।

    রোববার সংসদ অধিবেশনে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. রহমত আলীর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ
    তথ্য জানান।

    তিনি বলেন, একাটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পে গত দু’বছরে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা তহবিল
    দাঁড়িয়েছে। ৪০ টি জেলায় ইউনিয়ন তথ্য সেবা কেন্দ্র ও উপজেলা প্রকল্প অফিসের মাধ্যমে
    অনলাইন ব্যাংকিং শুরু হয়েছে। আগামী অর্থ বছরে ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্পে মূলধন
    দাঁড়াবে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা। একই সঙ্গে ৬৪ টি জেলার ৪৮৩ টি উপজেলার ৪০ লাখ
    দরিদ্র পরিবারকে অনলাইন ব্যাংকিং-এর আওতায় আনা হবে।

    এই প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হবার পরে এই কার্যক্রমকে স্থায়ী করার জন্যে একটি স্বতন্ত্র
    ফাউন্ডেশন বা অন্য কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে বলেও
    তিনি সংসদকে জানান।

  27. মো: কামাল হুসাইন,উপজেলা সমন্বয়কারী,বাউফল,পটুয়াখালী। says:

    একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের কর্মকর্তা/কর্মচারীরা খুব অসহায় অবস্থায় আছি।কেননা উপজেলা পর্যায়ে আমাদের ঠিকমত বসার কোন অফিস কক্ষ নেই। পল্লী ভবনের প্রশিক্ষণ কক্ষে দেয়া হয়েছে আমাদের অফিস কক্ষ । সেখানে শুধু আমদের প্রকল্পের অফিস কক্ষই নয় আরো দুটি প্রকল্পের অফিস কক্ষ।সুতরাং বুঝাই তো যায় যে অফিস সময়ে বিভিন্ন প্রকল্পের উপকারভাগীরা অফিসে এলে এখানে কি অবস্থা বিরাজ করে।তাছাড়াও কিছুদিন পরপর যেখানে বিভিন্ন প্রকল্প কিংবা বিভিন্ন এনজিওর প্রশিক্ষণ হয়। যখন আমাদের অফিস কক্ষ রেখে বাহিরে অবস্থান করতে হয়।অফিসেও আমরা বেশি কথা বলতে পারিনা কেননা আমরা তাদের ভাড়া টাকা এমনকি বিদ্যুত বিলের টাকা পরিশোধ করিনা যার জন্য আমাদের বিভিন্ন কথা শুনতে হয়।ইউএনও অফিসে অনেক ঘোড়াঘোড়ির পরও কোন রুমের সন্ধান করতে পারিনি। আমি মনে করি আমাদের মত অনেকই এধরণের সমস্যায় জর্জরিত আছেন।

    • jan says:

      একাটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পে গত দু’বছরে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা তহবিল দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।

      রোববার সংসদ অধিবেশনে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. রহমত আলীর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

      তিনি বলেন, একাটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পে গত দু’বছরে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা তহবিল দাঁড়িয়েছে। ৪০ টি জেলায় ইউনিয়ন তথ্য সেবা কেন্দ্র ও উপজেলা প্রকল্প অফিসের মাধ্যমে অনলাইন ব্যাংকিং শুরু হয়েছে। আগামী অর্থ বছরে ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্পে মূলধন দাঁড়াবে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা। একই সঙ্গে ৬৪ টি জেলার ৪৮৩ টি উপজেলার ৪০ লাখ দরিদ্র পরিবারকে অনলাইন ব্যাংকিং-এর আওতায় আনা হবে।

      এই প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হবার পরে এই কার্যক্রমকে স্থায়ী করার জন্যে একটি স্বতন্ত্র ফাউন্ডেশন বা অন্য কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে বলেও তিনি সংসদকে জানান।

      National Parlament of BD
      Dated: 14/07/2013

  28. tipin says:

    জিমি আমির: মেয়াদ বাড়ছে একটি বাড়ি, একটি খামার প্রকল্পের। প্রকল্পটির মেয়াদ ৩ বছরের জন্য বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে সরকার। দেশের সব উপজেলায় প্রকল্পের কর্মসূচি ছড়িয়ে দিতেই এ উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় সচিব।
    সামাজিক নিরাপত্তা বেস্টনীর আওতায় বর্তমান সরকারের প্রথম বাজেটে ৯২ কোটি টাকার বরাদ্দ নিয়ে শুরু হয়েছিল ‘একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প’। বেশিরভাগ জায়গায় এই প্রকল্পে সাফল্যও এসেছে।
    একটি করে উপজেলার ৩৬টি ওয়ার্ডে ৬০টি দরিদ্র পরিবারকে এই প্রকল্পের আওতায় নেয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের অধীনে, প্রত্যেক পরিবারের একজন সদস্য ২শ টাকা করে দেয়, সেই সাথে সরকার দেচ্ছে আরো ২শ টাকা। সব মিলিয়ে যে বড় অংকের টাকা জমা হয়, সেখান থেকে ৭ থেকে ৮ শতাংশ হারে ঋণ নিয়ে বিনিয়োগ করা হয়। প্রকল্পটিতে সাফল্য পেয়ে, ৩ বছরের জন্য প্রকল্পটির মেয়াদ বাড়াতে যাচ্ছে সরকার বলে জানালেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব এম এ কাদের সরকার।
    এছাড়া কর্মসৃজন প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচিও হাতে নিচ্ছে সরকার।
    স্বাধীনটিভি

