একটি বাড়ি একটি খামার ব্লগে স্বাগতম

‘‘একটি

বাড়ি একটি খামার’’ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য প্রতিটি পরিবারকে মানব ও অর্থনৈতিক সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে টেকসই আর্থিক কার্যক্রমের একক হিসেব গড়ে তোলার মধ্য দিয়ে ২০১৫ সালের মধ্যে

জাতীয় দারিদ্র ৪০% থেকে

২০%-এ নামিয়ে আনা।

This entry was posted in EBEK Admin. Bookmark the permalink.

1,474 Responses to একটি বাড়ি একটি খামার ব্লগে স্বাগতম

  1. abir says:

    “পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক’ কি আসলে হচ্ছে ? নাকি শুধু মিথ্যা মিথ্যা সান্ত্বনা দিয়ে আমাদের প্রতীক্ষায় রেখেছে। কারও কাছে কোন তথ্য কি আছে থাকলে প্লিজ রিপ্লাই করুন।

  2. Pingback: basket nike pas cher

  3. mizan4 says:

    একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের সকলের উপর শান্তি বর্শিত হওক।

    • sanjoy roy says:

      পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক আইন -২০১৪, জাতীয় সংসদের চলতি অধিভবেশনে কত তারিখে পাশ হবে? সে সম্পর্কিত তথ্য থাকলে দয়া করে জানান।

  4. মিজান says:

    আগামী সংসদ অধিবেশন পল্লী সঞ্চয় ব্যংক আইন/১৪ পাশ হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

    • admin says:

      হাঁ, আগামী সংসদ অধিবেশনে পাশ হতে যাচ্ছে।

  5. Pingback: louboutin pas cher

  6. সদয় অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, কম্পিঃ অপাঃ কাম-হিঃ সহঃ অসংখ্য উপজেলায় U.C.O অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করেছে। মহোদয়ের স্মারক নং- এবাএখা/প্রশা/পরিপত্র/111/2010/2633 তারিখ- 24/11/2013 খ্রিঃ মতে F.O দের পদবী পরিবর্তন করে F.S এবং একটি সাথে তাদের বেতন গ্রেড 14 এর পরিবর্তে 12 নির্ধারণ করা হয়েছে। যেহেতু F.S দের বেতন গ্রেড 12 এবং C.C.A দের বেতন গ্রেড 13 নির্ধারণ হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে U.C.O দের শূন্য পদে F.S দের দায়িত্ব দেয়াই সংগত বলে মনে করি।
    অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় কিছু কিছু জায়গায় U.C.O দের শূন্য পদে দায়িত্ব প্রাপ্ত F.S রা C.C.A দের স্যার বলার জন্য চাপাচাপি করে। অথচ Management, Accaunce. I.T অফিসের সবই যখন C.C.A দের দেখতে হয়। শুধুমাত্র পদবীর কারনে অবমূল্যায়ন করা হচ্ছে।

    • আলমগীর, নোয়াখালী says:

      100% right.

    • ALAMGIR 01815668283 says:

      ঠিক বলছেন ভাই, দয়া করে সমস্যটা সমাধান হবে কি আমাদের এডমিন মহোদয় ?।

  7. Pingback: ray ban da sole

  8. Pingback: oakley fuel cell

  9. FAIJUL HAQUE says:

    একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের সকল উপজেলা যদি ব্যাংক হয় তাহলে সকল উপজেলায় কর্মরত কর্মকর্তা কর্মচরীকে ব্যাংকের কর্মকর্তা কর্মচারী হিসাবে নেয় হবে কিনা?

    • admin says:

      Kg©KZ©v I Kg©Pvix †h wbqg I k‡Z© wejyß cÖK‡í Kg©iZ wQ‡jb,
      cwiewZ©Z ev cybiv‡`k cÖ`vb bv Kiv ch©šÍ, †mB GKB wbqg I k‡Z©
      e¨vs‡K e`wj nBqv e¨vs‡Ki wbqš¿Yvax‡b Dnvi Kg©KZ©v I Kg©Pvix wnmv‡e
      Kg©iZ _vwK‡eb Ges c~‡e©i wbq‡g †eZb, fvZv I myweavw` cÖvß nB‡eb t
      Z‡e kZ© _v‡K †h, we`¨gvb Kg©KZ©v I Kg©Pvix‡`i e¨vsK Dchy³Zv
      cybthvPvB-evQvB KiZt Dchy³ c‡`, k‡Z© I †eZ‡b wbhy³ Kwi‡Z
      cvwi‡e|

  10. কোন সংসদে আমাদের এই ব্যাংকের বিল পাস হবে ?

  11. এডমিন ভাই খুব তো সমস্যার সমাধান দিচ্ছেন , বলুন তো আপনার পরিচয় কি? আমি যানি এডমিন রা সাধারণত যে নিউজ দেয় তা সাধারণত পোস্ট বই এডমিন কথাটি লেখা থাকে, কিন্তু আপনার বেলাই এই কথাটি লেখা থাকেনা , অথএব আপনি এক জন ভুয়া এডমিন সেজে লোকের উপদেশ দিচে্ছন ।

    • admin says:

      আপনার জানা উচিত, প্রকল্পের এই ব্লগ সাইটি প্রকল্প পরিচালক মহোদয়ের সরাসরি তত্ত্বাবধানে প্রকল্পের আইটি শাখার প্রোগ্রামারবৃন্দ মনিটরিং করেন এবং উত্তর প্রদান করে থাকেন। আশা করি ব্লগে বাজে মন্তব্য অথবা তথ্য বিভ্রাট থেকে নিজেকে বিরত থাকবেন।

  12. Iqbal hoq says:

    ধন্যবাদ এডমিন মহোদয়কে । আশা করি এভাবে আমাদের তথ্য দিয়ে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পকে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক রুপান্তর করার ক্ষেত্রে আমাদের কাজের প্রেরণা যুগিয়ে যাবেন। আমরা আমাদের কাজ করে চলেছি আশা করি সফলতার মুখ দেখবো ইনশাআল্লাহ।

  13. AKM says:

    সম্প্রতি অফিস পিয়নের পদবী পরিবর্তন করে অফিস সহায়ক করা হলো, এছাড়াও বিভিন্ন পদের গ্রেড ও পদবী পুর্বে পরিবর্তন করা হয়েছে। শুধুমাত্র কমঃ অপাঃ কাম হিঃ সহকারীগণের পদবী/গ্রেড কিছুই পরিবর্তন করা হয় নাই। আমি Admin স্যারের কাছে বিনীত ভাবে জানতে চাই এই পদটির পদবী/গ্রেড পরিবর্তনের সদয় বিবেচনা কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচরে কি আছে?
    স্যার, অনুগ্রপূর্বক একটু জানাবেন।

    • admin says:

      হাঁ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক অফিস আদেশে এমএলএসএসদের পদের পরিবর্তন করে অফিস সহায়ক করা হয়েছে। একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পটি যখন পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক হিসেবে পাশ হবে তথন দেখা যাবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে বর্তমান পদবী গুলো পরিবর্তন হয়ে ব্যাংকের পদবীর সাথে ঠিক রেখে পদবী পরিবর্তন হতে পারে।

  14. কম্পিউটার অপারেটর কাম-হিসাব সহকারী এবাএখা প্রকল্পের উপজেলা পর্যায়ের অফিসের- দক্ষ, কর্মঠ, চৌকস একটি পদবীর নাম। এই পদবীধারীরা অনলাইন মোবাইল ব্যাংকিং কার্যক্রমের আওতাভূক্ত অফিসের কাজের নিচে চাপা অবস্থায় আছে। মাঝে মাঝে দু-এক জন হাত পা নাড়া চাড়া করে ব্লগে জানান দেয় যে আমরা আছি। ব্লগ লগ ইন করলে এটিই প্রতিয়মান হয়।

  15. Roni Dutta says:

    Ekti Bari Ekti Khamer Project is very important project for this big population country.

  16. mahmud says:

    উত্তর প্রদানের জন্য ধন্যবাদ। কিনতুু সকল শাখা ব্যাংক হবে কিনা সে উত্তর টি কৌশলে এড়িয়ে গেছেন । কারণ অনেকই বলছে সব শাখা ব্যাংক হবে না । এ বিষয়টি পরিষ্কার করলে খুুশি হতাম ।

    • admin says:

      দেশের সবকটি উপজেলায় অনলাইন ব্যাংক ‘পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক’ চালু হবে। ধন্যবাদ।

      • admin স্যারকে ধন্যবাদ। আমাদেরকে গুরুত্বপূর্ন তথ্য দেওয়ার জন্য। অনলাইন ব্যাংক ‘পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক’ চালু হবে সবকটি উপজেলায়।
        আমাদের অনলাইন মোবাইল ব্যাংকিং কার্যক্রম- performance এর উপর, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অনলাইন ব্যাংক ‘পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক’ চালু করা হোক।

      • N says:

        Let’s try utmost to build a poverty free Bangladesh leaving any sort of mood ( It hasn’t been said anything random ) for working for the dreams of a poverty free Bangladesh remaining closer to people.

      • Let’s try utmost to build a poverty free Bangladesh leaving any sort of mood ( It hasn’t been said anything random ) for working for the dreams of a poverty free Bangladesh remaining closer to people.

  17. mahmud says:

    সত্যিই কি এবাএখা প্রকল্প “পল্লী সঞ্চয়ী ” ব্যাংকে রুপান্তরিত হচ্ছে ? যদি হয় তবে কি সব গুলো শাখাকে একসাথে ব্যাংকে রুপান্তর করা সম্ভব ? কারণ বাংলাদেশের ইতিহাসে এতগুলো শাখাকে কখন ও একসাথে ব্যাংক করা হয়নি ।আর যদি সব শাখা ব্যাংক না হয় তবে যেসব শাখা ব্যাংক হবে না সেইসব শাখায় কর্মরত কর্মচারীদের ভবিষৎ কি হবে ? দয়া করে মাননীয় পিডি মহোদয় বিষয় টি পরিস্কার করবেন ।

    • admin says:

      হাঁ, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক হচ্ছে। বর্তমানে অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে আছে।

      • Naim Khan says:

        ধন্যবাদ, Admin কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেয়ার জন্য, আমরা কি আশা করতে পারি যে, আগামি সংসদ অধিবেসনে “পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক” বিল পাশ হবে.

  18. আর কোন খবর নাই। এখানেই কী শেষ ?

  19. mizan4 says:

    পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের আশায় আছি।

  20. Gournadi says:

    “Ekti Bari Ekti Khamer” Project is most important for our rural development.

    Thank you prime minister.

  21. প্রদীপ হাওলাদার says:

    কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন !!!

    উপজেলায় একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের নিজস্ব অফিস ভবন নির্মানের উদ্যোগ গ্রহণ করে প্রকল্পটিকে আরও একধাপ এগিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং এ খবরে সকলের মধ্যে কাজের উদ্যম আরও অনেকগুন বেড়ে যাবে, যা প্রকল্পটিকে আরও গতিশীল ও লক্ষ্যমাত্রায় এগিয়ে যেতে বহুগুনে সহায়তা করবে।

    শ্রদ্ধাভাজন জাতীয় প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মহোদয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সকলের প্রতি এবএখা প্রকল্পের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীর পক্ষ থেকে জানাচ্ছি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা ।

    উপজেলা সমন্বয়কারী
    এবাএখা,
    গলাচিপা, পটুয়াখালী।

    • Naim Khan says:

      দৈনিক সমকাল
      প্রকাশ : ৩১ মার্চ, ২০১৪ ২০:৫৮:০৪
      সংসদে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক বিল উত্থাপন
      জাতীয় সংসদে আজ সোমবার পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক বিল-২০১৪ উত্থাপন করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বিলটি উত্থাপনকালে একে একটি যুগান্তকারী বিল বলে মন্তব্য করেন। বিল উত্থাপনের পর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ১৫ দিনের মধ্যে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়েছে।জাতীয় সংসদের দিনের কার্যসূচিতে না থাকলেও সম্পূরক কর্মসূচি হিসেবে অর্থমন্ত্রী পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক বিল-২০১৪ সংসদে উত্থাপন করেন। ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন হবে এক হাপজার কোটি টাকা। অনুমোদিত মূলধন প্রতিটি ১০০ টাকার ১০ কোটি সাধারণ শেয়ারে সমভাবে বিভক্ত হবে। ব্যাংক সরকারের অনুমোদক্রমে সময়ে সময়ে মূলধন বৃদ্ধি করতে পারবে। এতে আরো বলা হয়েছে, ব্যাংকের পরিশোধিত শেয়ার মূলধন হবে ২০০ কোটি টাকা, যার ৫১ ভাগ সরকার এবং ৪৯ ভাগ সমিতি কর্তৃক পরিশোধ করা হবে। ঋণগহীতা শেয়ার হোল্ডার তাঁর শেয়ার সমশ্রেণীর অপর ঋণগ্রহীতার কাছে হস্তান্তর করতে পারবেন।ব্যাংক পরিচালনায় একটি পরিচালনা বোর্ড থাকবে। জনস্বার্থের প্রতি যথাযথ গ্ররুত্ব দিয়ে ব্যাংক সিদ্ধান্ত নেবে। আইন পাস হওয়ার পর সরকারি গেজেট প্রকাশ এবং যত দ্রুত সম্ভব পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করা হবে।বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্প দেশের গ্রামাঞ্চলে দরিদ্র সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে সঞ্চয়ে উদ্বুদ্ধ করা, তাদের দক্ষতা বৃদ্ধিসহ নারীর ক্ষমতায়ন এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য গ্রাম সংগঠন সৃজন, তাদের প্রশিক্ষণ দান, তহবিলের জোগান এবং ঋণদানের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে চলেছে। এই কার্যক্রমকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপদান এবং তাদের সঞ্চয় ও অর্জিত অর্থ লেনদেন এবং রক্ষণাবেক্ষণে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

  22. প্রদীপ হাওলাদার says:

    উপজেলায় একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের নিজস্ব অফিস ভবন নির্মানের উদ্যোগ গ্রহণ করে প্রকল্পটিকে আরও একধাপ এগিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং এ খবরে সকলের মধ্যে কাজের উদ্যম আরও অনেকগুন বেড়ে যাবে, যা প্রকল্পটিকে আরও গতিশীল ও লক্ষ্যমাত্রায় এগিয়ে যেতে বহুগুনে সহায়তা করবে।

    শ্রদ্ধাভাজন জাতীয় প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মহোদয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সকলের প্রতি এবএখা প্রকল্পের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীর পক্ষ থেকে জানাচ্ছি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা ।

  23. পাঁচ বছরের পরিকল্পনা বিবেচনা করেই বাজেট ঘোষণা করা হবে
    যুগান্তর রিপোর্ট
    প্রকাশ : ২৮ মার্চ, ২০১৪
    সরকার কতদিন থাকবে সেটা কোনো বিষয় নয় উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জানিয়েছেন তিনি নতুন মেয়াদে বর্তমান সরকারের প্রথম বাজেটেই সরকারের সার্বিক ভিশন জনসম্মুখে তুলে ধরতে চান। তিনি বলেন, নানা কারণে মিড-টার্ম ইলেকশন তো হতেই পারে। কেউই হলফ করে বলতে পারবে না যে, আমরা ৫ বছর ক্ষমতায় থাকব। তবে আগামী ২০১৪-১৫ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা দেয়া হবে ৫ বছরের লক্ষ্যমাত্রা ও পরিকল্পনাকে বিবেচনায় রেখেই ।
    অর্থমন্ত্রী বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে অর্থনীতিবিদদের সঙ্গে আগামী ২০১৪-১৫ অর্থবছরের প্রথম প্রাক বাজেট আলোচনা শেষে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিচ্ছিলেন। ………………………………. ……………………………………………………………………………………………..বৈঠকে নতুন একটি প্রস্তাব এসেছে জানিয়ে তিনি বলেন, বৈঠকে অর্থনীতিবিদরা অর্থ মন্ত্রণালয়ে একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন। প্রস্তাবটি যৌক্তিক, আমিও এর সঙ্গে একমত। এ ধরনের কমিটি গঠন করা যেতে পারে। ব্যাংকিং খাত সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর ওপর বাংলাদেশ ব্যাংকের পুরো কর্তৃত্ব রয়েছে। তারা শুধু ব্যাংকের পরিচালকদের চাকরিচ্যুত করতে পারে না। কিন্তু ব্যবস্থাপনা পরিচালককে অব্যাহতি দেয়ার ক্ষমতা তাদের রয়েছে। আইনি পদক্ষেপ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং অ্যাক্ট ও পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক আইন সংসদের আগামী অধিবেশনে পাস হতে পারে। এছাড়া সরাসরি ট্যাক্স আইনের একটি খসড়া করা হয়েছে। বর্তমান সরকারের মেয়াদে এটি চূড়ান্ত করা হবে। কোন বছর থেকে এটা কার্যকর করা হবে সেটা এখনও ঠিক করা হয়নি। তবে আগামী অর্থবছরে হচ্ছে না।

  24. এবাএখা প্রকল্পের অনেক কর্মকর্তা/কর্মচারী Join blog এর member তারা নিয়মিত ব্লগে লিখতেন। সাম্প্রতিক সময়ে তাদের লেখার আগ্রহটা অনেক কম। ব্লগটা সতন্ত্র মত প্রকাশ, তথ্য আদান প্রদান এর একটি মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। অনেক সহকর্মী আছেন যারা প্রতিদিন Join blog ভিজিট করেন নতুন কিছু তথ্য/লেখা পড়ার জন্য। প্রিয় সহকর্মীবৃন্দ ব্লগে গঠনমূলক সমালোচনা/প্রতিত্তোর এর মাধ্যমে সমস্যার সমাধান ও কাজের গতিশীলতা আনয়নে আমরা অনেকাংশে ভূমিকা রাখতে পারি।

    • কঃ অঃ কাম হিসাব সহকারীদের প্রত্যেকের ব্যাক্তিগত ইমেইল ও ফেসবুক এ্যাকাউন্ট থাকলে আরো খোলামেলা ভাবে মতামত প্রকাশ করা যায়৤ সরকারী ব্লগে লিখে কারো বিরাগভাজন হবার সম্ভাবনা থাকেনা৤ বাকীটা অান্দাজ করুন……..৤

  25. Iqbal hoq says:

    প্রিয় কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারী ভাইয়েরা ধৈর্য ধরুন । ইনশাআল্লাহ আমাদের জন্য মাননীয় পিডি মহোদয় অব্যশই কিছু একটা করবেন । আমাদেরকে এতোটা অবহেলার মধ্যে ফেলে রাখবেনা বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

  26. MONOJIT says:

    অনুগ্রহ করে পড়ুন আর কিছু বলার নেই রাজতন্ত্র ও গণতন্ত্র এর পার্থক্য কি?

    একজন কঃ অঃ কাম হিসাব সহকারীর দায়িত্ব ও কর্তব্য :
    ১) উপজেলা সমন্বয়কারীর তত্ত্বাবধানে উপজেলা দপ্তরের প্রশাসিনিক এবং অর্থ ও হিসাব সংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করা।
    ২) ফাইল ও রেজিষ্টারসমূহ দায়িত্বশীলভাবে সংরক্ষণ করা।
    ৩) বিভিন্ন প্রকার চিঠি, বিল গ্রহন করে সংশ্লিষ্ট রেজিষ্টারে লিপিবদ্ধকরণসহ ফাইলে উপস্থাপন এবং কার্যক্রম গ্রহণ শেষে তা যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা।
    ৪) হিসাব সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রণয়ন করা।
    ৫) প্রকল্পের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের চাহিদানুযায়ী প্রশাসনিক ও আর্থিক রিপোর্ট-রিটার্ন প্রনয়ন, উপস্থাপন এবং অনুমোদনের পর উহা প্রেরণ নিশ্চিত করা।
    ৬) প্রকল্পের বাজেট বরাদ্দ অনুযায়ী বিল পরিশোধে সহায়তা করা।
    ৭) উপজেলা দপ্তরে হিসাব সংক্রান্ত যাবতীয় বহ, ক্যাশবুক, লেজার পোষ্টিং লিপিবদ্ধ নিশ্চিত করাসহ তা যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা।
    ৮) যাবতীয় বহিঃ রেজিষ্টার, খাতাপত্র সংরক্ষণ ও লিপিবদ্ধ করা।
    ৯) ভ্যাট, আয়কর ইত্যাদি নিয়মিতভাবে স্থানীয় ট্রেজারী অফিসে পরিশোধে সহায়তা করা।
    ১০) উপজেলা সমন্বকারীর নিয়ন্ত্রণে থেকে প্রকল্পের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডের জন্য সংগ্রহীত তথ্যাদি এন্ট্রি করা।
    ১১) চাহিদা অনুযায়ী প্রকল্পের দাপ্তরিক কাজে প্রয়োজনীয় পত্র ও প্রতিবেদন টাইপ এবং প্রিন্ট করা।
    ১২) কম্পিউটার ও প্রিন্টার ব্যাবহারের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কম্পিউটার এক্সেসরির এর চাহিদা দাখিল করা।
    ১৩) কম্পিউটার ও প্রিন্টার মেশিনসমূহ পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ও সংরক্ষণের দায়িত্ব পালন করা।
    ১৪) দৈনন্দিনভাবে প্রকল্পের ওয়েব সাইট ব্রাউজ করে পয়োজনীয় পত্রাদি ডাউনলোড এর মাধ্যমে প্রিন্ট কপি পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের জন্য উপস্থাপন করা।
    আমাদের কাজ একজন হিসাব রক্ষকের চেয়ে বেশী যারা বর্তমানে ৮০০০/- স্কেলে যাচ্ছেন। প্রকল্পের কেউ ৬৪০০-৮০০০ এ কেউ ৫২০০-৫৯০০ স্কেলে, ৪৭০০-৫২০০ স্কেলে তাহলে আমাদের এই বৈষম্য কি কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি গোচর হচ্ছেনা।
    কাউকে আঘাত করে বা ইর্ষান্বিত হয়ে লিখছিনা প্রকৃতপক্ষে আমাদের মর্যাদা আমাদের প্রদান করা হোক এটাই কামনা। আশা করি ব্যাংকের ক্ষেত্রে সঠিক মূল্যায়ন হবে? আর কবে হবে মূল্যায়ন?

  27. MD. Mahmudul Hasan says:

    প্রিয় সহকর্মী ভাইয়েরা, কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারী, পদে যারা আছে তাদেরকে নিয়ে কেঊ এমন কোন মিথ্যা অপপ্রচার করবেন না, আমরা যে স্মারকলিপি দিয়েছি তা ছিড়ে ফেলে দিয়েছে পিডি অফিস, ৪০ জনকে বদলী করা হয়েছে , কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারীরা কোন কাজ করে না , বেতন বাড়াবো না, এ কথাগুলো আমি আমার একসহকর্মীর সাথে মোবাইল ফোনে, কথা বলার সময় তাহার কাছে শোনেছি, তাকে নাকি এমনটি বলা হয়েছে। আমি বলব, যার এমন কথা বলেন, কথাগুলো যাচাই করে বলবেন, বুঝে শোনে কথাবলোন। প্রিজ দয়া করে ভাল সমালোচনা করুন, সম্মান পাবেন ।

  28. MD. Mahmudul Hasan says:

    প্রিয় সহকর্মী ভাইয়েরা, কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারী, পদে যারা আছে তাদেরকে নিয়ে কেঊ এমন কোন মিথ্যা অপপ্রচার করবেন না, আমরা যে স্মারকলিপি দিয়েছি তা ছিড়ে ফেলে দিয়েছে পিডি অফিস, ৪০ জনকে বদলী করা হয়েছে , কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারীরা কোন কাজ করে না , বেতন বাড়াবো না, এ কথাগুলো আমি আমার একসহকর্মীর সাথে মোবাইল ফোনে, কথা বলার সময় তাহার কাছে শোনেছি, তাকে নাকি এমনটি বলা হয়েছে। আমি বলব, যার এমন কথা বলেন, কথাগুলো যাচাই করে বলবেন, বুঝে শোনে কথাবলোন। প্রিজ দয়া করে ভাল সমালোচনা করুন, সম্মান পাবেন ।আমি সকলের পক্ষ থেকে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প কে “পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক ” প্রতিষ্ঠায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি ।

  29. কঃ অঃ কাম হিসাব সহকারী ভাইয়েরা
    যারা প্রধান কার্যালয়ে প্রশিক্ষনে যাবেন তাদের প্রতি অনুরোধ তারা যেন তাদের কাজের পরিধি সম্পর্কে পিডি মহোদয়কে অবহিত করেন। একজন কঃ অঃ কাম হিসাব সহকারীর দায়িত্ব ও কর্তব্য সস্পর্কে (মাঠ কর্মকর্তা/কর্মচারীদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ ম্যানুয়েল 3.02 (খ) ) আলোচনা করা হলো।
    ১) উপজেলা সমন্বয়কারীর তত্ত্বাবধানে উপজেলা দপ্তরের প্রশাসিনিক এবং অর্থ ও হিসাব সংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করা।
    ২) ফাইল ও রেজিষ্টারসমূহ দায়িত্বশীলভাবে সংরক্ষণ করা।
    ৩) বিভিন্ন প্রকার চিঠি, বিল গ্রহন করে সংশ্লিষ্ট রেজিষ্টারে লিপিবদ্ধকরণসহ ফাইলে উপস্থাপন এবং কার্যক্রম গ্রহণ শেষে তা যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা।
    ৪) হিসাব সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রণয়ন করা।
    ৫) প্রকল্পের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের চাহিদানুযায়ী প্রশাসনিক ও আর্থিক রিপোর্ট-রিটার্ন প্রনয়ন, উপস্থাপন এবং অনুমোদনের পর উহা প্রেরণ নিশ্চিত করা।
    ৬) প্রকল্পের বাজেট বরাদ্দ অনুযায়ী বিল পরিশোধে সহায়তা করা।
    ৭) উপজেলা দপ্তরে হিসাব সংক্রান্ত যাবতীয় বহ, ক্যাশবুক, লেজার পোষ্টিং লিপিবদ্ধ নিশ্চিত করাসহ তা যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা।
    ৮) যাবতীয় বহিঃ রেজিষ্টার, খাতাপত্র সংরক্ষণ ও লিপিবদ্ধ করা।
    ৯) ভ্যাট, আয়কর ইত্যাদি নিয়মিতভাবে স্থানীয় ট্রেজারী অফিসে পরিশোধে সহায়তা করা।
    ১০) উপজেলা সমন্বকারীর নিয়ন্ত্রণে থেকে প্রকল্পের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডের জন্য সংগ্রহীত তথ্যাদি এন্ট্রি করা।
    ১১) চাহিদা অনুযায়ী প্রকল্পের দাপ্তরিক কাজে প্রয়োজনীয় পত্র ও প্রতিবেদন টাইপ এবং প্রিন্ট করা।
    ১২) কম্পিউটার ও প্রিন্টার ব্যাবহারের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কম্পিউটার এক্সেসরির এর চাহিদা দাখিল করা।
    ১৩) কম্পিউটার ও প্রিন্টার মেশিনসমূহ পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ও সংরক্ষণের দায়িত্ব পালন করা।
    ১৪) দৈনন্দিনভাবে প্রকল্পের ওয়েব সাইট ব্রাউজ করে পয়োজনীয় পত্রাদি ডাউনলোড এর মাধ্যমে প্রিন্ট কপি পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের জন্য উপস্থাপন করা।
    আমাদের কাজ একজন হিসাব রক্ষকের চেয়ে বেশী যারা বর্তমানে ৮০০০/- স্কেলে যাচ্ছেন। প্রকল্পের কেউ ৬৪০০-৮০০০ এ কেউ ৫২০০-৫৯০০ স্কেলে, ৪৭০০-৫২০০ স্কেলে তাহলে আমাদের এই বৈষম্য কি কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি গোচর হচ্ছেনা।
    কাউকে আঘাত করে বা ইর্ষান্বিত হয়ে লিখছিনা প্রকৃতপক্ষে আমাদের মর্যাদা আমাদের প্রদান করা হোক এটাই কামনা। আশা করি ব্যাংকের ক্ষেত্রে সঠিক মূল্যায়ন হবে।

    • Hasan vai,
      EBEK project -a’r Computer Operator Come Account Assistant – der BRDB -a’r shomosto project -a’r kaj korar bishoyti bad diyen na. Kothau kothau obostha korun.

      • একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পটি হাটি হাটি পা পা করে পথ চলা শুরু করলেও নিজস্ব জনবল আসার পরে বরং দৌড়ের সাথে 05 টি অর্থ বছর অতিক্রম করার পথে। এবাএখা প্রকল্পটি উপজেলা পর্যায়ে একটি শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির রয়েছে নিজস্ব অবকাঠামো, দক্ষ জনবল, বড় অংকের তহবিল, সবচেয়ে কম সেবামূল্যে ঋণ প্রদান এবং তথ্য প্রযুক্তি সব্বোর্চ ব্যবহার অন লাইন মোবাইল ব্যাংকিং কার্যক্রম। যেটি উপজেলা পর্যায়ের অন্যান্য সরকারী/আধা সরকারী প্রতিষ্ঠান থেকে অনেক বেশি যুগপোযোগী।
        মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এবাএখা প্রকল্পের উপজেলা পর্যায়ে দুটি কক্ষ বরাদ্দের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও এখনও আমরা অনেক উপজেলাতে BRDB খোলস থেকে নিজেদেরকে মুক্ত করতে পারিনি। যেটি আমাদের জন্য চরম ব্যর্থতা। BRDB এবাএখা প্রকল্পকে কতটুকো শুভ দৃষ্টিতে দেখেন সময় এসেছে সেটি বিচার করার। অনেক URDO বর্তমানে এবাএখার অনলাইন কার্যক্রম বোঝেন না। অযথাই একটি প্রভাব বিস্তার করে আছেন। ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট উপজেলার URDO কে আয়ন ব্যয়ন কর্মকর্তা দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদানের মাধ্যমে সেটি প্রতিয়মান হয়েছে।
        সকল বাধা বিপত্তিকে মোকাবেলা করে আমাদের যোগ্যতা ও কর্মদক্ষতার দ্বারা এবাএখার উপজেলা পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানকে আরও বেশী আধুনিক ও যুগপোযোগী করে গড়ে তোলাই হবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য এবং আমাদের এই কর্মদক্ষতা ও পরিশ্রমের ফসল হবে “পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক”

  30. abir says:

    যুগ্ন সচিব থেকে অতিরিক্ত সচিবে পদোন্নতির জন্য মাননীয় পিডি মহোদয়কে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের ফিল্ড সুপারভাইজারদের পক্ষ থেকে সালাম ও আন্তরিক অভিনন্দন। মাননীয় পিডি মহোদয়ের নিকট এবাএখা প্রকল্পের সকল ফিল্ড সুপারভাইজারদের দাবী স্যার যেন আমাদের জন্য মোটর সাইকেলের ব্যবস্থা করেন এটা আমাদের অনুরোধ। কেননা এবাএখা প্রকল্পের কাজ দ্বিতীয় পর্যায়ে সম্প্রসারনে আমাদের কাজের পরিধি অনেক বেড়ে গিয়েছে। তাই বাই সাইকেল যোগে 4/5 টি ইউনিয়নে কাজ করা আমাদের জন্য অত্যন্ত কষ্ট হয়ে দাড়িয়েছে। সেই সাথে আমাদের কাজের পরিধির উপর বিবেচনা করে স্যার আমাদের বেতন গ্রেড উন্নয়ন করার জন্য আপনাকে অনুরোধ করা হলো। পরিশেষে “পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক” প্রতিষ্ঠায় মাননীয় পিডি স্যারের কঠোর শ্রম কে সাফল্যে পরিনত করার জন্য স্যারকে অজস্র কৃতজ্ঞা জ্ঞাপন করছি।

  31. কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারী ভাইয়েরা আমাদের পদবী এত দীর্ঘায়িত না করে শুধুমাত্র “হিসাব রক্ষক” হলেই ভাল হতো। প্রকৃতপক্ষে আমরা সে কাজই করি। তাহলে আমাদের পদবীতে হিসাব সহকারী লেখা হলো কেন? ইতোপূর্বে যাদের গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে তারা কেউ কেউ বলে থাকেন আমরা এরই প্রাপ্য কিন্ত তাদের পূর্ববতী গ্রেডের কথা ভেবে সকলের বিষয়ই ভাবা উচিৎ। যেহেতু তারা সকল মহলে উপর মহলে যোগাযোগ রাখছে। আমাদের কাজ ও বিআরডিবি’র হিসাব রক্ষকের চেয়ে অনেক বেশী। আমরা আমাদের দক্ষতার প্রমাণ দিতে পারি। প্রকৃতপক্ষে আমাদের কাজকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

  32. MD. Mahmudul Hasan says:

    All Computer operator, plz, inform u’r moble no.

  33. monish kumar says:

    সমগ্র বাংলাদেশে নব নিযুক্ত মাঠ সহকারীদের দাকোপ উপজেলার একটি বাড়ি একটি খামার পরিবারের পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।
    মনীষ, সমন্বয়কারী, দাকোপ, খুলনা।

  34. MD. Mahmudul Hasan says:

    Nobonijukto maath sohokori vaaider ovinondon.

