EBEK

“দ্রারিদ্র দূর হোক
জীবন হোক সন্দুরময়
ভবিষৎ হোক আলোকময়
এই স্বপ্ন আমার অঙ্গীকার
একটি বাড়ি

একটি খামার”

-শিপন সুপ্রিয় মুক্তা

বাসাইল-টাঙ্গাইল

This entry was posted in EBEK Admin. Bookmark the permalink.

53 Responses to EBEK

  1. MONOJIT says:

    অনুগ্রহ করে পড়ুন আর কিছু বলার নেই রাজতন্ত্র ও গণতন্ত্র এর পার্থক্য কি?

    একজন কঃ অঃ কাম হিসাব সহকারীর দায়িত্ব ও কর্তব্য :
    ১) উপজেলা সমন্বয়কারীর তত্ত্বাবধানে উপজেলা দপ্তরের প্রশাসিনিক এবং অর্থ ও হিসাব সংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করা।
    ২) ফাইল ও রেজিষ্টারসমূহ দায়িত্বশীলভাবে সংরক্ষণ করা।
    ৩) বিভিন্ন প্রকার চিঠি, বিল গ্রহন করে সংশ্লিষ্ট রেজিষ্টারে লিপিবদ্ধকরণসহ ফাইলে উপস্থাপন এবং কার্যক্রম গ্রহণ শেষে তা যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা।
    ৪) হিসাব সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রণয়ন করা।
    ৫) প্রকল্পের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের চাহিদানুযায়ী প্রশাসনিক ও আর্থিক রিপোর্ট-রিটার্ন প্রনয়ন, উপস্থাপন এবং অনুমোদনের পর উহা প্রেরণ নিশ্চিত করা।
    ৬) প্রকল্পের বাজেট বরাদ্দ অনুযায়ী বিল পরিশোধে সহায়তা করা।
    ৭) উপজেলা দপ্তরে হিসাব সংক্রান্ত যাবতীয় বহ, ক্যাশবুক, লেজার পোষ্টিং লিপিবদ্ধ নিশ্চিত করাসহ তা যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা।
    ৮) যাবতীয় বহিঃ রেজিষ্টার, খাতাপত্র সংরক্ষণ ও লিপিবদ্ধ করা।
    ৯) ভ্যাট, আয়কর ইত্যাদি নিয়মিতভাবে স্থানীয় ট্রেজারী অফিসে পরিশোধে সহায়তা করা।
    ১০) উপজেলা সমন্বকারীর নিয়ন্ত্রণে থেকে প্রকল্পের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডের জন্য সংগ্রহীত তথ্যাদি এন্ট্রি করা।
    ১১) চাহিদা অনুযায়ী প্রকল্পের দাপ্তরিক কাজে প্রয়োজনীয় পত্র ও প্রতিবেদন টাইপ এবং প্রিন্ট করা।
    ১২) কম্পিউটার ও প্রিন্টার ব্যাবহারের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কম্পিউটার এক্সেসরির এর চাহিদা দাখিল করা।
    ১৩) কম্পিউটার ও প্রিন্টার মেশিনসমূহ পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ও সংরক্ষণের দায়িত্ব পালন করা।
    ১৪) দৈনন্দিনভাবে প্রকল্পের ওয়েব সাইট ব্রাউজ করে পয়োজনীয় পত্রাদি ডাউনলোড এর মাধ্যমে প্রিন্ট কপি পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের জন্য উপস্থাপন করা।
    আমাদের কাজ একজন হিসাব রক্ষকের চেয়ে বেশী যারা বর্তমানে ৮০০০/- স্কেলে যাচ্ছেন। প্রকল্পের কেউ ৬৪০০-৮০০০ এ কেউ ৫২০০-৫৯০০ স্কেলে, ৪৭০০-৫২০০ স্কেলে তাহলে আমাদের এই বৈষম্য কি কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি গোচর হচ্ছেনা।
    কাউকে আঘাত করে বা ইর্ষান্বিত হয়ে লিখছিনা প্রকৃতপক্ষে আমাদের মর্যাদা আমাদের প্রদান করা হোক এটাই কামনা। আশা করি ব্যাংকের ক্ষেত্রে সঠিক মূল্যায়ন হবে? আর কবে হবে মূল্যায়ন?

    • fahim says:

      লিংকে ক্লীক করুন

      • Narayan Dash says:

        প্রথম অধিবেশনেই আসছে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক বিল
        সুত্রঃ কালের কন্ঠ/শিল্প বানিজ্য/২৩-০১-২০১৪
        বাংলাদেশ ব্যাংকসহ বিভিন্ন মহলের আপত্তি সত্ত্বেও আগের মেয়াদে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য খসড়া আইন অনুমোদন করেছিল সরকার। তবে নবম জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলাকালে তড়িঘড়ি করেও খসড়াটি আইন মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্র জোগাড় করতে পারেনি। এ কারণে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে গ্রামীণ মানুষের সঞ্চয় সংগ্রহ ও তাদের মধ্যে ঋণ বিতরণের সূচনা করতে পারেনি সরকার। নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠনের পর আগামী ২৯ জানুয়ারি শুরু হতে যাওয়া দশম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনেই এ ‘পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক আইন-২০১৩’ উপস্থাপন করে বিল আকারে পাস করার উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার।

        খসড়া আইনের ছাড়পত্র দিয়ে সংসদের আগামী অধিবেশনে তা উত্থাপনের জন্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব ড. এম আসলাম আলমের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়। আইনটি পাসের মাধ্যমে সরকার এ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার কাজ সম্পন্ন করতে চায় বলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর সাংবাদিকদের জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতও।

        গত ২০ জানুয়ারি আইন মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পটিকে একটি বিশেষায়িত ব্যাংক হিসেবে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য ও পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক আইন, ২০১৩ অনুমোদনের জন্য গত বছরের ১১ নভেম্বর মন্ত্রিসভায় আইনটি অনুমোদিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক আইননের ভেটিং চূড়ান্তকরণ ও আসন্ন দশম জাতীয় সংসদ অধিবেশনে তা উপস্থাপন ও অনুমোদনের জন্য প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করা হলো।’

        মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর আইন মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্র পেতে দেরি হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করে গত ১০ জানুয়ারি পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিবকে চিঠি লেখেন একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. প্রশান্ত কুমার রায়। চিঠিতে তিনি বলেন, ‘আইনটি অজ্ঞাত কারণে যথাসময়ে নবম জাতীয় সংসদের শেষ অধিবেশনে উপস্থাপিত না হওয়ায় মাঠপর্যায়ে জনগণের মাঝে সরকারের প্রতি বেশ খানিকটা অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে, যা দ্রুত নিরসন করা আবশ্যক।’

        মূলত ভিন্নভাবে গ্রামীণ মানুষের সঞ্চয় সংগ্রহ ও তাদের মধ্যে ঋণ বিতরণের জন্য গ্রামে গ্রামে শাখা খুলে ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করতে চায় সরকার। পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক নামে প্রথমে দেশের ৪৮৫টি উপজেলায় শাখা নিয়ে যাত্রা শুরু করার কথা ব্যাংকটির। গ্রামীণ ব্যাংক যেমন বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণের বাইরে, তেমনি পল্লী সঞ্চয় ব্যাংককেও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণের বাইরে রাখতে চায় সরকার। তবে গ্রামীণ ব্যাংকের চেয়েও বাড়তি ক্ষমতা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক আইন, ২০১৩-এর খসড়ায়। ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্পকে ব্যাংকে রূপ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে এ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হলেও তাতে প্রথমে আপত্তি জানিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। পরে অবশ্য অনাপত্তি জানিয়েছে ব্যাংকগুলোর নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

        গত ৩০ জুলাই অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের উপকারভোগীদের জন্য পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক গঠনের নির্দেশ দিয়েছিলেন। এই প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত দরিদ্র জনগোষ্ঠী যাতে দ্রুত অর্থ লেনদেন ও ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে সে জন্য আলাদা ব্যাংক গঠনের নির্দেশনা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পে গত সাড়ে চার বছর ধরে তিন হাজার ১৬২ কোটি ৯৬ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। বর্তমানে প্রকল্পটিতে সাত হাজার ১৬২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী কাজ করছেন। এসব জনবল নিয়োগসহ প্রকল্পের অর্থ ব্যয়ে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে।

        গত ২৯ আগস্ট বাংলাদেশ ব্যাংক অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার বিপক্ষে মত দিয়ে বলেছে, ‘সার্বিক বিবেচনায়, প্রস্তাবিত পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করা সমীচীন হবে না- মর্মে বাংলাদেশ ব্যাংক মনে করে।’

        বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগের মহাব্যবস্থাপক কে এম আব্দুল ওয়াদুদ স্বাক্ষরিত প্রতিবেদনে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক প্রতিষ্ঠার বিপক্ষে মতামত দিয়ে বলা হয়েছে, ‘পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের মতো বিশেষ উদ্দেশ্যে আইন দ্বারা ইতিপূর্বে প্রতিষ্ঠিত ব্যাংকগুলো তাদের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সফল হয়নি; যেমন- আনসার-ভিপিডি ব্যাংক, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক ও কর্মসংস্থান ব্যাংক।’

        বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা কালের কণ্ঠকে বলেন, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক আইনের খসড়ায় বলা হয়েছে, ব্যাংক কম্পানি আইন এবং এ আইনসংক্রান্ত সময়ে সময়ে জারি করা অন্যান্য আইন, বিধান বা নির্দেশনা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। অথচ খসড়া আইন অনুযায়ী, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের যেসব কার্যাবলির প্রস্তাব করা হয়েছে, তা ব্যাংক কম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৭ ধারা অনুযায়ী বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলির মতোই। খসড়া আইন অনুযায়ী, সদস্যদের পাশাপাশি অসদস্য ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ঋণ ও আমানত গ্রহণের মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহ করতে পারবে। নিয়ন্ত্রণবহির্ভূত থাকায় বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগে অনুমোদন দেওয়া বা ব্যাংকটিকে ঋণ দেওয়ার প্রস্তাবও অসামঞ্জস্যপূর্ণ।’

        জানা গেছে, এ ব্যাংকের মাধ্যমে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য সরকার নিয়মিত অর্থ বরাদ্দ দেবে। প্রকল্পটির জনবল, অর্থ, স্থাবর-অস্থাবর সব সম্পদ, অফিস সরঞ্জাম, ব্যাংকের সম্পদ ও জনবল হিসেবে গণ্য হবে। দারিদ্র্যবিমোচন কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে ব্যাংকটি। ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ধরা হয়েছে ৫০০ কোটি টাকা।

        প্রাথমিকভাবে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ঢাকায় প্রধান কার্যালয় ও দেশের ৪৮৫টি উপজেলায় ব্যাংকের শাখা খোলা হবে। পরে কাজের ব্যাপ্তির ওপর ভিত্তি করে ইউনিয়ন ও গ্রামপর্যায়ে শাখা খোলা হবে। ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন হবে ৫০০ কোটি টাকা, যার পুরোটাই একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণোত্তর ঋণ সহায়তা তহবিল খাত দেওয়া হবে। অনুমোদিত মূলধন এক কোটি শেয়ারে বিভক্ত হবে এবং প্রতিটি শেয়ারের মূল্য হবে ১০০ টাকা। ভবিষ্যতে সরকারের অনুমোদনক্রমে মূলধনের পরিমাণ বাড়ানো যাবে। একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের সদস্যদের নিজস্ব সঞ্চয় ও সরকারের দেওয়া কল্যাণ অনুদান তাদের শেয়ার সঞ্চয় হিসেবে গণ্য হবে।