  29. সাখাওয়াত হোসেন says:

    আমাদের একটাই দাবি একটি বাড়ি একটি খমার কে রাজস্ব খাতে উন্নতি করা হোক

    • মাজহারুল ইসলাম says:

      আমাদের চাওয়া কতটা প্রাধান্য পাবে কর্তৃপক্ষের কাছে ?

  30. A T KHAN says:

    একটি বারি একটি খামার পরিবারের পক্ষ থেকে

    সকল শ্রমজীবী মানুষের প্রতি রইলো অজস্র সম্মান শ্রদ্ধা
    মে দিবসের এ লগ্নে ……………

  31. আলমগীর হোসেন says:

    একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পে চাকরি করে সব সময় চিন্তা পড়ে থাকি কখন বিধাতা কি করে । তাছাড়া বিয়ে পযন্ত করি নাই। তবে আমি একটি আশায় ধরে পড়ে আছি , আমাদের অবশ্যই একটা কিছু হবে,এই ফরয কাজের চিন্তা করে হয়তবা বিধাতা আমদের চাকরি সরকারী করে দিবে।

    • JAN says:

      Bhaiya apni ki Noakhali Begumgonj er Alamgir bhai(Comp. Oppa. cum accounce)

    • সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক শেখ মুজিবর রহমান এর সুযোগ্য কন্যা বাংলাদেশের কর্ণধার মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন কোটি কোটি মানুষের জীবন গড়ার হাতিয়ার ‘একটি বাড়ি একটি খামার’প্রকল্প যত দ্রুত সম্ভব রাজস্ব খাতে স্থানান্তর করত: প্রকল্পের কর্মকর্তা/কর্মচারী ও বাংলাদেশের সর্বস্তরের গরীব দুঃখি মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের হাতিয়ার ‘এবাএখা’ স্থায়ীরুপ দেওয়ার জন্য মাননীয় পিডি স্যার ও বাংলাদেশের কর্ণধার মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের আকুল আবেদন করছি।

    • বাংলাদেশ ব্যাংকের
      সিদ্ধান্তের আগেই আমাদের পিডি মহোদয় তা চিন্তা করেছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর
      স্বপ্নপ্রসূত দারিদ্র বিমোচনের এ মহত প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা অনলাইন ব্যাংকে গ্রাম
      পর্যায়ে নিয়ে যেতে সক্ষম হবো ইনশাল্লাহ। বিষয়টি বিবেচনা করে সরকার যদি এবাএখা
      প্রকল্পটিকে চলমান অর্থ বছরের মধ্যে একটি স্থায়ী আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে রুপদান করে
      তাহলে দেশের দারিদ্র বিমোচনের জন্য একটি বিরাট সাফল্য হবে এবং দেশ বেকারত্বের অভিশাপ
      থেকে মুক্তি পাবে।

    • Md. Ayub Hossain Sumon says:

      আমাদের ভবিষ্যত কি হবে? তা আমরা কেউ জানি না। সবাই সবার জন্য দোয়া করা ছাড়া আর কোন উপায়া নাই। কম্পিউটার অপারেটরদের ডিএ ৫০০/ থেকে ২৫০/ করা হলো এটা খুব দু:খজনক।

      • Md. Ayub Hossain Sumon says:

        আমরা সবাই আশা করব, একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পটির একটা স্থায়ী রুপ দান করবেন। আমি এবং আমরা মনে করি একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের মাধ্যমেই আমাদের দেশের উন্নয়ন সম্ভব। সুতরাং আমাদের এই প্রকল্পটিকে দল মত নির্বিশেষে সবাইকে স্থায়ী রুপ দানের কথা তথা আমাদের দেশের উন্নয়নের স্বার্থে ভাবা উচিত। আমরা আর কত কাল উন্নয়নশীল দেশ হিসাবে থাকবো। আমরা যে দলই করি না কেন আমাদের সবারই দেশের উন্নতির কথা চিন্তা করা উচিত । আমাদেরকে দেশের স্বার্থর কথা চিন্তা করতে হবে। আমাদের দেশ উন্নতি লাভ করলে আমাদেরও উন্নতি হবে। আমরা সবাই আশা করব বর্তমান সরকার একটি বাড়ি একটি খামারকে জাতীয় করণ করবে। কারণ এই প্রকল্পটি আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজস্ব প্রকল্প। তিনি এই প্রকল্পটি জাতীয় করণ না করে গেলে আমাদের দেশের যে অবস্থা তাতে এই সুন্দর প্রকল্পটি হয়তো ভবিষ্যতে নাও থাকতে পারে। তাই এখনি সুযোগ দেশের উন্নতির স্বার্থে এই প্রকল্পটি জাতীয় করণ করার।