  35. Iqbal hoq says:

    আমরা যদি আমাদের দায়িত্ব পালন করে যাই সঠিক ভাবে ইনশাআল্লাহ আমরা আমাদের লক্ষে পৌছতে পারবো । তবে আমাদের উচিত প্রকল্পের সকলের জন্য চিন্তাভাবনা করা । আমরা যেন আমাদের ব্যক্তিগত চিন্তা না করি। এজন্য সকলের নিকট আমার এই কামনা রইল। সেই সাথে নতুন মাঠ সহকারীবৃন্দকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন।

  36. mamun says:

    মাননীয় পিডি স্যার,
    যুগ্ন সচিব থেকে অতিরিক্ত সচিব এ পদোন্নতি’র জন্য একটি বাড়ি একটি খামার এর সকল কর্মকর্তা/কর্মচারীদের পক্ষ থেকে আপনাকে আন্তরিক অভিনন্দন । স্যার একটি বাড়ি একটি খামার’ এর শতভাগ সফলতা আমরা কর্মকর্তা/কর্মচারী যারা আছি তাদের অক্লান্ত পরিশ্রম আর আপনার দিক নির্দেশনায় আমরা সাফল্যে পৌঁছতে পেরেছি। তাই একটি বাড়ি একটি খামার’এর কাজকে আরও ত্বরান্বিত করতে আমরা ইতিমধ্যে মাঠ সহকারী পেয়েছি। সেই সাথে আমাদের দ্বিতীয় পর্যায়ের নতুন সমিতি গঠন করা ও নতুন সমিতির পরিদর্শনে ইউনিয়নের সংখ্যা বৃদ্ধি হওয়ায় আমরা ফিল্ড সুপারভাইজার যারা আছি তাদের ফিল্ড পর্যায়ে বাই সাইকেল দিয়ে 4/5 টি ইউনিয়নে কাজ করা আমাদের জন্য অত্যন্ত কষ্ট হচ্ছে। তাই মাননীয় পিডি মহোদয়কে ফিল্ড সুপারভাইজারদের জন্য একটি মোটর সাইকেলের ব্যবস্থা করার জন্য ফিল্ড সুপারভাইজারদের পক্ষ থেকে মাননীয় পিডি মহোদয়কে অনুরোধ করা হলো। সেই সাথে ফিল্ড সুপারভাইজারদের কাজের পরিধি বিবেচনা করে আমাদের বেতন গ্রেড উন্নীত করার জন্য মাননীয় পিডি মহোদয়কে অনুরোধ করা হলো।

  37. aminul Islam says:

    Filed Assistant ar ruselt kobe hobe

    • admin says:

      শীঘ্রই

    • admin says:

      আর কিছু দিন অপেক্ষা করুন

      • Tanzidul says:

        অসংখ্য ধন্যবাদ।
        শ্রদ্ধেয় Admin এর কাছে সকলের প্রশ্ন আমাদের কাংখিত ‍পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের বর্তমানে কোন অগ্রগতি হয়েছে কিনা বা কি অবস্থা ? প্লিজ ।

  38. মোঃ ওমর ফারুক says:

    একটি বাড়ী একটি খামার প্রকল্প কে “পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক ” প্রতিষ্ঠানে রূপদান করায় সাঘাটা উপজেলা কর্মকর্তা কর্মচারী ও সুবিধাভোগী সদস্যদের পক্ষে থেকে * মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন।

    • Tanzidul says:

      ভাই কৃতজ্ঞতা তো জানাচ্ছেন বুঝলাম ঠিক আছে কিন্তু আপনার পদবী নিয়ে কি খুশি আছেন?

      • sarup says:

        Tanzidul ভাই! শ্রদ্বেয় মোঃ ওমর ফারুক ভাই যেখানে একটি বাড়ী একটি খামার প্রকল্প কে “পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক ” প্রতিষ্ঠায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জানাচ্ছেন সেখানে আপনি আপনার মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকলেও আপনার বক্তব্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতায় ভেটো প্রদশဃন করেছে মমেဃ প্রতীয়মান হচ্ছে।আপনার লেখা পড়ে যে কেউ এমনকি আপনার পদবীর সহকমীগণও দু:খ প্রকাশ করবেন।আমরা আপনার মন্তবে হতাশ।আশা করব আপনার বক্তব্য আপনি প্রত্যাহার করে নিবেন।

        • Tanzidul says:

          মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতায় ভেটো প্রদশဃন করার মত স্পর্ধা বা সাহস আমার নেই। আসল কথা হচ্ছে ওমর ফারুক ভাইয়ের আগেই আমি ০৩ জেলার পক্ষ থেকে যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জানিয়েছি তা এখানে উল্লেখ করতে ভুলে গেছি। দু:খিত আমি আবারো মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি।

          পাশাপাশি অন্যদের বলব কেউ বক্তব্যের অপ ব্যাখ্যা করবেননা প্লিজ।

  39. Larae says:

    Hello Dear, are you truly visiting this site regularly, if so after that you will without doubt obtain pleasant knowledge.

    • sanjoy roy says:

      সবাই কি ঘুমিয়ে আছেন? আমাদের পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের খবর কি? সরকার পরিবর্তন হলে আমাদের কি হবে? সম্প্রসারিত ইউনিয়নের সমিতিতে সদস্য পাওয়া যাচ্ছে না। তারা সরকার পরিবর্তনের পরে প্রকল্পের অবস্থা কি হবে তাদের প্রশ্ন । আমাদের কোন উত্তর নাই। আমরাই জানিনা কি হবে? চাকরীর জন্য বলতে হয় ২০১৬ সালের জুন পর্যন্ত অর্থ ছাড় আছে। কিন্তু আমাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত!

  40. মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মহোদয়,
    একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের কর্মকর্তা/কর্মচারী ও সদস্যদের স্বার্থে আপনি পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের
    যে ঘোষনা দিয়েছিলেন তাতে প্রকল্প সংশ্লিষ্টসহ সারাদেশের জনগন তাতে আলোর মুখ দেখতে পেয়েছিল। কিন্তু এখন কতিপয় এনজিও এবং সরকারী আমলাদের অসহযোগিতার কারণে আপনার ঘোষিত পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের কার্যক্রম স্থিমিত হয়ে পড়েছে। কারণ এই ব্যাংক চালু হলে বিভিন্ন এনজিও গুলো গ্রামীণ গরীব লোকজনের কাছ থেকে চড়াসুদে ঋণ বিতরন করতে পারবেনা এবং এ ব্যাংক না হওয়ার জন্যে তাঁরা কোটি কোটি টাকা বিভিন্ন শ্রেণীর আমলাদের ঘুষ প্রদান করছে। কারণ এই ব্যাংক প্রতিষ্টিত হলে তারা যে উচ্চ ‍সুদে ঋণ প্রদান করছে তা গ্রামীণ গরীব জনগন গ্রহণ করছেনা। গ্রামীণ দরিদ্র জনগন এখন একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প থেকে ঋণ গ্রহণ করে বিভিন্ন উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ করে স্বাবলম্বী হয়েছে এবং এতে এনজিও দের ঋণ কার্যক্রমে ভাটা পড়েছে। এখন তারা এই ব্যাংক যাতে প্রতিষ্ঠিত না হয় সেজন্য তাঁরা সম্মিলিতভাবে এই ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত করার বিপক্ষে কোটি কোটি টাকা খরচ করছে। তাই মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর মহোদয়ের কাছে আকুল আবেদন আপনি উপরোক্ত বিষয় সুবিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে আপনার একটি বাড়ি একটি খামারকে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকে রুপান্তরিত করে গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর দারিদ্র বিমোচনে আরও সূদুর প্রসারী অবদান রাখবেন এবং গ্রামীণ দরিদ্র জনগন কৃতজ্ঞচিত্তে আপনার এ সৃষ্টি ‘পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক’কে আজীবন স্মরণ করবে এবং দারিদ্র বিমোচনে এই পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক জাতির জনক যে ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখতেন তা আপনার হাত ধরে অনেক দূর এগিয়ে যাবে।

    • jahid says:

      ১০০% সঠিক কথা । মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম (রাসেল) ভাই কে ধন্যবাদ তার কথার জন্য……….

    • মোঃ ওমর ফারুক says:

      আপানার কথাতে যুক্তি আছে? তবে এই নিয়ে ভাবলে হবে না সামনে এগিয়ে যেতে হবে…………. বহুদূরে !!!!

    • aminul Islam says:

      মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মহোদয়,
      একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের কর্মকর্তা/কর্মচারী ও সদস্যদের স্বার্থে আপনি পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের
      যে ঘোষনা দিয়েছিলেন তাতে প্রকল্প সংশ্লিষ্টসহ সারাদেশের জনগন তাতে আলোর মুখ দেখতে পেয়েছিল। কিন্তু এখন কতিপয় এনজিও এবং সরকারী আমলাদের অসহযোগিতার কারণে আপনার ঘোষিত পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের কার্যক্রম স্থিমিত হয়ে পড়েছে। কারণ এই ব্যাংক চালু হলে বিভিন্ন এনজিও গুলো গ্রামীণ গরীব লোকজনের কাছ থেকে চড়াসুদে ঋণ বিতরন করতে পারবেনা এবং এ ব্যাংক না হওয়ার জন্যে তাঁরা কোটি কোটি টাকা বিভিন্ন শ্রেণীর আমলাদের ঘুষ প্রদান করছে। কারণ এই ব্যাংক প্রতিষ্টিত হলে তারা যে উচ্চ ‍সুদে ঋণ প্রদান করছে তা গ্রামীণ গরীব জনগন গ্রহণ করছেনা। গ্রামীণ দরিদ্র জনগন এখন একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প থেকে ঋণ গ্রহণ করে বিভিন্ন উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ করে স্বাবলম্বী হয়েছে এবং এতে এনজিও দের ঋণ কার্যক্রমে ভাটা পড়েছে। এখন তারা এই ব্যাংক যাতে প্রতিষ্ঠিত না হয় সেজন্য তাঁরা সম্মিলিতভাবে এই ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত করার বিপক্ষে কোটি কোটি টাকা খরচ করছে। তাই মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর মহোদয়ের কাছে আকুল আবেদন আপনি উপরোক্ত বিষয় সুবিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে আপনার একটি বাড়ি একটি খামারকে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকে রুপান্তরিত করে গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর দারিদ্র বিমোচনে আরও সূদুর প্রসারী অবদান রাখবেন এবং গ্রামীণ দরিদ্র জনগন কৃতজ্ঞচিত্তে আপনার এ সৃষ্টি ‘পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক’কে আজীবন স্মরণ করবে এবং দারিদ্র বিমোচনে এই পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক জাতির জনক যে ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখতেন তা আপনার হাত ধরে অনেক দূর এগিয়ে যাবে।

  41. Md. Mahmudul Hasan says:

    সোহাগ ভাই , কপাল থাকলে ত পোড়বে , দিন রাত কাজ করে ময়মনসিংহ জেলাধীন ত্রিশাল উপজেলায় অনলাইন মোবাইল ব্যাংকিং শুরু করলাম, দাওয়াত পেলাম না, আসলে ত আমরা ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চা, আমাদের গ্রামে একটি প্রবাদ আছে ঔষধ খাইল রশি গুণ করে মজির, কম্পিউটার না না কম্পাউটার ভাইয়েরা দুঃখ করবেন না, আগামী বাজেটে (—-) হ্যা হ্যা করা হবে ।

  42. পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক এর অনুমোদন নিয়ে অর্থমন্ত্রী মহোদয় সিলেটে নেতিবাচক মন্তব্য করায় সারা দেশে এই প্রকল্পের সদস্য ও সদস্যাসহ সকল কর্মকর্তা কর্মচারীরা অবাক হয়েছে। যেখানে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী মহোদয় পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক গঠনের নির্দেশ প্রদান করেছেন । কারন সারা দেশে এই প্রকল্পের সদস্য সংখ্যা দশ লক্ষ আটত্রিশ হাজার পরিবার এবং এই প্রকল্প দ্বারা সুবিধা পাচ্ছে একান্ন লক্ষ মানুষ। এই প্রকল্পের অধিকাংশ কর্মকর্তা কর্মচারীর সরকারী চাকুরীর বয়স চলে গেছে। এই প্রকল্প দারিদ্র বিমোচনে সারা দেশে লক্ষ লক্ষ মানুষের কর্ম সংস্থান সৃষ্টি করছে এবং এই প্রকল্পের সারা দেশের সদস্যদের সঞ্চয়সহ মুলধন প্রায় এক হাজার কোটি টাকা যেখানে সকলে অধির আগ্রহে অপেক্ষা করছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মুখ থেকে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক প্রতিষ্টার ঘোষনা শুনার জন্য্।

  43. Md. Mahmudul Hasan says:

    বরাবর,
    প্রকল্প পরিচালক (যুগম্ন সচিব)
    একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প
    ঢাকা।

    মহোদয়ের সদয় অবগতির নিমিত্তে জানানো যাচ্ছে যে, আমারা আপনার অধীনে এবাএখা প্রকল্পের বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলাধীন তথা সমগ্র বাংলাদেশে নিয়োজিত সকল কম্পউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারীগণ প্রকল্পের বরতমান সময়কাল অত্যন্ত উদ্দ্বিগ্ন। নিয়োগের শুরুতে উপজেলা সমন্বকারীদের ৬৪০০/- থেকে ৮০০০/- টাকায় উন্নীত করা হয়েছিল। সম্প্রতি লক্ষ্যনীয় যে, অত্র প্রকল্পে নিয়োজিত মাঠ সংগঠক হতে ফিল্ড সুপারভাইজার করা হয়েছে। কিন্ত অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এই যে, আমাদের পদের অনুকূলে কোন উচ্চতর স্কেল প্রদান ও পদবী পরিবর্তন করা হয়নি। অত্র প্রকল্পের উপজেলা দপ্তরে হিসাব রক্ষক পদটি না থাকার কারণে যাবতীয় কাজ আমাদেরকেই করতে হয়।

    এমতাবস্থায় মহোদয়ের প্রতি সবিনয় প্রার্থানা এই যে, যথাসম্ভব আমাদের পদবী কম্পউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারী পদটি পরিবরতন করে “হিসাব রক্ষক/অফিসার” পদে উন্নীত করে ৫৫০০/- বেতন স্কেল থেকে ৮০০০/-বেতন স্কেলে উন্নীত করে স্বপদে আরও গতিশীল ও প্রজ্ঞার সাথে দায়িত্ব পালনে উৎসাহিত করিতে আপনার সুমর্জি হয়।

    নিবেদক
    বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলার সকল
    কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারীগণ

    • Sohag says:

      বরাবর,
      প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব)
      একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প
      ৫,কাওরান বাজার পলস্নী ভবন(৬ষ্ঠ তলা)
      ঢাকা-১২০৫।

      বিষয়: একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের আওতায় কর্মরত ‘‘কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারী’’ পদের গ্রেড ২য় শ্রেনীতে উন্নিত করণ প্রসংগে।

      মহোদয়,
      যথাযথ সম্মান প্রদর্শন পূর্বক সবিনয় নিবেদন এই যে, আমরা বরিশাল জেলার কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারীগণ প্রথম থেকেই অত্যমত্ম নিষ্ঠার সাথে অফিসের যাবতীয় কাজ করে আসছি। তাছাড়া সময়ে সময়ে প্রকল্পের উন্নয়নের স্বার্থে আমরা সমন্বয়কারীদের সাথে ফিল্ডে যেয়ে থাকি। সমিতির হিসাব রাখা, অনলাইন ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করা ছাড়াও সবাই ফিল্ডে গেলে একাই অফিস চালনা করি। প্রকল্পের শুরম্নতে উপজেলা সমন্বয়কারীদের গ্রেড পরিবর্তন করা হয়েছে। তাছাড়াও ২০১৩-১৪ অর্থ বছরের শুরম্নতে মাঠ সংগঠকদের পদবী পরিবর্তন করে সুপারভাইজার পদে উন্নীত করার সাথে সাথে গ্রেড ও পরিবর্তন করা হয়। যা অত্যমত্ম আনন্দ ও আশার বিষয়। কিন্তু সেই সাথে কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারীদের পদবী উন্নিত করে ‘অফিসার হিসাব’ ও গ্রেড পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে পূর্বের ধারাবাহিকতার বিষয়টির প্রতি বিশেষ দৃষ্টি দেয়ার জন্য মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন জানাচ্ছি।

      অতএব মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন, উপরের উলেস্নখিত বিষয়টি বিবেচনা করে, কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারীদের পদবী ও গ্রেড উন্নয়নের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করতে মহোদয়ের একান্ত মর্জি হয়।

      বিনীত নিবেদক
      আপনার একামত্ম অনুগত
      বৃহত্তর বরিশাল জেলার সকল
      কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারীগণ।

    • amar khub tara tari jonobol dorker.kaj korte onek kosto hosse.

    • Nabarun Noskor says:

      Hasan vaai, voy naai.

  44. এবাএখা প্রকল্পের সকল কর্মকর্তা/ কর্মচারী যারা গত দুই বছর অক্লান্ত পরিশ্রম করে প্রকল্পকে শত ভাগ সাফল্য মন্ডিত করেছেন এবং যাদের পরিশ্রম এর উপর ভিত্তি করে আজকের এই পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক হতে চলেছে সেসব কর্মকর্তা/কর্মচারীদের কাজের মূল্যায়ন করে তাদের মধ্য হতে ব্যাংকের ব্যবস্খাপকসহ অফিসার পদে নিয়োগ দানের জন্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ,প্রতিমন্ত্রী ,ও পিডি স্যারের কাছে বিনীত ভাবে অনুরোধ রাখছি।
    কারন আমরা শুনতে পাচ্ছি ব্যাংকের ব্যবস্থাপকসহ বিভিন্ন পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে উপজেলা সমন্বয়কারী মধ্য থেকে নতুন করে শিক্ষাগত যোগ্যতা চাওয়া হবে এস এস সি এবং এইচ এস সিতে দুটি প্রথম শ্রেনী যা অধিকাংশ উপজেলা সমন্বয়কারী ব্যবস্থাপক হওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে।আমার জানা মতে এমন অনেক কর্মকর্তা/ কর্মচারী রয়েছে যাদের চারটি প্রথম শ্রেনী সনদ রয়েছে কিন্তু উপজেলা ভিত্তিক কার্যক্রম মুল্যায়নে দেখা যায় তাদের অবস্থান জেলার মধ্যে সর্ব নিম্ন পর্যায়ে। কাজেই সনদ নয় কাজের মুল্যায়নের উপর ভিত্তি করে পদায়নের ব্যবস্থা গ্রহন করা উচিত তা না হলে অফিস ব্যবস্থাপনায় বিশৃংখলা সৃষ্টি হতে পারে।এবং এতে কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের দায়িত্বের প্রতি অনিহা জাগতে পারে।

  45. abir says:

    এবাএখা প্রকল্পের মাঠ পর্যায়ের (ফিল্ডে ও অফিসে) অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনকারী মাঠ সংগঠকদের পদবী বর্তমানে ফিল্ড সুপারভাইজার পদে উন্নীত করার জন্য মাননীয় পিডি স্যারের কাছে আমরা কৃ্তজ্ঞ ও শ্রদ্ধাসহ ,সহস্র সালাম জানাই। মাননীয় পিডি স্যার মহোদয়ের কর্মপরিকল্পনা ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্তের ফলে এবাএখা দেশের সর্ববৃহৎ সফলতার শীর্ষ্ প্রকল্প। এই প্রকল্পটি গ্রামীন জনপদে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনে আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসায় গ্রামের হত দরিদ্র জনগোষ্ঠী প্রকল্পটির একটি স্থায়ীরুপ দেখেতে চায়। এ প্রকল্পটি দেশের হতাশাগ্রস্থ দরিদ্র মানুষের জীবনে আশার আলো দেখিয়েছে, তারা মনে মনে অনেক স্বপ্ন বুনতে শুরু করেছে। আমাদের উপজেলায় প্রকল্পের অনেক উপকারভোগী ও গ্রাম উন্নয়ন সমিতি এখন যে সমস্ত এনজিও সুদখোর ও দীর্ঘদিন ধরে দারিদ্র জনগোষ্ঠীকে শোষন করে আসছে সে সমস্ত এনজিওদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে উঠেছে। সরকারের অ্গ্রাধিকার ভিত্তিক দারিদ্র বিমোচনের এবাএখা প্রকল্পটি দারিদ্র বিমোচনসহ দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। আমাদের এ ধারাবাহিক সফলতা অব্যাহত রাখার জন্য এবাএখা প্রকল্পকে ‘পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক’ হিসেবে স্থায়ীরুপ দেওয়া হউক এবং ফিল্ড সুপারভাইজার পদবীকে তৃতীয় শ্রেণী থেকে দ্বিতীয় শ্রেণীর পদ মর্যাদা দেওয়া হলে দক্ষতার সাথে অফিস কার্য সম্পাদনসহ মাঠ পর্যায়ে আমাদের কাজ করতে সহজ হবে। তা নাহলে দেখা যাবে যে, মাঠসহকারী’রা আমাদের নির্দেশ মতো কাজ করবেনা/কাজ করার অনীহা দেখাবে। তাই মাননীয় পিডি স্যারের কাছে আমাদের আকুল আবেদন এবাএখা প্রকল্পকে ‘পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক’ হিসেবে স্থায়ীরুপ দান ও ফিল্ড সুপারভাইজারদের অফিসার পদ মর্যাদা দেওয়া হউক। কেননা, হতদরিদ্র’দের/উপকারভোগী সদস্যদের ভাগ্য উন্নয়নে ফিল্ড সুপারভাইজার’রা বৃষ্টিতে ভিজে, রোদে পুড়ে শতভাগ সফলতা ইতিপূর্বেই অর্জন করেছে।

  46. পিডি স্যার,
    জেলা সমন্বয়কারী পদে এস এস সি এবং এইচ এস সিতে দুটি প্রথম শ্রেনী চাওয়ায় অনেক দক্ষ উপজেলা সমন্বয়কারী আবেদন করতে পারে নি। কিন্তু অনেক উপজেলা সমন্বয়কারী আছেন যাদের সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ দ্বিতীয় শ্রেনীর তারা উপজেলা সমন্বয়কারী হিসেবে জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হয়েছে ঐসব প্রথম শ্রেনীর সার্টিফিকেট ধারীদের পেছনে ফেলে কাজেই এখন পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ব্যবস্থাপকের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতার বিষয়টি মূখ্য না দেখে দক্ষতার ভিত্তিতে উপজেলা সমন্বয়কারীদের পদায়নের ব্যবস্থা গ্রহনের জন্যে অনুরোধ করা হলো।

  47. babu says:

    এবাএখা প্রকল্পের মাঠ পর্যায়ের (ফিল্ডে ও অফিসে) অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনকারী মাঠ সংগঠকদের পদবী বর্তমানে ফিল্ড সুপারভাইজার পদে উন্নীত করার জন্য মাননীয় পিডি স্যারের কাছে আমরা কৃ্তজ্ঞ ও শ্রদ্ধাসহ ,সহস্র সালাম জানাই। মাননীয় পিডি স্যার মহোদয়ের কর্মপরিকল্পনা ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্তের ফলে এবাএখা দেশের সর্ববৃহৎ সফলতার শীর্ষ্ প্রকল্প। এই প্রকল্পটি গ্রামীন জনপদে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনে আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসায় গ্রামের হত দরিদ্র জনগোষ্ঠী প্রকল্পটির একটি স্থায়ীরুপ দেখেতে চায়। এ প্রকল্পটি দেশের হতাশাগ্রস্থ দরিদ্র মানুষের জীবনে আশার আলো দেখিয়েছে, তারা মনে মনে অনেক স্বপ্ন বুনতে শুরু করেছে। আমাদের উপজেলায় প্রকল্পের অনেক উপকারভোগী ও গ্রাম উন্নয়ন সমিতি এখন যে সমস্ত এনজিও সুদখোর ও দীর্ঘদিন ধরে দারিদ্র জনগোষ্ঠীকে শোষন করে আসছে সে সমস্ত এনজিওদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে উঠেছে। সরকারের অ্গ্রাধিকার ভিত্তিক দারিদ্র বিমোচনের এবাএখা প্রকল্পটি দারিদ্র বিমোচনসহ দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। আমাদের এ ধারাবাহিক সফলতা অব্যাহত রাখার জন্য এবাএখা প্রকল্পকে ‘পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক’ হিসেবে স্থায়ীরুপ দেওয়া হউক এবং ফিল্ড সুপারভাইজার পদবীকে তৃতীয় শ্রেণী থেকে দ্বিতীয় শ্রেণীর পদ মর্যাদা দেওয়া হলে দক্ষতার সাথে অফিস কার্য সম্পাদনসহ মাঠ পর্যায়ে আমাদের কাজ করতে সহজ হবে। তাই মাননীয় পিডি স্যারের কাছে আমাদের আকুল আবেদন এবাএখা প্রকল্পকে ‘পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক’ হিসেবে স্থায়ীরুপ দান ও ফিল্ড সুপারভাইজারদের অফিসার পদ মর্যাদা দেওয়া হউক।

    • dipankar bakshi says:

      এবাএখা প্রকল্প কে স্হায়ী রুপ না দিলে আমাদের ভাগ্যে অনধকার নেমে আসবে।আসাকরি মাননীয় পিডি মহোদয় আমাদের জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছেন।মাঠ সংগঠক দের গ্রেড ১৪ হতে ১২তে উন্নীত করায় মাননীয় পিডি মহোদয় কে আন্তরিক ধন্যবাদ।সকল মাঠসংগঠক ভাই কে ব্লগে আসার জন্য আহবান জানাচ্ছি।

      দীপংকর বকসী
      মাঠসংগঠক
      মাগুরা সদর।

    • himel says:

      100 % right

  48. Sohag says:

    আমাদের সকলের এক দাবী আমাদের পদবী অফিসার হিসাব করে বেতন স্কেল ৮০০০ টাকায় উন্নিত করা হোক ।

    • Zahid hasan says:

      ঁআমরা কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারী” ঁ
      রোকসানা আক্তার (সীমা), ঈশ্বরগঞ্জ- ০১৭১৭৭৮০০৬
      লুফুন্নাহার, ফুলবাড়িয়া-০১৭৬৫৪৭৪২৪৩
      মাহমুদুল হাসান, ত্রিশাল – ০১৭২৪৫৭১৯১২
      নাজমুল হাসান , হালুয়াঘাট- ০১৯১৩০২২৮৫৪
      মো: জাকির হোসাইন, নান্দাইল – ০১৯১২৫৮৬৯৮৩
      মো: আব্দুল্লাহ, জামালপুর সদর – ০১৯১৫১৮৩৯১৫
      মো: কামরুজ্জামান, মুক্তাগাছা- ০১৯১২৯৪৩৭২৫
      রিপন চন্দ্র দাস, কেন্দুয়া, -০১৭২২২২৩০৫০
      মোজাম্মেল হক, ফুলপুর, -০১৯১৩০৫৬১২৩
      মো: হাফিজুর রহমান (শাহিন), ভূঞাপুর, টাংগাইল-০১৯২০৬৭৫৬৮০
      মো: জাহিদুল ইসলাম (জাহিদ) টাংগাইল সদর-০১৭১০১৭৪৭৮৭
      পুলক চন্দ্র বিশ্বাস, খালিয়াজুরী-০১৭৭১৮৯৮০৬১
      অঞ্জনা রাণী দত্ত, মোহনগঞ্জ – ০১৭৪৮০২৭১৭১

  49. Sohag says:

    আমারা কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারীরা নাকি কোন কাজ ই করি না !
    তবে কেন নতুন দল গঠন এর ক্ষেত্রে আমাদেরকেই দরকার হচ্ছে !! বিভিন্ন উপজেলায় আমাদের কে ইউনিয়ন এর দায়িত্ব ভাগ করে দেয়া হচ্ছে, ঊর্ধ্বতনরা বলছেন আপনি এই কয়টা ইউনিয়নে সমিতি গঠন করবেন আর মাঠ সংগঠকরা পুরাতন সমিতির টাকা উঠাবে । আমারাই যদি মাঠে কাজ করি তাহলে যাদের মাঠেই কাজ তাঁরা কি করবে ?
    অফিসের কাজ কর, এজির কাজ কর, অনলাইন মোবাইল ব্যাংকিং এর কাজ কর, ব্যাংকের এজেন্ট হিসাবে কাজ কর, মাঠের কাজ কর, ব্যাংকে টাকা জমা কর, ফাইল নিয়ে যাও ইউএনও অফিসে, আজ আস্তে পারবো না অফিসের সব কাজ ঠিক মত করবেন, বাসায় গিয়ে রাত জেগে অনলাইনে টাকা এন্ট্রি করবেন ……………… সবই করছি বিগত দুই অর্থ বছর থেকে ………… তার বেশ বড় একটা পুরস্কার ও পেয়েছি আমরা । এখন তাঁরা বলছে অফিসের কাজ থাক ফিল্ডে যান সমিতি গঠন করেন ………… যখন সমিতি গঠন হয়ে যাবে তার পর তারাই বলবে অফিসের কাজ গুলো সন্ধ্যা হোক আর শুক্র শনি হোক তা তো করতেই হবে ………………… বাকিদের কথা জানি না আমি জয়েন্ট করার পর থেকেই ফিল্ড ও অফিস দুটোই করে আসছি …………… আমার জানার বাহিরে হয়তো বা অনেক উপজেলাতেই এমন টাই হচ্ছে তবু আমাদের কেন এই অবমূল্যায়ন !!!!

  50. Md. Mahmudul Hasan says:

    আমরা ময়মনসি;হ বিভাগ এর সকল কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারীরাও একমত পোষন করছি আমাদের পদবী উন্নীত করে অফিসার হিসাব করা হোক ।

    সকল কম্পিউটার ভাইদের বলব আপনারা সকল জেলা থেকে স্মরক লিপি আগামী ১০/০৯/২০১৩ তাঃএর মধে প্লিজ পাঠান

  51. Md. Mahmudul Hasan says:

    সকল কম্পিউটার ভাইদের বলব আপনারা সকল জেলা থেকে স্মরক লিপি আগামী ১০/০৯/২০১৩ তাঃএর মধে প্লিজ পাঠান

  52. মোঃ আলমগীর হোসেন, নোয়াখালী। says:

    সকল কম্পিউটার অপারেটর কাছে আমার কিছু পাওনা আছে ,

    ১) আমরা যারা ব্লগে লেখালেখি করি অবশ্যই আমরা সুন্দর-মননশীল-সদয় বিনয়ের সাখে কমান্ট পোষ্ট করিব।
    ২) আমরা সকল কম্পিউটার অপারেটর ইতিমধ্যে মনে একটু কষ্ট অনুভব করলেও ,আমাদের চেয়ে বেশি কষ্ট অনুভব করিতেছেন আমাদের সম্মানিত মাননীয় পিডি মহোদয় কারন আমরাতো মহোদয়ের সন্তান । আমরা সবাই মহোদয়ের জন্যে মুসলিম হলে নামায পড়ে আর অন্যান্য ধর্ম যার যার মতো করে প্রার্থনা করব, যেন মহোদয় সুস্থ থাকে, আমাদের জন্যে কিছু করার।উৎসবের সময় যদি মা-বাবা সন্তানদের জন্যে নতুন জমা কাপড় না দিতে পারে, তবে সন্তানের চেয়ে মা-বাবা বেশি কষ্ট অনুভব করে হয়তবা আমরা সেইটা অনুভব করিতে পারিনা। তাই গত বরাদ্দে মহোদয় আমাদের জন্যে কিছু না করাতে আমাদের চেয়ে মহোদয় বেশি মর্মাহত হয়েছে। আমাদের সকলের অভিবাবক হয়ে মহোদয় আমাদের জন্যে হয়তবা সম্মানজনক বেতন কাঠামো উপহার দেবে।
    ৩) বর্তমান সময়ে মহোদয় খুব ব্যস্থ সময় কাটাচ্ছে ,এই সময়ে আমরা মহোদয়কে কোনো রকম বিরক্ত করিব না।
    ৪)মহোদয়ের দক্ষ পরিচালনার কারনে আমরা আজ এতকিছু দ্রারিদ্র মানুষের জন্যে করতে পারলাম ।সেইজণ্যে বিশ্ব শান্তি মডেলের রুপকার জননেত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাথ্য কামনা করব।

  53. Sohag says:

    ব্যাংক এর কার্যক্রম সম্পর্কে যদি কেউ জেনে থাকেন তাহলে দয়া করে ব্লগে লিখে জানাবেন

    • sanjoy roy says:

      এবাএখা প্রকল্পের ব্যাংকিং কার্যক্রম “প্রধানমন্ত্রী চান পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের না”! জানতে ০৫/০৯/২০১৩ তারিখের “কালের কন্ঠ” পত্রিকায় ৫নং পৃষ্টা পড়ুন।

      • Sohag says:

        এত টুকু জানি এর পরবর্তী কোন নিউস থাকলে জানাবেন
        কবে হবে !! অথবা হচ্ছে কি না হচ্ছে !!

  54. Iqbal hoq says:

    আমাদের যেহেতু উপজেলা সমন্বয়কারী শূন্য পদে প্রতিনিধিত্ব করি শুন্য পদের অতিঃ দায়িত্ব আমাদের হাতে তুলে দেয় সেহেতু আমাদের উচিত হবে মাননীয় পিডি মহোদয়কে সুষ্ঠু ভাবে উহার উপলদ্ধি তুলে ধরা যাতে পিডি মহোদয় উহা অনুধাবন করে আমাদের প্রতি সদয় হোন। আমরা আশাবাদী আমাদের বিষয়টি বুঝে পিডি মহোদয় আমাদের জন্য কিছু করবেন। আমাদের দাবী অফিসার হিসাব করা হোক।আমরা কিশোরগঞ্জ এর সকল কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারী এ বিষয়ে একমত পোষণ করলাম।

    • Sohag says:

      আমরা বরিশাল বিভাগ এর সকল কম্পিউটার অপারেটর ও একমত পোষন করছি আমাদের পদবী উন্নীত করে অফিসার হিসাব করা হোক ।

    • Sohag says:

      আমরা বরিশাল বিভাগ এর সকল কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারীরাও একমত পোষন করছি আমাদের পদবী উন্নীত করে অফিসার হিসাব করা হোক ।

      • মোঃ ওমর ফারুক says:

        আমরা রংপুর বিভাগ এর সকল কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারীরাও একমত পোষন করছি আমাদের পদবী উন্নীত করে অফিসার হিসাব করা হোক ।

  55. Sohag says:

    “পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক” এর কার্যক্রম কতো দূর !!!!