        খসড়া আইন অনুযায়ী, ব্যাংকের ৫০ শতাংশ মালিকানা সরকারের অধীনে সংরক্ষিত থাকবে। তবে এই মালিকানার জন্য সরকার কোনো লভ্যাংশ বা ডিভিডেন্ড পাবে না। এ আইনের অধীন প্রণীত বিধিমালা সাপেক্ষে, ব্যাংকের সাধারণ পরিচালনা, তদারক এবং যাবতীয় প্রশাসনিক বিষয় ও কার্যক্রম বিধান অনুযায়ী পরিচালনা বোর্ডের ওপর ন্যস্ত থাকবে। একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের আওতাধীন গঠিত সব গ্রাম সংগঠন সমিতি ব্যাংকের সদস্য হবে। পল্লী অঞ্চলের যেকোনো প্রাথমিক সমবায় সমিতি ব্যাংকের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে। এক হাজার টাকা ভর্তি ফি এবং কমপক্ষে পাঁচটি শেয়ার কিনে সমিতি ব্যাংকের সদস্য হতে পারবে। কোনো সমিতি ব্যাংকের কাছে ঋণ বা অন্য কোনো পাওনা না থাকলে ৩০ দিনের নোটিশ দিয়ে সমিতির সদস্যপদ ত্যাগ করতে পারবে।

  2. সেলিম আহমেদ says:

    টেনশন করবেন না আমাদের সবার জন্য সুদিন আসছে।

    • Narayan Dash says:

      মাননীয় পিডি মহোদয়কে জানাচ্ছি শ্রী শ্রী সরস্বতি পূজার আগাম শুভেচ্ছ৷

  3. Narayan Dash says:

    একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পকে সাফল্যের চরম শিখরে উন্নীত করার জন্য আসুন সবাই আবার ঐক্যবদ্ধ হয়ে হাতে হাত, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করি৷ আর এ সাফল্যের উপরই ‘পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক’ ……….

  4. monish kumar says:

    selim vi ,
    thank you for your comments.actually sometimes we forget our designation,duty,morality.
    monish,uco,dacope,khulna

  5. MONOJIT says:

    তোষামুদি জানিনা,
    তেলাতে পারিনা
    কপাল থাকলে ত পোড়বে , দিন রাত কাজ করে খুলনা জেলাধীন ফুলতলা উপজেলায় অনলাইন মোবাইল ব্যাংকিং শুরু করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি, দাওয়াত পেলাম না, আসলে ত আমরা ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চা, আমাদের গ্রামে একটি প্রবাদ আছে ঔষধ খাইল রশি গুণ করে মজির, কম্পিউটার না না কম্পিউটার ভাইয়েরা দুঃখেই থাকুন আমরা তো মানুষ না আমরা যান্ত্রিক এই বাজারে যা বেতন পাই তা দিয়ে কি চলে? আমরা তো যান্ত্রিক তাই ০১ লিটার তেলে যতদুর সম্ভব চালিয়ে নেওয়া যায় চলুক, তার পর নাচুনি তারপর ঝাকুনি পরে সোজা শ্মশানে, ভাতে মারব না তোদের টিপে মারব, , আগামী বাজেটে (—-) হ্যা -হ্যা -হ্যা -হ্যা -করা হবে ??????? তাহলে ……………কি ??

    • Narayan Dash says:

      কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারীদের স্কেল/পদবী কি আপগ্রেড করা হবে?

    • সেলিম আহমেদ says:

      মিঃমনোজিৎ হতাশ না হয়ে, নিজেকে ছোট না ভেবে সব সময় উচ্চ ধারনা পোষণ করুন।মনে রাখবেন আপনি এবাএখা প্রকল্পের একজন সৈনিক কাজেই কোন মন্তব্য করতে হলে শালীন ভাষায় করবেন।
      আপনি হয়তো জানেন না আমাদের পিডি স্যার ব্লগ পড়েন।

  6. একটি বাড়ী একটি খামার প্রকল্পের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের উদ্দেশ্যে একটি কথা বলতে চাই যে, আমাদের এই প্রকল্পটি কি আদেও পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক হবে নাকি এটি আশার আলো হয়ে রয়ে যাবে যুগ যুগ ধরে? । আমি এই ব্যাংক হওয়া নিয়ে বিভিন্ন জন বিভিন্ন ধরণের কথা বলছে আর আমি এটির হিসাব নিরবে মিলিয়ে যাচ্ছি কিন্তু এটি কোন বাস্তবতা খুজে পারছিনা। আমার এক সহ কর্মি প্রায় আমাকে ফোন দিয়ে বলে ঔমুক নিউজ টি দেখেন এটি তে কি বলছে সেটি লক্ষ করুন এই সব নানা রকম মন্তব্য । গত ০৬/১০/১৩ ইং তারিখ রাত্রে যথা রিতি আমার ঐ সহ কর্মী আমাকে ফোন করে বললেন ভাই আপনি তো পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের এক জন অফিসার হয়ে গেছেন এই সুসংবাদ টি আপনি যানেন কি আমি সাথে সাথে বললাম ভাই আমিতো এই সু-সংবাদটি যানিনা । তা আপনি কোথেকে যানলেন এটি তখন তিনি আমাকে বললেন আপনি আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার সংবাদটি ভালো ভাবে পড়েন তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন । সে সময় আমার সামনে বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকাটি ছিল আমি সাথে সাথে ঐ নিউজ টি পড়ার জন্য দ্রত পত্রিকাটি উল্টালাম এবং ঐ নিউজ টি পড়লাম কিন্তু কোন নিশ্চয়তা খুজে পেলাম না শুধু খুজে পেলাম আশার আলো যে আলো সেই প্রকল্পের প্রথম থেকে আর কত শুনবো এই হতাশার বানী বলতে পারবেন কি কোনা ভাই?…