  32. khan says:

    এবাএখা প্রকল্প একটি আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি সম্পন্ন প্রকল্প।আমার জানা মতে বাংলাদেশে
    ইতিপুর্বে এরকম দারিদ্র বিমোচন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়নি। এ প্রকল্পের কিছু বৈশিষ্ট্য
    রয়েছে তার মধ্যে মোবাইল ব্যাংকিং অন্যতম যার মাধ্যমে পল্লীর দরিদ্র জনগোষ্ঠি অনলাইন
    পদ্ধতিতে তাদের টাকা জমা রাখবে এবং ঋণের টাকা উত্তোলণ করবে এটা আমাদের একটি বিরাট
    সাফল্য। সেদিন পত্রিকায় দেখলাম যে,বাংলাদেশ ব্যাংক গ্রামীণ অর্থনীতি ও কৃষি পরিবারকে
    ব্যাংকিং খাতের আওতায় নিয়ে আসার জন্য বানিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে গ্রাম পর্যায়ে শাখা থোলার
    কথা বলেছে এবং নতুন করে অনলাইন ব্যাংক অনুমোদন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দেশের সমগ্র
    আর্থিক ব্যাবস্থাপনা ব্যাংকিং খাতের আওতায় না আসলে জিডিপি হিসাব সঠিক হয়না। আমাদের
    পিতৃতুল্য পিডি মহোদয়ের নেতৃত্বে এ রকম একটি কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে এবং আগামী
    দু’মাসের মধ্যে দেশের সকল উপজেলাতে মোবাইল ব্যাংকিং চালু হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের
    সিদ্ধান্তের আগেই আমাদের পিডি মহোদয় তা চিন্তা করেছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর
    স্বপ্নপ্রসূত দারিদ্র বিমোচনের এ মহত প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা অনলাইন ব্যাংকে গ্রাম
    পর্যায়ে নিয়ে যেতে সক্ষম হবো ইনশাল্লাহ। বিষয়টি বিবেচনা করে সরকার যদি এবাএখা
    প্রকল্পটিকে চলমান অর্থ বছরের মধ্যে একটি স্থায়ী আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে রুপদান করে
    তাহলে দেশের দারিদ্র বিমোচনের জন্য একটি বিরাট সাফল্য হবে এবং দেশ বেকারত্বের অভিশাপ
    থেকে মুক্তি পাবে।

    • এ প্রকল্পের মোবাইল ব্যাংকিং অন্যতম, যার মাধ্যমে পল্লীর দরিদ্র জনগোষ্ঠি অনলাইন
      পদ্ধতিতে তাদের টাকা জমা রাখবে এবং ঋণের টাকা উত্তোলণ করবে এটা আমাদের একটি বিরাট
      সাফল্য। সেদিন পত্রিকায় দেখলাম যে,বাংলাদেশ ব্যাংক গ্রামীণ অর্থনীতি ও কৃষি পরিবারকে
      ব্যাংকিং খাতের আওতায় নিয়ে আসার জন্য বানিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে গ্রাম পর্যায়ে শাখা থোলার
      কথা বলেছে এবং নতুন করে অনলাইন ব্যাংক অনুমোদন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দেশের সমগ্র
      আর্থিক ব্যাবস্থাপনা ব্যাংকিং খাতের আওতায় না আসলে জিডিপি হিসাব সঠিক হয়না। আমাদের
      পিতৃতুল্য পিডি মহোদয়ের নেতৃত্বে এ রকম একটি কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে এবং আগামী
      দু’মাসের মধ্যে দেশের সকল উপজেলাতে মোবাইল ব্যাংকিং চালু হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের
      সিদ্ধান্তের আগেই আমাদের পিডি মহোদয় তা চিন্তা করেছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর
      স্বপ্নপ্রসূত দারিদ্র বিমোচনের এ মহত প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা অনলাইন ব্যাংকে গ্রাম
      পর্যায়ে নিয়ে যেতে সক্ষম হবো ইনশাল্লাহ। বিষয়টি বিবেচনা করে সরকার যদি এবাএখা
      প্রকল্পটিকে চলমান অর্থ বছরের মধ্যে একটি স্থায়ী আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে রুপদান করে
      তাহলে দেশের দারিদ্র বিমোচনের জন্য একটি বিরাট সাফল্য হবে এবং দেশ বেকারত্বের অভিশাপ
      থেকে মুক্তি পাবে।