    যদি কেউ যেনে থাকেন তবে plz জানাবেন ।

  56. Sohag says:

    # আমরা কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারী #

    ইতি রানী মন্ডল-পিরোজপুর সদর-০১৭২৮-৪৪৯৬২৬
    বিথী মিত্র-ভান্ডারিয়া,পিরোজপুর-০১৭৪৬-৮৩২৩২০
    ফারজানা আক্তার-কাউখালী, পিরোজপুর-০১৭৬৮-৪২২৪৬৮
    মো মাহমুদুল হাসান-জিয়ানগর,পিরোজপুর‌-০১৯৩৮-৬৩৯১৯৩ *
    মো ফোরকান-মঠবাড়ীয়া-০১৭২০-২৮৫৬৪৮
    মোসা সায়লা সারমিন-নেছারাবাদ, পিরোজপুর-০১৭২৫-৮৪৯৬৬৬
    মো নজরুল ইসলাম-নাজিরপুর, পিরোজপুর-০১৯১২-৮২০৬৪৭ *
    মেরাজ মুহাম্মদ খান-নলছিটি, ঝালকাঠী-০১৭৩৪-৫৫৭০৭১
    মনির হোসাইন-কাঠালিয়া,ঝালকাঠী-০১৭১৯-২৭২৫৪৯
    মো আজিজুল ইসলাম (শাওন) -বরিশাল সদর *-০১৬৭১-৭৭৮৫২৪/০১৮২৮১৪৬৩৭৩ *
    সৈয়দ মনিরুজ্জামান-বাকেরগঞ্জ, বরিশাল-০১৬৭৫-৪৯৫৬০৯ *
    জীবন চন্দ্র-হিজলা, বরিশাল-০১৭২২-৫৫৯০৩০
    মো হাসানাত-গেৌরনদী, বরিশাল-০১৬৮১-২৩২২৯৫
    মো সাইফুল ইসলাম-বাবুগঞ্জ, বরিশাল ০১৭৩২-১৬০২৩০
    নাসমিা আক্তার-আগৈলঝাড়া, বরিশাল-০১৭২১-২৪৫০২০
    রাবেয়া খাতুন সুমা-উজিরপুর, বরিশাল-০১৫৫৬-৪৩৪৭০৬ *
    মো আবুল বাশার-বানারিপাড়া, বরিশাল-০১৯২৫-৮০৭৮৪২
    শিউলি বেগম-মেহেন্দিগঞ্জ, বরিশাল-০১৯১৮-৮৩৩৫৯৪
    শাজাহান খান-দউলতখান-ভোলা- ০১৭১২-৮২৪০৭৫ *
    মোঃ আইউব হোসাইন (সুমন) -চউগাছা- যশোর- ০১৯১১-৫৯৪৪৮৪/০১৭৭১-৪৩৬৬৫৯ *
    শানজিদা পারভীন- সদর- যশোর – ০১৭৭৪-৯৯০৯৯০
    মোঃ রাসেল রানা- সারসা- যশোর- ০১৯৩৭-২৮৬৭৭৭
    মোঃ শাহা জামাল- জিকারগাছা – যশোর- ০১৭১৭-৯৬৬৫৫৮
    দেবাশীষ বিশ্বাস – অভয়নগর- যশোর- ০১৭১৯-০১৯৩৪৪
    সঞ্জয় রয়- কেশবপুর-যশোর- ০১৯১৮-৮০৭২৯৫
    দেবাংশু বিশ্বাস- মনিরাম পুর- ০১৭২৪-৯৯৯৬২৬
    বিপ্লব কুমার – বাগেরপাড়া – ০১৯৬৩-৪৯৮০৩৬
    ফাহিম সাহারিয়ার- সদর- কুষ্টিয়া – ০১৯২২-৩৫৯৭৭৫ **
    আলোমগীর – নোয়াখালী – ০১৭১৪-৭৮৫৪৬৭ *
    (——-) – পঞ্চগর- ০১৯৪৮-০৪৩০৪৭
    মোঃ জাহিদ – সদর- টাঙ্গাইল – ০১৮৪০-৯৭৫৩৫৭ *
    মোঃ জহিরুল – নওগাঁ – ০১৭৩১-২৭০২৪০ *

    If you want to decrease our communication gap then plz write down you number ..or E-mail add ……. it’s too much essential for us ………

    • Sajida Parvin Mukta says:

      তন্দ্রা রাণী মন্ডল-নড়াইল সদর-০১৯৩৮৬৮১৩৫২
      প্রনব মুজমদার-কালিয়া -০১৭৬৩৯৯০১০০
      ববিতা খাতুন-মাগুরা সদর-০১৭২৫৩৬৩৬৭৩
      সামছুন নাহার-শালিখা-০১৯২৯৩৮৪১০৫
      মো: আরিফুজ্জামান-মোহাম্মদপুর-০১৯১২৪৯১২৩৪
      পিকুল আবেদ-ঝিনাইদহ সদর-০১৭১৮৭৩৯১০২
      আব্দুর সালাম-শৈলকুপা-০১৯২৩১৮৫৯৫৭
      লাকী-আরা-নার্গিস-মহেশপুর-০১৭৩৩১৯৮২৭২
      চম্পা কোটচাদপুর-০১৯১৬৬৮১৩০৩
      মো: হোসেনুর আল তারিফ-হরিণাকুন্ড-০১৯২১১৫০০১৪
      মো: মোসত্মাফিজুর রহমান-কালীগঞ্জ-০১৭১৫২৯০৭৩৮

      • Sohag says:

        ধন্যবাদ Sajida Parvin Mukta

        • মোঃ ওমর ফারুক says:

          গাইবান্ধা জেলার “একটি বাড়ী একটি খামার ”প্রকল্পের কম্পিউটার অপারেটর কাম-হিসাব সহকারীদের মোবাইল তথ্যঃ

          মোঃ ওমর ফারুক সাঘাটা- গাইবান্ধা-01912728207,
          মোছাঃ ফাতেমাতুর জহুরা- গোবিন্দগঞ্জ- গাইবান্ধা- 01735218656,
          মোছাঃ সারাভান তহুরা – ফুলছড়ি- গাইবান্ধা- 01938879082,
          মোঃ সাখাওয়াত হোসেন- সুন্দরগঞ্জ- গাইবান্ধা- 01938879088,
          মোছাঃ লাভলী আক্তার- সদর- গাইবান্ধা- 01710793848,
          পদশূন্য – সাদুল্যাপুর-গাইবান্ধা- ,
          পদ শূন্য – পলাশবাড়ী- গাইবান্ধা- ।

    • younus says:

      কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারী বরগুনা জেলা
      মো: ইউনুছ মিয়া, বামনা, বরগুনা, মোবা: ০১৭২০২২৯৯৪২
      মো: হুমায়ুন কবির, বেতাগী, বরগুনা , মোবা: ০১৭১০৭৪৮৬৭৮
      মো: মাসুম বিল্লাহ , আমতলী, বরগুনা , মোবা: ০১৭১২৪৬৬১২৪

  57. Sohag says:

    আমাদের শ্রদ্ধেয় পিডি মহোদয়ের উপর আমাদের সকলের পুর্ণআস্থা ও বিশ্বাস রাখা উচিত । সে নিশ্চয়ই আমাদের সম্মান জনক বেতন স্কেল দান ও পদবী উন্নীত করবেন । আমাদের সকলের শিক্ষা গত যোগ্যতা ও কাজের পরিধি বিবেচনা করে আমাদের পদবী উন্নীত করে “অফিসার হিসাব” করার জন্য আমাদের শ্রদ্ধেয় পিডি মহোদয়ের নিকট আমাদের আকুল আবেদন রইলো ।

  58. সবুজ says:

    আসন্ন সংসদ পর্যন্ত এবাএখা-র সকল কর্মকর্তা/কর্মচারীরা সকলে আপন আপন সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করুন…For our ebek family as if make a RSB very soon.

  59. আমাদের হিসাব অফিসার পদে উন্নিত করার জন্য আমরা সকল কম্পিঃঅপাঃকাম-হিসাব সহকারীরা মাননীয় পিডি মহোদয়সহ উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট আকুল আবেদন যানাচ্ছি। কেননা আমাদেরকেই যে অতিরিক্ত উপজেলা সমন্বয়কারীর দায়ীত্ব দেওয়া হচ্ছে । তাই আমাদের বেতন কাঠমেো পরিবর্তনসহ আমাদের সকলের চাকুরী স্থায়ীকরনের আবেদন যানাচ্ছি।
    এখনই সময় দারিদ্র মানুষের অর্থ ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ।
    এখনই সময় বাংলাদেশকে একটি মডেল দেশ হিসাবে বিশ্বের কাছে তুলে ধরা।
    এখনই সময় ক্ষুধামুক্ত ও দারিদ্রমুক্ত একটি বাংলাদেশ উপহার দেওয়া।

    • Sohag says:

      মাননীয় পিডি মহোদয়ের নিকট আমাদের আকুল আবেদন এই যে,
      কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারীদের পদবী উন্নীত করে অফিসার হিসাব করা হোক ।
      আমাদের বেতন কাঠমেো পরিবর্তনসহ আমাদের সকলের চাকুরী স্থায়ীকরনের আবেদন যানাচ্ছি।
      এখনই সময় দারিদ্র মানুষের অর্থ ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ।
      এখনই সময় বাংলাদেশকে একটি মডেল দেশ হিসাবে বিশ্বের কাছে তুলে ধরা।
      এখনই সময় ক্ষুধামুক্ত ও দারিদ্রমুক্ত একটি বাংলাদেশ উপহার দেওয়া।

      • আরিফ,মাগুরা says:

        মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নপ্রসূত প্রকল্পে পিডি মহোদয়ের দিকে তাকিয়ে আমরা নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছি। যেখানে আট জন জনবল দরকার কিন্তু সেখানে মাত্র ৪ জন আবার কোথাও পদ শুন্য রয়েছে তারপরও আমরা দুটি অর্থ বছরে সন্তোষজনক ফলাফল অর্জন করেছি। জনবল সংকট নিয়ে যারা কাজ করেন তারাই বোঝেন কাজের কত চাপ ও জ্বালা, ঠিক এমন একটি মুহুর্তে কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারীরা উপজেলা সমন্বয়কারীর দায়িত্ব পেয়েছেন। মাত্র ১ জন মাঠ সংগঠক নিয়ে কাজ করে তারা আবার শতভাগ সফলতাও অর্জন করেছেন। আমার মনে হয় নিজেদের চাকরীর ভবিষ্যৎ ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রকল্পটিকে টিকিয়ে রাখার জন্যই তারা এই অসাধ্যকে সাধন করেছেন। প্রকল্পের সবচেয়ে দুঃসময়ে যারা হাল ধরে বসে আছে তাদেরকে কিভাবে মূল্যায়িত করা হবে তা কেও যানেনা। আমরা জানি দুঃসময়ের সাধীদের যুগে যুগে মূল্যায়িত করা হয়েছে আমরাও তেমনটি আশা করি। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও দুঃসময়ের সাধীদের পুরষ্কিত করে মন্ত্রীত্ব দিয়েছেন। উপজেলা সমন্বয়কারীর অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা কম্পিঃ অপাঃ কাম হিসাব সহকারীরা আজ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে যৌথ স্বাক্ষরে স্বাক্ষর করছেন, তার গাড়ীতে চড়ে মিটিং করে বেড়াচ্ছেন, আবার বিসিএস ক্যাডার অফিসারদের পাশে বসে উপজেলা পরিষদ মাসিক সভায় সভা করছেন কিন্তু সেই মানুষটি একদিন বিষন্ন মুখে ৩ নম্বর চেয়ারে বসে থাকবেন নিশ্চয়ই আমাদের কর্তপক্ষ তা আশা করেন না এবং এমন অবিবেচকও নন। যদি এমটি হয়, তাহলে তা হবে নিয়তি তবে সবাইকে মানে রাখা উচিত আমারা অনেক কিছুই না চাইতেই পেয়েছি। যেমনটি পেয়েছে আমাদের ফিল্ড সুপারভাইজার ভাইয়েরা। সুতারাং নিশ্চিত না জেনে নেতিবাচক কথা না বলাই ভলো কারণ- হতাশা কাজের অন্তরায়। বিখ্যাত দাশর্নিক জর্জ বার্নার্ডশো বলেছেন “ কোন ভাল প্রচেষ্টায় ব্যার্থ হয়না” আমরাও দরিদ্র মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য কাজ করছি সুতারং আমাদেরটাও ব্যার্থ হবে না ইনশাল্লাহ। আগামী জাতীয় সংসদ অধিবেশনেই আমাদের ভাগ্য নির্ধারন হবে আর সব হতাশাই হয়তো কেটে যাবে তেমনটেই আশা করছি। সর্বপরি আমাদের শ্রদ্ধেয় পিডি মহোদয়ের উপর পুর্ণআস্থা ও বিশ্বাস রাখা উচিত।

        • রফিক, সমন্বয়কারী, বরগুনা সদর, বরগুনা। says:

          ধন্যবাদ আরিফ সাহেব, অনেক তাৎপর্যপূর্ণ , মূল্যবান অর্থবহ কথা লেখার কারনে।
          আমাদের সবারই শ্রদ্ধেয় পিডি স্যারের উপর পুর্ণআস্থা ও বিশ্বাস রাখা উচিত।

        • Shawon Khan says:

          ঠিক বলেছেন আরিফ ভাই ।
          আমাদের শ্রদ্ধেয় পিডি মহোদয়ের উপর আমাদের সকলের পুর্ণআস্থা ও বিশ্বাস রাখা উচিত । সে নিশ্চয়ই আমাদের সম্মান জনক বেতন স্কেল দান ও পদবী উন্নীত করবেন । আমাদের সকলের শিক্ষা গত যোগ্যতা ও কাজের পরিধি বিবেচনা করে আমাদের পদবী উন্নীত করে অফিসার হিসাব করার জন্য আমাদের শ্রদ্ধেয় পিডি মহোদয়ের নিকট আমাদের আকুল আবেদন রইলো ।

  60. babu says:

    ফিল্ড ও অফিসের গুরুত্বপূণ দায়িত্ব পালনকারী ‘মাঠ সংগঠক’পদটি ফিল্ড সুপারভাইজার পদে উন্নীত করার ফলে ফিল্ড সুপারভাইজারগণ তাদের উপর অপিত দায়িত্ব যথাযথ ভাবে পালন করবে এবং ভবিষ্যতে ও উক্ত পদবী যথাযথভাবে মূল্যায়ণ হবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা। ফিল্ড সুপারভাইজাদের গ্রেড 12 তে দেওয়ায় মাননীয় পিডি স্যারসহ সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা মহোদয়গণকে আমাদের সহস্র সালাম, শ্রদ্ধা ও অভিনন্দন ।

    • সুমন, says:

      Name & Contact Address of Computer Operator of Jessore District.
      1 Md. Ayub Hossain 01911-594484 Chowgacha Jessore
      2 Sanjida Parvin Mukta 01774-990990 Sadar Jessore
      3 Md. Rasel Rana 01937-286777 Sharsha Jessore
      4 Md. Shah Jamal 01717-966558 Jhikargacha Jessore
      5 Debashish Biswas01719-019344 Abhaynagar Jessore
      6 Sanjoy Roy 01918-807295 Keshabpur Jessore
      7 Debangshu Biswas 01724-999626 Monirampur Jessore
      8 Biplab Kumer Kundu 1963498036 Bagherpara Jessore

      আপনারা যারা কম্পিউটার অপারেটর আছেন তারাও যার যার জেলা, উপজেলার মোবাইল নম্বর দিয়ে দিবেন আশা করছি।

    • fahim says:

      বগুড়া, সেপ্টেম্বর ০৩: দীর্ঘ ২৭ বছরের চাকুরীতে পদোন্নতি না পাওয়ায় রেজাউল করিম (৫৪) নামের এক বিসিক কর্মকর্তা নিজ কার্যালয়ে আত্মহত্যা করেছেন। নিহত রেজাউল জেলা বগুড়ার গাবতলী উপজেলার উজগ্রামের মৃত নাজিম উদ্দীনের ছেলে।

      আত্মাহত্যার আগে নিজ অফিসে একটি চিরকুটে তিনি লিখে গেছেন, আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ি নয়, চাকুরী জীবনে পদোন্নতি না পাওয়ার মানষিক কারণে আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছি। নিহতের লাশ ঝুলন্ত অবস্থায় মঙ্গলবার দুপুরে বগুড়া সদর থানা পুলিশ উদ্ধার করেছে। সে শহরের কাটনারপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।

      এবিষয়ে বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ সহিদ আলম বলেন, বগুড়া বিসিক’র এস্টেট অফিসার রেজাউল করিম সোমবার বিকেলে শহরের ফুলাবাড়ি এলাকায় নিজ কার্যালয়ে ভেতরে প্রবেশ করে দরজা লাগিয়ে দেয়। পরে ফ্যানের সাথে রশি ঝুলিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।

      মঙ্গলবার সকালে অন্যান্য কর্মকর্তারা দরজা খোলার জন্য অনুরোধ করলেও কোন প্রকার সাড়া না পেয়ে দুপুরে সদর থানা পুলিশের সহযোগিতায় দরজা ভেঙ্গে রেজাউল করিমের ঝুলান্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ব্যাপারে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।

      বগুড়া প্রতিনিধি – See more at: http://www.sharenews24.com/index.php?page=details&nc=05&news_id=28683#sthash.0jf8Zl3f.dpuf
      হিসাব সহকরীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি

      • mustafiz,kalignj,jhenaidah. says:

        আমাদের মধ্য থেকে কি কেউ……………………………………………….?

  61. alomgir says:

    ebek best project

  62. alomgir says:

    সকল মাঠ সুপারভাইজারদের শুভ কামনা করি।এবাএখা প্রকল্পে আমরা যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছি সংশ্লিষ্ট আমরা সবাই দারিদ্র বিমোচনের বৃহত্তম প্রকল্পের সফলতা ও ব্যর্থতার সমান অংশিদার।সুতরাং ইদানিং ঢালাও ভাবে মাঠ সহকারী, মাঠ সংগঠক,এমন কি ইউসিও সহ তাদের পদবী, স্কেল নিয়ে অহরহ মন্তব্য হচ্ছে ।আমি সহকর্মী হিসেবে বলতে চা্ই, শালীনতা বজায় রেখে এবং নীতিমালার মধ্যে স্ব স্ব অবস্থান থেকে কারো পদবী বা স্কেল নিয়ে কটাক্ষ না করে যথাযথ পদ্ধতি অনুসরণ পূবক আমাদের দাবী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরতে পারি।পাশাপাশি সকলের কাছে এটাই প্রত্যাশা করি আমাদের এই বিশাল কমযজ্ঞ নিয়ে শেয়ার করার একমাত্র দপণ হল এই ব্লগ। সুতরাং এবএখা প্রকল্পের মাধ্যমে আমাদের স্ব স্ব উপজেলা,ইউনিয়ন, গ্রামের সফলতার বাস্তবভিত্তিক কমকান্ড দেশবাসী ও আমাদের কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকষণ করার চেষ্টা করি তাহলে আমাদের সফলতা আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।

  63. Sohag says:

    মাননীয় পিডি মহোদয়ের নিকট আমাদের আকুল আবেদন এই যে,
    কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারীদের পদবী উন্নীত করে অফিসার হিসাব করা হোক ।

    • sarup says:

      সকল মাঠ সুপারভাইজারদের শুভ কামনা করি।এবাএখা প্রকল্পে আমরা যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছি সংশ্লিষ্ট আমরা সবাই দারিদ্র বিমোচনের বৃহত্তম প্রকল্পের সফলতা ও ব্যর্থতার সমান অংশিদার।সুতরাং ইদানিং ঢালাও ভাবে মাঠ সহকারী, মাঠ সংগঠক,এমন কি ইউসিও সহ তাদের পদবী, স্কেল নিয়ে অহরহ মন্তব্য হচ্ছে ।আমি সহকর্মী হিসেবে বলতে চা্ই, শালীনতা বজায় রেখে এবং নীতিমালার মধ্যে স্ব স্ব অবস্থান থেকে কারো পদবী বা স্কেল নিয়ে কটাক্ষ না করে যথাযথ পদ্ধতি অনুসরণ পূবক আমাদের দাবী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরতে পারি।পাশাপাশি সকলের কাছে এটাই প্রত্যাশা করি আমাদের এই বিশাল কমযজ্ঞ নিয়ে শেয়ার করার একমাত্র দপণ হল এই ব্লগ। সুতরাং এবএখা প্রকল্পের মাধ্যমে আমাদের স্ব স্ব উপজেলা,ইউনিয়ন, গ্রামের সফলতার বাস্তবভিত্তিক কমকান্ড দেশবাসী ও আমাদের কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকষণ করার চেষ্টা করি তাহলে আমাদের সফলতা আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।

  64. Sohag says:

    মাননীয় পিডি মহোদয়ের নিকট আমাদের আকুল আবেদন এই যে,
    কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারীদের পদবী উন্নীত করে হিসাব রক্ষক করা হোক ।

    • মাহবুব says:

      আমাদের একটাই দাবি পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক বাস্তবায়ন করা হোক।

  65. sattar says:

    একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের নতুন ওয়েবসাইটটিকে স্বাগত জানাই। গত ১৯শে নভেম্বর হতে ২৫শে নভেম্বর পর্যন্ত সারাদেশ ব্যপি পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মেলা খুব সুন্দরভাবে পালিত হয়। পাবনাতেও একইভাবে এই মেলা সুন্দরভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই মেলাতে যতগুলো স্টল ছিল তার মধ্যে একটি ছিল ‍”একটি বাড়ি একটি খামার” প্রকল্পের স্টল। যাতে খুব সুন্দরভাবে “একটি বাড়ি একটি খামার” প্রকল্পের একটি আদর্শ মডেল উপস্থাপন করা হয়েছিল যার নেপথ্যে ছিল বিআরডিবি’র পাবনা জেলা দপ্তর, বিআরডিবি’র পাবনা সদর উপজেলা দপ্তর ও একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের পাবনা সদর উপজেলার কর্মকর্তা-কর্মচারী বৃন্দ। সফলভাবে অনুষ্ঠিত এই মেলাতে “একটি বাড়ি একটি খামার” প্রকল্প ২য় পুরস্কারে ভূষীত হয় যা “একটি বাড়ি একটি খামার” প্রকল্পের জন্য গর্বের বিষয়। পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক-পাবনা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক-পাবনা, থানা নির্বাহী কর্মকর্তা-পাবনা সদর ও আরো গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। “একটি বাড়ি একটি খামার” প্রকল্প আপনাদের সকলের দোয়া কামনা করে। ধন্যবাদ।

  66. কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারী says:

    আমরা কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারী
    প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন………..
    ইতি রানী মন্ডল-পিরোজপুর সদর-০১৭২৮-৪৪৯৬২৬
    বিথী মিত্র-ভান্ডারিয়া,পিরোজপুর-০১৭৪৬-৮৩২৩২০
    ফারজানা আক্তার-কাউখালী, পিরোজপুর-০১৭৬৮-৪২২৪৬৮
    মো মাহমুদুল হাসান-জিয়ানগর,পিরোজপুর‌-০১৯৩৮-৬৩৯১৯৩
    মো ফোরকান-মঠবাড়ীয়া-০১৭২০-২৮৫৬৪৮
    মোসা সায়লা সারমিন-নেছারাবাদ, পিরোজপুর-০১৭২৫-৮৪৯৬৬৬
    মো নজরুল ইসলাম-নাজিরপুর, পিরোজপুর-০১৯১২-৮২০৬৪৭
    পূনিমা রানী হাোলাদার-ঝালকাঠী সদর-০১৭২৮-৬২৬৩৫৫
    মেরাজ মুহাম্মদ খান-নলছিটি, ঝালকাঠী-০১৭৩৪-৫৫৭০৭১
    মনির হোসাইন-কাঠালিয়া,ঝালকাঠী-০১৭১৯-২৭২৫৪৯
    মো আজিজুল ইসলাম-বরিশাল সদর-০১৬৭১-৭৭৮৫২৪
    সৈয়দ মনিরুজ্জামান-বাকেরগঞ্জ, বরিশাল-০১৬৭৫-৪৯৫৬০৯
    জীবন চন্দ্র-হিজলা, বরিশাল-০১৭২২-৫৫৯০৩০
    মো হাসানাত-গেৌরনদী, বরিশাল-০১৬৮১-২৩২২৯৫
    মো সাইফুল ইসলাম-বাবুগঞ্জ, বরিশাল*০১৭৩২-১৬০২৩০
    মো মাসুদ হোসেন-মূলাদি, বরিশাল-০১৭১৫-৫৮৬৩৯২
    নাসমিা আক্তার-আগৈলঝাড়া, বরিশাল-০১৭২১-২৪৫০২০
    রাবেয়া খাতুন সুমা-উজিরপুর, বরিশাল-০১৫৫৬-৪৩৪৭০৬
    মো আবুল বাশার-বানারিপাড়া, বরিশাল-০১৯২৫-৮০৭৮৪২
    শিউলি বেগম-মেহেন্দিগঞ্জ, বরিশাল-০১৯১৮-৮৩৩৫৯৪

  67. আমরা অনেক আশায় ছিলাম যে, আমাদের বেতন কাঠামো পরিবর্তন হবে। কিন্তু হলো না, তাই বলে আমরা আশা ছেড়ে দেয় নি। কারন আমাদের বেতন কাঠামো পরিবর্তনের এখনও সময় আছে। আমরা সবাই হতাশা না হয়ে উর্ধত্বন কর্তৃপক্ষকে আমাদের মনের ও অফিসিয়াল কাজের কথাগুলো বুঝাতে হবে। ধরি এক বাবার তিন সন্তান আছে । যদি একে্ একে দুই সন্তানকে নতুন কিছু দেওয়া হয়, আর অন্য সন্তানকে যদি কিছু না দেওয়া হয়, তাহলে সেই সন্তানের বুকে যে, কি ঝালা তা সত্যিকারের বাবা হলে অবশ্যই তা বুঝতে পারবেন এবং যা দিবেন তা ঐ দুই সন্তানের চেয়ে অবশ্যই ভাল হবে। তাই আমিসহ আমরা সকল কম্পিঃঅপাঃ কাম-হিসাব সহকারীরা আবেদন যানাচ্ছি যে, আমাদের বেতনস্কেল পরিবর্তনসহ সকলের চাকুরী স্থায়ীকরন করা হোক ।
    এখনই সময় পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক করার ।
    এখনই সময় দারিদ্র মানুষের পাশে দাড়ানো।
    এখনই সময় বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিনত করা।
    এখনই সময় এবাএখা প্রকল্পকে পরিবর্তন করে স্থায়ীরূপ দেওয়ার।

  68. sakhawat hossain says:

    কম্পিউটার অপারেটরদের প্রতি অনুরোধ যারা ব্লগে লিখেন ।তারা অবশ্যই শালীনতা বজায় রেখে লিখবেন।প্রকল্পে সবাই চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগ , অতএব নিজের অবস্থানে থেকে মন্তব্য করবেন।মনে রাখবেন চাকুরী থাকলে সব হবে।কতৃপক্ষের উপর বিশ্বাস বাখুন।

    • সুমন, says:

      এরপরও বিশ্বাস রাখতে বলেন। এর থেকে আমাদেরকে ছাটাই করলে আমার মনে হয় ভাল হতো।

  69. মোঃ ওমর ফারুক says:

    অনেক আশা নিয়ে অপেক্ষায় ছিলাম আমোদের বেতন স্কেল বৃদ্ধি হবে? কিন্তু হলো না। যথন আমরা চাকুরীতে যোগদান করি ২০১১ সাল ১৫ সেপ্টেম্বর মাস, সর্বসাকুল্য বেতন-৮,৮৫০/- তখন বাসা থেকে অফিসে যেতে ২০ কিঃমিঃ বাসে টাকা লেগেছিল মাত্র ৮ টাকা । এখন টাকা লাগে ৩০/- টাকা এবং আনুমানিক হারে সবদিকে অনেক গুন খরচ বেশি বেড়েছে । আমরা কম্পিউটার অপারেটর কাম-হিসাব সহকারী আমাদের জন্য কোন সুপারিশ নাই তো তাই আমাদের জন্য কিছু হলো। আশায় আছি ভবিষ্যতে হয়তো বাড়বে। এই আশা নিয়ে কর্ম চালিয়ে যাব আর কি?

  70. Shovon says:

    সকল কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারীদের একত্র হয়ে পিড়ি মহোদয়ের সঙ্গে সাক্ষাত করা প্রয়োজন । প্রকল্পে কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারীদের যে গুরুত্ব পূর্ন্য অবদান আছে সে বিষয়ে অবহিত করা দরকার। তাছাড়া পিড়ি মহোদয়ের সঙ্গে সদর দপ্তরে কম্পিউটার অপারেটরদের সঙ্গে সাক্ষাত সভা হওয়া প্রয়োজন। কেননা আমাদরে সঙ্গে পিডি স্যারের দূরুত্ব লক্ষ্য নিয়ো হওয়ায় পিডি স্যার এরকম একটি বাজে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে প্রতিয়মান হয় এবং সেই সঙ্গে আমাদের জোর দাবি হবে আমাদের কে ১০ গ্রেডে উন্নতি করা হোক।

    • সাখাওয়াত হোসেন says:

      এই মুহুর্তে সকল কম্পিউটার অপারেটরদের কর্মবিরতি দেয়া উচিৎ তবে আমাদের ম্যানেজমেন্ট বুঝতে পারবে এবাএখা তে হিসাব সহকারী/কম্পিউটার অপারেটরদের কি গুরুত্ব
      পুরো অফিস যারা পরিচালনা করেন তাদের আজ মূল্য নেই, এটা কি ডিজিটাল বাংলাদেশের নিয়ম?

    • সাখাওয়াত হোসেন says:

      pd@ebek-rdcd.gov.bd এই ই-মেইল ঠিকানায় পিডি মহোদয়কে সকল কম্পিউটার অপারেটরা মেইল করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

  71. আমাদের উপজেলাতে শুরু থেকে কোন মাঠসংগঠক নে্ই । তাই বলে কি কোন কাজ থেমে্ আছে ? কোন কাজ আল্লাহর রহমতে থেমে নে্ই কিন্তু অনেক কষ্ট করে সে্ই সব কাজ করতে হয়েছে । আমাদের এ্ই কেষ্টের কি কোন মূল্য নে্ই ? তাই পিডি মহোদয়সহ উর্ধত্বন কর্তৃপক্ষের নিকট আকুল আবেদন এই যে আমাদের চাকুরী স্থায়ীকরণসহ বেতন কাঠামো পরিবর্তন করা হক। কম্পিঃঅপাঃকাম-হিসাব সহঃ ।
    ০১৭৩১২৭০২৪০

    • Sajida Parvin Mukta says:

      আমাদের উপজেলাতে এক জন মাঠসংগঠক ছিল সেও গত ডিসেম্বর’১২ তে চাকুরী ছেড়ে দিয়েছেন। এখন একজন ও মাঠ সংগঠক নাই। তবু ও তো শত ভাগ সফলতা অর্জন করেছি। এতে কি আমার কোন অবদান নাই? সমন্বয়কারী ফিল্ডে আমি অফিসের এবং ফিল্ডের যাবতীয় কাজ প্রয়োজনে ফিল্ডে যাওয়া থেকে সব করেছি। অফিসে ঢুকেছি সকাল ৮.৩০-৯.০০ টায় কিন্তু বাড়িতে ফিরেছি সন্ধ্যা ৬.০০-৭.০০ কোন কোন দিন রাত ৮.০০ টা বেজেছে। এর কি কোন মূল্য নাই? না পেরে সমন্বয়কারী বলেছে বাড়ি চলেন কাল এসে করবেন। পিডি মহোদয়ের নিকট আমার আবেদন আমরা যারা চাকুরি করি তারা প্রত্যেকেই কিছু পাবার জন্য চাকুরি করি সেখানে দয়াকরে আমাদেরকে বঞ্চিত করবেন না । আমরা আমাদের প্রিয় জাতীর জনকের স্বপ্ন নিয়ে কাজ করছি। please আমাদেরকে খাটো করবেন না।
      আমাদের চাকুরির স্থায়ীত্ব ও বেতন কাঠামো একটি সম্মান জনক স্থানে নেয়ার জন্য বিশেষ অনুরোধ করছি।

      • Sohag says:

        অনলাইন মোবাইল ব্যাঙ্কিং এর যত কার্যক্রম সব আমাদের হাত ধরেই চলছে । মাস্টার রোল থেকে শুরু করে অর্থ স্থানান্তর ও সদস্যদের মাসিক সঞ্চয় অনলাইনে আমাদেরই এন্ট্রি দিতে হচ্ছে । অনলাইন লোন পাস থেকে শুরু করে অফিসের যাবতীয় হিসাব ও রেজিস্টার আমাদের কেই মেইন্টেইন করতে হয় । মাঠ সংগঠক ও ম্যানেজার এর নিয়ে আসা টাকা ব্যাঙ্কে জমা দেয়া ইএনও অফিসে গিয়ে সকল রিপোর্ট এবং পত্রাদি স্বাক্ষর করানো থেকে শুরু করে রিপোর্ট তৈরী ও তা বহন এবং কুরিয়ার ও ফ্যাক্স সবই আমাদের করতে হয় । এজি অফিসের চক্কর ও আমাদেরই কাটতে হয় । ইউসিও এর অনুপুস্থিতিতে পুরো অফিস টাই আমাদের চালাতে হয়। তার পর ও আমাদের এমন অবমূল্যায়ন কেন ???
        আমার এখানেও মাঠ সংগঠক একজন শুরু থেকেই এর স্বত্বেও আমারা শত ভাগ সফলতা অর্জন করেছি। গত দুই অর্থ বছরের জুন মাসে এমন কোন দিন ছিল না যেদিন অফিস ত্যাগ করতে রাত ৮/৯ টা বাজেনি, আর মাঠ সংগঠক সে সপ্তাহে অফিস করে মাত্র ১ দিন তাও আসে ১১.০০ টায় আর টাকা দিয়ে ৩.০০ টায় চলে যায় বাকি টা তো আমাদেরই করতে হয়। তার পর ও আমাদের কেন এই অবমূল্যায়ন ???? আমি মনে করি মাননীয় পিডি মহোদয়ের সাথে আমাদের communication gap এর কারনেই আমাদের আজ এই অবমূল্যায়ন । তাছাড়া পিড়ি মহোদয়ের সঙ্গে সদর দপ্তরে কম্পিউটার অপারেটরদের সঙ্গে সাক্ষাত সভা হওয়া প্রয়োজন এবং সেই সঙ্গে আমাদের জোর দাবি হবে আমাদের কে ১০ গ্রেডে উন্নতি করা হোক ।
        ( ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন )

        • সাখাওয়াত হোসেন says:

          সোহগ ভাই আপনার কথা গুলো পিডি মহোদয়কে তাঁর ই-মেইলে লিখুন send করুন।

  72. Iqbal hoq says:

    প্রিয় কম্পিউটার অপারেটর ভাই ও বোনেরা আমাদের কি যোগ্যতা আছে গ্রেড বাড়ানোর ? আমাদের যোগ্যতা আছে শুধু আরডিও এর ত্যাড়া কথা শোনা অফিস পিয়নের কাজ করা সারাদিন বিআরডিবির কাজ করা । অফিসে সকল কাজে অংশগ্রহন করেও অফিসের কাজ না করার মত কথা শোনা। প্রকল্পের কাজে মাঠ সংগঠকদের অনুপস্থিতিতে নিজেদের সঞ্চয় উত্তোলন তারপর অফিস সামলানো এসব কি কোন কাজ হলো নাকি যে আমাদের মূল্যায়ন দেবে ? অফিসে আসা সকল ম্যানেজারদের সামলানো এটাতো কোন কাজ নয় এটা আমাদের দায়িত্ববোধ তাইতো নইলে কি আমাদের এভাবে অবমূল্যায়নের স্বীকার হতে হয়। আমরা মাননীয় পিডি মহোদয়ের নিকট স্মারকলিপি দেই দেখা যাক পিডি মহোদয় একটা কিছুতো করবেন ?