  7. একটি বাড়ী একটি খামার প্রকল্পের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের উদ্দেশ্যে একটি কথা বলতে চাই যে, আমাদের এই প্রকল্পটি কি আদেও পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক হবে নাকি এটি আশার আলো হয়ে রয়ে যাবে যুগ যুগ ধরে? । আমি এই ব্যাংক হওয়া নিয়ে বিভিন্ন জন বিভিন্ন ধরণের কথা বলছে আর আমি এটির হিসাব নিরবে মিলিয়ে যাচ্ছি কিন্তু এটি কোন বাস্তবতা খুজে পারছিনা। আমার এক সহ কর্মি প্রায় আমাকে ফোন দিয়ে বলে ঔমুক নিউজ টি দেখেন এটি তে কি বলছে সেটি লক্ষ করুন এই সব নানা রকম মন্তব্য । গত ০৬/১০/১৩ ইং তারিখ রাত্রে যথা রিতি আমার ঐ সহ কর্মী আমাকে ফোন করে বললেন ভাই আপনি তো পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের এক জন অফিসার হয়ে গেছেন এই সুসংবাদ টি আপনি যানেন কি আমি সাথে সাথে বললাম ভাই আমিতো এই সু-সংবাদটি যানিনা । তা আপনি কোথেকে যানলেন এটি তখন তিনি আমাকে বললেন আপনি আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার সংবাদটি ভালো ভাবে পড়েন তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন । সে সময় আমার সামনে বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকাটি ছিল এব

    • alomgir says:

      বিশ্বজীৎ ভাই ,আপনাকে নতুন করে কি আর শোনাব, আপনি যে নিউজের কথা বলতেছে এই রকম কত নিউজ আমরা পাইতেছি। কিন্তু প্রকৃত কোন নিউজ এখনও পাইনি যাতে “পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক”হবে কি হবেনা। সবাই যেমন করে আশায় বুক বেধে আছে আপনিও থাকেন।

  8. aksml says:

    5/10/13 বাংলাদেশ প্রতিদিন
    দারিদ্র্য বিমোচনে এগিয়ে চলছে একটি বাড়ি একটি খামার
    নিজামুল হক বিপুল
    সফলতার মুখ দেখতে শুরু করেছে ‘একটি বাড়ি, একটি খামার’ প্রকল্প। শুরুতে সমালোচনার মুখে পড়া সরকারের এ গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পটি এখন দেশের প্রতিটি জেলায় দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে আলোর দ্যুতি ছড়াচ্ছে। সারা দেশে এরই মধ্যে ১৭ হাজার ৩০০টি গ্রাম সমিতি গঠনের মাধ্যমে ১০ লাখ ৩৮ হাজার মানুষকে এ প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে। একে বড় সাফল্য হিসেবে দেখছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।
    আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ২০১৫ সালের মধ্যে দরিদ্রের হার কমিয়ে আনতে প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্পের অন্যতম এটি। কিন্তু শুরুর দিকে এ প্রকল্প নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হলে কিছু দিনের জন্য কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়। পরবর্তীতে আবারও নতুন আঙ্গিকে কাজ শুরু হয়। প্রথম দিকে প্রকল্পটি ছিল মূলত একটি বাড়িকে ঘিরে একটি খামার করে কোনো দরিদ্র পরিবারকে স্বাবলম্বী করে তোলা। কিন্তু মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু হওয়ার পর বিভিন্ন স্থান থেকে প্রকল্পে সুবিধাভোগী চিহ্নিত করা নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। তখন ওই ধারণা থেকে কিছুটা সরে গিয়ে গ্রামভিত্তিক সমিতি করে প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয় সরকার। এতেই দেখা মেলে সফলতার। প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, ২০১০ সালের জুন থেকে ২০১৩ সালের জুন পর্যন্ত প্রথম ফেইজে এ প্রকল্পে গ্রাম সমিতি গঠন করা হয়েছে ১৭ হাজার ৩০০টি। যাতে উপকারভোগী পরিবারের সংখ্যা ১০ লাখ ৩৮ হাজার। আর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এ প্রকল্পে উপকারভোগীর সংখ্যা প্রায় ৫১ লাখ। সমিতির প্রতিটিতে সদস্য সংখ্যা সর্বোচ্চ ৬০ জন এবং সর্বনিম্ন ৪০ জন। কর্মকর্তারা জানান, সমিতিগুলোতে সদস্যরা নিজেরা যে সঞ্চয় করেছেন, সরকারের পক্ষ থেকে ঠিক সমপরিমাণ অর্থ সমিতিগুলোতে জমা দিয়ে তহবিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে সরকার ঘূর্ণায়মান ঋণ হিসেবে সমপরিমাণ টাকা দিয়েছে প্রতিটি সমিতিকে। এ হিসাবে ‘একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পে’র আওতায় সমিতিগুলোতে এখন পর্যন্ত সঞ্চয় জমা হয়েছে ৩৫৫ কোটি টাকা। আবার সরকারের পক্ষ থেকে আরও ৩৫৫ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে সমিতিগুলোকে। আর ঘূর্ণায়মান ঋণ হিসেবে দেওয়া হয়েছে ৪৯০ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে বর্তমানে প্রকল্পের আওতায় দরিদ্র মানুষের মোট তহবিলের পরিমাণ এক হাজার ৩৩২ কোটি টাকা। গ্রামে গ্রামে জীবিকাভিত্তিক ক্ষুদ্র খামার গড়ে উঠেছে ছয় লাখ ৮০ হাজারটি। প্রকল্পের আওতায় গত এক বছরে দরিদ্র পরিবারপ্রতি আয় বেড়েছে ১০ হাজার ৯২১ টাকা করে। প্রকল্প এলাকায় নিম্ন আয়ের পরিবারের সংখ্যা ১৫ শতাংশ থেকে তিন শতাংশে নেমে এসেছে। দারিদ্র্য হ্রাসের পাশাপাশি অধিক আয়ের পরিবারের সংখ্যা আগের চেয়ে ২২ দশমিক আট শতাংশ থেকে ৩১ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।
    প্রকল্পের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন ও সমন্বয়) গোলাম ছারোয়ার মোস্তফা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘যে উদ্দেশে প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়েছিল তাতে শতভাগ সাফল্য এসেছে। মাঠপর্যায়ে পুরো কার্যক্রম তদারক করছেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ওয়াহিদুজ্জামান মোল্লা।’ প্রকল্পের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘প্রথম দিকে মাঠপর্যায়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ করতে গিয়ে নানা প্রতিকূলতায় পড়তে হয়েছে। বিশেষ করে প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মনে নানা প্রশ্ন ছিল। কিন্তু দুই বছরে আশানুরূপ অগ্রগতি হওয়ায় তারা দারুণ খুশি। আগে একটি পরিবারকে অর্থায়ন করে স্বাবলম্বী করার পরিকল্পনা নিয়ে কর্মসূচি গ্রহণ করা হলেও, দুর্নীতি-অনিয়ম এড়াতে এখন সেটি সামষ্টিকভাবে অর্থাৎ সমিতির মাধ্যমে করা হচ্ছে। ৬০ সদস্যের সমিতি থেকে কয়েকজনকে নিয়ে গ্রুপ করা হয়। প্রতিটি গ্রুপ নিজেদের সুবিধা বা পছন্দ অনুযায়ী এবং যে এলাকায় যে ধরনের জীবিকা গ্রহণ করা সম্ভব সেটা করতে পারেন। এক্ষেত্রে হাঁস-মুরগির খামার, মৎস্য চাষ, দুগ্ধ উৎপাদন, মৌমাছি পালন, শস্য উৎপাদন, বনায়ন, উদ্যান সৃজনসহ নানা ক্ষুদ্রশিল্প রয়েছে।
    লক্ষ্য উপকারভোগী বাড়ানো : প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, দ্বিতীয় পর্যায়ে জুলাই-২০১৩ থেকে জুন ২০১৫ সাল পর্যন্ত এ প্রকল্পের আওতায় মোট ৪০ হাজার ৫২৭টি গ্রাম সমিতি গঠন করা হবে। এ হিসাবে এখন নতুন সমিতি গঠনের লক্ষ্য হচ্ছে ২৩ হাজার ২২৭টি। আগামী দুই বছরে মোট ২৪ লাখ ২৬ হাজার ৩৪০টি পরিবারকে প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসার কাজ চলছে। যাতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে উপকারভোগীর সংখ্যা হবে এক কোটি ২১ লাখ। দুই বছরে দুই লাখ ৮৩ হাজার ৭০০ ব্যক্তিকে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রকল্পের মেয়াদ পাঁচ বছর পূর্ণ হলে অর্থাৎ ২০১৫ সালে সরকারের দারিদ্র্য বিমোচন প্রকল্পের আওতায় দরিদ্র জনগোষ্ঠীর নিজস্ব তহবিল দাঁড়াবে তিন হাজার ১২৬ কোটি টাকায়। যা বর্তমানে এক হাজার ৩৩২ কোটি টাকা।
    প্রকল্পের আওতায় পল্লী ব্যাংক : মানুষকে সঞ্চয়ে উদ্বুদ্ধ করতে এবং অর্থ লেনদেন ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সরকার একটি ‘পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক’ গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ প্রকল্পের কার্যক্রম চলমান রাখতে এ ব্যাংক করার বিষয়ে আগ্রহ দেখান এবং পদক্ষেপ নিতে নির্দেশনা দেন। এরই অংশ হিসেবে এখন পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক গঠনের কার্যক্রম চূড়ান্ত পর্যায়ে বলে সূত্র জানিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন এ ব্যাংকের গঠন প্রক্রিয়া ও আইন সম্পর্কে মতামতও দিয়েছে। শীঘ্রই এ ব্যাংক যাত্রা শুরু করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য এটি হবে একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ।