      • মোবাইল ব্যাংকিং এই প্রকল্পের অন্যতম একটি বড় পদক্ষেপ। এটি বাস্তবায়ন হলে দেশের একটি বড় জনগোষ্ঠী ডিজাটাল বাংলাদেশের আএতায় পড়বে। এতে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নটা বাস্তবায়ন হবে। মোবাইল ব্যাংকিং বাস্তবায়ন করতে হলে উপজেলা সমন্বয়কারীর সাথে সাথে কম্পিউটার অপারেটরদেরকেও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। কারণ কম্পিউটার অপারেটরাই মোবাইল ব্যাংকিং বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অগ্রনী ভূমিকা পালন করবে। সুতরাং তাদেরকে বাদ দিয়ে শুধুমাত্র উপজেলা সমন্বয়কারীদেরকে মোবাইল ব্যাংকিং প্রশিক্ষণ দিলে এটা কতটা বাস্তবায়ন হবে তা নিয়ে সন্দেহ আছে অনেকের মনে। প্রকল্প দপ্তরে উপজেলা সমন্বয়কারীদের যে মোবাইল ব্যাংকিং প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হবে সেটার সাথে কম্পিউটার অপারেটরদেরকে অন্তর্ভূক্ত করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানাছি। উপজেলা সমন্বয়কারী ও মাঠ সংগঠকদের প্রকল্পের সদর দপ্তরে রিফ্রেসার্স প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে কিন্তু অদ্য অবদি কম্পিউটার অপারেটরদের কোন প্রশিক্ষণ প্রকল্পের সদর দপ্তরে হয়নি। আমরা যারা কম্পিউটার অপারেটর আছি তাদেরকে যেন ভবিষ্যতে প্রকল্পের সদর দপ্তরে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়, সেজন্য প্রকল্প পরিচালক বরাবর বিশেষ অনুরোধ জানাছি। কম্পিউটার অপারেটররা একসাথে অফিস সহকারী, হিসাব সহকারী এবং কম্পিউটারের যাবতীয় কাজ করে সুতরাং তাদেরকে অবহেলা চোখে দেখা ঠিক না।

        • Sohag says:

          সকল কম্পিউটার অপারেটরা কাম হিসাব সহকারীদের মনের কথা তুলে ধরার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ………।।

          • fahim says:

            ভাই মনের কথা তো কম বল্লাম না আমাদের কথা শোনার কেও কি আছে?

        • satyajit Das says:

          একমত পৌষণ করছি।

  33. Monojit Kumar Mandal says:

    প্রিয় অন্নদাতা পিডি স্যার

    এ প্রকল্পের মোবাইল ব্যাংকিং অন্যতম, যার মাধ্যমে পল্লীর দরিদ্র জনগোষ্ঠি অনলাইন
    পদ্ধতিতে তাদের টাকা জমা রাখবে এবং ঋণের টাকা উত্তোলণ করবে এটা আমাদের একটি বিরাট
    সাফল্য। সেদিন পত্রিকায় দেখলাম যে,বাংলাদেশ ব্যাংক গ্রামীণ অর্থনীতি ও কৃষি পরিবারকে
    ব্যাংকিং খাতের আওতায় নিয়ে আসার জন্য বানিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে গ্রাম পর্যায়ে শাখা থোলার
    কথা বলেছে এবং নতুন করে অনলাইন ব্যাংক অনুমোদন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দেশের সমগ্র
    আর্থিক ব্যাবস্থাপনা ব্যাংকিং খাতের আওতায় না আসলে জিডিপি হিসাব সঠিক হয়না। আমাদের
    পিতৃতুল্য পিডি মহোদয়ের নেতৃত্বে এ রকম একটি কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে এবং আগামী
    দু’মাসের মধ্যে দেশের সকল উপজেলাতে মোবাইল ব্যাংকিং চালু হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের
    সিদ্ধান্তের আগেই আমাদের পিডি মহোদয় তা চিন্তা করেছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর
    স্বপ্নপ্রসূত দারিদ্র বিমোচনের এ মহত প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা অনলাইন ব্যাংকে গ্রাম
    পর্যায়ে নিয়ে যেতে সক্ষম হবো ইনশাল্লাহ। বিষয়টি বিবেচনা করে সরকার যদি এবাএখা
    প্রকল্পটিকে চলমান অর্থ বছরের মধ্যে একটি স্থায়ী আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে রুপদান করে
    তাহলে দেশের দারিদ্র বিমোচনের জন্য একটি বিরাট সাফল্য হবে এবং দেশ বেকারত্বের অভিশাপ
    থেকে মুক্তি পাবে।

  34. Monojit Kumar Mandal says:

    প্রিয় অন্নদাতা পিডি স্যার

    আমরা অত্যন্ত নিষ্ঠারসাথে একটি বাড়ি একটি খামার কে বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি কিন্তু যতই আমরা কাজে মনোনিবেশ করি না কেন প্রকৃত মূল্যায়ন আমরা কি পাচ্ছি ? প্রায়ই সমিতিতে গেলেই সবাই বলে এনজিওর লোক এসেছে । তাছাড়া বিআরডিবি-র কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা প্রায়ই বলে থাকে একটি বাড়ি একটি খামারের ভবিষ্যৎ নাকি খুবই খারাপ এ প্রকল্প আর থাকবে না । জুন মাসের পরেই আমরা নাকি নিয়োমিত বেতন ভাতা পাবনা ! আর সরকার পরিবর্তন হলে তো কথাই নেই আমাদের গিলে খেয়ে ফেলবে । এই সমস্ত কথা শুনার পরে আমাদের কি মনোভাব হওয়া উচিৎ ? তাছাড়া বিআরডিবির কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কাছে আমরা প্রায়ই কথায় নাজেহাল হই । যাতে করে আমাদের মাঝে মাঝে কাজের স্পৃহা কমে যায় এবং পরবর্তী ভবিষ্যৎ নিয়ে খুবই শঙ্কিত হয়ে পড়ি । আমাদের “কত ফাগুন যে এলো গেলো, আমার লগন এলোনা”-। আপনার কাছে বিনীত নিবেদন আমাদের মাথাগোজার ঠাই করে দিয়ে, জীবনে বেঁচে থাকার মতো সুযোগ দান করুন ।