    • Sohag says:

      সকল কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারিগণদের মাননীয় পিডি মহোদয়ের নিকট স্মারকলিপি প্রেরণ করা উচিত পিডি মহোদয় আমাদের জন্য অবশ্যই কিছু একটা করবেন ।

      • fahim says:

        হিসাব সহকারীদের আশার কথা হচ্ছে আগামী বাজেটে স্কেল ৪৭০০/-হয়ে আসতেছে খোদ হেড অফিসের খবর।

      • Zahid hasan says:

        সোহাগ ভাই ০১৮৪০৯৭৯৩৯৭ ফোন করেন

        • Zahid hasan says:

          সোহাগ ভাই নম্বরটা একটু ভুল হয়েছে সঠিক নম্বর ০১৮৪০৯৭৫৩৫৭

    • sanjoy roy says:

      মাননীয় পিডি স্যার, আপনি বাংলাদেশে দারিদ্র্য বিমোচনে রূপকার। আর আমরা দারিদ্র্য বিমোচনের সৈনিক। যুদ্ধের ময়দানে কোন সৈনিকের অবদান কম নয়। আমরাও প্রকল্পের জন্য কাজ করি। যেমন বাজার থেকে সব্জী- মাছ ক্রয় করে বাড়ি আনলে খাওয়া যায় না। তা রান্না করে বিশুদ্ধ রূপে পরিবেশন করতে হয়। আমরা কম্পিঃ অঃ কাম হিঃ সহকারীরা সেই কাজটি করে থাকি। জুন ক্লোজে আমরা দিন-রাত কাজ করেছি। ঝড়, বৃষ্টির মধ্যে রাত ৯:০০-১০:০০ পর্যন্ত সদস্যের বাড়ি বাড়ি যেয়ে সঞ্চয়ের টাকা আদায় করে ৩০শে জুনের আগে টার্গেট পূরণ করেছি। অফিসের সকল কাজ করেছি। আমরা যে কাজ করি তার মধ্যে বিন্দু মাত্র ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ নাই। কিন্তু আমরা কাজের মূল্যায়ন পেলাম না!!!

  73. mamun says:

    মাঠ সংগঠকদের ফিল্ড সুপারভাইজার পদে উন্নীত করায় এবং গ্রেড 12 তে দেওয়ায় মাননীয় পিডি স্যারসহ সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা মহোদয়গণকে সহস্র সালাম, শ্রদ্ধা ও অভিনন্দন ।

  74. Sohag says:

    মাঠ সংগঠকরা এখন ফিল্ড সুপারভাইজার,বেতন গ্রেডও বেরেছে তাদের, এটা ১টা ভাল সংবাদ, আমরা এবাএখা এর সবাই খুশি
    কিন্তু কষ্টের ব্যাপার এই, কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারিগন এই প্রকল্পের কাজে নিবেদিত প্রান হয়ে কাজ করেও আজ তারা অবহেলিত, মাঠ সংগঠকদের নিচে নামিয়ে দেয়া হল হিসাব সহকারিদের বেতন গ্রেড। কিন্তু তাদের নিয়োগ দেয়া হয়েছিল সংগঠকদের উপরে।
    এর কারন কি………?
    ১। কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারিদের কি শিক্ষাগত যোগ্যতা কম?
    ২। কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারিরা কি কাজে অদক্ষ ?
    ৩। কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারিগন প্রকল্পের কাজে নিবেদিত প্রান হয়ে কাজ করে না?
    ৪। নাকি শ্রদ্ধেয় পি ডি স্যার কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারিদের ভাল বাসেন না?
    এ শাস্তির কারন কি আমার ঠিক জানা নাই, তবে আমার বিশ্বাস আমাদের এ শাস্তি খুব কম সময়ের জন্য। শ্রদ্ধেয় পি ডি স্যার অবশ্যই এ সংকট থেকে আমাদের মুক্ত করবেন। কারন আমরা তার সন্তানের মত। আমাদের কষ্ট তিনি অবশ্যই অনুভব করবেন।

    কপি

    • Rafik, UCO, Barguna sadar says:

      মি; সোহাগ আপনার শেষের লেখা অংশটুকুই ঠিক, আমাদের বিশ্বাস এ শাস্তি খুব কম সময়ের জন্য।
      শ্রদ্ধেয় পি ডি স্যার অবশ্যই এ সংকট থেকে আপনাদের মুক্ত করবেন? সবাই তার সন্তানের মত।
      তিনি সবার মনের খবর রাখেন ।

      অবশ্যই আপনাদের এর চেয়ে ভালো কিছু হবে।অপেক্ষা করুন, হতাশ হবেন না।

  75. Shovon says:

    কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারীগণ কোন কাজ করে না।প্রকল্প থেকে শুধুশুধু বেতন দেওয়া হয় । না এই উক্তি সাধারণ কোন ব্যক্তির নয় । খোদ প্রকল্প সদর দপ্তর থেকে শুনা যায়।আবার কেউ কেউ বলেন মাঠ সংগঠক দের বেতন না বাড়িয়ে মাঠ সহকারীদের বেতন ভাতা বাড়ানো উচিত কেন না মাঠ সহকারী গন যোগদান করলেতো মাঠ সংগঠক গন আর কাজ করবেনা। তাই মাঠ সহকারীদের বেতন ১১ গ্রেডে উন্নত করা প্রয়োজন।

    কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারীগণ কে পল্লী ব্যাংক চালু হলো তো আর প্রেয়োজন নেই। তাই তাদের বেতন গ্রেড ১৫তে নামিয়ে আনা হবে বলে অনেকে মত দিয়েছেন । আর এজন্য কম্পিউটার অপারেটর দের সঙ্গে সদর দপ্তরে আজ পর্যন্ত কোন সভার প্রয়োজন বোধও মনে করেনি সদর কার্যালয়।

    সর্বশেষ বলা যায় যে, কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারীদের মাষ্টার্স পাশে নিয়োগ না দিয়ে এসএসসি পাশে নিয়োগ দেওয়া প্রয়োজন ছিল। তাহলে কেউও প্রতিবাদ করত না।

    • Sohag says:

      কম্পিউটার অপারেটার কাম হিসাব সহকারী এদের কোন মূল্যই নেই
      এদের পিয়ন পদে দেয়া উচিত মাস্টার্স করে এর থেকে ভাল আর কি আশা করা যায়।
      আমারা তো আর ফিল্ড করি না, যারা ফিল্ড করে তারা প্রোমোশন পায় আর যারা বাংলাদেশের সকল উপজেলায় অনলাইন ব্যাঙ্কিং কার্যক্রম করছে প্রকল্পের সকল হিসাব সকল লেনদেন যার মাধ্যমে হচ্ছে যে পুরো অফিস টাকে মেইন্টেইন করছে যাদের হাত ধরেই এই অনলাইন ব্যাঙ্কিং শুরু যাদের কে ব্যাংক এজেন্ট করা হয়েছে যারা ৯-৫ অফিস করছে ……… তাদের হচ্ছে ডিমোশন ।
      আর তার থেকে বড় ব্যাপার হলো কাঠামো পরিবর্তন টা । এটা একমাত্র বাংলাদেশেই সম্ভব যারা ২য় স্থানে ছিল তাদের নিয়ে সব থেকে নিম্ন স্থানে ফেলে দেয়া । এটা ইতিহাসে প্রথম বার ঘটেছে। এর আগে কখন এমন টা শুনি নি ।

      • কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারী says:

        আসলে আমাদের ভাগ্য অনেক ভালো………..
        কারন আমরাই করুনার পাত্র হয়ে আছি……..
        ধন্যবাদ পিডি স্যারকে……..
        আশা করি সামনে সমন্বয়কারীদের জন্য আরো নতুন চমক অপেক্ষা করছে…….
        আর আমরা……….ঔ যে কপাল….

  76. আমরা আসলে হতভাগা । তা না হলে আমাদের গ্রেড ১৩ তেই থেকে যায় কেন ? সমন্বয়কারী ও মাঠসংগঠক ভাইয়েরা ভাগ্যবান। এবার পালা আসছে মাঠসহকারীদের । এদের গ্রেড দেওয়া হোক ১১। তহলে সবাই খুশি ও আনন্দিত হবে । আমরা ত আর উনাদের মত ভাগ্য নিয়ে জন্মগ্রহন করি নাই ? আমরা হলাম অপারেটর ও হিসাবসহকারী । তাই আমাদের উপর কোন গুরুত্ব দেওয়া হয় নাই । শুনতেছি এবাএখা প্রকল্প পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক হতে যা্চ্ছে । তাহলে ত উনাদের গ্রেড বা বেতন আরো বারিয়ে দেওয়া দরকার । তাই না ?

    • Sajida Parvin Mukta says:

      আমরা কম্পিউটার অপারেটার কাম হিসাব সহকারীরা সত্যিই বিরাট কপাল নিয়ে পৃথিবীতে এসেছি । সে জন্যই চাকুরি জীবনেও বিরাট একটি পদ পেয়েছি যার কোন মূল্য নাই……………। ফিল্ড করলেই কাজ? অফিসের কোন কাজ নাই। আর ভালো লাগছে না……………………..।

      সাজিদা পারভীন
      বিরাট পদের অধিকারী
      সদর, যশোর।

      • সাখাওয়াত হোসেন says:

        কম্পিউটার অপারেটরদেরকে চারটি পদ দেয়া হয়েছে তাতেও কি সন্তূষ্ট নয়?
        ১. কম্পিউটার অপারেটর/ডিজিটাল মেসিনম্যান
        ২. হিসাব সহকারী/সুপারভাইজার সহকারী
        ৩. অফিস সহকারী/নিম্নমান সহকারী
        ৪. এমএলএসএস/বার্তা ও ফাইল বাহক
        এতগুলো পদেতো তারা কাজ করে না বা তাদের পক্ষে কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না
        অতএব তাদেরকে মাত্র ৪ নং পদে পদায়ন করে ৪১০০/- স্কেলে ডিজিটাল মিমোশান করলেই আরো ভালো হতো

  77. রাকিবুল says:

    আমরা সত্যি অনেক খুশি যে মাঠ সংগঠক ভাইদের গ্রেড ও পদবী পরিবর্তন হয়েছে। এটা তাদের জন্য অনেক বড় পা্ওয়া। সত্যিকার অর্থে এবাএখা’র মাঠ পর্যায়ে তারাই মূল কাজ করে এই প্রকল্পের সফলতা বয়ে এনেছে এবং আনছে।

    ধন্যবাদ পিড়ি স্যারকে।
    কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারী।

    • fahim says:

      ভাই মাঠ সহকারীদের আপারেটরদের উপরের গ্রেড দিলে আরো ভাল হয়।

  78. alomgir says:

    এবএখা প্রকল্প হত দরিদ্র মানুষের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করে চলেছে… বাংলাদেশের গণমানুষের আঙ্কাংখা পূরণে অগ্রগামী ভূমিকা পালন করছে..আমরা আশাবাদী অতি দ্রুত এ দেশ অথনৈতিক মুক্তি পাবে!

  79. uco says:

    রাসেল ভাই আপনি অত্যন্ত ন্যায় ও যুক্তি সংগত লিখেছেন আমরা সবাই আপনাকে সমথন করি,মাননীয় পিডি স্যার এতদিন আমাদের অনেক আশা দিয়ে বলেছেন জেলা সমন্বয়কারী নিয়োগে আমাদের অগ্রাধিকার ওসুযোগ দেওয়া হবে।কিন্তু এস এস সি ও এইস এস সি দুইটা প্রথম শ্রেনী শত আমাদের বঞ্চিত করেছে । প্লিজ পিডি স্যার আমাদের আশা ,আকাংখা,শ্রমও কাজের মূল্যায়ন করে আমাদের মূল্যায়ন করা হোক এবং এইস এস সি প্রথম শ্রেনী শিথীল করার জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি এবং তা পুনর বিবেচনা করা হোক।

  80. RASEL says:

    28/08/2013 খ্রিঃ তারিখের দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় মাননীয়প্রধান মন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করেছে। যার গ্রেড 9 সেখানে শিক্ষাগত যোগ্যতা চাওয়া হয়েছে যেকোন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী। কিন্তু যেখানে এসএসসি ও এইচএসসিতে প্রথম বিভাগ চাওয়া হয়নি। সেখানে জেলা সমন্বয়কারী হিসেবে চাওয়া হয়েছে দুটি প্রথম শ্রেণী। আমাদের এই প্রকল্পের সকল কর্মকর্তা/কর্মচারীদের গত দুই বছরের কাজের কোন ম্যল্যায়ন করা হয়নি। যদি মূল্যায়ন-ই করা হতো তাহলে এই অযথাচিত শর্ত আরোপ করা হতোনা । যাই হোক আমাদের এই যোক্তিক দাবীসমূহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন পুনরায় বিবেচনা করেন সেজন্য কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করা হলো।

  81. নূরুন নাহার says:

    ধন্যবাদ পিডি স্যারকে আমাদের ভবিষ্যত অনিশচয়তা দূর করার জন্য ।এবাএখা-এর নতুন নামকরন শুধু “পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক” না হয়ে “বাংলাদেশ পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক” হলে কেমন হয়? কারন এই প্রকল্প সারা বাংলাদেশের প্রতি গ্রামে গ্রামে বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে ।

  82. sarup says:

    দৈনিক যুগান্তর: শেষ পাতা
    সরকারি মালিকানায় আসছে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক
    গোলাম মওলা
    প্রকাশ : ২৭ আগস্ট, ২০১৩
    পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক নামে ব্যাংকি খাতে যোগ হচ্ছে আরেকটি নতুন ব্যাংক। তবে এ ব্যাংকটি বাণিজ্যিক ব্যাংক হিসেবে আসছে না। আসছে দারিদ্র্য বিমোচনকে প্রাধান্য দিয়ে। প্রাথমিকভাবে দেশের ৪৮৫ উপজেলায় পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের শাখা খোলা হবে। ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ধরা হয়েছে ৫০০ কোটি টাকা। ব্যাংকের ৫০ ভাগ মালিকানা সরকারের অধীনে সংরক্ষিত থাকবে। তবে এ মালিকানার জন্য সরকার কোনো লভ্যাংশ বা ডিভিডেন্ড পাবে না। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানায়, একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের কার্যক্রম বিলুপ্ত করে সরকার এ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করতে চায়। ইতিমধ্যে মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রকল্পটি বিলুপ্ত করে ব্যাংক গঠনের প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছেন। সূত্র মতে, ৩০ জুলাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পটি ব্যাংকে রূপান্তরের নির্দেশ দিয়েছেন। প্রকল্পটি সাড়ে ৪ বছর ধরে ৩ হাজার ১৬২ কোটি ৯৬ লাখ টাকা ব্যয়ে পরিচালিত হয়েছে। বর্তমানে প্রকল্পটিতে ৭ হাজার ১৬২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী কাজ করছেন। প্রকল্পটি ব্যাংকে রূপান্তর হলে এসব জনবল ব্যাংকের জনবল হিসেবে বিবেচিত হবে। তবে ব্যাংকের মাধ্যমে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পে সরকারি অর্থ বরাদ্দ অব্যাহত থাকবে বলে জানা গেছে। প্রকল্পটির জনবল, অর্থ, স্থাবর-অস্থাবর সব সম্পদ ও অফিস সরঞ্জাম, ব্যাংকের সম্পদ ও জনবল হিসেবে গণ্য হবে। এরই মধ্যে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক আইনের খসড়া তৈরি করা হয়েছে। যা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক ২০১৩ নামে নামকরণ করা হয়েছে। খসড়ায় বলা হয়েছে, একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের সমিতি গঠন, সঞ্চয় জমা ও বৃদ্ধি, দারিদ্র্য বিমোচনে প্রশিক্ষণ, উঠান বৈঠক ও ঋণ প্রদানসহ যাবতীয় কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য ব্যাংক একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করবে। ব্যাংক কোম্পানি আইন ১৯৯৪ এবং ব্যাংক কোম্পানি সম্পর্কিত জারিকৃত আইন, বিধান বা নির্দেশনা নবগঠিত এ ব্যাংকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। কারণ সরকার দরিদ্র মানুষের পুঁজি গঠন ও দারিদ্র্য বিমোচনে এই বিশেষায়িত ব্যাংকটি সৃষ্টি করছে। তবে সরকার গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯৪ বা ব্যাংক কোম্পানি সম্পর্কিত জারিকৃত কোনো আইন, বিধি-বিধান ও নির্দেশনা অত্র ব্যাংকে প্রযোজ্য করার আদেশ জারি করতে পারবে।
    এ ব্যাংকের মাধ্যমে গ্রামের গরিব সাধারণ মানুষ সুবিধা পাবেন কিনা তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. মুস্তাফিজুর রহমান। তিনি যুগান্তরকে বলেন, যে প্রকল্প নানা কারণে সমালোচিত হয়েছে, সেই প্রকল্প ব্যাংকে রূপ নিলে দারিদ্র্য বিমোচনে খুব বেশি উপকার আসবে না। তিনি উল্লেখ করেন, যে কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান চালাতে গেলে দক্ষ লোকের প্রয়োজন পড়ে। সেই ধরনের দক্ষ লোক না থাকলে এ ব্যাংকের উদ্দেশ্য সফল হওয়া নিয়ে সংশয় থাকবে।
    জানা গেছে, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকায় এবং ৪৮৫টি ব্যাংকের শাখা খোলা হবে। পরে কাজের ব্যাপ্তির ওপর ভিত্তি করে ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যায়ে শাখা খোলা হবে। ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন হবে ৫০০ কোটি টাকা, যার পুরোটাই একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণোত্তর ঋণ সহায়তা তহবিল খাতে দেয়া হবে। অনুমোদিত মূলধন ১ কোটি শেয়ারে বিভক্ত হবে এবং প্রতিটি শেয়ারের মূল্য হবে ১০০ টাকা। ভবিষ্যতে সরকারের অনুমোদনক্রমে মূলধনের পরিমাণ বাড়ানো যাবে। একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের সদস্যদের নিজস্ব সঞ্চয় ও সরকারের দেয়া কল্যাণ অনুদান তাদের শেয়ার সঞ্চয় হিসেবে গণ্য হবে। এতে আরও বলা হয়েছে, ব্যাংকের ৫০ ভাগ মালিকানা সরকারের অধীনে সংরক্ষিত থাকবে। তবে এ মালিকানার জন্য সরকার কোনো লভ্যাংশ বা ডিভিডেন্ড পাবে না।
    এ আইনের অধীন প্রণীত বিধিমালা সাপেক্ষে, ব্যাংকের সাধারণ পরিচালনা, তদারকি এবং যাবতীয় প্রশাসনিক বিষয় ও কার্যক্রম বিধান অনুযায়ী পরিচালনা বোর্ডের ওপর ন্যস্ত থাকবে। একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের আওতাধীন গঠিত সব গ্রাম সংগঠন সমিতি ব্যাংকের সদস্য পদ পাবে। পল্লী অঞ্চলের যে কোনো প্রাথমিক সমবায় সমিতি ব্যাংকের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে। ১ হাজার টাকা ভর্তি ফি এবং কমপক্ষে ৫টি শেয়ার কিনে সমিতি ব্যাংকের সদস্য হতে পারবে। কোনো সমিতি ব্যাংকের কাছে ঋণ বা অন্য কোনো পাওনা না থাকলে ৩০ দিনের নোটিশ প্রদান করে সমিতি সদস্য পদত্যাগ করতে পারবে। এ বিষয়ে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব) প্রশান্ত কুমার রায় বলেন, প্রকল্পটি ব্যাংকে রূপান্তরের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা রয়েছে। সে আলোকে কাজ শুরু করা হয়েছে। এরই মধ্যে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক আইনের খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। তবে এখনও তা চূড়ান্ত করা হয়নি। একাধিক বৈঠক করে তা চূড়ান্ত করা হবে।

    • Green Sky says:

      ক্ষুধার রাজ্যেও পৃথিবী হবে ছন্দময়
      এবাএখা পরিবারের থাকবেনা আর ভয়।
      নতুন প্রজন্মের সৈনিক আমরা
      দূর করবো ক্ষুধা , দারিদ্র, অশিক্ষা
      গড়বো সোনার বাংলা,
      সুজলা সুফলা, সশ্য শ্যামলা।

      • khan says:

        সরকারি মালিকানায় আসছে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক

        গোলাম মওলা

        প্রকাশ : ২৭ আগস্ট, ২০১৩
        পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক নামে ব্যাংকি খাতে যোগ হচ্ছে আরেকটি নতুন ব্যাংক। তবে এ ব্যাংকটি বাণিজ্যিক ব্যাংক হিসেবে আসছে না। আসছে দারিদ্র্য বিমোচনকে প্রাধান্য দিয়ে। প্রাথমিকভাবে দেশের ৪৮৫ উপজেলায় পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের শাখা খোলা হবে। ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ধরা হয়েছে ৫০০ কোটি টাকা। ব্যাংকের ৫০ ভাগ মালিকানা সরকারের অধীনে সংরক্ষিত থাকবে। তবে এ মালিকানার জন্য সরকার কোনো লভ্যাংশ বা ডিভিডেন্ড পাবে না। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানায়, একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের কার্যক্রম বিলুপ্ত করে সরকার এ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করতে চায়। ইতিমধ্যে মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রকল্পটি বিলুপ্ত করে ব্যাংক গঠনের প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছেন। সূত্র মতে, ৩০ জুলাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পটি ব্যাংকে রূপান্তরের নির্দেশ দিয়েছেন। প্রকল্পটি সাড়ে ৪ বছর ধরে ৩ হাজার ১৬২ কোটি ৯৬ লাখ টাকা ব্যয়ে পরিচালিত হয়েছে। বর্তমানে প্রকল্পটিতে ৭ হাজার ১৬২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী কাজ করছেন। প্রকল্পটি ব্যাংকে রূপান্তর হলে এসব জনবল ব্যাংকের জনবল হিসেবে বিবেচিত হবে। তবে ব্যাংকের মাধ্যমে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পে সরকারি অর্থ বরাদ্দ অব্যাহত থাকবে বলে জানা গেছে। প্রকল্পটির জনবল, অর্থ, স্থাবর-অস্থাবর সব সম্পদ ও অফিস সরঞ্জাম, ব্যাংকের সম্পদ ও জনবল হিসেবে গণ্য হবে। এরই মধ্যে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক আইনের খসড়া তৈরি করা হয়েছে। যা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক ২০১৩ নামে নামকরণ করা হয়েছে। খসড়ায় বলা হয়েছে, একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের সমিতি গঠন, সঞ্চয় জমা ও বৃদ্ধি, দারিদ্র্য বিমোচনে প্রশিক্ষণ, উঠান বৈঠক ও ঋণ প্রদানসহ যাবতীয় কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য ব্যাংক একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করবে। ব্যাংক কোম্পানি আইন ১৯৯৪ এবং ব্যাংক কোম্পানি সম্পর্কিত জারিকৃত আইন, বিধান বা নির্দেশনা নবগঠিত এ ব্যাংকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। কারণ সরকার দরিদ্র মানুষের পুঁজি গঠন ও দারিদ্র্য বিমোচনে এই বিশেষায়িত ব্যাংকটি সৃষ্টি করছে। তবে সরকার গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯৪ বা ব্যাংক কোম্পানি সম্পর্কিত জারিকৃত কোনো আইন, বিধি-বিধান ও নির্দেশনা অত্র ব্যাংকে প্রযোজ্য করার আদেশ জারি করতে পারবে।
        এ ব্যাংকের মাধ্যমে গ্রামের গরিব সাধারণ মানুষ সুবিধা পাবেন কিনা তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. মুস্তাফিজুর রহমান। তিনি যুগান্তরকে বলেন, যে প্রকল্প নানা কারণে সমালোচিত হয়েছে, সেই প্রকল্প ব্যাংকে রূপ নিলে দারিদ্র্য বিমোচনে খুব বেশি উপকার আসবে না। তিনি উল্লেখ করেন, যে কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান চালাতে গেলে দক্ষ লোকের প্রয়োজন পড়ে। সেই ধরনের দক্ষ লোক না থাকলে এ ব্যাংকের উদ্দেশ্য সফল হওয়া নিয়ে সংশয় থাকবে।
        জানা গেছে, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকায় এবং ৪৮৫টি ব্যাংকের শাখা খোলা হবে। পরে কাজের ব্যাপ্তির ওপর ভিত্তি করে ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যায়ে শাখা খোলা হবে। ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন হবে ৫০০ কোটি টাকা, যার পুরোটাই একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণোত্তর ঋণ সহায়তা তহবিল খাতে দেয়া হবে। অনুমোদিত মূলধন ১ কোটি শেয়ারে বিভক্ত হবে এবং প্রতিটি শেয়ারের মূল্য হবে ১০০ টাকা। ভবিষ্যতে সরকারের অনুমোদনক্রমে মূলধনের পরিমাণ বাড়ানো যাবে। একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের সদস্যদের নিজস্ব সঞ্চয় ও সরকারের দেয়া কল্যাণ অনুদান তাদের শেয়ার সঞ্চয় হিসেবে গণ্য হবে। এতে আরও বলা হয়েছে, ব্যাংকের ৫০ ভাগ মালিকানা সরকারের অধীনে সংরক্ষিত থাকবে। তবে এ মালিকানার জন্য সরকার কোনো লভ্যাংশ বা ডিভিডেন্ড পাবে না।
        এ আইনের অধীন প্রণীত বিধিমালা সাপেক্ষে, ব্যাংকের সাধারণ পরিচালনা, তদারকি এবং যাবতীয় প্রশাসনিক বিষয় ও কার্যক্রম বিধান অনুযায়ী পরিচালনা বোর্ডের ওপর ন্যস্ত থাকবে। একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের আওতাধীন গঠিত সব গ্রাম সংগঠন সমিতি ব্যাংকের সদস্য পদ পাবে। পল্লী অঞ্চলের যে কোনো প্রাথমিক সমবায় সমিতি ব্যাংকের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে। ১ হাজার টাকা ভর্তি ফি এবং কমপক্ষে ৫টি শেয়ার কিনে সমিতি ব্যাংকের সদস্য হতে পারবে। কোনো সমিতি ব্যাংকের কাছে ঋণ বা অন্য কোনো পাওনা না থাকলে ৩০ দিনের নোটিশ প্রদান করে সমিতি সদস্য পদত্যাগ করতে পারবে। এ বিষয়ে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব) প্রশান্ত কুমার রায় বলেন, প্রকল্পটি ব্যাংকে রূপান্তরের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা রয়েছে। সে আলোকে কাজ শুরু করা হয়েছে। এরই মধ্যে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক আইনের খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। তবে এখনও তা চূড়ান্ত করা হয়নি। একাধিক বৈঠক করে তা চূড়ান্ত করা হবে।
        01716158116

        • khan says:

          হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশনকে বিশেষায়িত ব্যাংক করার প্রস্তাব

          গোলাম মওলা

          প্রকাশ : ২৮ আগস্ট, ২০১৩
          হাউজিং ব্যাংক থেকে সরে এসে বিশেষায়িত ব্যাংকের আদলে ব্যাংক করতে চায় বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন (বিএইচবিএফসি)। এ জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে ফের আবেদন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এতে বলা হয়েছে, বিএইচবিএফসিকে যেন সীমিত আকারে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করার অনুমতি দেয়া হয়। যাতে সংস্থাটি জনগণের কাছ থেকে আমানত সংগ্রহ করে তহবিল সংকট মোকাবেলা করতে পারে। আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গৃহনির্মাণ ঋণদানকারী সরকারি এ সংস্থাটির পরিশোধিত ও অনুমোদিত মূলধন প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। সরকারের কাছে একাধিক আবেদন করার পরও ২০০৯ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটির অনুমোদিত বা পরিশোধিত মূলধন বৃদ্ধি করা হয়নি।
          এ জন্য কর্পোরেশন বর্তমানে মারাত্মক তহবিল সংকটে ভুগছে। এ পরিস্থিতিতে সরকারের অন্যান্য বিশেষায়িত ব্যাংকের আদলে বিএইচবিএফসিকে যেন সীমিত আকারে ব্যাংকিং কাজ করার অনুমতি দেয়া হয়। এ বিষয়ে এইচবিএফসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মোঃ নূরুল আলম তালুকদার যুগান্তরকে বলেন, বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন অন্য যে কোনো সময়ের চেয়ে ভালো করছে। বিএইচবিএফসি ২০১২-১৩ অর্থবছরে প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী ১৬৫ দশমিক ১৬ কোটি টাকা মুনাফা অর্জন করেছে। প্রায় ৮০ কোটি টাকা কর্পোরেট ট্যাক্স পরিশোধ করা হয়েছে। আদায়যোগ্য ৫৪২ দশমিক ৭২ কোটি টাকার বিপরীতে ৪৬০ দশমিক ২০ কোটি টাকা ঋণ আদায় করা হয়েছে। তবে তহবিল সংকটের কারণে চাহিদা মতো ঋণ দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। এ জন্য সীমিত আকারে ব্যাংকিং করার প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে এ চিন্তা এসেছে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকেই। তিনি বলেন, এ প্রতিষ্ঠান যদি সীমিত আকারে ব্যাংকিং করতে পারে তাহলে তহবিল সংকট আর থাকবে না। তিনি বলেন, আমরা প্রচলিত ধারার ব্যাংকিং করতে চাই না। আনসার-ভিডিপি ব্যাংকের মতো সীমিত আকারে আমানত সংগ্রহ করে গ্রাহকদের মধ্যে ঋণ বিতরণ করতে চাই। নিজেরাই স্বাবলম্বী হতে চাই।
          অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে করা আবদনে বলা হয়েছে, সংস্থাটির পরিশোধিত মূলধন ১১০ কোটি টাকা, সরকারি ঋণ ২৩২ কোটি, জমা ১২৭১ কোটি, ডিবেঞ্চার বাবদ ৭৭৬ কোটি ৫০ লাখ, মোট রিজার্ভ ১ হাজার ৩৭৮ কোটি রয়েছে। ২০০৯ সালের পর কর্পোরেশনের অনুমোদিত বা পরিশোধিত মূলধন বৃদ্ধি করা হয়নি। এতে আরও বলা হয়েছে, আবাসন খাতের ঋণের বিদ্যমান চাহিদার তুলনায় কর্পোরেশনের আর্থিক সামর্থ্য অত্যন্ত সীমিত। এ অবস্থায় তহবিলের ঘাটতি কাটিয়ে ওঠার জন্য কর্পোরেশনের অনুমোদিত ও পরিশোধিত মূলধন বৃদ্ধির প্রয়োজন। তহবিল সংকটের কারণে ১৯৮৮ থেকে ৯২ সাল পর্যন্ত কর্পোরেশনের কার্যক্রম বন্ধ ছিল। জানা গেছে, তহবিল সংকট মেটাতে এর আগেও সংস্থাটি মন্ত্রণালয়ে হাউজিং ব্যাংক হিসেবে অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছিল। সে আবেদনের প্রেক্ষিতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে মতামত চাইলে কেন্দ ীয় ব্যাংক সে প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছিল। বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার ও ব্যাংকের সংখ্যা বিবেচনায় নতুন ব্যাংকের প্রয়োজন নেই বলে জানিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশ ব্যাংক মনে করে, হাউস বিল্ডিংকে ব্যাংকে রূপান্তর করলে তা ব্যাংকিং খাতে অসুস্থ প্রতিযোগিতার সৃষ্টি করবে। সংস্থাটিকে ব্যাংকের বদলে আর্থিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের মতামতে বলা হয়েছে, বর্তমানে বাংলাদেশে ৪৭টি তফসিলি ব্যাংক কার্যরত আছে। নতুন আরো নয়টি ব্যাংককে লাইসেন্স দেয়া হয়েছে। এ ছাড়াও প্রবাসী কল্যাণ নামের একটি অ-তফসিলি ব্যাংককেও ব্যাংক কোম্পানি আইনের আওতায় তফসিলিভুক্তকরণের বিষয়টিও বর্তমানে বিবেচনাধীন। এর ফলে অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশে তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা দাঁড়াবে ৫৭টিতে। বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার এবং ব্যাংকের সংখ্যা বিবেচনায় বাংলাদেশ হাউজিং ব্যাংক নামে একটি নতুন ব্যাংক স্থাপন করা সুবিবেচনা প্রসূত হবে না। আরো অধিক সংখ্যক ব্যাংকের লাইসেন্স দেয়া হলে একদিকে ব্যাংকিং খাতে তীব্র এবং অসুস্থ প্রতিযোগিতার সৃষ্টি হবে, অন্যদিকে দেশের আর্থিক খাত সংকটে পতিত হওয়ার আশংকা দেখা দিতে পারে। বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, দেশের আর্থিক খাতের শৃংখলা রক্ষায় হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশনকে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণের আওতায় আনা উচিত। তবে সংস্থাটি যেহেতু আর্থিক প্রতিষ্ঠান নয়, সেহেতু তা সম্ভব হচ্ছে না। এ অবস্থায় ব্যাংকে রূপান্তরের বদলে আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে এইচবিএফসি লাইসেন্স গ্রহণ করলে প্রতিষ্ঠানটি যেমন তার উদ্দেশ্য অনুযায়ী কাজ করতে পারবে, তেমনি বিদ্যমান তহবিল সংকটও কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান সম্প্রতি বলেছিলেন, হাউস বিল্ডিং ব্যাংকে রূপান্তরের আগ্রহ প্রকাশ করলে তা বিবেচনা করা হবে।
          এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশনকে বিশেষায়িত ব্যাংক করা সম্ভব হবে না। কারণ এ প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের মধ্যে অধিকাংশই সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী। এখান থেকে টাকা নিয়ে তারাসহ ধনীরা বাড়ি করেছে। জায়গা কিনেছে। এদের মধ্যে গরিব গ্রাহক নেই বললেই চলে। তাহলে বিশেষায়িত ব্যাংক করবে কাদের জন্য। আবার এটাকে প্রচলিত ব্যাংকও করা যাবে না। কারণ ব্যাংক পরিচালনা করতে গেলে কেন্দ ীয় ব্যাংকের নিয়ম মানতে হবে। দক্ষ জনশক্তি লাগবে। এক্ষেত্রে হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন হঠাৎ করে এসবের কোনো কিছুই করতে পারবে না। তবে তহবিল সংকটে পড়লে সরকার প্রয়োজনীয় টাকা দিয়ে এ প্রতিষ্ঠানকে সহায়তা করতে পারে।
          এইচবিএফসির প্রস্তাবে বলা হয়েছে, আবাসিক বাড়ি নির্মাণে আর্থিক সহায়তা দেয়ার জন্য ১৯৫২ সালে হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন গঠন করা হয়। দেশ স্বাধীনের পর ১৯৭৩ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশে এটি বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন নামে কাজ শুরু করে। তহবিল সংকটের কারণে দীর্ঘ ছয় দশকেও প্রতিষ্ঠানটির তেমন প্রসার হয়নি। ২০১২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ২৮টি শাখার মাধ্যমে সারাদেশে ৭৩ হাজার ৩৮ জনকে চার হাজার ৩১২ কোটি ৪০ লাখ টাকা ঋণ দেয়া হয়েছে। এ ঋণে সর্বমোট মাত্র এক লাখ ৮২ হাজার ১০২টি আবাসন ইউনিট নির্মিত হয়েছে। এটি সারাদেশের গৃহায়ন চাহিদার তুলনায় খুবই অপ্রতুল। এ কারণে সংস্থাটি গৃহায়ন খাতে ঋণ জোগান দিতে বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন আদেশ ১৯৭৩-এর সংশোধন করে সীমিত আকারে ব্যাংকিং পরিচালনার আবেদন জানিয়েছে। এ আবেদন অর্থমন্ত্রীর অনুমোদন সাপেক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতামতের জন্য পাঠানো হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন পেলে পরবর্তী উদ্যোগ নেয়া হবে।
          এদিকে এইচবিএফসিকে ব্যাংকে রূপান্তর করার সুপারিশ করে তৈরি করা খসড়া আইনে দেখা গেছে, প্রতিষ্ঠানটি মূলত গৃহনির্মাণ, মেরামত, পুনর্গঠন, নির্মিতব্য অথবা নবনির্মিত ফ্ল্যাট বা অ্যাপার্টমেন্ট ক্রয় করার উদ্দেশ্যে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে বা রিয়েল এস্টেট কোম্পানিকে ব্যবসা পরিচালনার জন্য ঋণদান করে//www.jugantor.com/last-page/2013/08/28/ 01716158116

  83. TONMOY SIKDER says:

    সবাই যার যার ধর্ম অনুযায়ী সৃষ্টিকর্তাকে ডাকুন। ধন্যবাদ দিন সৃষ্টিকর্তাকে। ধন্যবাদ দিন প্রধানমন্ত্রী মহোদয়কে। ধন্যবাদ দিন প্রতিমন্ত্রী মহোদয়কে। ধন্যবাদ দিন পিডি স্যারকে। ধন্যবাদ দিন সাধারণ মানুষকে যারা আপনাকে সব সময় সাহায্য করেছে।

  84. Sohag says:

    যেসকল উপজেলায় কক্ষ বরাদ্দ তাদের কি করনিয় আসে ????