  9. jahid says:

    দারিদ্র্য বিমোচনে এগিয়ে চলছে একটি বাড়ি একটি খামার
    প্রকাশ : ০৫ অক্টোবর, ২০১৩ ০০:০০:০০
    http://www.bd-pratidin.com/2013/10/05/20021
    প্রকল্পের আওতায় পল্লী ব্যাংক : মানুষকে সঞ্চয়ে উদ্বুদ্ধ করতে এবং অর্থ লেনদেন ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সরকার একটি ‘পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক’ গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ প্রকল্পের কার্যক্রম চলমান রাখতে এ ব্যাংক করার বিষয়ে আগ্রহ দেখান এবং পদক্ষেপ নিতে নির্দেশনা দেন। এরই অংশ হিসেবে এখন পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক গঠনের কার্যক্রম চূড়ান্ত পর্যায়ে বলে সূত্র জানিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন এ ব্যাংকের গঠন প্রক্রিয়া ও আইন সম্পর্কে মতামতও দিয়েছে। শীঘ্রই এ ব্যাংক যাত্রা শুরু করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য এটি হবে একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ।

    • আরিফ,মাগুরা says:

      কাজের ব্যাস্ততায় অনেক দিন লিখা হয়না তবে আজ লিখতে ইচ্ছা করছে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পুরস্কার পাওয়া দেখে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এবারের জাতিসংঘ সম্মেলন দেশে ও জাতির জন্য গৌরবময় কারণ তার মাধ্যমে আমরা পেয়েছি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি স্বরুপ দারিদ্রবিমোচনের জন্য সাউথ সাউথ পুরস্কার যা বাংলাদেশের জন্য এক বিরাট অর্জন। দেশে ফিরে সংর্বধনা অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেনে-এ অর্জন আমার নয় গোটা দেশের মানুষের, আর আমরা মনে করি এ অর্জন একটি বাড়ি একটি খামারের কারণ বর্তমান সরকারের হাতে নেওয়া সবচেয়ে বড় দারিদ্রবিমোচন প্রকল্পটি হচ্ছে একটি বাড়ি একটি খামর প্রকল্প। এ প্রকল্পের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ২০১৫ সালের মধ্যে জাতীয় দারিদ্রতার হার ৪০ থেকে ২০ শতাংশে নমিয়ে আনা হবে। আমারা ইতিমধ্যে ২৬ শতাংশে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি যা আমার মুখের কথা নয় আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিধায় আজকের এই সাউথ সাউথ পুরস্কার আমরা অর্জন করেছি।সুতারাং জাতিসংঘ কর্তৃক ঘোষিত মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাউথ সাউথ পুরস্কারের অংশিদার গোটা একটি বাড়ি একটি খামার পরিবার। তাই এ প্রকল্পটিকে স্থায়ী রুপদান করলে আগামীতে হয়তো দেশের ঘরে আরও পুরস্কার আসতে পারে।
      “মেঘ দেখে কেও করিস নে ভয়
      আড়ালে তার সূর্য হাসে”

  10. Koba hoba amader poolli sonchi bank , janne ke ?

  11. Bishowjit Kumar Biswas says:

    Vi aber ke kadbo? ke holo apnader polli sanchi bank ar api na bolla chlen hasun.. hasun.. Aber bolun khadun… Khadun..