    আমরা সকলে আপনার আর্শীবাদ প্রার্থী ।

  35. Sohag says:

    মাঠ সংগঠক দের ১২ গ্রেড বেতন হলে কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারী দের ১১ গ্রেড করা উচিত

    • Monojit Kumar Mandal says:

      মাঠ সংগঠক দের ১২ গ্রেড বেতন হলে কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারী দের ১১ গ্রেড করা উচিত

    • babu says:

      মাঠ সংগঠক মাঠে এবং অফিসে যে সকল গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পাদন করে কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারীগণ তো ভাল জানার কথা কার বেতন স্কেল কত হবে? প্লীজ মতামত লিখুন…..

    • Md. Ayub Hossain Sumon, Chowgacha, Jessore, 01911594484 says:

      অবশ্যই মাঠ সংগঠকদের গ্রেড ১২ হলে কম্পিউটার অপারেটরদের গ্রেড ১১ হওয়া উচিত। আমরা সবাই এটার সাথে একমত হওয়া উচিত। আশা করি আমাদের শ্রদ্ধেয় পিডি স্যার ব্যাপারটা নিজে দেখবেন।

  36. Sohag says:

    সমন্বয়কারী দের রিফ্রেসার্স কোর্স হলো, মাঠ সংগঠক দের রিফ্রেসার্স কোর্স হলো আমরা যারা কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারী আছি তাদের ও রিফ্রেসার্স কোর্স করানো দরকার ।
    মাননীয় পি.ডি স্যার এর নিকট বিনীত নিবেদন এই যে আমাদেরও রিফ্রেসার্স কোর্স করানো হোক । তাহলে আমরাও আমাদের সকল অভিযোগগুলো বলতে পারতাম এবং প্রকল্প আদর্শ উদেশ্য সম্পর্কে আরো সুস্পট ধারনা পেতাম। সাথে আমাদের নির্দিষ্ট কাজের পরিধি ও জানতে পারতাম ।

  37. এবাএখা প্রকল্প একটি আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি সম্পন্ন প্রকল্প।আমার জানা মতে বাংলাদেশে
    ইতিপুর্বে এরকম দারিদ্র বিমোচন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়নি। এ প্রকল্পের কিছু বৈশিষ্ট্য
    রয়েছে তার মধ্যে মোবাইল ব্যাংকিং অন্যতম যার মাধ্যমে পল্লীর দরিদ্র জনগোষ্ঠি অনলাইন
    পদ্ধতিতে তাদের টাকা জমা রাখবে এবং ঋণের টাকা উত্তোলণ করবে এটা আমাদের একটি বিরাট
    সাফল্য। সেদিন পত্রিকায় দেখলাম যে,বাংলাদেশ ব্যাংক গ্রামীণ অর্থনীতি ও কৃষি পরিবারকে
    ব্যাংকিং খাতের আওতায় নিয়ে আসার জন্য বানিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে গ্রাম পর্যায়ে শাখা থোলার
    কথা বলেছে এবং নতুন করে অনলাইন ব্যাংক অনুমোদন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দেশের সমগ্র
    আর্থিক ব্যাবস্থাপনা ব্যাংকিং খাতের আওতায় না আসলে জিডিপি হিসাব সঠিক হয়না। আমাদের
    পিতৃতুল্য পিডি মহোদয়ের নেতৃত্বে এ রকম একটি কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে এবং আগামী
    দু’মাসের মধ্যে দেশের সকল উপজেলাতে মোবাইল ব্যাংকিং চালু হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের
    সিদ্ধান্তের আগেই আমাদের পিডি মহোদয় তা চিন্তা করেছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর
    স্বপ্নপ্রসূত দারিদ্র বিমোচনের এ মহত প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা অনলাইন ব্যাংকে গ্রাম
    পর্যায়ে নিয়ে যেতে সক্ষম হবো ইনশাল্লাহ। বিষয়টি বিবেচনা করে সরকার যদি এবাএখা
    প্রকল্পটিকে চলমান অর্থ বছরের মধ্যে একটি স্থায়ী আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে রুপদান করে
    তাহলে দেশের দারিদ্র বিমোচনের জন্য একটি বিরাট সাফল্য হবে এবং দেশ বেকারত্বের অভিশাপ
    থেকে মুক্তি পাবে।

    • shajalal says:

      মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,

      আসসালামু আলাইকুম।দেশ গঠনের কারিগড়, জাতীর জনক বঙ্গঁবন্ধু কন্যা আপনাকে জানাচ্ছি হাটহাজারী সাধারণ জনগণের পক্ষ হতে আন্তরিক অভিনন্দন। আমি সবপ্রথম গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, সবর্কালের সবশ্রেষ্ঠ বাঙ্গাঁলী জাতীর জনক বঙ্গঁবন্ধুকে। আমি হাটহাজারী সব সাধারণের পক্ষ হতে বঙ্গঁবন্ধু এবং বঙ্গঁবন্ধু পরিবরের ১৯৭৫ সালের শহীদ সকলের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।

      মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, জাতীর জনকের স্বপ্নের সোনারবাংলা গঠনে ক্ষুধা, দারিদ্র নিরসনে, দেশকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে মধ্য আয়ের দেশে পরিণত এবং ভিশন-২০২১ কমসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আপনার মহতী উদ্দ্যোগে পরিচালিত “একটি বাড়ি একটি খামার“ প্রকল্প গ্রহণকে আমি স্বাগত জানাচ্ছি।

      আমার ব্যক্তিগত অভিমত দিয়ে জানাচ্ছি যে, এ যাব কালে সমাজে অবহেলিত হতদরিদ্র মানুষের কল্যাণে সুন্দর পরিছন্ন জনকল্যাণময় এই রকম প্রকল্প কখনও হয়নি কিংবা দেখিনি। এ প্রকল্পের যে মূল দশর্ন- “দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সৃজনী সত্তাকে কাজে লাগানোর মধ্য দিয়ে জীবিকায়ন নিশ্চিত করা এবং এর মাধ্যমে দরিদ্র পরিবরের আয় বৃদ্ধি করে দারিদ্র মুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা“- যা আমার হৃদয়ে স্বশ করে। আমরা জানি জাতীর জনকের স্বপ্ন বাস্তবায়নে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প আপনার একটি স্বপ্নজাত প্রকল্প।
      প্রকল্পের প্রথমদিকে ৬০টি দরিদ্র পরিবারকে বাচাই করে তৈরি করা হয়েছিল গ্রাম উন্নয়ন সংগঠন এবং ৪টি ইউনিয়নে করা হয়েছিল ২০টি সমিতি। কৃষি, ম সচাষ, হাসঁ-মুরগী ও পশুপালন, নার্সারী ও সব্জিবাগান গড়ার লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি প্রদান করা হয় ১০০টি পরিবারে গরু, ৩০টি পরিবারে হাসঁ-মুরগী, ৪৪টি পরিবারে গৃহ মেরামতের জন্য ঢেউটিন, ৯০টি পরিবারে সব্জিবীজ এবং ১২০টি পরিবারে গাছের চারা।

      পরবর্তীতে নতুন আরো ১৬টি সমিতি বৃদ্ধির সাথে সাথে সমিতির সদস্যের সঞ্চয় জমা এবং প্রকল্প অফিস হতে প্রাপ্ত বোনাস এবং ঘূণয়মান ঋণ তহবিল বাবদ প্রাপ্ত টাকা মিলিয়ে প্রতিটি গ্রাম উন্নয়ন সমিতি আজ ভবীষ্য বুনীয়াদের স্বপ্ন দেখছে। পাশাপাশি প্রতিটি গ্রাম উন্নয়ন সমিতি তাদের ঋণের অথ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ও আয়বধক প্রকল্পে বিনিয়োগ করে স্বাবলম্বির পথে এগুচ্ছে। যা জনগণের বিশাল সম্বাবনার দুয়ার উম্নোচন করে দিয়েছে।
      মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আমি ব্যক্তিগতভাবে বিভিন্ন সমিতি এবং সমিতির উঠান বৈঠকে অংশগ্রহণ করে সরকারের মহতী উদ্দ্যোগের উদ্দেশ্য এবং সফলতার দিক তুলে ধরেছি। আমার মনে হয় এই ধারা অব্যাহত ও প্রকল্পকে একটি স্থায়ীরূপ প্রদানে এবং উপজেলার সব ইউনিয়নকে প্রকল্পের আওতাভুক্ত করে আরো ব্যপক জনগোষ্ঠিকে উক্ত কাযক্রমে অর্ন্তভুক্তির মাধ্যমে সত্যিকার অথে আমাদের দেশ একটি মধ্য আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার দিকে এগুচ্ছে এবং সাথে সাথে আমাদের জিডিপি ও বৃদ্ধি পাবে পরিচালনার সত্যিকারের বাংলাদেশ বঙ্গঁবন্ধুর স্বপ্নের সোনারবাংলা গঠনে অনেকদূর এগিয়ে যাবে এই আশা করছি। shopon khan

    • parvin says:

      মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,

      আসসালামু আলাইকুম।দেশ গঠনের কারিগড়, জাতীর জনক বঙ্গঁবন্ধু কন্যা আপনাকে জানাচ্ছি হাটহাজারী সাধারণ জনগণের পক্ষ হতে আন্তরিক অভিনন্দন। আমি সবপ্রথম গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, সবর্কালের সবশ্রেষ্ঠ বাঙ্গাঁলী জাতীর জনক বঙ্গঁবন্ধুকে। আমি হাটহাজারী সব সাধারণের পক্ষ হতে বঙ্গঁবন্ধু এবং বঙ্গঁবন্ধু পরিবরের ১৯৭৫ সালের শহীদ সকলের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।

      মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, জাতীর জনকের স্বপ্নের সোনারবাংলা গঠনে ক্ষুধা, দারিদ্র নিরসনে, দেশকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে মধ্য আয়ের দেশে পরিণত এবং ভিশন-২০২১ কমসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আপনার মহতী উদ্দ্যোগে পরিচালিত “একটি বাড়ি একটি খামার“ প্রকল্প গ্রহণকে আমি স্বাগত জানাচ্ছি।

      আমার ব্যক্তিগত অভিমত দিয়ে জানাচ্ছি যে, এ যাব কালে সমাজে অবহেলিত হতদরিদ্র মানুষের কল্যাণে সুন্দর পরিছন্ন জনকল্যাণময় এই রকম প্রকল্প কখনও হয়নি কিংবা দেখিনি। এ প্রকল্পের যে মূল দশর্ন- “দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সৃজনী সত্তাকে কাজে লাগানোর মধ্য দিয়ে জীবিকায়ন নিশ্চিত করা এবং এর মাধ্যমে দরিদ্র পরিবরের আয় বৃদ্ধি করে দারিদ্র মুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা“- যা আমার হৃদয়ে স্বশ করে। আমরা জানি জাতীর জনকের স্বপ্ন বাস্তবায়নে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প আপনার একটি স্বপ্নজাত প্রকল্প।
      প্রকল্পের প্রথমদিকে ৬০টি দরিদ্র পরিবারকে বাচাই করে তৈরি করা হয়েছিল গ্রাম উন্নয়ন সংগঠন এবং ৪টি ইউনিয়নে করা হয়েছিল ২০টি সমিতি। কৃষি, ম সচাষ, হাসঁ-মুরগী ও পশুপালন, নার্সারী ও সব্জিবাগান গড়ার লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি প্রদান করা হয় ১০০টি পরিবারে গরু, ৩০টি পরিবারে হাসঁ-মুরগী, ৪৪টি পরিবারে গৃহ মেরামতের জন্য ঢেউটিন, ৯০টি পরিবারে সব্জিবীজ এবং ১২০টি পরিবারে গাছের চারা।

      পরবর্তীতে নতুন আরো ১৬টি সমিতি বৃদ্ধির সাথে সাথে সমিতির সদস্যের সঞ্চয় জমা এবং প্রকল্প অফিস হতে প্রাপ্ত বোনাস এবং ঘূণয়মান ঋণ তহবিল বাবদ প্রাপ্ত টাকা মিলিয়ে প্রতিটি গ্রাম উন্নয়ন সমিতি আজ ভবীষ্য বুনীয়াদের স্বপ্ন দেখছে। পাশাপাশি প্রতিটি গ্রাম উন্নয়ন সমিতি তাদের ঋণের অথ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ও আয়বধক প্রকল্পে বিনিয়োগ করে স্বাবলম্বির পথে এগুচ্ছে। যা জনগণের বিশাল সম্বাবনার দুয়ার উম্নোচন করে দিয়েছে।
      মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আমি ব্যক্তিগতভাবে বিভিন্ন সমিতি এবং সমিতির উঠান বৈঠকে অংশগ্রহণ করে সরকারের মহতী উদ্দ্যোগের উদ্দেশ্য এবং সফলতার দিক তুলে ধরেছি। আমার মনে হয় এই ধারা অব্যাহত ও প্রকল্পকে একটি স্থায়ীরূপ প্রদানে এবং উপজেলার সব ইউনিয়নকে প্রকল্পের আওতাভুক্ত করে আরো ব্যপক জনগোষ্ঠিকে উক্ত কাযক্রমে অর্ন্তভুক্তির মাধ্যমে সত্যিকার অথে আমাদের দেশ একটি মধ্য আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার দিকে এগুচ্ছে এবং সাথে সাথে আমাদের জিডিপি ও বৃদ্ধি পাবে পরিচালনার সত্যিকারের বাংলাদেশ বঙ্গঁবন্ধুর স্বপ্নের সোনারবাংলা গঠনে অনেকদূর এগিয়ে যাবে এই আশা করছি।parvin akhter

  38. Jahangir Alam says:

    Honourable PD sir,
    Ami UNO sir er kace file note neye room boradder jonnow geyecilam.Se bolese kono room nei ei muhurte so room deya jabe na. but upazila mosque er ekta basa asay seta vara deya jabe.PD sir er sate kotha bolen vara dite parbe ki na?Ei obosta te ki korte pari sir?

    With Best Regards,
    Jahangir Alam.
    UCO,Gournadi,Barisal.
    +8801938879251.