    • sanjoy roy says:

      দুই মাস বেতন নাই, আমরা আর চলতে পারছি না। আমরা TNO স্যারের নিকট থেকে টাকা নেইনি, নিজেরা চলার চেষ্টা করছিলাম কিন্তু আর পারি না । তাই, এ্ম্বুস কপি সহ বেতন বরাদ্দের চিঠি চাই। কারণ এ্ম্বুস কপি না পেলে AG অফিস বিল পাশ করে না।

    • TONMOY SIKDER says:

      কক্ষ বরাদ্ধে ব্যাপারে UNO কে ফাইল নোট দিন । তারপর দেখুন নোটে ইউ এন ও মহোদয় কি লিখে । সে মোতাবেক সদর দপ্তর কে অবহিত করুন।

  85. Sohag says:

    যদি ব্যাংক বাস্তবায়ন হয় তাহলে কি আমাদের বেতন ভাতা পরিবর্তন হবে ??
    নাকি এই সাকুল্য তেই থেকে যাব !

    • TONMOY SIKDER says:

      আগে নিজের ভিত ঠিক করুন তারপর বেতন নিয়ে চিন্তা করলে আপনার জন্য ভাল হবে।

  86. Iqbal hoq says:

    আমাদের খামার কে যখন বৃদ্ধি করা হয়েছে ইনশা আল্লাহ এক দিন ভালো কিছুর আশা করতেই পারি। এর জন্য আশায় বুক বাধলাম।জেগে উঠো বাংলাদেশ,গর্জে উঠো খামার পরিবার,সবাই মিলে করি চেষ্টা,বদলে যাবে আমাদের দেশটা,এই প্রত্যাশায়। (কাশেম,কামাল,ইকবাল)

    • •আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকার সংবাদ একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প হচ্ছে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক
      প্রকাশ : ২১ আগস্ট, ২০১৩ ০০:০০:০০
      একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প হচ্ছে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক
      আমিরুল ইসলাম

      অবশেষে সরকার বিলুপ্ত করছে বহুল আলোচিত-সমালোচিত কর্মসূচি একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের কার্যক্রম। তবে প্রকল্পটির আওতায় সুবিধাভোগীদের সঞ্চয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পল্লøী সঞ্চয় ব্যাংক নামে একটি নতুন ব্যাংক স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রকল্পটি বিলুপ্ত করে ব্যাংক গঠনের প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছেন। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের। সমবায় বিভাগ সূত্র জানায়, নবগঠিত ব্যাংকের মাধ্যমে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য সরকারি নিয়মিত অর্থ বরাদ্দ দেবে। প্রকল্পটির জনবল, অর্থ, স্থাবর-অস্থাবর সব সম্পদ, অফিস সরঞ্জাম, ব্যাংকের সম্পদ ও জনবল হিসেবে গণ্য হবে। দারিদ্র্যবিমোচন কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে ব্যাংকটি। প্রাথমিকভাবে দেশের ৪৮৫টি উপজেলায় পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের শাখা খোলা হবে। ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ধরা হয়েছে ৫০০ কোটি টাকা। এ বিষয়ে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব) প্রশান্ত কুমার রায় আলোকিত বাংলাদেশকে বলেন, প্রকল্পটি ব্যাংকে রূপান্তরের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা রয়েছে। সে আলোকে আমরা কাজ শুরু করেছি। এরই মধ্যে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের একটি খসড়া আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। তবে এখনও তা চূড়ান্ত করা হয়নি। একাধিক বৈঠক করে তা চূড়ান্ত করা হবে। ব্যাংক চালু হলে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প বিলুপ্ত হয়ে যাবে। এরই মধ্যে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের একটি আইন প্রণয়ন করা হয়েছে, যা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক ২০১৩ নামে নামকরণ করা হয়েছে। তৈরি করা খসড়ায় বলা হয়েছে, একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের সমিতি গঠন, সঞ্চয় জমা ও বৃদ্ধি, দারিদ্র্যবিমোচনে প্রশিক্ষণ, উঠান বৈঠক ও ঋণ প্রদানসহ যাবতীয় কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য ব্যাংক একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করবে। ব্যাংক কোম্পানি আইন ১৯৯৪ এবং ব্যাংক কোম্পানি সম্পর্কিত সময়ে সময়ে জারিকৃত আইন, বিধান বা নির্দেশনা নবগঠিত এ ব্যাংকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। কারণ সরকার দরিদ্র মানুষের পুঁজি গঠন ও দারিদ্র্যবিমোচনে এই বিশেষায়িত ব্যাংকটি সৃষ্টি করছে। তবে সরকার গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯৪ বা ব্যাংক কোম্পানি সম্পর্কিত সময়ে সময়ে জারিকৃত কোনো আইন, বিধি-বিধান ও নির্দেশনা অত্র ব্যাংকে প্রযোজ্য করার আদেশ জারি করতে পারবে।

      পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকায় এবং ৪৮৫টি ব্যাংকের শাখা খোলা হবে। পরে কাজের ব্যাপ্তির ওপর ভিত্তি করে ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যায়ে শাখা খোলা হবে। ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন হবে ৫০০ কোটি টাকা, যার পুরোটাই একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণোত্তর ঋণ সহায়তা তহবিল খাত দেয়া হবে। অনুমোদিত মূলধন ১ কোটি শেয়ারে বিভক্ত হবে এবং প্রতিটি শেয়ারের মূল্য হবে ১০০ টাকা। ভবিষ্যতে সরকারের অনুমোদনক্রমে মূলধনের পরিমাণ বাড়ানো যাবে। একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের সদস্যদের নিজস্ব সঞ্চয় ও সরকারের দেয়া কল্যাণ অনুদান তাদের শেয়ার সঞ্চয় হিসেবে গণ্য হবে।
      ব্যাংকের ৫০ ভাগ মালিকানা সরকারের অধীনে সংরক্ষিত থাকবে। তবে, এই মালিকানার জন্য সরকার কোনো লভ্যাংশ বা ডিভিডেন্ড পাবে না। এ আইনের অধীন প্রণীত বিধিমালা সাপেক্ষে, ব্যাংকের সাধারণ পরিচালনা, তদারকি এবং যাবতীয় প্রশাসনিক বিষয় ও কার্যক্রম বিধান অনুযায়ী পরিচালনা বোর্ডের ওপর ন্যাস্ত থাকবে। একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের আওতাধীন গঠিত সব গ্রাম সংগঠন সমিতি ব্যাংকের সদস্য পদ হবে। পল্লী অঞ্চলের যে কোনো প্রাথমিক সমবায় সমিতি ব্যাংকের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে। ১ হাজার টাকা ভর্তি ফি এবং কমপক্ষে ৫টি শেয়ার কিনে সমিতি ব্যাংকের সদস্য হতে পারবে। কোনো সমিতি ব্যাংকের কাছে ঋণ বা অন্য কোনো পাওনা না থাকলে ৩০ দিনের নোটিশ প্রদান করে সমিতি সদস্য পদ ত্যাগ করতে পারবে। সূত্র জানায়, ৩০ জুলাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পটি ব্যাংকে রূপান্তরের নির্দেশ দিয়েছেন। প্রকল্পটি গত সাড়ে ৪ বছর ধরে ৩ হাজার ১৬২ কোটি ৯৬ লাখ টাকা ব্যয়ে পরিচালিত হয়েছে। বর্তমানে প্রকল্পটিতে ৭ হাজার ১৬২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী কাজ করছেন। এসব জনবল নিয়োগে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। প্রকল্পটি ব্যাংকে রূপান্তর হলে এসব জনবল ব্যাংকের জনবল হিসেবে বিবেচিত হবে। তবে ব্যাংকের মাধ্যমে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পে সরকারি অর্থ বরাদ্দ অব্যাহত থাকবে বলে জানা গেছে।
      - See more at: http://www.alokitobangladesh.com/last-page/2013/08/21/17497#sthash.yxlAawZ0.dpuf
      • আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকার সংবাদ একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প হচ্ছে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক
      20 1 0 0
      প্রকাশ : ২১ আগস্ট, ২০১৩ ০০:০০:০০
      একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প হচ্ছে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক
      আমিরুল ইসলাম

      অবশেষে সরকার বিলুপ্ত করছে বহুল আলোচিত-সমালোচিত কর্মসূচি একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের কার্যক্রম। তবে প্রকল্পটির আওতায় সুবিধাভোগীদের সঞ্চয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পল্লøী সঞ্চয় ব্যাংক নামে একটি নতুন ব্যাংক স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রকল্পটি বিলুপ্ত করে ব্যাংক গঠনের প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছেন। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের। সমবায় বিভাগ সূত্র জানায়, নবগঠিত ব্যাংকের মাধ্যমে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য সরকারি নিয়মিত অর্থ বরাদ্দ দেবে। প্রকল্পটির জনবল, অর্থ, স্থাবর-অস্থাবর সব সম্পদ, অফিস সরঞ্জাম, ব্যাংকের সম্পদ ও জনবল হিসেবে গণ্য হবে। দারিদ্র্যবিমোচন কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে ব্যাংকটি। প্রাথমিকভাবে দেশের ৪৮৫টি উপজেলায় পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের শাখা খোলা হবে। ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ধরা হয়েছে ৫০০ কোটি টাকা। এ বিষয়ে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব) প্রশান্ত কুমার রায় আলোকিত বাংলাদেশকে বলেন, প্রকল্পটি ব্যাংকে রূপান্তরের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা রয়েছে। সে আলোকে আমরা কাজ শুরু করেছি। এরই মধ্যে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের একটি খসড়া আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। তবে এখনও তা চূড়ান্ত করা হয়নি। একাধিক বৈঠক করে তা চূড়ান্ত করা হবে। ব্যাংক চালু হলে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প বিলুপ্ত হয়ে যাবে। এরই মধ্যে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের একটি আইন প্রণয়ন করা হয়েছে, যা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক ২০১৩ নামে নামকরণ করা হয়েছে। তৈরি করা খসড়ায় বলা হয়েছে, একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের সমিতি গঠন, সঞ্চয় জমা ও বৃদ্ধি, দারিদ্র্যবিমোচনে প্রশিক্ষণ, উঠান বৈঠক ও ঋণ প্রদানসহ যাবতীয় কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য ব্যাংক একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করবে। ব্যাংক কোম্পানি আইন ১৯৯৪ এবং ব্যাংক কোম্পানি সম্পর্কিত সময়ে সময়ে জারিকৃত আইন, বিধান বা নির্দেশনা নবগঠিত এ ব্যাংকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। কারণ সরকার দরিদ্র মানুষের পুঁজি গঠন ও দারিদ্র্যবিমোচনে এই বিশেষায়িত ব্যাংকটি সৃষ্টি করছে। তবে সরকার গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯৪ বা ব্যাংক কোম্পানি সম্পর্কিত সময়ে সময়ে জারিকৃত কোনো আইন, বিধি-বিধান ও নির্দেশনা অত্র ব্যাংকে প্রযোজ্য করার আদেশ জারি করতে পারবে।

      পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকায় এবং ৪৮৫টি ব্যাংকের শাখা খোলা হবে। পরে কাজের ব্যাপ্তির ওপর ভিত্তি করে ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যায়ে শাখা খোলা হবে। ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন হবে ৫০০ কোটি টাকা, যার পুরোটাই একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণোত্তর ঋণ সহায়তা তহবিল খাত দেয়া হবে। অনুমোদিত মূলধন ১ কোটি শেয়ারে বিভক্ত হবে এবং প্রতিটি শেয়ারের মূল্য হবে ১০০ টাকা। ভবিষ্যতে সরকারের অনুমোদনক্রমে মূলধনের পরিমাণ বাড়ানো যাবে। একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের সদস্যদের নিজস্ব সঞ্চয় ও সরকারের দেয়া কল্যাণ অনুদান তাদের শেয়ার সঞ্চয় হিসেবে গণ্য হবে।
      ব্যাংকের ৫০ ভাগ মালিকানা সরকারের অধীনে সংরক্ষিত থাকবে। তবে, এই মালিকানার জন্য সরকার কোনো লভ্যাংশ বা ডিভিডেন্ড পাবে না। এ আইনের অধীন প্রণীত বিধিমালা সাপেক্ষে, ব্যাংকের সাধারণ পরিচালনা, তদারকি এবং যাবতীয় প্রশাসনিক বিষয় ও কার্যক্রম বিধান অনুযায়ী পরিচালনা বোর্ডের ওপর ন্যাস্ত থাকবে। একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের আওতাধীন গঠিত সব গ্রাম সংগঠন সমিতি ব্যাংকের সদস্য পদ হবে। পল্লী অঞ্চলের যে কোনো প্রাথমিক সমবায় সমিতি ব্যাংকের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে। ১ হাজার টাকা ভর্তি ফি এবং কমপক্ষে ৫টি শেয়ার কিনে সমিতি ব্যাংকের সদস্য হতে পারবে। কোনো সমিতি ব্যাংকের কাছে ঋণ বা অন্য কোনো পাওনা না থাকলে ৩০ দিনের নোটিশ প্রদান করে সমিতি সদস্য পদ ত্যাগ করতে পারবে। সূত্র জানায়, ৩০ জুলাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পটি ব্যাংকে রূপান্তরের নির্দেশ দিয়েছেন। প্রকল্পটি গত সাড়ে ৪ বছর ধরে ৩ হাজার ১৬২ কোটি ৯৬ লাখ টাকা ব্যয়ে পরিচালিত হয়েছে। বর্তমানে প্রকল্পটিতে ৭ হাজার ১৬২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী কাজ করছেন। এসব জনবল নিয়োগে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। প্রকল্পটি ব্যাংকে রূপান্তর হলে এসব জনবল ব্যাংকের জনবল হিসেবে বিবেচিত হবে। তবে ব্যাংকের মাধ্যমে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পে সরকারি অর্থ বরাদ্দ অব্যাহত থাকবে বলে জানা গেছে।
      - See more at: http://www.alokitobangladesh.com/last-page/2013/08/21/17497#sthash.yxlAawZ0.dpuf
      • আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকার সংবাদ একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প হচ্ছে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক
      20 1 0 0
      প্রকাশ : ২১ আগস্ট, ২০১৩ ০০:০০:০০
      একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প হচ্ছে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক
      আমিরুল ইসলাম

      অবশেষে সরকার বিলুপ্ত করছে বহুল আলোচিত-সমালোচিত কর্মসূচি একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের কার্যক্রম। তবে প্রকল্পটির আওতায় সুবিধাভোগীদের সঞ্চয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পল্লøী সঞ্চয় ব্যাংক নামে একটি নতুন ব্যাংক স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রকল্পটি বিলুপ্ত করে ব্যাংক গঠনের প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছেন। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের। সমবায় বিভাগ সূত্র জানায়, নবগঠিত ব্যাংকের মাধ্যমে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য সরকারি নিয়মিত অর্থ বরাদ্দ দেবে। প্রকল্পটির জনবল, অর্থ, স্থাবর-অস্থাবর সব সম্পদ, অফিস সরঞ্জাম, ব্যাংকের সম্পদ ও জনবল হিসেবে গণ্য হবে। দারিদ্র্যবিমোচন কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে ব্যাংকটি। প্রাথমিকভাবে দেশের ৪৮৫টি উপজেলায় পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের শাখা খোলা হবে। ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ধরা হয়েছে ৫০০ কোটি টাকা। এ বিষয়ে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব) প্রশান্ত কুমার রায় আলোকিত বাংলাদেশকে বলেন, প্রকল্পটি ব্যাংকে রূপান্তরের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা রয়েছে। সে আলোকে আমরা কাজ শুরু করেছি। এরই মধ্যে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের একটি খসড়া আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। তবে এখনও তা চূড়ান্ত করা হয়নি। একাধিক বৈঠক করে তা চূড়ান্ত করা হবে। ব্যাংক চালু হলে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প বিলুপ্ত হয়ে যাবে। এরই মধ্যে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের একটি আইন প্রণয়ন করা হয়েছে, যা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক ২০১৩ নামে নামকরণ করা হয়েছে। তৈরি করা খসড়ায় বলা হয়েছে, একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের সমিতি গঠন, সঞ্চয় জমা ও বৃদ্ধি, দারিদ্র্যবিমোচনে প্রশিক্ষণ, উঠান বৈঠক ও ঋণ প্রদানসহ যাবতীয় কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য ব্যাংক একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করবে। ব্যাংক কোম্পানি আইন ১৯৯৪ এবং ব্যাংক কোম্পানি সম্পর্কিত সময়ে সময়ে জারিকৃত আইন, বিধান বা নির্দেশনা নবগঠিত এ ব্যাংকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। কারণ সরকার দরিদ্র মানুষের পুঁজি গঠন ও দারিদ্র্যবিমোচনে এই বিশেষায়িত ব্যাংকটি সৃষ্টি করছে। তবে সরকার গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯৪ বা ব্যাংক কোম্পানি সম্পর্কিত সময়ে সময়ে জারিকৃত কোনো আইন, বিধি-বিধান ও নির্দেশনা অত্র ব্যাংকে প্রযোজ্য করার আদেশ জারি করতে পারবে।

      পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকায় এবং ৪৮৫টি ব্যাংকের শাখা খোলা হবে। পরে কাজের ব্যাপ্তির ওপর ভিত্তি করে ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যায়ে শাখা খোলা হবে। ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন হবে ৫০০ কোটি টাকা, যার পুরোটাই একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণোত্তর ঋণ সহায়তা তহবিল খাত দেয়া হবে। অনুমোদিত মূলধন ১ কোটি শেয়ারে বিভক্ত হবে এবং প্রতিটি শেয়ারের মূল্য হবে ১০০ টাকা। ভবিষ্যতে সরকারের অনুমোদনক্রমে মূলধনের পরিমাণ বাড়ানো যাবে। একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের সদস্যদের নিজস্ব সঞ্চয় ও সরকারের দেয়া কল্যাণ অনুদান তাদের শেয়ার সঞ্চয় হিসেবে গণ্য হবে।
      ব্যাংকের ৫০ ভাগ মালিকানা সরকারের অধীনে সংরক্ষিত থাকবে। তবে, এই মালিকানার জন্য সরকার কোনো লভ্যাংশ বা ডিভিডেন্ড পাবে না। এ আইনের অধীন প্রণীত বিধিমালা সাপেক্ষে, ব্যাংকের সাধারণ পরিচালনা, তদারকি এবং যাবতীয় প্রশাসনিক বিষয় ও কার্যক্রম বিধান অনুযায়ী পরিচালনা বোর্ডের ওপর ন্যাস্ত থাকবে। একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের আওতাধীন গঠিত সব গ্রাম সংগঠন সমিতি ব্যাংকের সদস্য পদ হবে। পল্লী অঞ্চলের যে কোনো প্রাথমিক সমবায় সমিতি ব্যাংকের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে। ১ হাজার টাকা ভর্তি ফি এবং কমপক্ষে ৫টি শেয়ার কিনে সমিতি ব্যাংকের সদস্য হতে পারবে। কোনো সমিতি ব্যাংকের কাছে ঋণ বা অন্য কোনো পাওনা না থাকলে ৩০ দিনের নোটিশ প্রদান করে সমিতি সদস্য পদ ত্যাগ করতে পারবে। সূত্র জানায়, ৩০ জুলাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পটি ব্যাংকে রূপান্তরের নির্দেশ দিয়েছেন। প্রকল্পটি গত সাড়ে ৪ বছর ধরে ৩ হাজার ১৬২ কোটি ৯৬ লাখ টাকা ব্যয়ে পরিচালিত হয়েছে। বর্তমানে প্রকল্পটিতে ৭ হাজার ১৬২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী কাজ করছেন। এসব জনবল নিয়োগে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। প্রকল্পটি ব্যাংকে রূপান্তর হলে এসব জনবল ব্যাংকের জনবল হিসেবে বিবেচিত হবে। তবে ব্যাংকের মাধ্যমে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পে সরকারি অর্থ বরাদ্দ অব্যাহত থাকবে বলে জানা গেছে।
      - See more at: http://www.alokitobangladesh.com/last-page/2013/08/21/17497#sthash.yxlAawZ0.dpuf

  87. Iqbal hoq says:

    ধন্যবাদ সকল কে যে অন্তত 2016 সাল পর্যন্ত মেয়াদ বৃদ্ধিকে সবাই বরণ করে নেওয়ায়। আমরা আশা করি এর পরে আরো ভালো কিছু হবে। সকল কে মেয়াদ বৃদ্ধির শুভেচ্ছা রইল।

    • আরিফ,মাগুরা says:

      এবাএখা প্রকল্পের সকল কর্মকর্তা/কর্মচারী চাকুরী করছিলাম আর ৩০ শে জুনের জন্য অপেক্ষা করছিলাম যে আমাদের ভবিষ্যৎ কি হবে ? জুন মাসের পরে ২৯ দিন চাকরী না থাকয় মনে হচ্ছিলো যে আমরা সকলেই রানা প্লাজার ধ্বংস স্তুপের মধ্যে চাপা পড়ে আছি তবে সেদিন পিডি মহোদয়ের গুড নিউজ পেয়ে কিছুটা স্বস্তির নিঃস্বাশ পেয়েছি যে চাকরী টা আবার রিনিউ হলো । এবার হয়তো কন্যার বাপদের নিকট মেয়েটি চা্ওয়া যাবে একেবারে বেকার ছেলেতো নয়! এজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী , মন্ত্রী পরিষদ ও পিডি মহোদয়কে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। তবে গত দুছরের ন্যায় এবার ঈদের কেনাকাটা করতে পারবো কিনা সে ব্যাপারে সবাই শঙ্কিত ছিলাম । আমাদের পিডি মহোদয় যে আমাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করেন তার প্রমাণ বেতন বোনাসের ঐ চিঠি টি । তাই আমরা বর্তমান পিডি মহোদয়ের সাথেই ২০১৬ সাল পর্যন্ত থাকতে চাই এব্যাপারে সরকারের সদয় দৃষ্টি আকর্ষন করছি । আমাদের নিয়ে এবং দেশের দরিদ্র মানুষকে নিয়ে চিন্তা করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও পিত্রিতুল্য পিডি মহোদয়ের জন্য দির্ঘায়ু ও মঙ্গল কামনা করছি ।

      উপজেলা সমন্বয়কারী (অঃ দাঃ)
      মহম্মদপুর,মাগুরা।

  88. sufia says:

    Very soon all govt.service holder will get 2 increment .jugantor 16/08/2013.But ebek service holder did not get any increment.Please pd sir we want our increment.

  89. sakhawat hossain says:

    হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু না থাকলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতনা। আমরা বিশ্বের বুকে নিজেদের পরিচয় তুলে ধরতে পারতাম না।

  90. MD. Mahmudul Hasan says:

    এর থেকে ভালো হত আমাদের চাকরি হতে অব্যাহিত করলে আমারা ১৩ তেই থেকে যাব আর মাঠ সংগঠক রা ১২ গ্রেড এ । আমাদের কে ঠকানো হচ্ছে । আমরা আসলেই অবহেলিত ।শুধু

  91. mamun says:

    সবাই এখন খুশি হবে কেননা খুশির খবর আসতে শুরু করেছে।
    ”নতুন মাএায় রুপ নিলো একটি বাড়ি একটি খামার
    গ্রামে গ্রামে স্থাপন হবে বায়োগ্যাস প্লান্ট ফাইবার”।
    বেতন বৃদ্ধির খবর ও খুব তাড়া তাড়ি পাওয়া যাবে আশা করছি।

  92. sufia says:

    Prithibi hok kasto sunno,somooy hok bestota purnno,jibon hok anondo purnno,ebek hok brdb mukto,”ED-MUBARAK”for all ebek family.

  93. রতন says:

    একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের সকল কর্মকর্তা,কর্মচারিদের জানাই ঈদ মোবারক।
    ঈদকে উপভোগ করুন নিজের মত করে, ভাল থকবেন সবাই।

  94. মাজহারুল ইসলাম says:

    শ্রদ্ধেয় পিডি স্যার,
    আপনাকে অভিনন্দন। আপনার আন্তরিক প্রচেষ্টার কারণেই প্রজেক্টের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। আরও অভিনন্দন বিআরডিবি ও এবাএখা’র সকল কর্মকর্তা/কর্মচারীদেরকে, কারণ সকলের অবদান ছাড়া সাফল্য সম্ভব নয়। কিন্তু স্যার প্রকল্পের মেয়াদ বাড়াতে আমাদের ভাগ্য কতটা সুপ্রসন্ন হলো, তা আমরা সঠিক অনুধাবন করতে পারছি না ! আমরা চেয়েছিলাম আমাদের চাকরীর স্থায়িত্ত্ব। কিন্তু আমাদের সেই অনিশ্চিয়তা থেকেই গেলো, যদি সরকার পরিবর্তন হয় তাহলে আমাদের কোন ক্ষতি হবে কিনা ? এছাড়া দুই-একটি পত্রিকায় দেখলাম মানণীয় প্রধানমন্ত্রী এবাএখা কে পল্লী সমবায় ব্যাংক করার নির্দেশ দিয়েছেন, কিন্তু যদি নির্দেশ দিয়েই থাকেন তাহলে সবকইটি পত্রিকায় খবরটা এলোনা কেন ? তাই এগুলো সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারনার অভাবে আমাদের মাঝে বিভিন্ন প্রশ্ন উকি দিচ্ছে। জানি, সময়ই হয়তো সব প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দিবে। যাই হোক স্যার, আমরা আপনার দোয়া প্রার্থী । আপনার আশীর্বাদ পেলেই আমাদের চাওয়া পাওয়া স্বার্থক হবে।

    শুভেচ্ছান্তে,
    মাজহারুল ইসলাম।(UCO)

  95. babu says:

    একটি বাড়ি একটি খামার
    প্রকল্প সম্প্রসারণ অনুমোদন’
    পল্লী সমবায় ব্যাংক’ গঠনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
    নিজস্ব প্রতিবেদক:
    গ্রামীণ উন্নয়নে প্রতিটি বাড়িকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে তুলতে ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্পের কার্যক্রম সারা দেশে সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে দেশের সব ইউনিয়নে এই প্রকল্পের কার্যক্রম ছড়ানো হচ্ছে। এসব কারণে এই প্রকল্পের মেয়াদ ও বরাদ্দ দুটোই বেড়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের ব্যয় এক হাজার ৪৯৩ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে তিন হাজার ১৬৩ কোটি টাকা করা হয়েছে। এ ছাড়া এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন মেয়াদকাল ২০১৪ থেকে বাড়িয়ে ২০১৬ সাল পর্যন্ত করা হয়েছে। দ্বিতীয়বারের মতো এসব সংশোধনী এনে গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। রাজধানীর শেরে বাংলানগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করেন।
    সূত্র জানায়, এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্পের টাকা-পয়সা লেনদেন ও এর কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পল্লী সমবায় ব্যাংক গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, দরিদ্র পরিবারগুলো টাকা সঞ্চয় করে। ক্ষুদ্র ঋণের পরিবর্তে এখন ক্ষুদ্র সঞ্চয় হচ্ছে। তাই দরিদ্র পরিবারগুলো যাতে তাদের পুঁজিকে কাজে লাগাতে পারে এবং এসব টাকা যেন বেহাত না হয় সে জন্য পল্লী সমবায় ব্যাংক গঠন খুবই জরুরি। তাই এই প্রকল্পের আওতায় পল্লী সমবায় ব্যাংক গঠন করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
    প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, এই ব্যাংক থেকে দরিদ্র নারী-পুরুষ চার থেকে পাঁচ শতাংশ সুদে ঋণ নিয়ে তাদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে পারবে। একই সঙ্গে এই ব্যাংকের মাধ্যমে তারা টাকা লেনদেনের পাশাপাশি সঞ্চয়ও করতে পারবে। এতে দুর্নীতি বন্ধ হবে। এই ব্যাংক গঠিত হলে গ্রামের সাধারণ মানুষ উপকৃত হবে বলে প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেন। বৈঠক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
    স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ‘এটি আপনার (প্রধানমন্ত্রীর) পছন্দের প্রকল্প। এই প্রকল্পের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ ব্যাপক উপকৃত হচ্ছে। প্রকল্পটি যাতে সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়িত হয়, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া হবে।’
    সূত্র জানায়, গতকালের একনেক সভায় ‘বরেন্দ্র এলাকায় গভীর নলকূপের মাধ্যমে সুপেয় পানি সরবরাহ’ শীষর্ক একটি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করা হয়। এ প্রকল্পটি অনুমোদনের বিরোধিতা করেন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী। তিনি বলেন, এমনিতেই বরেন্দ্র অঞ্চলে পানি কমে যাচ্ছে। পানির স্তর অনেক নিচে নেমে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে এই প্রকল্পটি ভালো ফল বয়ে আনবে না বলে মন্তব্য করেন কৃষিমন্ত্রী। এই প্রকল্পের মাধ্যমে মরুকরণ প্রক্রিয়া আরো ত্বরান্বিত হবে বলে জানান মন্ত্রী।
    কৃষিমন্ত্রীর বক্তব্যের সুর ধরে পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ড. শামসুল আলম বলেন, এ ধরনের প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে আরো বিচার-বিবেচনা করা উচিত। তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে গভীর নলকূপ বন্ধ করে দেওয়া উচিত। এই নলকূপের মাধ্যমেই আর্সেনিকের উপদ্রব বেড়েছে। গভীর নলকূপের পরিবর্তে বৃষ্টির পানি ধরে রাখা ও খাল-বিল পুনঃখননের ওপর বিশেষ জোর দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। সূত্র জানায়, এর জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ভবিষ্যতে বিষয়টি দেখা যাবে। প্রকল্পটি যেহেতু নিয়ে আসা হয়েছে, তাই অনুমোদন দেওয়া হলো।
    সভায় শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া তাঁর মন্ত্রণালয়ের ‘হাজারীবাগের চামড়াশিল্প সাভারের স্থানান্তর’ শীর্ষক প্রকল্পটি দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পনা কমিশনে পড়ে আছে বলে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ করেন। জবাবে পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য হেদায়েত উল্লাহ আল মামুন বলেন, কারখানার মালিকরা সাভারে যেতে না চাইলে কেন এই প্রকল্পটি অনুমোদন করতে হবে? পরিকল্পনাসচিব ভুঁইয়া সফিকুল ইসলাম বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ৬০০ কোটি টাকা ব্যয় হবে। এটি অপচয় হবে বলে জানান সচিব। তাই প্রকল্পটি অনুমোদন দরকার নেই বলেও জানান তিনি।
    এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কারখানা কারা স্থানান্তর করবে বা না করবে বিষয়টি আমরা দেখব। প্রয়োজনে তাদের হাজারীবাগ থেকে উচ্ছেদ করা হবে। আগামী একনেক সভায় প্রকল্পটি উত্থাপনের জন্য কমিশনকে নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, চামড়াশিল্পে উন্নয়ন সহযোগীরা সহায়তা করতে চায়। কিন্তু কারখানা স্থানান্তর না করায় তারা এগিয়ে আসছে না। দ্রুত সাভারের প্রকল্প এলাকাকে শিল্পপল্লী হিসেবে গড়ে তোলার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।
    সভা শেষে পরিকল্পনা বিভাগের সচিব ভুঁইয়া সফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, একনেকে চার হাজার ৫৩২ কোটি টাকা ব্যয়ে ১০টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে তিন হাজার ৯২৮ কোটি টাকা সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে এবং অবশিষ্ট ৬০৪ কোটি টাকা বৈদেশিক সাহায্য থেকে মেটানো হবে। একনেক সভায় অনুমোদিত অন্য প্রকল্পের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, ৫২ কোটি টাকা ব্যয়ে মাওলানা ভাসানি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় উন্নয়ন, ৪৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় উন্নয়ন, ১১০ কোটি টাকা ব্যয়ে দেশের বিদ্যমান স্টেডিয়াম সংস্কার ও উন্নয়ন, ১১০ কোটি টাকা ব্যয়ে গভীর নলকূপ থেকে পাইপের মাধ্যমে খাবার পানি সরবরাহ প্রকল্প।