  12. ABU TALEB KHAN says:

    যেখানে পর পর ২বছর শত ভাগ সাফল্য এবং প্রতিটি উপজেলায় থেকে শুরু করে ইউনিয়ন গুলিতে অনলাইন ব্যাংকিং সেবা দিয়ে ব্যাংকটাকে সাধারণ মানুষের হাতের কাছে এবং মানুষটিকে সঞ্চয়ন করা, কোন কিছু করার নিজ সিদ্ধান্ত গ্রহন করা, বাস্তবায়ন করা সর্বোপরি একজন মানুষের আগামী জীবনের পথটা তৈরি করে দিয়েছে তার স্থায়ী হওয়াটা জরুরী ………

  13. ABU TALEB KHAN says:

    একনেকে সংশোধিত প্রকল্প অনুমোদন
    সব ইউনিয়ন পরিষদে যাচ্ছে একটি বাড়ি একটি খামার

    একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের কার্যক্রম সারা দেশে সম্প্রসারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বেড়েছে প্রকল্পের মেয়াদ ও বরাদ্দ। এসব পরিবর্তন আনতে চলমান এই প্রকল্পটি দ্বিতীয়বারের মতো সংশোধন করা হয়েছে।
    রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে গতকাল মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেকের চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা।
    গ্রামীণ সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রতিটি বাড়িকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের স্বতন্ত্র কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে তোলা এবং ২০১৫ সালের মধ্যে জাতীয় পর্যায়ে দারিদ্র্যের হার ২০ শতাংশে নামিয়ে আনতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখাই এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য।
    প্রকল্পটি প্রায় এক হাজার ২০০ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ২০০৯ সালের জুলাই থেকে ২০১৪ জুন মাস মেয়াদে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২০০৯ সালের নভেম্বর মাসে একনেক কর্তৃক অনুমোদিত হয়। পরবর্তী পর্যায়ে প্রকল্পের মেয়াদকাল এক বছর কমিয়ে প্রাক্কলিত ব্যয় এক হাজার ৪৯৩ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়। প্রথম সংশোধিত প্রকল্পটির কার্যক্রম দেশের মোট এক হাজার ৯৩২টি ইউনিয়নে চলমান আছে। এখন তা আবার সংশোধন করে এর কার্যক্রম দেশের সব ইউনিয়নে (চার হাজার ৫০৩টি ইউনিয়ন) বিস্তৃত করা হয়েছে। আর দ্বিতীয় সংশোধনীতে প্রকল্পের ব্যয় দাঁড়িয়েছে তিন হাজার ১৬৩ কোটি টাকা এবং মেয়াদ বেড়েছে জুন ২০১৬ পর্যন্ত।
    একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিক জরিপের ভিত্তিতে গ্রামের দরিদ্র মানুষের জন্য গ্রাম উন্নয়ন সংগঠন সৃষ্টি করে সুফল ভোগীদের দক্ষতাবৃদ্ধিমূলক বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, ঋণ, অনুদান ও কারিগরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে দরিদ্রদের মধ্যে দুগ্ধবতী গাভি, মৎস্য, হাঁস-মুরগি ও ফসলের বীজ বিতরণ অব্যাহত আছে।

  14. আমরা বাঙ্গালী, আমরা গর্বিত বাঙ্গালী বলে। আমরা মনে প্রাণে বাঙ্গালী তাই একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প কে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার স্বপ্ন পুরণের লক্ষে। কন্তি আমাদের এই প্রকল্পের ভবিষ্য কি আমরা এখন ও জানি না।

  15. শিকারী says:

    একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প পরিবারের সবাইকে শুভনববর্ষ ১৯২০ বঙ্গাব্দের শুভেচ্ছা।

  16. Sohag says:

    প্রকল্প পরিচালক মহোদয়ের কাছে আমাদের সবিনয় দাবি কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারীদের হিসাবরক্ষক পদে এবং বেতনস্কেল ১১ গ্রেড এ উন্নিত করা হোক ।

  17. Sohag says:

    সমন্বয়কারী দের রিফ্রেসার্স কোর্স হলো, মাঠ সংগঠক দের রিফ্রেসার্স কোর্স হলো আমরা যারা কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারী আছি তাদের ও রিফ্রেসার্স কোর্স করানো দরকার ।
    মাননীয় পি.ডি স্যার এর নিকট বিনীত নিবেদন এই যে আমাদেরও রিফ্রেসার্স কোর্স করানো হোক । তাহলে আমরাও আমাদের সকল অভিযোগগুলো বলতে পারতাম এবং প্রকল্প আদর্শ উদেশ্য সম্পর্কে আরো সুস্পট ধারনা পেতাম। সাথে আমাদের নির্দিষ্ট কাজের পরিধি ও জানতে পারতাম ।

  18. Sohag says:

    মাঠ সংগঠক দের ১২ গ্রেড বেতন হলে কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারী দের ১১ গ্রেড করা উচিত

  19. শিপন সুপ্রিয়- says:

    স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস/২০১৩ইং

    স্বাধীনতা এমন এক মধুমাখা শব্দ
    যার মধ্যে বিদ্যামান অজস্র স্বপ্ন, অকুণ্ঠ ভালবাসা-
    “আমাদের স্বাধীনতা
    আমাদের গৌরব
    আমাদের অহংকার”।
    -মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে সকল বীর শহীদের প্রতি আমাদের সশ্রদ্ধা সালাম
    -‘একটি বাড়ি একটি খামার-দিন বদলের স্বপ্ন আমার’।