    • Md. Ayub Hossain says:

      একটি বাড়ি একটি খামার পৃথিবীর সব থেকে ভাল প্রকল্পগুলোর মধ্যে অন্যতম। এটাকে সফল ভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে আমাদের দেশ একদিন উন্নত দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম সফল দেশ হবে। তাই এই প্রকল্পকে স্থায়ীরুপ দিতে হবে। সাথে সাথে আমাদেরকে সৎভাবে কাজ করে যেতে হবে। ভাবতে হবে এটা আমাদের শুধু চাকরি না দেশকে উন্নত করার কাজ আমরা হাতে নিয়েছি। আমাদেরকে এই কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করতে হবেই। আমাদেরকে দেশ ও জাতির উন্নয়নের জন্য কাজ করে যেতে হবে।

    • JEREEN says:

      এবাএখা প্রকল্প একটি আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি সম্পন্ন প্রকল্প।আমার জানা মতে বাংলাদেশে
      ইতিপুর্বে এরকম দারিদ্র বিমোচন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়নি। এ প্রকল্পের কিছু বৈশিষ্ট্য
      রয়েছে তার মধ্যে মোবাইল ব্যাংকিং অন্যতম যার মাধ্যমে পল্লীর দরিদ্র জনগোষ্ঠি অনলাইন
      পদ্ধতিতে তাদের টাকা জমা রাখবে এবং ঋণের টাকা উত্তোলণ করবে এটা আমাদের একটি বিরাট
      সাফল্য। সেদিন পত্রিকায় দেখলাম যে,বাংলাদেশ ব্যাংক গ্রামীণ অর্থনীতি ও কৃষি পরিবারকে
      ব্যাংকিং খাতের আওতায় নিয়ে আসার জন্য বানিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে গ্রাম পর্যায়ে শাখা থোলার
      কথা বলেছে এবং নতুন করে অনলাইন ব্যাংক অনুমোদন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দেশের সমগ্র
      আর্থিক ব্যাবস্থাপনা ব্যাংকিং খাতের আওতায় না আসলে জিডিপি হিসাব সঠিক হয়না। আমাদের
      পিতৃতুল্য পিডি মহোদয়ের নেতৃত্বে এ রকম একটি কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে এবং আগামী
      দু’মাসের মধ্যে দেশের সকল উপজেলাতে মোবাইল ব্যাংকিং চালু হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের
      সিদ্ধান্তের আগেই আমাদের পিডি মহোদয় তা চিন্তা করেছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর
      স্বপ্নপ্রসূত দারিদ্র বিমোচনের এ মহত প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা অনলাইন ব্যাংকে গ্রাম
      পর্যায়ে নিয়ে যেতে সক্ষম হবো ইনশাল্লাহ। বিষয়টি বিবেচনা করে সরকার যদি এবাএখা
      প্রকল্পটিকে চলমান অর্থ বছরের মধ্যে একটি স্থায়ী আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে রুপদান করে
      তাহলে দেশের দারিদ্র বিমোচনের জন্য একটি বিরাট সাফল্য হবে এবং দেশ বেকারত্বের অভিশাপ
      থেকে মুক্তি পাবে।

  39. sipon supreo-Basail-Tangail says:

    “একুশ আমার অহংকার
    বাংলা আমার অহংকার
    অহংকার আমার -একটি বাড়ি একটি খামার”
    শিপন সুপ্রিয়
    বাসাইল-টাঙ্গাইল।

  40. দুর্বিষহ জীবন says:

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রি সহ সকল উর্ধতন কতৃপক্ষর নিকট বিনীত নিবেদন,আমরা আর পারছিনা প্লিস আমাদের জন্য কিছু একটা করেন এবং অবস্যই সেটা রাজস্ব নতুবা/নয়ত মাননিয় প্রধানমন্ত্রির সপ্ন, জনসাধারনের মনের সৃষ্ট আশা , আমাদের শ্রম সবকিছুই আনিশ্চিত সওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।

  41. Mahady hasan says:

    I am agree with you Ratan bhai.

  42. Ratan says:

    Sir,
    আমরা নতুন প্রজন্মের সৈনিকেরা একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পে মাননীয় প্রধানমন্ত্রির দারিদ্র দুরিকরনের সপ্ন বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। আমাদের তারুন্যের শক্তি, প্রবল ইচ্ছার প্রমান ইতিমদ্ধে দিতে সক্ষম হয়েছি। যতদিন এই কার্যক্রমের সাথে যুক্ত থাকতে পারব ততদিন এই প্রকৃয়া অব্যাহত থাকবে।
    কিন্তু আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রি সহ সকল উর্ধতন কতৃপক্ষর নিকট বিনীত নিবেদন যত দ্রুত সম্ভব এই প্রকল্পের একটা স্থাই রুপ দেওয়া হোক। নয়ত মাননিয় প্রধানমন্ত্রির সপ্ন, জনসাধারনের মনের সৃষ্ট আশ , আমাদের শ্রম সবকিছুই আনিশ্চিত সওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>