  96. sakhawat hossain says:

    কি…….. বলেছিলাম না ! সু খবর আসছে। আমার কথা সত্যি হলো তো ?সবাই শুধু হাস আর হাস।

    • parvin says:

      একনেকে সংশোধিত প্রকল্প অনুমোদন
      সব ইউনিয়ন পরিষদে যাচ্ছে একটি বাড়ি একটি খামার

      একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের কার্যক্রম সারা দেশে সম্প্রসারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বেড়েছে প্রকল্পের মেয়াদ ও বরাদ্দ। এসব পরিবর্তন আনতে চলমান এই প্রকল্পটি দ্বিতীয়বারের মতো সংশোধন করা হয়েছে।
      রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে গতকাল মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেকের চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা।
      গ্রামীণ সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রতিটি বাড়িকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের স্বতন্ত্র কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে তোলা এবং ২০১৫ সালের মধ্যে জাতীয় পর্যায়ে দারিদ্র্যের হার ২০ শতাংশে নামিয়ে আনতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখাই এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য।
      প্রকল্পটি প্রায় এক হাজার ২০০ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ২০০৯ সালের জুলাই থেকে ২০১৪ জুন মাস মেয়াদে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২০০৯ সালের নভেম্বর মাসে একনেক কর্তৃক অনুমোদিত হয়। পরবর্তী পর্যায়ে প্রকল্পের মেয়াদকাল এক বছর কমিয়ে প্রাক্কলিত ব্যয় এক হাজার ৪৯৩ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়। প্রথম সংশোধিত প্রকল্পটির কার্যক্রম দেশের মোট এক হাজার ৯৩২টি ইউনিয়নে চলমান আছে। এখন তা আবার সংশোধন করে এর কার্যক্রম দেশের সব ইউনিয়নে (চার হাজার ৫০৩টি ইউনিয়ন) বিস্তৃত করা হয়েছে। আর দ্বিতীয় সংশোধনীতে প্রকল্পের ব্যয় দাঁড়িয়েছে তিন হাজার ১৬৩ কোটি টাকা এবং মেয়াদ বেড়েছে জুন ২০১৬ পর্যন্ত।
      একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিক জরিপের ভিত্তিতে গ্রামের দরিদ্র মানুষের জন্য গ্রাম উন্নয়ন সংগঠন সৃষ্টি করে সুফল ভোগীদের দক্ষতাবৃদ্ধিমূলক বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, ঋণ, অনুদান ও কারিগরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে দরিদ্রদের মধ্যে দুগ্ধবতী গাভি, মৎস্য, হাঁস-মুরগি ও ফসলের বীজ বিতরণ অব্যাহত আছে।
      Reply

      • JEREEN KHAN says:

        একনেকে সংশোধিত প্রকল্প অনুমোদন
        সব ইউনিয়ন পরিষদে যাচ্ছে একটি বাড়ি একটি খামার

        একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের কার্যক্রম সারা দেশে সম্প্রসারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বেড়েছে প্রকল্পের মেয়াদ ও বরাদ্দ। এসব পরিবর্তন আনতে চলমান এই প্রকল্পটি দ্বিতীয়বারের মতো সংশোধন করা হয়েছে।
        রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে গতকাল মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেকের চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা।
        গ্রামীণ সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রতিটি বাড়িকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের স্বতন্ত্র কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে তোলা এবং ২০১৫ সালের মধ্যে জাতীয় পর্যায়ে দারিদ্র্যের হার ২০ শতাংশে নামিয়ে আনতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখাই এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য।
        প্রকল্পটি প্রায় এক হাজার ২০০ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ২০০৯ সালের জুলাই থেকে ২০১৪ জুন মাস মেয়াদে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২০০৯ সালের নভেম্বর মাসে একনেক কর্তৃক অনুমোদিত হয়। পরবর্তী পর্যায়ে প্রকল্পের মেয়াদকাল এক বছর কমিয়ে প্রাক্কলিত ব্যয় এক হাজার ৪৯৩ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়। প্রথম সংশোধিত প্রকল্পটির কার্যক্রম দেশের মোট এক হাজার ৯৩২টি ইউনিয়নে চলমান আছে। এখন তা আবার সংশোধন করে এর কার্যক্রম দেশের সব ইউনিয়নে (চার হাজার ৫০৩টি ইউনিয়ন) বিস্তৃত করা হয়েছে। আর দ্বিতীয় সংশোধনীতে প্রকল্পের ব্যয় দাঁড়িয়েছে তিন হাজার ১৬৩ কোটি টাকা এবং মেয়াদ বেড়েছে জুন ২০১৬ পর্যন্ত।
        একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিক জরিপের ভিত্তিতে গ্রামের দরিদ্র মানুষের জন্য গ্রাম উন্নয়ন সংগঠন সৃষ্টি করে সুফল ভোগীদের দক্ষতাবৃদ্ধিমূলক বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, ঋণ, অনুদান ও কারিগরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে দরিদ্রদের মধ্যে দুগ্ধবতী গাভি, মৎস্য, হাঁস-মুরগি ও ফসলের বীজ বিতরণ অব্যাহত আছে।
        Reply

  97. alomgir says:

    সকলের প্রতি অনুরোধ নিচের লিংকে গিয়ে রিপোর্ট টি পড়ুন৤
    http://www.kalerkantho.com/print_edition/index.php?view=details&type=gold&data=news&pub_no=1320&cat_id=1&menu_id=13&news_type_id=1&index=7

  98. sakhawat Hossain says:

    সর্ব প্রথম আমাদের সবার প্রিয় পিডি স্যার কে এবাএখার পক্ষ খেকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। তাঁর যোগ্য নেতৃত্বে এবাএখা আজ পুর্ণতা পাচ্ছে। আমি অবাক হই যে আমার কিছু সহ কর্মির আচরণ দেখে, যারা অযথা কোন কিছু না বুঝে কান্নাকাটি করেন।আপনারা ধৈর্য ধরেন, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রি বক্তব্য পড়ুন যা 31/07/2013 তারিথে রোজ বুধবার দৈনিক কালের কন্ঠ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।

  99. MD. mahmudul hasan says:

    কাদঁ ভাই কাদঁ! খুব জুরে কাদঁ / কেউ শুনবেনা খামারের জনবলের কান্না/ভেবে ছিলাম খামারের জনবলে ………………।

  100. রতন says:

    এই মাত্র এক সমন্বয়কারী মেয়াদ বৃদ্ধির খবর পেয়ে আমাকে ফোন দিয়ে অনেক কান্নাকাটি করল। তার কান্না শুনে আমারো কান্না পাচ্ছে। আসলে আমাদের কেউ বুঝতে চায়না। সবাই কাজের লোক ভাবে।গুড নিউজ আর লিখতে ইচ্ছা করছেনা……

    • babu says:

      বিআরডিবির কর্মকর্তা/কর্মচারীরা প্রায় সময় বলে প্রকল্পের মেয়াদ শেষে নাকি এবাএখা প্রকল্প বিআরডিবি কে দিয়ে দিবে এই তত্ত্বটা আপনারা কতটুকু সমর্থন করেন জানিনা……….
      তাই যদি হয় জানিনা আমাদের ভবিষ্যৎ কি হবে?

    • babu says:

      রতন ভাই, আমারও কান্না পাচ্ছে। আমাদের ভাবিষৎ কি অনিশ্চিত! আমাদের এত কাকুতি-মিনতি কিছুই হইল না। আসলে আমাদের কেউ বুঝতে চায়না।

  101. শিপন সুপ্রিয়- says:

    আপনারা কেউ কি জানেন আমাদের ভবিষৎ কি ? একটি বাড়ি একটি খামার এর জন্য অনেক পরিশ্রম করছি আশাই আছি কি আছে আমাদের কপালে । সামনে ঈদের আর কয়েকটা দিন বাকি এখন পযন্ত কোন নিউজ পেলাম না।
    অপেক্ষায় আছি ভাল কিছুর জন্য————

  102. fahim says:

    আমাদের বেতন ভাতা কি ঈদের আগে পাব।আমাদের চাকরি আছে তো আবার।

    • ঈদের আগে কি আমরা বেতন বোনাস পাব ? ঈদের আনন্দ থেকে কি আমরা বাদ পরব ? আমাদের চাকুরী আছে, না নাই ? যদি থাকে তহলে ত কোন না কোন সংবাদ পাব তাই না !

  103. আব্দুল্লাহ আল কাইয়ূম says:

    প্রকল্পের স্থায়ীত্ব সম্পর্ আপনারা কে কি জানেন জানাবেন।

  104. পম্পী দত্ত says:

    একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের সকল কর্মকর্তা/কর্মচারীদেকে ঈদুল ফিতরের অগ্রিম শুভেচ্ছা।

  105. রতন says:

    যুগান্তরের রিপোর্ট টা দেখে অনেক খারপ লাগল।
    http://www.jugantor.com/news/2013/07/20/14395

    • Sajida Parvin Mukta says:

      গত ২০ই জুলাই, যশোর এর স্থানীয় পত্রিকা লোকসমাজে একটি বাড়ি একটি খামার নিয়ে অনেক বাজে বাজে কথা লিখেছে। তারপর থেকে বিভিন্ন ম্যানেজার গন আমাদের অফিসে এসে বিভিন্ন রকম প্রশ্ন করছে । অনেক প্রশ্নের জবাব দিতে হচ্ছে । তবে অনেক প্রশ্নের জবাব আমরা জানিনা । খুবই সমস্যার মধ্যে আছি।

    • দৈনিক যুগান্তরের খবর পড়ে সমিতির সদস্যরা অফিসে এসে বিভিন্ন প্রশ্ন করছে, অনেকেই তাদের সঞ্চয় তুলে নিতে চাচ্ছেন। এখন কি করব। কার কাছে কোন তথ্য থাকলে ব্লগে লিখবেন।

      • sarup says:

        আপনি উপকারভোগীদের যথাযথ মোটিভেশন করতে পেরেছেন কি? দেশে কত নামে বেনামে পত্রিকা আছে তার হিসাব যেমন নেই তেমনি দেশে আদৌ কত রকমের কতজন সাংবাদিক আছে তার সঠিক তথ্য কেউ বলতে পারবে এমন বিশ্বাস আমরা করতে পারব না। এসমস্ত সমস্যা সৃষ্টির যত মত রয়েছে পাশাপাশি সমস্যা সমাধানের তত পথ রয়েছে। চলুন, উপকারভোগীদের বুঝিয়ে বলি তাদের নিজেদের একাউন্টে তাদের সঞ্চয়,প্রকল্প হতে প্রাপ্ত কল্যাণ অনুদান, ঘূর্ণায়মান ঋণ তহবিলসহ সব টাকা তাদের হিসাবে স্থিত আছে। উপকারভোগীদের প্রশ্ন করতে পারি, করিমের একাউন্ট নম্বর থেকে রহিম তার ইচ্ছামত টাকা তুলে নিতে পারবে কিনা? নিশ্চয় উত্তরে ‘না’ হলে-বলতে পারি আপনি কিভাবে বিশ্বাস করলেন আপনার/আপনাদের সমিতির হিসাবের টাকা অন্য কেউ নিতে পারবে? আমরা নির্ধিদ্বায় উপকারভোগীদের বুঝাতে পারি এটা রক্তচুষা এনজিওদের কারসাজি! কেননা, একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প মাত্র দু’বছরে সমগ্র দেশের মানুষের কাছে যে জনপ্রিয়তা অর্জন করল তাতে গরীবের রক্তচুষা, সুদ-খোর এনজিওরা জানে সামনে তাদের পরাজয় নিশ্চিত! সুতরাং আপনাদের এখন বেশি সুদে টাকা নেওয়ার জন্য এনজিওদের পিছনে আর ঘুরতে হবে না কারণ আপনাদের মাত্র ৬০জনের সমিতিতে অনেক টাকা আছে। যে টাকা দিয়ে আপনারা নিজেদের সিদ্ধান্তে নিজেরাই প্রকল্প নিয়ে স্বাবলম্বী হতে পারবেন।

  106. sarup says:

    আমাদের কাজের সফলতা অনেকাংশে নির্ভর করবে উপকারভোগীদের মুটিভেশনের উপর। প্রকল্পের আসল উদ্দেশ্য কি তা উপকারভোগীদের বুঝাতে পারলে তাদের কাছ থেকে জোর জুলুম করে সঞ্চয় ও ঋণ আদায় করার প্রয়োজন কি? উপকারভোগীরা পাশবহি হাতে সঞ্চয় ও ঋণ নিয়ে আপনাকে খোঁজবে! আপনার কাজটি আরও সহজ হয়ে যাবে।

  107. babu says:

    20.07.2013 তারিখ যুগান্তর পত্রিকায় একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের বরাদ্ধ নিয়ে একটি নিউজ করল। নিউজটি হল বির্তকিত প্রকল্পে নাকি আবারও বেশি বরাদ্ধ চাওয়া হচ্ছে! পত্রিকার ভাষ্যমতে প্রকল্পটি নাকি চরম দূনীতিগ্রস্থ! এ পত্রিকায় আরও উল্লেখ করেন যে, পরিকল্পনা কমিশনের বাঁধার সত্ত্বেও প্রভাবশালী শীর্ষমহলের চাপে কারণে আরও বেশি দূর্নীতির জন্য প্রকল্পটি সম্প্রসারণে এত বেশি বরাদ্ধ চাওয়া হচ্ছে! প্রকল্পটি সম্প্রসারণে ৩ হাজার ৫০০কোটি টাকা বরাদ্ধ চাওয়া হলেও ৩ হাজার ১০০কোটি টাকার বরাদ্ধ একনেক সভার সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছে। অবাক হওয়ার মত এ সংবাদটি! পত্রিকার এ সংবাদটি পড়ে হতবাক হয়ে গেলাম কোখায় এত দূর্নীতি? কেন পুরাতন সংবাদগুলো নতুন কিছু সংযোজন করে ছাপানো হয়? এ সংবাদগুলো কার স্বার্থে? এগুলো পড়ে কারা উপকৃত হবে? কোথায় এত দূনীতির গন্ধ? সংশোধিত নতুন উদ্যমে চলমান এ জনকল্যাণমূলক মহৎ প্রকল্পটির এত দূনীতির ফাঁক-ফোঁকর গুলো কোথায় আছে সবিনয়ে আমরা জানতে পারব কি? আশ্চার্য বিষয় হল, একটি বাড়ি একটি খামার নিয়ে এখনও অনেক পত্রিকায় ভিত্তিহীন সংবাদ পরিবেশন করা হয়। বর্তমানে জনকল্যাণমূলক এ মহৎ প্রকল্পটি বাংলার হত দরিদ্র মানুয়ের কাছে কত যে জনপ্রিয় আদৌ বহু মিডিয়া হয়তো জানে না। বহু পত্রিকায় আজকাল এনজিওর সাফল্যের কাহিনী নিয়ে গ্রাম-গঞ্জের অনেক সচিত্র সংবাদ পরিবেশন করতে দেখি। কিস্তু আক্ষেপ করে বলতে হয়, একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের লক্ষ লক্ষ উপকারভোগীরা আয়বর্ধক যে সমস্ত লক্ষ লক্ষ খামার গড়ে তুলেছেন তার সাফল্যের কাহিনী নিয়ে কেন সচিত্র সংবাদ পরিবেশন করতে দেখিনা? তার একমাত্র কারণ হিসেবে আমরা ধরে নিতে পারি একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প নিয়ে তেমন প্রচার-প্রচারণা না থাকায় দু’একটি মিডিয়া সে্কেলের বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচার করছে এবং অন্যদিকে দেশের বেশির ভাগ বিভিন্ন মিডিয়া তথ্য নির্ভর সংবাদ পরিবেশন করতে পারছে না। আমাদের কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের সবিনয় নিবেদন এই যে ব্যাপক জনপ্রিয় ও জনকল্যাণমূলক একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের প্রচার ও প্রসারের জন্য দেশের বিভিন্ন মিডিয়ার সম্মানীত সম্পাদক ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বদের নিয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন করা হউক। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস জনপ্রিয় ও জনকল্যাণমূলক হত দরিদ্র মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের চাবি ‘একটি বাড়ি একটি খামার ’প্রকল্পের সাফল্যের সত্য সুন্দর ও তথ্য নির্ভর প্রচার-প্রচারণায় প্রমাণ করতে পারে এটি একটি দেশের গণমানুষের দাবি অত্যান্ত প্রয়োজনীয় জনকল্যাণমূলক শীর্ষ্ প্রকল্প।

  108. sarup says:

    যখন্ মনে পড়ে যায় আমাদের স্বাধীনতা অর্জনের কথা তখন মনটা খুবই বিষন্ন হয়ে যায়। আক্ষেপ করি সর্বদা! কেন আমার ১৯৫২তে জম্ম হলো না? নিজেকে খুব বেশি অপরাধি মনে হয় কেন আমি মুক্তিযুদ্ধে যেতে পারলাম না। আমার মত ২৮-৩০ যারা বই পুস্তকে সীমাবদ্ধ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস শুধু জানি। স্যালুট জানাই বাঙ্গালি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান আমাদের গর্ব, জাতির অহংকার বীর মুক্তিযোদ্ধা! আপনাদের ত্যাগের মহিমায় আমরা স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিক। আমরাও চাই আপনাদের অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করতে, আমরাও চাই আর একটি যুদ্ধ করতে! ক্ষুধা,দারিদ্র মুক্ত ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে। ২৮-৩০ এর যুবক ভাইয়েরা চলুন, ভেদাভেদ ভুলে বাংলাদেশের মানুষকে দারিদ্রতার অভিশাপ থেকে মুক্ত করি। স্বাধীনতার যুদ্ধে যেতে পারিনি বলে মনে কষ্ট নিয়ে বসে থাকলে লাভ কি? চলুন, সবাই মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ি, তবে ব্যতিক্রমি এ মুক্তিযুদ্ধ! এ যুদ্ধের নাম হবে ‘বাংলাদেশের দারিদ্র মুক্তিযুদ্ধ’

  109. sarup says:

    আমরা ৪২ বছর আগে শোষন, নির্যাতন, নিপিড়ন, অত্যাচার থেকে মুক্ত হয়েছিলাম। স্বপ্নে বুক বেধেঁছিলাম সদ্য স্বাধীন যুদ্ধবিধস্ত দেশটি সুন্দর ভাবে গড়ব। সুন্দর জীবনটা উপভোগ করব। ভেবেছিলাম প্রত্যক্ষ/পরোক্ষ ভাবে ‍নির্ভরশীল ৮০% কৃষকের দেশ সবুজ শ্যামল সোনার বাংলাদেশের উর্বর মাটি যখাযথ ব্যবহার করতে পারলেই যুদ্ধবিধস্ত দেশটি পর্যায়ক্রমে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে। দেশের ৮০% জনসমষ্টি বাঁচবে এবং দেশের কর্মক্ষম মানুষের কর্মসংস্থান হবে। দারিদ্রতার অভিশাপ থেকে হত দরিদ্র মানুষ মুক্ত হবে।
    সর্বোপরি সদ্য স্বাধীন যুদ্ধবিধস্ত দেশটি খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে ও অর্থনৈতিক মুক্তি পাবে!
    কিন্তু না! যিনি আমাদের স্বপ্নদ্রষ্টা যাঁর নেতৃত্বে আমাদের এত অর্জন স্বাধীনতা বিরোধী কাপুরুষেরা আর বেশি দিন সহ্য করতে পারল না।
    তাঁকে স্বপরিবারে হত্যা করল। কালো মেঘে ঢেকে গেল আমাদের লালিত স্বপ্নগুলো । হতাশায় ভেসে গেল এক স্বাধীন বাংলাদেশ।
    স্বপ্ন সে তো স্বপ্ন! স্বপ্নের কখনও মৃত্যু হয়না।
    ৪২ বছর পরে হলেও হতাশার মাঝে আশার বার্তা নিয়ে এলো আমাদের স্বপ্নদ্রষ্টার কর্ণধার ‘একটি বাড়ি একটি খামার’।
    দিন বদলের সনদ ঘোষনা দিল-স্বাধীন বাংলাদেশটি আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ!
    দারিদ্রতার অভিশাপ থেকে বাংলার হত দরিদ্র মানুষ অচিরেই মুক্ত হতে যাচ্ছে!
    অচিরেই এদেশের গণমানুষ অর্থনৈতিক মুক্তি পাবে!
    সর্বোপরি ক্ষুধা দারিদ্র মুক্ত ডিজিটাল বাংলাদেশ বিশ্বের কাছে এশিয়ার পরাশক্তি হিসেবে পরিচিত হতে যাচ্ছে একটি নতুন বাংলাদেশ।
    সবাস বাংলাদেশ!সাবাস! এ পৃথিবী অবাক হয়ে থাকিয়ে রয়।

  110. fahim says:

    এই যোগদান পত্র অব্যহতি পত্র হিসেবে গন্য হচ্ছে কিনা তা কিছুই বোঝা যাচ্ছে না কেও বোঝাবেন কি?

    • fahim says:

      রোববার সংসদ অধিবেশনে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. রহমত আলীর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

      তিনি বলেন, একাটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পে গত দু’বছরে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা তহবিল দাঁড়িয়েছে। ৪০ টি জেলায় ইউনিয়ন তথ্য সেবা কেন্দ্র ও উপজেলা প্রকল্প অফিসের মাধ্যমে অনলাইন ব্যাংকিং শুরু হয়েছে। আগামী অর্থ বছরে ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্পে মূলধন দাঁড়াবে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা। একই সঙ্গে ৬৪ টি জেলার ৪৮৩ টি উপজেলার ৪০ লাখ দরিদ্র পরিবারকে অনলাইন ব্যাংকিং-এর আওতায় আনা হবে।

      এই প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হবার পরে এই কার্যক্রমকে স্থায়ী করার জন্যে একটি স্বতন্ত্র ফাউন্ডেশন বা অন্য কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে বলেও তিনি সংসদকে জানান।

      • JAN says:

        একাটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পে গত দু’বছরে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা তহবিল দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।

        রোববার সংসদ অধিবেশনে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. রহমত আলীর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

        তিনি বলেন, একাটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পে গত দু’বছরে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা তহবিল দাঁড়িয়েছে। ৪০ টি জেলায় ইউনিয়ন তথ্য সেবা কেন্দ্র ও উপজেলা প্রকল্প অফিসের মাধ্যমে অনলাইন ব্যাংকিং শুরু হয়েছে। আগামী অর্থ বছরে ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্পে মূলধন দাঁড়াবে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা। একই সঙ্গে ৬৪ টি জেলার ৪৮৩ টি উপজেলার ৪০ লাখ দরিদ্র পরিবারকে অনলাইন ব্যাংকিং-এর আওতায় আনা হবে।

        এই প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হবার পরে এই কার্যক্রমকে স্থায়ী করার জন্যে একটি স্বতন্ত্র ফাউন্ডেশন বা অন্য কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে বলেও তিনি সংসদকে জানান।

  111. মোঃ ওমর ফারুক says:

    “একটি বাড়ী একটি খামর ” প্রকল্পের দারিদ্রতার কমিয়ে আনার লক্ষে আমরা সবাই কাজ করে যাচ্ছি। ‍কিন্তু প্রকল্পের জন্য একটি মোটরসাইকেল এবং দু’টি বাইসাইকেল দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে আমাদের মাঠ সংগঠক ভাইয়েরা ডিজিটাল যুগে লজ্জায় না অংহকারে /কষ্ঠের কারণে বাইসাকেল চালিয়ে মাঠ পর্যায়ে পরিদর্শন করতে অনীহা/আগ্রহ বোধ দেখা যায় না। আমাদের উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষের কাছে আমার অনুরোধ মাঠ কর্মী ভাইদের জন্য একটি করে মোটসাইকেল প্রদান এবং তাদের বেতন থেকে আনুপাতিক হারে কর্তন করে উক্ত টাকা পরিশোধের ব্যবস্থা করলে প্রকল্পের গতি ফিরে আসবে এবং নিয়মিত পরিদর্শন সহ যাবতীয় কার্যক্রম হবে বলে আমার বিশ্বাস।

    • sarup says:

      মো: ওমর ফারুক ভাই আপনি কি সিও, এফও, নাকি ইউসিও জানি না। তবে যা লিখেছেন ভালোই তো! কিন্তু দু’একটি শব্দ যেমন লজ্জায় না অংহকারে /কষ্ঠের , অনীহা/আগ্রহ এ সমস্ত লিখার মধ্যে ব্যবহার না করলে আরও বেশি ভালো হতো। তবে আপনি একটি বিষয়ে জানেন কিনা জানি না তবুও বলছি উপজেলা সমন্বয়কারীর জন্য প্রকল্পের স্বাথে বরাদ্ধকৃত মোটর সাইকেলটি মাঠ সংগঠক ভাইয়েরাও মাঠ পরিদশনের কাজে ব্যবহার করতে পারবে বলে প্রধান কাযালয়ের নিদেশনা রয়েছে। মাঠ পরিদশনের কাজে যেখানে বাইসাইকেল চালানো সম্ভব সেখানে বাইসাইকেল এবং যেখানে মোটর সাইকেল দরকার সেখানে মোটর সাইকেল ব্যবহার করা বাঞ্চনীয়। মোটর সাইকেল কিংবা বাইসাইকেল ব্যতিত যদি মাঠ পরিদশনের কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন হয় তাতে অযথা মোটর সাইকেল ও বাইসাইকেল ব্যবহারের প্রয়োজন কি? তবে প্রকল্পের ১০০% সফলতার জন্য প্রকল্পের সকল কমকতা-কমচারীর সমান গুরুত্ব রয়েছে। আমি মনে করি যদি সবাই সমন্বিতভাবে একযোগে দারিদ্র বিমোচনের কাজ করি প্রকল্পের গতি ফিরে আসবে এবং নিয়মিত পরিদর্শন সহ যাবতীয় কার্যক্রম হবে বলে আমার বিশ্বাস।

    • sumon, chowgacha, jessore. says:

      মাঠ সংগঠক পদ উঠিয়ে দিয়ে সবাইকে উপজেলা সমন্বয়কারী করেন তাহলে ভাল হবে।

  112. babu says:

    আমরা এ অথဃ বছরে ভালই সঞ্চয় আদায় করলাম। হত-দরিদ্র মানুষকে যথেষ্ট মুটিভেশন করলাম…কিন্তু অনেক বেক পেতে হল কারণ সুদ-খোর কিছু এনজিও একটি বাড়ি একটি খামার সম্পকেဃ কত যে ধোকাবাজি, বেলকিবাজির কথা বলে তা গ্রামের সহজ সরল দরিদ্র জনগোষ্ঠীরা খুব সহজে আমাদের কাছে এবার প্রকাশ করেছে।যদি হত-দরিদ্র মানুষকে আরও বেশি বেশি মুটিভেশন করলে অথবা সাধারণ উপকারভোগীদের সাথে খুব বেশি মিশতে পারলে আমাদের সফলতা আরও বেশি হবে এটা নিঃসন্দেহে বলতে পারি……এবং আমাদেরকে কোন সুদ-খোর এনজিওর(যারা এবাএখা বিরোধী) বিরুদ্ধে কোন প্রতিবাদী ভাষা ব্যবহার করতে হবে না কারন আমাদের মুটিভেশন করা সমগ্র দেশের উপকারভোগীরা রক্তচুষা এনজিওর বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হয়ে উঠবে।

  113. sarkertitu says:

    A BREIF HISTORY OF
    YOUNG ENERGETIC EBEK STAFFS IN FIELD LEVEL.

    আসলে blog এ কথা বলে দাবী আদায় হবেনা সংঘঠিত হতে হবে । association korle e hobena.setake speedy korte hobe .NOW OR NEVER. amader LEADER ra amader CALL korle e amra japiye porbo. ki LEADER bhai a ra awaj peyesen to COMILLA theke bolsi.ami jani amader LEADER ra sobsomoy blog a likhen. NAME MENTION korlam na apnader. ” BRIGHT FUTURE IS WAITING FOR US IN EBEK”;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;AEI UKTI TA SUDU E MUKHE MUKHE KAGOJ- KOLOME FAKA BORO BORO KOTHA. CONCLUSION : UCO+CO+FO=BEAST OF BURDEN

  114. আলমগীর হোসেন says:

    আমি নির্ভরযোগ্যসূত্রে জানতে পারলাম যে, তিন (০৩) বছর প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি পেল, এর পরবর্তীতে foundation হবে, আর মাঠ সংগঠকদের গ্রেড ১২ হবে। আমি আরো জানতে পারলাম যে , প্রা্য় ৮০ টি উপজেলার বেতন বিল সহ অন্যান্য বিল লেপস হয়ে গেল। আমার প্রশ্ন হলো ,আমিও কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারী, তাহলো যাদের বেতনভাতা সহ অন্যান্য বিল লেপস হলো তারা অফিসে কি করে? আমাদের হয়তবা গ্রেড ১৩ তে থাকতে হবে। তাদের কারনে আমাদের management সকল কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারীদের নেতিবাছক ধারনা জম্মিলো। আমরা সবাই এমনভাবে কাজ করতে হবে যেনে আমাদের management বলে আমরা আসলে কাজ করি। প্রতিদিন অফিসের কাজের পাশাপাশি মাঠ পরিদর্শন করতে হবে। আর এটা মনে রাখতে হবে বর্তমানে উক্ত অফিসে UCO (EBEK) আমাদের Superior তাদের সম্মান প্রদর্শনপূর্বক অফিস কার্য সম্পূর্ন করতে হবে।

  115. মোঃ ওমর ফারুক says:

    একটি বাড়ী একটি খামার প্রকল্পের প্রত্যেক উপজেলার জন্য একজন এমএলএসএস/পিয়ন কাম- নৈশ্য প্রহরী প্রয়োজন/ দরকার ? একমত থাকলে লাইক দিন?

    • fahim says:

      chakriy thake na abare MLSS

      • আলমগীর হোসেন says:

        আমি নির্ভরযোগ্যসূত্রে জানতে পারলাম যে, তিন (০৩) বছর প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি পেল, এর পরবর্তীতে foundation হবে, আর মাঠ সংগঠকদের গ্রেড ১২ হবে। আমি আরো জানতে পারলাম যে , প্রা্য় ৮০ টি উপজেলার বেতন বিল সহ অন্যান্য বিল লেপস হয়ে গেল। আমার প্রশ্ন হলো ,আমিও কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারী, তাহলো যাদের বেতনভাতা সহ অন্যান্য বিল লেপস হলো তারা অফিসে কি করে? তাদের কারনে আমাদের management সকল কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারীদের নেতিবাছক ধারনা জম্মিলো। এখন মাঠ সংগঠকের গ্রেড পরিবর্তন হলো আর আমরা তাদের থেকে lowest হয়ে গেলাম।

        • Sohag says:

          এর থেকে ভালো হত আমাদের চাকরি হতে অব্যাহিত করলে আমারা ১৩ তেই থেকে যাব আর মাঠ সংগঠক রা ১২ গ্রেড এ । আমাদের কে ঠকানো হচ্ছে । আমরা আসলেই অবহেলিত ।

          • JAN says:

            Bhaiya june 30-2013 er pore amader chakuri ei nai.So grade ar beton diya ki korben.Office to korcen free.Amader sobar lojja thaka uchit.

          • alomgir says:

            Bai bozlam na??? jethben…..R……tokben ata kmon kotha? protizogita koren naki?

        • আরিফ,মাগুরা says:

          মাঠ সংগঠকরা অনেক পরিশ্রম করেন তাদের ভাল কিছু হোক এটা আমরা নিশ্চয় চাই। তবে আমরা যে শুধু অফিসে বসে থাকি এ রকম যিনি ভাবেন তারা হয়তো আমাদের কাজ সম্পর্কে ধারনাই নেই।তাদের ধারনা শুনে স্কুলের ইংরেজি পাঠ্যবইয়ের সেই গল্পের কথা মনে পড়ে যায় ‍‌’শরীরের প্রতিটি অংগ মনে কারে পেট কোন কাজ করেনা পেট শুধু খায় আর খায়।এ কথা শুনে যে দিন পেট খাওয়া বন্ধ করে দিলো সে দিন শরীরের হাত, পা ও অন্যান্য অংগ দুর্বল ও অচল হয়ে পড়লো তখন সবাই বুঝলো যে, পেট শুধু খাই না কাজও কারে। আমরা যারা কম্পি: অপা: কাম হিসাব সহকারী হিসেবে কাজ করছি তারা হিসাব , প্রসাশনিক, ও আইটি এ ৩টি শাখায় কাজ করি অর্থৎ অফিসের নথি প্রসেসিং এর মুল কাজটিই আমারা করে থাকি অফিসার বৃন্দ শুধুমাত্র স্বাক্ষর করেন।আমরা অফিস ব্যবস্থাপনার মূল কাজটি করে থাকি বিদায় ৫দিনের টিওটি প্রশিক্ষণ আমাদেরকেই দেওয়া হয়েছে।এবং অনেক উপজেলাতে সমন্বয়কারী হিসেবে কম্পি: অপা: কাম হিসাব সহকারীকেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সুতারং কর্তৃপক্ষ আমাদের পদ মর্যাদার বিষয়টি নিশ্চয় খতিয়ে দেখবেন বলে আশা রাখি।

      • Jalamoy Dutta says:

        Asol kothata bolar jonno dhonnobad.

  116. alomgir says:

    বিআরডিবির জ্বালা যন্ত্রণায় এক সাথে থাকা দায়……
    বিআরডিবির বড় আশা করে বসে আছে তারা একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের সম্পদ গুলো গ্রহণ করার জন্য। তাদের আশা সরকার পরিবতন হলে পরবতীဃ সরকার এই ဘকሗ তাদের কে হস্তান্তর করবে…………….