  20. EBEK BINDU says:

    আজ অনেক দিন পর একটি কথা না বললেই নয় কারন আমাদের তো বয়স আর মাত্র তিন মাস মানে জুন/13পর্যন্ত।
    আমারতো ব্লগে আসার বয়ষ অনেক দিন, মনে হয় সর্বপ্রথমে আমরা ৫-৬ জন লোক ব্লগে লিখতাম ,আর এখন তো আনেকেই ব্লগের সাথী হয়েছেন। আমার অনেকে না বুঝেও কিছু কমেন্টস করে বসে । যাই হোক লিখতে লিখতে শিখা যায় তবে অনুরোধ অশ্লীল কিছু লিখবেন না ।
    আর হ্যঁ যে কথাটি বলতে চেয়েছি যে আমরা আনেকেই অনেক কিছু বলি কেউ বলে ব্যাংক হচ্ছে ,কেউ বলে রাজস্ব হচ্ছে , কেউ বলে ফাউন্ডেশন হচ্ছে ,কেউ বলে অধিদপ্তর ,আবার কেউবা জোর করে বলে এবাএখা রাজস্ব হবেনা কোনটা হবে। আমি বলবো এগুলো আসলেই গ্রাম্য ভাষায় বলে মনের হাবিলাস কারন অনেক আগ থেকেই অনেক কিছু শুনে আসছি কিন্তু কোন আলামত দেখছিনা
    তবে হ্যাঁ এতোটুকু জানি যে আমাদের পিডি স্যার যে পরিমান আমাদের জন্য চেষ্টা করে তাহা অনেক পিতা তার ছেলের জন্যও করেনা । তবে পিডি সার কিছু করতে পারেন বা নাই পারেন তিনি সারা জীবন আমাদের কাছে বাবার মতোই থাকবেন। তাই পিডি সারের কাছে তার ছেলেদের একটি জোড়ালো দাবি থাকবে যে স্যার যদি এসবের থেকে ব্যর্থ হন তাহলে তার ছেলেরা যেন বেছে থাকতে পারে সেজন্য বি আর ডি বির মতো প্রতিটি উপজেলায় এফ ডি আর করে রাখার জন্য ২ (দুই) কুটি টাকা করে বরাদ্ধ রাখার ব্যবস্থা করা হলে ও কোন দিন এই প্রজেক্ট বাদ দেওয়ার সুযোগ থাকবে না

  21. al pin says:

    ৫৯০০/-টাকা মাঠসংগঠকদের স্কেল হচ্ছে আর অপারেটরদের ৫৫০০/-এটা মনের কাছে শুনতেই কষ্ট লাগছে বাস্তব হলে মন একে বারেই ভেঙ্গে যাবে।সমন্বয়কারীদের আপগ্রেট হল,মাঠ সংগঠকদের হচ্ছে,তাহলে আমরা কি অপরাধ করলাম।

    • shakil sherpur says:

      আপনার যদি বাল না আপনি মাঠসংগঠকে চাকরি নেন

      • Somraj says:

        শাকিল ভাই এটা কি বললেন ।
        এখানে সবাই সবার কথা তুলে ধরতে পারে আপনি কাউকে এমন টা বলতে পারেন না ।

      • Sohag says:

        সাকিল ভাই এখানে সবাই তাদের কথা তুলে ধরতে পারে ……
        আপনি কাউকে এভাবে বলতে পারেন না ।
        কে কোথায় চাকরি করবে তা কি এখন আপনি বলে দিবেন ।

    • মোঃ খালিদ হোসেন says:

      আমরা ইনসাল্লাহ ১১ গ্রেড এ হব এবং আমাদের মূল বেতন হবে৬৪০০। পি.ডি মহোদয় অবশ্যই ব্যপারটা দেখবেন এবং অবশ্যই সুনজরে।

      • JAN says:

        Miya 6400/5900/5500 ar grade hiseb na kore 3 mas chakri asay setar ki korben seita dekhen……..mone rakben chakri asay ar matro 3 mas.so……………………..

      • mustafiz,kalignj,jhenaidah. says:

        মাঠ সংগঠক ভাই দের অগ্রিম সুভেচ্ছা রইল , আপনাদের গ্রেড উন্নয়ন করার জন্য, পরবর্তীতে আরো ভালো হবে এজন্য,

        কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারী দের বিষয়ে কোন কিছু হচ্ছে বলে মনে হচেছ না। আগামিতে যে কার্যক্রম হবে বলে জানতে পারছি সেখানে কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারী দের বিষয়ে কি হচ্ছে জানি না, তবে মাঠ সংগঠকরা সেখানে বেশ ভাল অবস্থায় আছে।

        পিডি মহোদয়ের কাছে আমাদের আকুল আবেদন , কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারী দের বিয়টি সুবিবেচনা করবেন, কারণ প্রকল্প শুরু থেকে আমাদের গ্রেড একটু উপরে ছিল সেখান থেকে যদি সবার নিচে চলে যায় তাহলে কর্মজীবনের সফলতায় বিরুপ প্রভাব ফেলতে পারে।
        কোন উপজেলায় উপজেলা সমন্বয়কারী না থাকলে সেখানে কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারী দের অঃদাঃ প্রদান করা হছে সমন্বয়কারী পদে।
        কিন্তু যখন গ্রেড সবার কম হবে তখন সেই কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারীর মানসিক অবস্থা কেমন হবে তা সহজেই অনুমিয়।
        প্রকল্প বাস্তবায়নে কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারীরা পরিশ্রম করে যাচ্ছে, এবং করবে ,
        তাই মাননীয় পিডি মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন আমাদের বিষটি সুবিবেচনা করবেন, যেন আমরা সুন্দর এবং সম্মানের সাথে কাজ করতে পারি।

    • Sohag says:

      এটা কিছু হল …………
      আমাদের কে ঠকানো হচ্ছে ।

  22. শিপন সুপ্রিয়-ektee bari ektee khamar says:

    অতি দ্রুত মাঠ সংগঠক ও মাঠ সহকারী দেওয়ার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি ।

  23. শিপন সুপ্রিয়-বাসাইল-টাঙ্গাইল says:

    আমরা অপেক্ষায় আছি—————
    হৃদয়ে স্বতঃস্ফূত চাওয়া একটি বাড়ি একটি খামার রাজস্ব হবে।

  24. শিপন সুপ্রিয়-বাসাইল-টাঙ্গাইল says:

    “কিছু কিছু মৃত্যু মানে শুধুই মৃত্যু নয়,
    মানুষের মনে চিরস্থায়ী আসন গেড়ে নেয়া”

    দেশের বষীয়ান রাজনীতিবিদ, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক
    গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকারের মহামান্য রাষ্ট্রপতি জনাব মোঃ জিল্লুর রহমান-এর আকস্মিক মৃত্যুতে দেশ ও জাতির সাথে আমরাও গভীরভাবে শোকাহত ও মমাহত।
    -একটি বাড়ি একটি খামার
    বাসাইল-টাঙ্গাইল।

  25. al pin says:

    মাঠ সংগঠকদের যদি ৫৯০০/-স্কেল হয় তাহলে হিসাব সহকারী দের ৫৫০০ থাকে তাহলে কেমন হলো্।দয়াকরে এই বিষয় টা ভাবা উচিৎ।

    • মোঃ খালিদ হোসেন says:

      না ভাবলে আমাদের ঠকানো হবে,এবং আমরা কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারীরা দারুন মর্মাহত হব।

    • আলমগীর হোসেন says:

      আমরা সকল কম্পিউটার অপারেটর ,আমাদের প্রকল্প সদর দপ্তরে আমদেরকে নিয়ে যদি একটি রিপ্রেসর ট্রেনিং হতো , তাহলে আমাদের সকল অভিযোগগুলো আমরা বলতে পারতাম। প্রকল্প আদর্শ উদেশ্য সম্পর্কে আরো সুস্পট ধারনা পেতাম।আমাদের যদি মুলবেতন ৬৪০০/= টাকা করা হতো, তাহলে আমরা যে পরিমান কাজ করি ,সেইপরিমান কাজের মুল্যয়ন হতো।

      • মোঃ খালিদ হোসেন says:

        একদম ঠিক বলছেন , আমার মনের কথাটা।

    • Somraj says:

      আমি তো শুনেই অবাক হলাম ……… এটা যদি সত্যি হয়ে থাকে তাহলে আমাদের ঠকানো হবে ।

  26. শিপন সুপ্রিয়-বাসাইল-টাঙ্গাইল says:

    মাননীয় পি.ডি স্যার,
    বিনীত নিবেদন এই যে, টাঙ্গাইল জেলার বাসাইল উপজেলায় একটি বাড়ি একটি খামার এর এখন পযন্ত ২টি রুম পাইনি। স্যার, আপনার দৃষ্টি আকষন করছি , আমাদের যে সব উপজেলায় এখন পযন্ত ২টি পাইনি তাদেরকে ২টি রুমের ব্যবস্থা করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি।

  27. md.aziruddin says:

    yes

  28. sipon supreo-Basail-Tangail says:

    প্রথমত আমি একটি বাড়ি একটি খামার চাই
    দ্বিতীয় আামি একটি বাড়ি একটি খামার চাই
    শেষ পর্যন্ত আমি একটি বাড়ি একটি খামার চাই।
    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও পি.ডি স্যার আপনাদের কাছে আমাদের আবেদন এই-একটি বাড়ি একটি খামারকে অধিদপ্তর করে দেন।আমরা মানসিক ভাবে খবুই চিন্তিত । আমাদের চিন্তাকে দূর করে আমাদের মুখে হাসি ফুটিয়ে দেন—এই প্রত্যাশাই একটি বাড়ি একটি খামার এর সকল অফিসার ও কমর্চারীবৃন্দ ।
    শিপপন সুপ্রিয়
    বাসাইল-টাঙ্গাইল।
    মোবাঃ ০১৬৭১-৪০২৫৪৮

    • শিপন সুপ্রিয়-বাসাইল-টাঙ্গাইল says:

      “বাড়ির আঙ্গিনায় হবে সবজির বাগান
      ঘরের কোনে গরুর খামার
      পুকুরে থাকবে মাছের বাহার
      এই স্বপ্ন বাংলার সবার
      পূরণ করবে একটি বাড়ি একটি খামার”।
      শিপন সুপ্রিয়
      মোবাঃ ০১৬৭১-৪০২৫৪৮

  29. sipon-Basail-Tangail says:

    বিশ্ব ভালবাসা দিবসে টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার পক্ষ থেকে “একটি বাড়ি একটি খামার” কে জানাই অনন্ত ভালবাসা ও অভিন্দন।
    একটি বাড়ি একটি খামার-একটি পরিবার।এমন একটি দিনে মাননীয় প্রধাণমন্ত্রী জাতির কন্যা শেখ হাসিনা এবং আমাদের সকলের প্রিয় পি.ডি স্যারের কাছে আমাদের সকলের আবেদন একটি বাড়ি একটি খামারকে অধিদপ্তর করে সারা জীবনের জন্য এবাএখা এর সকল উপকারভোগীদের মাঝে থেকে দারিদ্র বিমোচনে হাতিয়ার হিসাবে কাজ করতে পারি-ইনশায়াল্লাহ
    শিপন সুপ্রিয়
    বাসাইল-টাঙ্গাইল।
    মোঃ ০১৬৭১-৪০২৫৪৮

  30. green sky says:

    সকল EBEK এর স্টাফদের জন্য রইল বসন্তের শুভেচ্ছা !
    এটা আমাদের দ্বিতীয় বসন্ত উৎযাপন। এই বসন্ত যেন আমরা প্রতি বছর পালন করতে পারি এই প্রত্যাশা রইল। সবার জীবন বসন্তের রঙ্গিন ফুলের ছোয়ায় ভরিয়ে যাগ।

  31. Monojit Kumar Mandal says:

    আমরা বাঙ্গালী, আমরা গর্বিত বাঙ্গালী বলে। আমরা মনে প্রাণে বাঙ্গালী তাই একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প কে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার স্বপ্ন পুরণের লক্ষে।

  32. Monojit Kumar Mandal says:

    মাননীয় মহোদয়
    একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের মাঠ পর্যায়ে যদি ক্যালেন্ডার দেওয়ার কোন পরিকল্পনা আছে কি না। যদি থাকে তাহলে আমাদের সম্প্রচার ও সম্প্রসারণ এবং পরিচিতি বাড়বে বলে মনেকরি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>