  117. Green Sky says:

    আমরা কি আজকে থেকে আর অফিস করব না ? কেউ কি বলতে পারেন ?

    • মোঃ ওমর ফারুক says:

      আপনি কোন খারাপ খবর পেয়েছেন না কি?

  118. রতন says:

    অনেকে ফোন করে ফেইজবুকের আইডি চান। ফোনে বলা সমস্যা হয়। এখান থেকে চাইলে আমাকে friend করতে পারেন
    http://www.facebook.com/ratan.kumar.169405

  119. sakhawat Hossain says:

    আমাদের সামনে সুদিন আসছে ! সবাই দোয়া করুন।ভালভাবে কাজ করুন।

    • Sohag says:

      সুদিন এর অপেক্ষায় রইলাম

      • mustafiz,kalignj,jhenaidah. says:

        গ্রামিন ব্যাংক নিয়ে অনেক দিন থেকে ভিবিন্ন ধরনের কথা হচ্ছে, অনেকে বলছে সরকার গ্রামিন ব্যাংকের মত একটি প্রতিষ্ঠান করে দেখাক ,

        আমার মনে হয় এর জবাব “একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প” দিতে পারে যদি সরকার সদয় হয়ে বিবেচনা করে।

        • alomgir says:

          ভাই, খুবই অবাক হলাম !!! কারণ কোথায় গ্রামীন ব্যাংক আর কোথায় একটি বাড়ি একটি খামার!!! গ্রামীন ব্যাংক এর গ্রামীন জনপদের কার্যক্রম এবং গ্রামীন ব্যাংকের বাস্তবে কাগজেপত্রে ঢাক-ঢোল পিঠানো কার্যক্রম এক নয়।হত দরিদ্র মানুষের সঞ্চয়ের টাকা আর মহাজনের সুদ কারবারির টাকায় এ প্রতিষ্ঠান এবং কর্মকর্তা/কর্মচারী চলে। তবে একটি বাড়ি একটি খামার তা নয়। গ্রামীন ব্যাংক দরিদ্র মানুষের স্বপ্ন ভাঙ্গার প্রতিষ্ঠান আর একটি বাড়ি একটি খামার গ্রামীন জনপদের হত দরিদ্র জনগোষ্ঠীর স্বপ্ন গড়ার প্রতিষ্ঠান। এটাই বাস্তবে তফা‌ত….

    • alomgir says:

      কেমন সুদিন আসছে একটু ইংগিত দিলে আমাদের মনটা একটু শান্তি লাগত……..

    • মোঃ ওমর ফারুক says:

      আলোর আশাটা কি জানাবেন কি? সবাইকে?

  120. alomgir says:

    প্রিয় সহকর্মী বৃন্দ আমরা যারা এমপি মহোদয় ও মন্ত্রি মহোদয়ের মধ্যমে ডিও লেটার দিয়েছি, এমপি মহোদয়েরা হয়তো আমাদের সেই ডিও লেটারের কথা ভুলে গেছেন। সম্মানীত সাংসদগন কেউতো একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের কথা সংসদ বা কোন সভা সেমিনারে আলোচনা করেননা বা বলেন না। তাঁদেরকে আবার মনে করিয়ে দিতে হবে। দেশের জনগণের ও আমাদের স্বাথেဃ

  121. sakhawat Hossain says:

    একটি বাড়ি একটি খামার সাড়া জাগিয়েছে দেশে এবার ! কিন্তু যারা সাড়া জাগালো তাদের ভবিষ্যত টা কি? তাদের অবস্থা কি যেখান থেকে যাত্রা সেখানে শেষ হয়ে যাবে?

    • mustafiz,kalignj,jhenaidah. says:

      কি হবে জানি না তবে জানি কাজ করে যেতে হবে।

    • alomgir says:

      আমরা কাজ করি গরীবের জন্য…….আমরা সেবা দিই গণমানুষের জন্য …… আমরা দারিদ্র নিমূলের অতন্দ্র প্রহরী……..আমরা তো দরিদ্র -মেহনতি মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করি…….. কিন্তু আমাদের ভাগ্য কি হবে কেউ কি জানেন???

  122. রতন says:

    আর বাকি ৬ দিন। ৬ দিন পর কি আমাদের চাকরি থাকবে?

    • প্রদীপ হাওলাদার says:

      ৬ দিনের জন্য কেন ভাবছেন ? চাকুরির মেয়াদ যদি ৭৩০ ‍দিন অথবা ১০৯৫ দিনও বৃদ্ধি করা হয় তাহলেও বা জীবনের নিশ্চয়তা পাচ্ছেন কোথায় ! যদি চাকুরি স্থায়ী না হয় ? কেননা, বালির বাঁধ কখনও স্থায়ী হয় না। আসলে জীবনে বেঁচে থাকতে হলে মাথা গুজার ঠাঁই থাকতে হবে।

    • JAN says:

      Ami faisa gesi, ami faisa gesi, ami faisa gesi mainkar chipaay……………….Haider Hossain.Gan tar moto amader obosta holo dada.
      Asolei amra sobai faisa gesi……..(jara EBEK family te asay)

    • alomgir says:

      ৬ দিন পর বাবার জায়গা জমি থাকলে এবাএখা থেকে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারেন নতুবা বিআরডিবির কোন প্রকল্পে জয়েন্ট করা যেতে পারে-এখানে অনেক প্রকল্প আছে কিন্তু জনবল নাই। কারণ আদায় করলে বেতন আছে, আদায় নাই বেতন নাই তার মানে বেতন নাই পেটে ভাত নাই….তবু সমস্যা নাই কষ্ট করে কোনদিন আদায় করতে পারলে একদিন বেতন হবেই–এই নিশ্চয়তা আছে কিন্তু এবাএখাতে এরকম কোন নিশ্চয়তাও নাই!!!

  123. alomgir says:

    আমরা কি চাই? আমরা বাচতে চাই ,চাকুরীর নিরাপত্তা চাই, বঙ্গ বন্ধুর সুখী সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়তে চাই।এবং
    মাননীয় প্রধান মণ্ত্রীর স্বপ্ন কে বাস্তবায়ীত করতে চাই।দারিদ্রতার করাল ঘ্রাস থেকে বাংলার হত দরিদ্র মানুষকে বাচাতে চাই।
    তার জন্য চাকুরীর স্হায়ীত্ব চাই।

    • kamrul 01919877566 says:

      চার সিটি বিএনপি তার মানে এবাএখার বিদায় ঘনটা তাই এবাএখার জনবল যত তাডাতাডি পার চাকরি খুজ সামনে যে বিপদ

  124. sakhawat Hossain says:

    আগে চাকুরী স্থায়ী করণ হোক তার পর বেতন কাঠামো। চাকুরী না থাকলে বেতন দিয়ে কি হবে। ইদানিং আনেক ব্লগে অনেকে ব্যক্তিগত আক্রমন করে অনেক কথা লিখছে, যা অত্যন্ত দুঃখ জনক! কারও যদি কোন দাবী থাকে তাহলে সবার সাথে সম্মিলিত কতৃপক্ষের কাছে লিখিত ভাবে জানাতে হবে। ব্লগে লিখে কোন কাজ হবেনা।

  125. alomgir says:

    ও পাগল মনরে দিন গেলে তুই বইসা বইসা কানরে…………….!

  126. sarup says:

    আমরা আশা নিয়ে বুক বাধি। সাহস নিয়ে পথ চলি। তবে দূগম কঠিন পথ চলা যত সহজ মনে করি বাস্তবে তা নয়। কিন্তু আশা কিংবা কোন ভরসা কঠিন পথকে সহজ করে দেয়। কাজের গতিটাও বাড়িয়ে দেয়।আমরা যারা ফিল্ডে বাস্তব অভিজ্ঞতা নিয়ে কাজ করি তা কত যে কঠিন তা বলা মুসকিল। প্রথমে যখন ফিল্ডে গিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন নিদেশিকা মোতাবেক সমিতির সদস্যদের বুঝাতে গেলাম তখন পূবে প্রকল্প হতে পদত্ত সম্পদের কল্পকাহিনী কতই না শুনতে হল।সরাসরি উপকারভোগীরা বলল আমাদের ঘর না দিয়ে টাকা চাইতে আইছ এবার? আমাদের ঘর দাও, গরু দাও, তোমাদের সঞ্চয় টাকা দিমু। কি আর করি……. কেউ কেউ বলে বেড়ায় অথ না থাকায় সরকার অথ সংগ্রহ করছে। আবার কেউ বলে পদ্মা সেতুর জন্য এ সঞ্চয় নেওয়া হচ্ছে।কেউ বলছে দুই দিনের চাকুরি নিয়া আইসা আমাগো টাহা নিয়া ভাইগা যাইবা? এ সরকার গেলেগা আমাগো টাহার কি অবস্থা অইব? এথন যখন গরুর টাকা পরিশোধের কথা শুনল……
    তখন বলে সরকার এগুলো আমাদের দেওয়ার সময় ফেরত দেবার জন্য বলে নাই। এরা(আমরা) ভাওতাবাজি করে আমাগো লগে।এটা নিয়া আমাগো পাড়ার নেতা গো লগে বইতে অইব।তারপর তোমাগো(আমাদের) লগে কথা। বিশেষ করে বিরোধী পাটিরা সরকার বিরোধী বিভিন্ন অপপ্রচার চালাচ্ছে এ মহতী প্রকল্প নিয়ে।উপরের এ সকল প্রশ্নের সুষ্ঠু জবাব দিতে গিয়ে যে কথা গুলো বলতে হয় তাতে বিরোধীরা আমাদের সরাসরি বুঝে নেয় আমরা কোন রাজনৈতিক দলের লোক! অনেক ক্ষেত্র তাদের অপপ্রচারের সুষ্ঠু জবাব দিতে গিয়ে আমরা তাদের প্রতিদন্ধি মত হয়ে যাই! কি আর করি যত বাধা বিপত্তি আসুক আমাদের মিশন পিছে হটার নয়। জনগণের সেবা করার চরম সুযোগ! চিরতরে দারিদ্র মুক্তির সুযোগ! জনগণের উন্নয়নের সুযোগ! ভাগ্য পরিবতনের চরম সুযোগ। বিরোধীরা বিরোধীর কাতিরে বিরোধীতা করবেই……তবে এই ভেবে আমাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে কি কারো মাথা ব্যাথা নেই? সব সম্ভবের দেশে সবকিছু হয় সুতরাং আমাদের ১০০% সফলতার জন্য ১০০% চাকুরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরী নয় কি?

    • ভাই সরুপ আপনার কথা গুলোর মধ্যে অনেক গুলো যুক্তি আছে যে, বিষয় গুলো আমাদের একটি বাড়ি একটি খামারে চাকুরি করি তাহাদের জন্য অত্যন্ত সমউপযোগী সিদ্ধান্ত এমন একটা সুন্দর মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ , ইতি – বিশ্বজীৎ কুমার বিশ্বাস, মাঠ সংগঠক, শার্শা উপজেলা।

  127. মোঃ ওমর ফারুক says:

    শ্রদ্ধেয় পিডি মহোদয় ,
    যে সকল উপজেলায় ‘উপজেলা সমন্বয়কারী’র পদ শূন্য রয়েছে সে সকল উপজেলায় ‘কম্পিউটার অপারেটর কাম-হিসাব সহকারী’ কে অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদানের জন্য সবিনয় অনুরোধ করছি।

  128. রাকিবুল says:

    শ্রদ্ধেয় পিডি মহোদয় ,
    সবিনয়ে সকল কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারীদের প্রতি আপনার একান্ত দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। কারণ, UCO মহোদয়েরা ও মাঠ সংগঠক ভাইয়েরা যদি আপনার সন্তানের মত হয় তাহলে আমরাও সেই স্নেহের অধিকারী।আমাদের পদমর্যাদা পূর্বে আপনার দয়ায় যেমন মাঠ সংগঠকদের উপরে রাখা হয়েছিল মাঠ সংগঠক ভাইয়েরা যদি নতুন কোন গ্রেড পায় তবে আমাদের বিষয়টিও পূর্বের ন্যায় বিবেচনা পূর্বক বাধিত করবেন।

    আপনার কাছেই আমাদের সকল আবেদন, আপনি আমাদের একমাত্র অভিভাবক। আপনার স্নেহ ও ভালবাসায় আমরা ভাল থাকি।

    • arup karmokar says:

      রাকিবুল ভাই
      ধনবাদ আপনাকে, আমরা একটু বেশি আবহেলিত, তার প্রমান আমরা অফিস ও মাঠে দুটোতে কাজ করি কিন্তু মাত্র ২৫০ টাকার DA পেলাম………………

    • sanjoy roy says:

      এবাএখা, এর কম্পিঃ অপারেটর রা কি কাজ করে?
      আমরা যারা কম্পিঃ অপারেটর আছি তারা কি করি না? অফিসের ফাইল, রেজিষ্টার ও কম্পিউটারের সকল কাজ করে অফিসারদের স্বাক্ষর আনতে হয়। মাঝে মধ্যে ফিল্ডে যেতে হয়। সারা দিন ফিল্ডের টাকা জমা হলে তা থ্রী পার্টের ভাউচার লিখে হাফ কিঃমিঃ হেঁটে যেয়ে সোনালী ব্যাংকে জমা দিতে হয়। বিআরডিবির চিঠি ড্রাপ করতে হয় ও ২-৩ কপি করে সারা দিন ৭০-৮০ কপি ফটোকপি করে দিতে হয়। সমন্বয়কারীর পি,এস হিসাবে কাজ করতে হয়। অফিসের পিওনের কাজ ও করতে হয় আমাদের। সকাল ৯:০০ থেকে ৫:০০-৬:০০ টা পর্যন্ত বিরতি হীন ভাবে অফিস করতে হয় দুই এক দিন দুপুরে খাবারের সময় থাকে না। ইত্যাদি কাজ করি।

      • আপনে ঠিক কথাই বলেছেন, তবে আমরা যেমন কষ্ট করি তেমনী Uco ও Fo এরাও কি কম কষ্ট করে ? এদের যদি স্কেল বৃদ্ধি করে, আমাদেরও ক্রমানুসারে আবশ্যই স্কেল বৃদ্ধি করতে হবে তাই না ? তাই স্কেল নিয়ে ভাবি না, আমি ভাবি শুধু আমাদের চাকুরীটা কী স্থায়ী হবে ? না এ সরকার পরিবর্তন হওয়ার সাথে সাথে আমাদের চাকুরীও মনে হয় পরিবর্তন হয়ে যাবে। কারন সরকারী দল বাদে অন্য সব দল এই একই কথা বলে আসছে যে, সরকারের মেয়াদ শেষ ত খামর বাড়ির চাকুরী শেষ, খামার বাড়ির চাকুরী শেষ ত আমাদের জীবন শেষ, আসলে আমাদের ভাগ্য বলে কিছু নেই। যদি ভাগ্য বলে কিছু থাকত তাহলে আমাদের চাকুরী নিয়ে এ ভাবে হতাসাই ভোগতে হত না।পিডি স্যার যে স্বপ্ন দেখিয়েছিল তা আশাই গুড়ে বালি। যেই স্যার বলেছিল কিছু না হলে ফাউন্ডেশন ত হবেই, তা আমি সব ঠিক করে রেখেছি কিন্তু সেই পিডি মহোদয় স্যার ০৯/৬/১৩ তারিখে এবাএখা এক কর্মশালায় ২০১৬ সাল পর্যন্ত প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি করার সুপারিশ করেছেন । তাই আমাদের ভাগ্য বলে কিছু আছে বলে মনে করি না।

    • Zahid hasan says:

      শ্রদ্ধেয় পিডি মহোদয় ,
      সবিনয়ে সকল কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারীদের প্রতি আপনার একান্ত দৃষ্টি আকর্ষণ প্রসংগে। কারণ, UCO মহোদয়েরা ও মাঠ সংগঠক ভাইয়েরা যদি আপনার সন্তানের মত হয় তাহলে আমরাও সেই স্নেহের অধিকারী।আমাদের পদমর্যাদা পূর্বে আপনার দয়ায় যেমন মাঠ সংগঠকদের উপরে রাখা হয়েছিল বর্তমানে রাখবেন এমনটাই আমাদের আশা। UCO মহোদয়েরা না থাকলে তার পরিবর্তে কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারীকে দায়িত্ব প্রদান করে থাকেন অথচ আমাদের বেতন স্কেল ৫৫০০/- UCO মহোদয়েরা জয়েন্ট করার পর তাদের স্কেল ৬৪,০০/ থেকে ৮০০০/- টাকায় করে দিলেন অনুরুপ ভাবে মাঠ সংগঠক ভাইয়েরা যদি নতুন কোন গ্রেড পায় তবে আমাদের বিষয়টিও পূর্বের ন্যায় বিবেচনা পূর্বক বাধিত করবেন।

      আপনার কাছেই আমাদের সকল আবেদন, আপনি আমাদের একমাত্র অভিভাবক। আপনার স্নেহ ও ভালবাসায় আমরা ভাল থাকি।

      • alomgir says:

        ভাই মাঠ সংগঠক নিয়ে আপনাদের মাথা ব্যাথা কারণটা কি জানতে পারি? টেকনিক্যাল কোন সাটিফিকেট থাকলে অবশই ১টা বেতন স্কেল বেশি পায় তাই বলে একটা সীমা আছে একজন কে ছোট করে নিজের বেতন স্কেল এর কথা বলা কি ঠিক?

        • Sohag says:

          আলমগীর ভাই এখানে কাউকে ছোট করা হচ্ছে না । আর কেউ মাঠ সংগঠক নিয়ে মাথাও ব্যাথা করছে না । তবে ক্রমনুসারে যদি হিসাব করা হয় তাহলে কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারীদের ও বেতন স্কেল সাথে সাথে বৃদ্ধির পাওয়া উচিত ।

          • sarup says:

            সোহাগ ভাই আপনি কত পর্যন্ত বেতন স্কেল বৃদ্ধি করলে খুশি হবেন????????????

    • jalal khan says:

      মাননীয় প্রধান মন্ত্রী, বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়নে 16 কোটি মানুষের হৃদয়ে লালিত আপনার স্বপ্নের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পকে স্থায়ী রুপদানের জন্য আপনার কাছে বিনীত অনুরোধ করছি । সেজন্য এবাএখা’র সকল কর্মকর্তা/কর্মচারীদের চাকুরী স্থায়ী রাজস্ব বাজেটভূক্ত করার জন্যে আপনার কাছে বিনীতভাবে অনুরোধ করছি।

    • আপনারা সবাই বেতন স্কেল নিয়ে ভাবছেন কেন ? এ সরকার চলে যাওয়ার পর আমাদের বেতন হবে কিনা তা কখনো চিন্তা করেছেন। আমাদের সরকারের নির্বাচন অঙ্গিকার ছিল প্রত্যেক ঘরে ঘরে একটি করে চাকুরী দেওয়া। সেই সুবাদে হয়ত বা আমরা এই প্রকল্পে একটি চাকুরী পেয়েছি। আর এ চাকুরী যদি চলে যায় বা বন্ধ হয়ে যায় তাহলে আমাদের এবং আমাদের পরিবারের কি অবস্থা হবে তা দেখার বা চিন্তা করার কেউ আছে বলে মনে হয় না । কারণ, শুনেছিলাম এই প্রকল্প ফাউন্ডেশন বা রাজস্ব করা হবে, কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন তার কথাই নেই। যার কোন ভিত্তি নেই তার কোন দাড়িয়ে থাকার অস্তিত্ব আছে ? এর মানে এ সরকার শেষ এ প্রকল্প শেষ, এ প্রকল্প শেষ আমাদের জীবন শেষ, আমাদের জীবন শেষ ত আমাদের পরিবার শেষ।

  129. sarup says:

    আমরা কি কোন আশার আলো দেখতে পাব না? নাকি জীবনটাই বৃথা যাবে! সেই সকালে ফিল্ড়ে বাহির হলাম প্রচুর বৃষ্টিতে ভিজলাম একাধারে তিনটি মিটিং করলাম, খাওয়া-দাওয়া কিছুই নেই! দূর্গম অবহেলিত এলাকায় দরিদ্র মানুষকে মোটিবেশন করা কত যে কষ্ট একমাত্র যারা বাস্তবে ফিল্ডে কাজ করে তারাই জানে। বিভিন্ন এনজিওর ধোকাবাজির কারণে প্রতারিত সহজ সরল জনগোষ্ঠী এখন আসলটাও বুঝতে চায় না।

  130. jakir says:

    বিআরডিবি –একটি বাড়ি একটি খামারে’র বন্ধু না পরম সত্রু যদি বন্ধু হতো তাহলে আমাদের’কে কেন (কর্মচারী/ কর্মকর্তারা) দেখতে পারেনা এটা কি আমাদের খারাপ ব্যবহারের জন্য যদি তাই হয় তাহরে আমারা কি এমন খারাপ ব্যবহার করি? বিআরডিবির কর্মকর্তা/ কর্মচারীগণ বলেন খামারে এত টাকা এগুলি সবটাকা চার জনে ভাগ করে খায় পিডি মহোদয় প্রতিটি উপজেলায় এত টাকা দেয় এগুলি কোথায় যায়। আর একটি কথা আমাদের সম্মানিত পিডি মহোদয় যে দিন থেকে আমাদের জন্য ইউএনও অফিসে দুইটি রুমের বরাদ্দ চেয়ে চিঠি দিয়েছেন সেইদিন থেকে আমাদের যে কি কষ্টের মধ্যে ফেলে দিয়েছে তা বলা যাবেনা ক্ষমা করবেন স্যার মনে কষ্ট নিয়ে এই কথা বললাম কারন আমাদের একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের প্রতিটি অফিস বিআরডিবির কোন একটি পরিত্যাক্ত রুমে যা বাহির থেকে কোন লোক আসলে হেসেদেয়। বিআরডিবির লোকজন বলে কি এক ফাল্তু প্রকল্প দিয়ে আমাদের অফিসে একটা ঝামেলা দিয়ে দিছেয়ে এই ঝামেলা কবে দুর হবে আল্লাহ পাক যানে। তাহলে মনে করেন আমারা কতটাই সুখে আছি। এত সুখ কি আমাদের কপালে সইতে পারে।তাই পিডি মহোদয়ের কাছে আমাদের আকুল আবেদন হয় ইউএনও অফিসে রুম দেবেন নতুবা ইউএনও অফিসের সামনে কোন রুম ভাড়া হিসাবে ব্যবহারের অনুমদন দিবেন। কারন আমাদের এর কারনে কাজের চরম সমস্যা হচ্ছে। এমনকি আমরা যদি অফিসের কোন কাজের চাপের মধ্যে থাকি হয়তো বা 5.00 টা পার হয়ে যায় তখন আমাদের সম্মানিত পিয়ন সাহেব এসে বলে আমি চলে গেলাম তালা মেরে বাড়ি যাবেন। আর কত নিচে আমরা নামলে আমাদের জন্য দুটি রুম বরাদ্দ পাব? সবার কাছে প্রশ্ন রাখলা……………………………….

    • JAN says:

      Thanks for ur comment bhaiya………..this is reality.
      Because BRDB te ERWESSPO,new project RDO.Sob meliye khub jhamela hossay.So honorable PD sir do something for us.please make another letter to UNO sir for give two room at any cost.Sobai khub bipode asi……….

    • kamrul 01919877566 says:

      এবাএখা তোমরা এক কাজ কর সবাই ফোনে কথা বলে ঢাকায় গিয়া আমরন অনশন কর এবং একটা কমিটি গঠন কর চাদা উঠাও আর খরচ করে অনশন চালিয়ে যাও

  131. jakir says:

    আমরা কম্পিটার অপারেটর-কাম-হিসাব সহকারী এতটাই অবহেলিত যে আমাদের সমস্যাগুলি কখনই শোনা হয় না। এমনকি আমাদের কোন টেনিং ঢাকাতে হয়না। তাহলে কি একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের সমস্থ কাজ উপজেলা সমন্বয়কারী মহোদয়’রা করেন আমাদের দিয়ে কোন কাজ হয়না। আমাদের সম্মানি ভাতা গত বাড়ে ছিল 500/- টাকা এবারে তা নেমে এসেছে 250/- টাকায় পরেবারে হবে 125/- টাকা তার পরের বছরে 75/- টাকা তার পরের বছরে প্রকল্প যদি থাকে তবে হবে 37.50/- হায়রে কপাল আমাদের তাই বলছি কম্পিউটার অপারেটর ভাইয়েরা মন খারাপ করবেন না। আমারা তো বসে বসে আহার (খাচ্ছি) করছি আমাদের তো কোন টাকাই দেওয়া উচিত না কিন্তু সমন্বয়কারী ও মাঠ সংগঠক ভাইদের বিল করার সময় হয়তো মনে কষ্ট পাবেন তাই মনে যেন কষ্ট না পান এই জন্য এই বেব্যস্থা। নেট চালাতে গেলে আমাদের সমন্বয়কারী বলে আপনাদের কোন মডেম দেওয়া হয়নি এগুলি দেওয়া হয়েছে আমাদের জন্য।

  132. jakir says:

    একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের ভবিষ্যত কি জুন/13 তো পার হয়ে গেল। আমাদের ভবিষ্যত অন্ধকার এতে কোন চিন্তা কারা দরকার নাই আপনারা যারা খামারে আছেন তারা নাকে তেলদিয়ে ঘুমান, ঘুম থেকে উঠে দেখবেন আপনার চাকুরী নাই।

  133. Sajida Parvin Mukta says:

    যশোর জেলায় ডিজিটাল মেলা শুরু হয়েছে গতকাল (০৪ তারিখে)। আমাদের একটি বাড়ি একটি খামারের স্টলে উপচে পরা মানুষের ভিড়। আমরা সদস্যর সঞ্চয় জমা দান প্রক্রিয়া মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে প্রজেক্টরে জনগণকে দেখাচ্ছি। মানুষের হাজার ও প্রশ্নের জবাব দিতে হচ্ছে। তবে একটি বাড়ি একটি খামার নিয়ে জনগণের অনেক কৌতুল । মেলার মাধ্যমে আমাদের পরিচিতিটা আরও বাড়লো।

    সাজিদা পারভীন মুক্তা

  134. alomgir says:

    সম্মানিত,
    পিডি স্যার উপজেলা সম্বনয়কারীদের জন্য বরাদ্দ পাওয়া লেপটপটির জন্য স্পেসিফিকেশন দেওয়া খুব জরুরী, তানা হলে ১৫ তারিখের মধ্যে হিসাব রক্ষণ অফিসে বিল সাবমিট করা যাবে না।এবং চলতি অর্থবছরে লেপটপটি ক্রয় করা যাবেনা।

  135. alomgir says:

    চলতি অথဃ বছরে ইউআরডিওদের সম্মানী ১৫০০টাকা দেওয়া হয়। কিন্ত‍ু অনেক ইউআরডিও আছেন যারা বিভিন্ন উপজেলায় অতিরিক্ত(স্বাক্ষর) দায়িত্ব পালন করেন। অতিতে দায়িত্বে ছিল বর্তমানে নেই এমন অনেক ইউআরডিও এখন এ ভাতা নেওয়ার জন্য ফোন করেন। কিন্ত‍ু আমরা বুঝতে পারছিনা একজন ইউআরডিও কয়টি উপজেলা থেকে এ ভাতা তুলতে পারবেন? অথবা আদৌ কি কোন নিয়ম আছে কিনা? যদি থাকে দয়া করে কমান্ড করুন…………

  136. মাননীয় পিডি স্যার, প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নকে বাস্তবে রুপদানের জন্য আপনি শুরু থেকেই বলে আসছিলেন যে, একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পকে ফাউন্ডেশন দিয়ে রেখেছি। স্যারের এই অঙ্গিকারের উপর ভরসা করে আমরা এবাএখা’র শতভাগ সাফল্যে কাজ করে যাচ্ছি। আর এখন শুনছি যে ফাউন্ডেশন করা হয়নাই। স্যার, প্লিজ দরিদ্র মানুষের পাশাপাশি আমাদের ভাগ্য উন্নয়নে এবাএখা’কে রাজস্ব বাজেট ভূক্ত করার জন্য অনুরোধ জ্ঞাপন করছি।

  137. মাননীয় প্রধান মন্ত্রী, বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়নে 16 কোটি মানুষের হৃদয়ে লালিত আপনার স্বপ্নের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পকে স্থায়ী রুপদানের জন্য আপনার কাছে বিনীত অনুরোধ করছি । সেজন্য এবাএখা’র সকল কর্মকর্তা/কর্মচারীদের চাকুরী স্থায়ী রাজস্ব বাজেটভূক্ত করার জন্যে আপনার কাছে বিনীতভাবে অনুরোধ করছি।

  138. kiron sutradhar says:

    মাননীয় পিডি স্যার
    আমি কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারী বর্তমানে আমি আপনার আদেশের প্রেক্ষিতে সফলতারসাথে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা সমন্বয়কারীর দায়িত্ব পালন করতেছি। স্যারের সদয় দৃষ্টি আকর্ষন পূর্বক বিনীত নিবেদন আমি মাঠ পর্যায়ে যে সম্মানের সহিত কাজ করতেছি তার কৃতিত্ব শুধু আপনার আদেশের মাধ্যমেই সম্ভব হচ্ছে বলে আমার বিশ্বাস। তাই আপনার কাছে বিনীত প্রার্থনা আমাদের উক্ত (uco) পদে প্রমোশন সহ আমাদের বেতন গ্রেড ১১ করতে যেন আপনার সদয় মর্জি হয়।
    বিনীত
    কিরন সুত্রধর
    উপজেলা সমন্বয়কারী (ভা:প্রা:) ও কম্পিঃ অপাঃ কাম হিসাব সহকারী
    একটি বাড়ি একটি খামার
    কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার।

  139. Md. Jakir Hossain (Bgora) says:

    মাঠ সংগঠক দের ১২ গ্রেড বেতন হলে কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারী দের ১১ গ্রেড করা উচিত অনেক দিন আগে এমনটাই শুনছিলাম আমাদের ১১ গ্রেড করা হবে। আমার বিশ্বাস পিডি মহোদয় এ বিষয় নিয়ে অবশ্যই ভাববেন।

  140. Pingback: Payday Loans

  141. মাঠ সংগঠকদের গ্রেড-১২ হলে , কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারীদের গ্রেড-১১হবে এটাতো দাবির কিছু নয় কেননা কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারীগণ যোগ্যতা এবং নিয়োগে -১গ্রেড উপরে আছে।

    • alomgir says:

      আলাউদ্দিন ভাই, কম্পিউটার পাশে থাকলে একটু বেশি লিখার অভ্যাস বেড়ে যায়! তবে খারাপ না!! কিন্তু মাঠ সংগঠকের সাথে প্রতিযোগিতা কেন? সরাসরি স্যারকে বলুন আমরা পদবি পরিবতဃন চাই!!! আমরা মাঠ সংগঠক হতে চাই।তবে ভাই একটা কথা সবাইকে মনে রাখতে হবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্প এবাএখাতে কোন অযোগ্য চাকুরীজীবি নেই। তবু কেন যোগ্যতা-অযোগ্যতার প্রশ্ন? কাজের মাধ্যমে যোগ্যতার মাপকাঠি মূল্যায়ন করা হয়।মাঠে-অফিসে,রাতে-দিনে কখন মাঠ সংগঠকের কাজ নেই বলেন? বতဃমান তথင ဘᑬক্তির যোগে কেউ পিছিয়ে নেই সুতরাং মাঠ সংগঠককেরা কম্পিউটার,ইন্টারনেট বুঝেনা তা না।কম্পিউটার,ইন্টারনেট কিংবা ই-ইমেল না বুঝা এত বোকা মাঠ সংগঠক আশাকরি নেই। প্রীজ, মাঠ সংগঠক আপনাদের প্রতিযোগী নয়।এ প্রকল্পের একজন দক্ষ কমীဃ ও বটে!!!

    • alomgir says:

      আলাউদ্দিন ভাই, কম্পিউটার পাশে থাকলে একটু বেশি লিখার অভ্যাস বেড়ে যায়! তবে খারাপ না!! কিন্তু মাঠ সংগঠকের সাথে প্রতিযোগিতা কেন? সরাসরি স্যারকে বলুন আমরা পদবি পরিবতဃন চাই!!! আমরা মাঠ সংগঠক হতে চাই।তবে ভাই একটা কথা সবাইকে মনে রাখতে হবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্প এবাএখাতে কোন অযোগ্য চাকুরীজীবি নেই। তবু কেন যোগ্যতা-অযোগ্যতার প্রশ্ন? কাজের মাধ্যমে যোগ্যতার মাপকাঠি মূল্যায়ন করা হয়। মাঠে-অফিসে,রাতে-দিনে কখন মাঠ সংগঠকের কাজ নেই বলেন? বতဃমান তথင ဘᑬক্তির যোগে কেউ পিছিয়ে নেই সুতরাং মাঠ সংগঠককেরা কম্পিউটার,ইন্টারনেট বুঝেনা তা না।কম্পিউটার,ইন্টারনেট কিংবা ই-ইমেল না বুঝা এত বোকা মাঠ সংগঠক আশাকরি নেই। মাঠ সংগঠক আপনাদের প্রতিযোগী নয়।এ প্রকল্পের একজন দক্ষ কমীဃ ও বটে!!!

    • alomgir says:

      আলাউদ্দিন ভাই, কম্পিউটার পাশে থাকলে একটু বেশি লিখার অভ্যাস বেড়ে যায়! তবে খারাপ না!! কিন্তু মাঠ সংগঠকের সাথে প্রতিযোগিতা কেন? সরাসরি স্যারকে বলুন আমরা পদবি পরিবতဃন চাই!!! আমরা মাঠ সংগঠক হতে চাই।তবে ভাই একটা কথা সবাইকে মনে রাখতে হবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্প এবাএখাতে কোন অযোগ্য চাকুরীজীবি নেই। তবু কেন যোগ্যতা-অযোগ্যতার প্রশ্ন? কাজের মাধ্যমে যোগ্যতার মাপকাঠি মূল্যায়ন করা হয়। মাঠে-অফিসে,রাতে-দিনে কখন মাঠ সংগঠকের কাজ নেই বলেন? বতဃমান তথင ဘᑬক্তির যুগে কেউ পিছিয়ে নেই সুতরাং মাঠ সংগঠককেরা কম্পিউটার,ইন্টারনেট বুঝেনা তা না।কম্পিউটার,ইন্টারনেট কিংবা ই-ইমেল না বুঝা এত বোকা মাঠ সংগঠক আশাকরি নেই। মাঠ সংগঠক আপনাদের প্রতিযোগী নয়।এ প্রকল্পের একজন দক্ষ কমীဃ ও বটে!!!

      • fahim says:

        আমার মনে হয় তারা সহকর্মী তারা প্রতীযোগী হবে কেন মাঠ সংগঠকদের উন্নতি হোক অপারেটরদের ও সেই সাথে হওয়া উচিৎ

  142. দুর্বিষহ জীবন- says:

    আচ্ছা আমাদের লেখা কি কর্তৃপক্ষ অবলোকন করেন ?
    আবার যদি আমাদের কর্তৃপক্ষ অবোলোকন করেন তবে কি তারা সেটা তাদের কর্তৃপক্ষকে নিশ্চিত করান/
    যদি এভাবে চেইন অফ কমান্ড হয় তবে আমাদের অবশ্যই একটা গতি হবে—

    আসলে মহান বিধাতাই ভালো জানে, আমরা সবাই কনফিউস্ড ?

  143. Sohag says:

    মাঠ সংগঠক দের ১২ গ্রেড বেতন হলে
    কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারী দের ১১ গ্রেড করা উচিত !!

    • কি বলব আর মনের কথা, আমরা যে চাকুরী করি তা কারো কাছে বলতে পারি না। আমাদের একটা বিশ্বাস ছিল যে, এ প্রকল্প জুন/১৩ মাসের পর হয় রাজস্ব না হয় ফাউন্ডেশন হবে কিন্তু সব আশাই গুড়ে বালি। এ সরকারের পর আমাদের যে কি অবস্থা হবে তা জানা আছে। যেমনটি হয়েছিল ২০০১সাল এর পর। তাই আমি সহ আমরা সকলেই উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানাচ্ছি যে এ প্রকল্পটিকে একটি স্থায়ীরূপ দেয়া হক। তা নাহলে আমরা প্রায় কর্মরত ৪০০০ পরিবার সহ দেশের হত দারিদ্র মানষের ভবিষৎ অন্ধকার।
      এখনই সময় দেশকে দারিদ্র থেকে মুক্ত করা। দেশের মানুষকে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নেওয়া। সময়ের সদ্বব্যবহার এ সরকারকেই নিতে হবে তা নাহলে বাংগালী জাতীর কোন উন্নতি হবে না, বা অন্য কোন সরকার হতে দিবে না।
      নিজের মা যদি নিজের ছেলের খেয়াল না রাখে, অন্য কোন মা সেই ছেলের খেয়াল রাখবে বলে মনে হয় না। আমাদের এই প্রকল্পের মা হচ্ছেন জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাঁরই সৃষ্টি এই প্রকল্প ভবিষতে যেন চির অম্বলান হয়ে বাংলার মাটিতে চিরস্থায়ী হয়ে রয় এই কামনায়…………………..
      ভূলত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

    • Zahid hasan says:

      সোহাগ ভাই আমি এ বিষয়ে একমত মাঠ সংগঠকদের ১২ গ্রেড হলে আমাদের ১১ গ্রেড হয়া উচিত। আর আমি অনেক দিন আগে এমনটাই শুনছিলাম আমাদের ১১ গ্রেড করা হবে। আমার বিশ্বাস পিডি মহোদয় এ বিষয় নিয়ে অবশ্যই ভাববেন।

  144. Sohag says:

    শুনেছিলাম ফাউন্ডেশন করা আছে এখন শুনতে পাচ্ছি যে দুই বৎসর মেয়াদ বাড়ানো হচ্ছে ………।
    নিজেকে এখন পরগাছা মনে হচ্ছে । বয়স ও প্রায় শেষ হয়ে এসেছে কি করব বুঝতে পারছি না এবাএখা’র জন্য আমাদের যত শক্তি ছিল সব আমরা সব দিয়ে কাজ করেছি, কাজ করছি কাজ করেও যাব কিন্তু ভবিষ্যৎ যদি অন্ধকারে থাকে তাহলে পল্লী দের দারিদ্র কিভাবে হ্রাস করব নিজেরাই তো কিছু দিন পর তাদের থেকে দরিদ্র হয়ে যাব । এখনই সুবর্ণ সুযোগ যা করার এখনি করতে হবে । এবাএখা দারিদ্র বিমোচনের সব থেকে বড় মডেল হতে পারে যদি এটাকে একটা স্থায়ী রূপ দেয়া যায় ।

    পিডি মহোদয় ও এবাএখা’র সকলের প্রতি অনুরোধ “আমার যদি ভুল হয়ে থাকে তবে ক্ষমার দৃষ্টি তে দেখবেন”

  145. Sohag says:

    সব ক্ষেত্রেই আমরা কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারীরা অবহেলিত হচ্ছি

    • fahim says:

      sobar dristita amra kono kag kory na

      • Zahid hasan says:

        কোন কাজটা কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারী ছাড়া হয়? অফিসের ফাইল মেন্টেইন সহ নোটশীট লিখন, ক্যাশ কুব লিখন, সঞ্চয় আদায় রিপোট, ঋণ অনুমোদন আনয়ন এবং মাঠ পর্যায়ে গমন সকল ক্ষেত্রেই কাজ করতে হয়। কিন্তু দুক্ষের বিষয় আমাদের কে একটি ডি এ দেয়া হয়েছে। আমাদের পিডি স্যার যদি একদিনের রিফ্রেসার্স কোর্সের ব্যবস্থা করতেন তহলে খুবই ভাল হতো। আমরা আমাদের কথাগুলো বলতে পারতাম।

        • Sohag says:

          অফিসে তো করিই বাসাতেও করতে হয় …………।
          অনলাইন ব্যাংকিং শুরু হয়াতে এখন বাসায় রাত রাত বসে নিজের PC তে অনলাইনে কাজ করে যাচ্ছি কিন্তু দেখেন ল্যাপটপ দিয়েছে UCO দের কাজ করে যাচ্ছি আমরা । যারা অনলাইনের আওতায় এসেছেন তারা ভাল করেই জানেন কি কি করতে হয় .. লক্ষ লক্ষ টাকার এন্ট্রি দিতে হয় ……… তার আগে আবার তা বিবরণ সহ hard কপি করতে হয় । আগে তো ম্যানুয়ালই লোণ সেনশন করতে হতো এখন তার সাথে সাথে অনলাইনেও করতে হয় …………। সব করি আমরা আর ট্রেনিং যাচ্ছে UCO রা । পিডি মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন করছি আমাদের প্রতি সু নজর দেবার জন্য । আমি এও জানি স্যার এর নিকট আমদের আবেদন পৌঁছালে সে আমাদের জন্য নিশ্চয়ই কিছু একটা করবেন ।

          • JAN says:

            Dear Mr.Shohag this is not ur personal site.So honor ur senior.UCO is senior than u.So honor this chair…….don’t mind.this is official rule.

          • Sohag says:

            @JAN
            ডিয়ার ইউসিও
            আপনারা উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তাদের RDO বললে দোষ নেই । আপনারা আপনাদের সিনিয়র দের Open এ RDO বলছেন এই Blog এ, আপনিই বলুন আপনি আপনার সিনিয়র কে কি এবং কিভাবে Honer করলেন । আসলে আপনাদের কাছ থেকেই আমাদের শিক্ষা, আপনারা যা শিখাবেন আমরা তাই শিখবো ।
            আপনার কথাটাই রিপিট করছি ………
            Don’t mind, this is official rule.

      • Sohag says:

        যারা এমন টা বলছেন তারা নিজেরা ভালো করেই জানে যে আমরা কি পরিমান কাজ করি …………… কিন্তু মুখে কোন দিনও স্বীকার করবে না হয়তো বা । আপনি আপনার কাজ করে যান এর ফল নিশ্চয়ই আপনি একদিন পাবেন ।

        • mustafiz,kalignj,jhenaidah. says:

          কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারী,রা প্রকল্পের শুরু থেকেই অবহেলিত,
          প্রকল্পের শুরুতে উপজেলা সমন্বয়কারীরা বেতন গ্রেড ছিল ১১ এবং ৩য় শ্রেনীর , কিন্তু পরে তাদের ২য় শ্রেনীতে উন্নয়ন করা হয়, আবার এখন জানতে পারছি মাঠ সংগঠকদের ১২ গ্রেডে উন্নয়ন করা হচ্ছে। তাহলে কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারীরা কি অন্যায় করল যে তাদের যেখানে ছিল ঠিক সেখানেই রাখা হচ্ছে, আগেও ছিল ১৩ গ্রেড এখন ১৩,
          কিন্তু কাজেই বেলাই কি UCO ও fo দের থেকে কম করে ???
          UCO ও fo রা মাঠে কাজ করে আর কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারীরা অফিসে কাজ করে , কখন বা মাঠেও কাজ করতে হয়।
          কিন্তু সবসময় তাদের কে সঠিক মূল্যায়ন করা হয় না।
          একটি প্রতিষ্ঠানে সকলের জন্য সমান সুযোগ সুবিধা দেওয়ার জন্য
          পিডি মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন করছি।

          • Sohag says:

            আমি আপনার সাথে একমত পোষন করছি

          • fahim says:

            শ্রদ্ধেয় পিডি মহোদয় আপনার কাছে বিনীত নিবেদন বিষয় টি দেখে আমাদেরকে সুযোগ করে দিবেন।

    • fahim says:

      mago dar sobsomy dur vagoy hoy

    • mustafiz,kalignj,jhenaidah. says:

      কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারী’রা কেন তাদের দাবি জানাতে পারচ্ছে না। যে কোন সমস্যার জন্য সকলকে একতাবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। যে সকল কম্পিঃ অফঃ কাম হিঃ সঃ রা পিডি স্যারের কাছাকছি আছেন তারা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করলে ভাল হয়।

      দাবি জানাতে হবে সকলে মিলে। এজন্য কাউকে এগিয়ে আসতে হবে।

    • Zahid hasan says:

      সোহাগ ভাই অনেক দিন পরে ব্লগে আসলে তুমি, । তোমার উপজেলাতে কেমন আমি জানিনা । টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় প্রত্যেকটা কাজেই সি এ কে প্রয়োজন হয়। ইউ সি এবং সি এ দুজনে মিলেই কাজ করতে হয়। আমাদের টাঙ্গাইল সদর উপজেলাতে চার জনের যে সেটাপ খুবই সুন্দর । প্রত্যেকের কাজকেই সবাই মুল্যায়ন করে থাকে।
      যার ফলে ২৭/০৫/২০১৩ ইং পর্যন্ত আমাদের সঞ্চয় আদায় ৯১.৮৮ লক্ষ টাকা সম্ভব হয়েছে। ঋণ দেয়া হয়েছে ২০১.৭০ লক্ষ টাকা। শুরু থেকে আমরা দায়িত্বের সাথে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের উপজেলা নির্বাহী মহোদয় খুবই আন্তরিক যার ফলে এতো টাকা ঋণ দেয়া সম্ভব হয়েছে। আমরা মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর স্বপ্ন একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশকে ২০১৫ সালের মধ্যে একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিনত করতে পারবো ইনশআল্লাহ। তার জন্য চাই আমাদের একটা স্থায়ীত্ব। আমাদের পিডি মহোদয় খুবই আন্তরিক তিনি অবশ্যই আমাদের জন্য একটা কিছু করবেন।

      • Sohag says:

        শুনে খুশি হলাম জাহিদ ভাই ……………।।
        আপনার কাজের মূল্যায়ন আপনি পান । তবে সব ক্ষেত্রে সব উপজেলায় এক রকম হয় না ………………… আমরা অনেকেই অবহেলিত হয়ত বা ৯৯.৯৯ % উপজেলাতেই । শুনলাম মাঠ সংগঠক দের বেতন স্কেল বৃদ্ধি হচ্ছে এতে কি আমাদের অবমূল্যায়ন করা হচ্ছে না ……………।।একটু ভেবে দেখুন ।

        • শুনে খুশি হলাম জাহিদ ভাই ……………।।
          আপনার কাজের মূল্যায়ন আপনি পান । তবে সব ক্ষেত্রে সব উপজেলায় এক রকম হয় না ………………… আমরা অনেকেই অবহেলিত হয়ত বা ৯৯.৯৯ % উপজেলাতেই । শুনলাম মাঠ সংগঠক দের বেতন স্কেল বৃদ্ধি হচ্ছে এতে কি আমাদের অবমূল্যায়ন করা হচ্ছে না ……………।।একটু ভেবে দেখুন ।

    • alomgir says:

      ভাই আপনি সতင বলেছেন। তবে এই চিন্তা করে বসে থাকলে কি চলবে? জুন মাসের খবর জানেন কি?

      • Sohag says:

        Dear, আলমগীর ভাই

        কি খবর জুন মাসের !! একটু বলবেন কি ??

        • Zahid hasan says:

          কাজ করে জান । কাজের মূল্যায়ন অবশ্যই পাবেন।

          • Sohag says:

            জাহিদ ভাই আমাদের কাজ করতে কোন সমস্যা নেই আমরা কাজ করি না তো কে করে । তবে আমাদের ভবিষ্যৎ টা কি যদি একটু বলতেন । মাঠ সংগঠকদের বেতন বৃদ্ধি হচ্ছে আমারা কি দোষ টা করলাম ।

    • fahim says:

      আমাদের কথা শোনার কেও নেই

  146. uco says:

    রতন ভাই আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।অতন্ত্য চমৎকার ওযুক্তিসংগত কবিতা আপনি লিখেছন।এটাই আসলে খামারের ভবিষ্যতbrdbর লোকবল ই যথেষ্ট গরু,ছাগল,সাপ,শেয়ালের প্রয়োজন হবেনা।rdoরা তো বলেই এখানে যত প্রকল্প আসে আর যায় মেয়াদ শেষে জনবলও যায় কিন্তু বরাদ্দকৃত মালামাল brdbতে থেকে যায়।তারা তো খাওয়া দাওয়া ছেড়ে দিয়ে শুধু একটাই ভাবে কবে প্রধান মন্ত্রী ক্ষমতা ছাড়বে,পিডি স্যার কবে সরবেন,প্রকল্প কবে তাদের হবে।পিডি স্যার,মোটর সাইকেল ব্যবহারের জন্য নতুন করে গতকাল যে চিঠি দিয়ছেন তাতে আমাদের মত অবিবাহিত মহিলা uco দের অনেক সমস্যা নতুন করে তৈরি হবে।স্যার বিষয়টি একটু ভেবে দেখবেন প্লিজ।

  147. Iqbal hoq says:

    পিডি স্যার আমাদের জন্য কিছু করে থাকলে তম্ময় ভাই আমাদের জানাবেন বলে আশাবাদ ব্যাক্ত করিতেছি । মহাসেনের প্রভাবে যারা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন তাদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা রইল আশা করি খুব দ্রুতই তারা পুর্বের অবস্থায় ফিরে আসবে এবং তারা মানসিক ভাবে চাঙ্গা হয়ে উঠবে। ইকবাল

  148. প্রদীপ হাওলাদার says:

    সংশ্লিষ্ট কর্তপক্ষের প্রতি বিনীত আবেদন,
    ঘূর্নিঝর মহাসেন এর তান্ডবে পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলায় এবাএখা প্রকল্পের সদস্যদের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে । এদের জন্য স্থানীয় সরকার অথবা অন্য কোন উপায়ে তালিকাভূক্ত করে সামর্থ অনুযায়ী কিছু ত্রানের ব্যবস্থা করলে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলো কিছুটা হলেও উপকৃত হবে।

    UCO, Galachipa, Patuakhali.

    • JAN says:

      2 years ext. hobe etei sotti ghotona……….kono bank hobe nah.
      PD sir amader je asa deyecilen se asay gure bali…………@sad…

      • রতন says:

        স্যার যে বলতেন ফাউন্ডেশন পাশ করানো আছে। সেটা কি?

        • JAN says:

          Seta gure bali……..
          Ota chilo miche asa re bhaiya…………….
          Tapan Chowdhury er ekta song asay na…
          “Alo vebe jake ami jibone jorate chai , seto alo noi jeno aleya………….”

  149. Sajida Parvin Mukta says:

    শ্রদ্ধেয় প্রকল্প পরিচালক স্যার,
    জানিনা আমার লেখাটি আপনি পড়বেন কিনা। তবে আমি আশা করব আপনি আমার লেথাটি পড়বেন। আমরা কর্মী হিসাবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন জননেত্রী প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে পূরণ করবার সৌভাগ্য অর্জন করেছি এজন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আমরা মাঠ পর্যায়ে কাজ করছি । নানা প্রতিকূলতার মধ্যে আমাদের অর্জন গত অর্থবছরে ১০০% আর ২০১২-১৩ অর্থবছরেও ১০০% হবে সেই মোতাবেক কাজ করে চলেছি । স্যার আমাদের সরকার বর্তমানে ঘোষণা দিয়েছেন মাতৃত্ব কালীন ছুটি বেতন সহ ৬ মাস । কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় আমরা একটি বাড়ি একটি খামারের সৈনিক হয়েও এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। শুধু মাতৃত্ব কালীন ছুটিই নয় যেকোন কারণে ছুটি নিলে আপনি বিনা বেতনে ছুটি প্রদান করছেন। আমরা নিজেরা কর্মী হিসাবে দারিদ্র্য বিমোচনে আত্ন-মানবতার সেবায় নিয়োজিত আছি অথচ বিনা বেতনে মাতৃত্ব কালীন ছুটিতে গেলে নিজেই মানবেতর জীবন যাপন করতে হবে?

    মাতৃত্ব কালীন ছুটি যদি বিনা বেতনে হয় তাহলে মা কিভাবে “চাকুরিজীবি মা” হলো? আপনি যানেন আমরা যারা চাকুরীতে আছি তারা অবশ্যই আর্থিক অবস্থার কারনেই এসেছি, তারপরই দেশ সেবা করছি । তাছাড়া মাতৃত্ব কালীন অবস্থায় পরিবারে বেশি খরচ হয় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা , ঔষধ , খাবার ইত্যাদির কারনে । তাহলে বিনা বেতনে যদি ৬ মাস ছুটিতে থাকি কিভাবে খরচ চালাবে এ পরিবার?

    মহোদয়ের নিকট আকুল প্রার্থনা , মাতৃত্ব কালীন ছুটি সহ সকল প্রকার ছুটি সরকারী বিধি-বিধান মোতাবেক সুযোগ পেতে পারি তার সদয় অনুমতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে আপনার একান্ত মর্জি কামনা করছি।

    সাজিদা পারভীন
    কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারী
    এবাএখা প্রকল্প
    যশোর সদর, যশোর।

  150. fahim says:

    ভাই আমাদের চাকরী থাকবে তো কেউ কিছু জানলে জানাবেন দয়াকরে।

    • Zahid hasan says:

      ২০১১-১২ অর্থ বছরের নয় ২০১২-১৩ অর্থ বছরের লক্ষ মাত্রা আমরা প্রায় সকলেই অর্জন করতে সক্ষম হব ইনসআল্লাহ।

  151. Ai ongsho tuku copy kore MS word a nea porben.

    Ryb/2013wLªt Gi c‡i
    cišÍ weKvj †ejv, Avgiv KRb DošÍ cvwL
    Lvgv‡ii Wv‡K Avgiv mevB Qz‡U Avwm|
    wb‡Ri ¯^v‡_©i K_v bv †f‡e, wPšÍv Kwi nZ `wi`ª gvby‡li K_v|
    wK K‡i Kie Rq, `ªwi`ª gvby‡li †c‡Ui R¡vjv|

    GLb
    AvKvk Kv‡`u, evZvm Kv‡`u
    Kv‡`u Lvgv‡ii Rbej,
    Ryb/2013wLªt Gi c‡i
    Lvgv‡i, _vK‡e wK †Kvb Rbej?

    cÖavbgš¿x †kL nvwmbv w`qv‡Q Mv‡Q Pviv
    ‡L‡Z fvwi wgwó dj|
    Lv‡j`v wRqvi e¨vK †e½j G‡m,
    Lv‡e, Ryb/2013wLªt Gi c‡i Mv‡Qi wK wgwó dj?
    nvmu-gyiMx †be‡K‡o, wkqvj †i‡LwQ ‡e‡au
    Qvoe Ryb/2013wLªt Gi c‡i| (LvtwRt)
    w`e bv †Kvb wWg, mvc †i‡LwQ M‡Z©
    Qvoe Ryb/2013wLªt Gi c‡i (LvtwRt)
    wU‡bi K_v bvB ev ejvg,
    Avi Miæ! gvbœZ K‡iwQ, gvsm e„w× n‡j,
    Lve `vuZ wLwP‡q, ‡Zviv _vKwe ZvwK‡q
    ‡`Lwe nvu K‡i, GKwU evwo GKwU Lvgv‡ii Rbej \

    • রতন says:

      ভাই ইউনিকোডে লিখলে সবাই বোঝবে>> আমি convert করে দিলাম
      জুন/২০১৩খ্রিঃ এর পরে
      পরন্ত বিকাল বেলা, আমরা কজন উড়ন্ত পাখি
      খামারের ডাকে আমরা সবাই ছুটে আসি।
      নিজের স্বার্থের কথা না ভেবে, চিন্তা করি হত দরিদ্র মানুষের কথা।
      কি করে করব জয়, দ্ররিদ্র মানুষের পেটের জ্বালা।

      এখন
      আকাশ কাদেঁ, বাতাস কাদেঁ
      কাদেঁ খামারের জনবল,
      জুন/২০১৩খ্রিঃ এর পরে
      খামারে, থাকবে কি কোন জনবল?

      প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিয়াছে গাছে চারা
      খেতে ভারি মিষ্টি ফল।
      খালেদা জিয়ার ব্যাক বেঙ্গল এসে,
      খাবে, জুন/২০১৩খ্রিঃ এর পরে গাছের কি মিষ্টি ফল?
      হাসঁ-মুরগী নেবকেড়ে, শিয়াল রেখেছি বেধেঁ
      ছাড়ব জুন/২০১৩খ্রিঃ এর পরে। (খাঃজিঃ)
      দিব না কোন ডিম, সাপ রেখেছি গর্তে
      ছাড়ব জুন/২০১৩খ্রিঃ এর পরে (খাঃজিঃ)
      টিনের কথা নাই বা বলাম,
      আর গরু! মান্নত করেছি, মাংস বৃদ্ধি হলে,
      খাব দাঁত খিচিয়ে, তোরা থাকবি তাকিয়ে
      দেখবি হাঁ করে, একটি বাড়ি একটি খামারের জনবল ॥

      • আরিফ,মাগুরা says:

        চাকুরীজীবী মা হিসাবে আপনার দাবিটি যুক্তি সংগত । কিন্ত এখানে পিডি মহোদয় নয় সরকারের সিদ্ধান্ত ও প্রশাসনিক আইন সংশোধনের বিষয় জরিত।

  152. goutim sen says:

    মহাসেন আসছে, আমাদের জন্য দোয়া করবেন।
    আমার মনে হয় আমরা একটা বিশাল স্বপ্নের দিকে এগুচ্ছে।

  153. Iqbal hoq says:

    আমরা আমাদের কাজ গুলো করে যাচ্ছি । পিডি স্যার আন্তরিকতার সাথে বিবেচনা করবেন বলে আমরা সর্বদাই আশাবাদী । আশা করি আমাদের কাজের যথাযথ মূল্যায়ন করবেন এবং আমাদেরকে একটা সুন্দর জীবন যাপন করার সুযোগ তৈরী করে দেবেন। মাননীয় পিডি স্যার চেষ্টা করুন আমরা আপনার পথের সহযাত্রী আপনার দিকে তাকিয়েই আমাদের ভবিষৎ।
    তম্ময় ভাই আপনাকে ধন্যবাদ । আপনি পিডি স্যারের দিকে খেয়াল রাখবেন আশা করি আপনার মাধ্যমে পিডি স্যার আমাদের খেয়াল রাখবেন।

    • jereen says:

      আমরা আমাদের কাজ গুলো করে যাচ্ছি । পিডি স্যার আন্তরিকতার সাথে বিবেচনা করবেন বলে আমরা সর্বদাই আশাবাদী । আশা করি আমাদের কাজের যথাযথ মূল্যায়ন করবেন এবং আমাদেরকে একটা সুন্দর জীবন যাপন করার সুযোগ তৈরী করে দেবেন। মাননীয় পিডি স্যার চেষ্টা করুন আমরা আপনার পথের সহযাত্রী আপনার দিকে তাকিয়েই আমাদের ভবিষৎ।
      তম্ময় ভাই আপনাকে ধন্যবাদ । আপনি পিডি স্যারের দিকে খেয়াল রাখবেন আশা করি আপনার মাধ্যমে পিডি স্যার আমাদের খেয়াল রাখবেন।
      ফিরে পেয়েছে নতুন আলো
      শুরু হল আবার নতুন জীবন।

  154. খুব সুন্দর একটি প্রজেক্ট।

  155. sarup says:

    জয় বাংলা, বঙ্গবন্ধুর দেশে
    সোনার বাংলায় জেগে ওঠেছে
    লক্ষ শহীদের স্বপ্ন এবার
    বাংলাদেশ দেশটি সবার
    স্বাধীনতা বিরোধী ,দেশ বিরোধী
    দূসর হানাদার মুক্ত হবার।
    ৭ কোটি জনতার, বঙ্গবন্ধুর দেশে
    ইতিহাসটা মুছে গেল ৭৫’এর শেষে!
    তোমার বাংলা, আমার বাংলা,
    জয় বাংলা, জয় বাংলা,
    বাংলাদেশের নিশানা!
    দিনের পরে বছর গেল, বছর শেষে যুগ
    নিমিষেই ভুলিয়ে দিল জয় বাংলার মুখ।
    ১৬কোটি জনতার ছিলনা আর সুখ।
    শস্য শ্যামল সবুজ বাংলা,
    সোনার বাংলা,রুপসী বাংলা
    পাটের দেশ,নদী মাতৃকদেশ
    কতই না তাহার উপমা!
    বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের দেশ,বাংলাদেশ তাঁর সূচনা।
    ৭৫’এর শেষে শোষন আর বঞ্চনা
    বাংলাদেশের পরিণয় হল দারিদ্রতার ঠিকানা।
    নব উদ্যমে, নব উত্থানে জাগল বাংলাদেশ
    দারিদ্র নিমূর্ল হবে মানুষে মানুষে রবেনা ভেদাভেদ।
    আলোকিত হল বাংলার জনপদ
    আলোকিত হল ক্ষুধা,দারিদ্র,নির্যাতিত,শোষিত মানুষের মন।
    ফিরে পেয়েছে নতুন আলো
    শুরু হল আবার নতুন জীবন।
    দারিদ্রতা হার মেনেছে
    চির নির্মূল হবে ক্ষুধা তার
    স্থায়ী হলে এবার-
    একটি বাড়ি একটি খামার।
    দারিদ্রমুক্ত ডিজিটাল বাংলাদেশ
    এটাই হবে স্বপ্ন সবার।

    • shopon says:

      মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর
      স্বপ্নপ্রসূত দারিদ্র বিমোচনের এ মহত প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা অনলাইন ব্যাংকে গ্রাম
      পর্যায়ে নিয়ে যেতে সক্ষম হবো ইনশাল্লাহ।

    • shopon says:

      আমাদেরও দাবি একটি বাড়ি একটি খামারকে স্থায়ী রূপ দিতে হবে

      • shopon says:

        স্থায়ী হলে এবার-
        একটি বাড়ি একটি খামার।
        দারিদ্রমুক্ত ডিজিটাল বাংলাদেশ
        এটাই হবে স্বপ্ন সবার।

  156. goutim sen says:

    আবার হতাশা, কি হয় এখন দেখার বিষয়!!!
    আগামী কাল স্থগিত করা হয়েছে কর্মশালা

    • মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর
      স্বপ্নপ্রসূত দারিদ্র বিমোচনের এ মহত প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা অনলাইন ব্যাংকে গ্রাম
      পর্যায়ে নিয়ে যেতে সক্ষম হবো ইনশাল্লাহ।

    • shopon says:

      আগামী কাল খোলেছে দোয়ার স্বপ্ন সবার
      একটি বাড়ি একটি খামার’
      দারিদ্রতা থাকবেনা আর
      স্বপ্ন গড়ার হাতিয়ার
      একটি বাড়ি একটি খামার।

  157. মোঃ আলমগীর হোসেন says:

    গোলটেবিল বৈঠক
    একটি বাড়ি একটি খামারকে স্থায়ী রূপ দিতে হবে
    নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ১২-০৫-২০১৩
    প্রথম আলোর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত গোলটেবিল বৈঠকে আলোচকেরা নিমোক্ত আলোচনা করেন। যাহা নিম্মরুপ

    দারিদ্র্য বিমোচন ও উন্নয়নে ‘একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ত্রুটি-বিচ্যুতি সারিয়ে একে স্থায়ী রূপ দিতে হবে। একটি জাতীয় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে প্রকল্পের অর্জনকে জাতীয় উন্নয়নে কাজে লাগাতে হবে। গতকাল শনিবার প্রথম আলো আয়োজিত ‘একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প: সাফল্য, সমস্যা ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেন।
    একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের সহযোগিতায় প্রথম আলো কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে অর্থনীতিবিদ, স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ও প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বক্তব্য দেন। তাঁরা প্রকল্পটিকে টেকসই করতে একে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবমুক্ত হয়ে পরিচালনার ওপর জোর দেন। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার পরামর্শ দিয়ে তাঁরা বলেন, সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে প্রকল্পটি যাতে বন্ধ না হয়, সেদিকে নজর দিতে হবে।
    পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) চেয়ারম্যান কাজী খলীকুজ্জমান আহমেদ বলেন, একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পকে শুধু দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য কাজ করলে হবে না, জাতীয় লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য কাজ করতে হবে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নের মতো বিষয়গুলোকে এর অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। আর প্রকল্পের মাধ্যমে যদি উৎপাদনশীলতা বাড়ানো না যায়, তাহলে তা টেকসই হবে না।
    খলীকুজ্জমান বলেন, এর আগে দেশে অনেক সুন্দর সুন্দর প্রকল্প হয়েছে। কিন্তু তা বিদেশিদের ধ্যান-ধারণা থেকে তৈরি হওয়ায় টেকেনি। তবে একটি বাড়ি একটি খামার সম্পূর্ণ দেশি চিন্তা ও প্রয়োজনে তৈরি। এর মেয়াদ ২০১৫ সালের জুনে শেষ হয়ে যাবে। এর অর্জনগুলোকে ধরে রাখতে হলে একে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে।
    স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ তোফায়েল আহমেদ প্রকল্পের কিছু সীমাবদ্ধতার দিকে আলোকপাত করে বলেন, এই প্রকল্পের মধ্যেও কিছু ভুলত্রুটি রয়েছে। তবে এটি কি সামাজিক নিরাপত্তা, না উন্নয়ন প্রকল্প, তা আগে ঠিক করতে হবে। প্রকল্পটিকে স্থায়ী করতে সমবায় প্রতিষ্ঠান হিসেবে একে গড়ে তুলতে হবে এবং এদের সহায়তার জন্য সমবায় ব্যাংক স্থাপন করতে হবে।
    পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব মিহির কান্তি মজুমদার একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, ক্ষুদ্রঋণের কিস্তি প্রতি সপ্তাহে শোধ করতে হয়। এতে ওই ঋণ মুদি দোকানসহ অন্যান্য কাজে বেশি যায়। কৃষিতে তা বিনিয়োগ হয় না। তাই একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের মাধ্যমে মাসিক কিস্তির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যাতে তা কৃষি খাতে বিনিয়োগ হতে পারে। এই প্রকল্পের আওতায় গ্রামের মানুষ ঋণ পায় এবং নিজেরাও সঞ্চয় করে। এতে গত দেড় বছরে তাঁদের পুঁজির পরিমাণ ৯০০ কোটি টাকা হয়েছে।
    রূপালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান আহমেদ আল কবীর বলেন, সরকারি ব্যাংকগুলো দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে তাদের কার্যক্রম বিস্তৃত করেছে। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর দেশের ৫০ শতাংশ সরকারি ব্যাংকের শাখাকে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। ফলে সরকার চাইলে এখন তারা একটি বাড়ি একটি খামার ধরনের প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হতে পারবে।
    একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের পরিচালক প্রশান্ত কুমার রায় বলেন, এক হাজার ৪৯২ কোটি টাকার এই প্রকল্পের মূল দর্শন জীবিকায়নের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন। দেশের প্রতিটি গ্রাম থেকে ৬০টি দরিদ্র পরিবার বাছাই করে গ্রাম উন্নয়ন সমিতি গঠন করা হয়েছে। এই দরিদ্র পরিবারগুলোকে সঞ্চয়মুখী করতে তাদের নিজস্ব সঞ্চয়ের বিপরীতে মাসে ২০০ টাকা করে সরকারি অনুদান পাচ্ছে। এখন পর্যন্ত তৈরি হওয়া ৯০০ কোটি টাকার মধ্যে ৬০০ কোটি টাকা সমিতির সদস্যরা ঋণ নিয়ে মৎস্য চাষ, মুরগির খামার, পশুপালনসহ নানা উদ্যোগ নিচ্ছে। প্রকল্পের মূল ছয়টি উদ্দেশ্যের সব কটি প্রায় শতভাগ সফল হয়েছে।
    সাবেক সচিব সমর চন্দ্র পাল প্রকল্পের সাফল্যকে আরও বেশি প্রচারের পরামর্শ দিয়ে বলেন, নারীর ক্ষমতায়নের জন্য এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
    ঢাকার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন বলেন, এই প্রকল্পের সমিতিগুলোর মাসিক বৈঠকে মাদকবিরোধীসহ নানা সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টির কাজও হয়। সিরডাপের বিশেষ কর্মকর্তা মুজিবর রহমান বলেন, প্রকল্পের আওতায় যে পরিবারগুলো রয়েছে, তাদের মধ্য থেকে হতদরিদ্র তরুণদের বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করলে দ্রুত দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব।
    মানিকগঞ্জ উপজেলা সদরের শাকরাইল গ্রাম উন্নয়ন সমিতির সদস্য পারুল বেগম ও কেরানীগঞ্জ বেহারা গ্রাম উন্নয়ন সমিতির সদস্য জোসনা বেগম জানান, তাঁরা সমিতির সদস্য হয়ে লাভবান হচ্ছেন। তাঁদের দারিদ্র্য বিমোচন হচ্ছে।
    নওগাঁর সাবেক জেলা প্রশাসক নাজমুনারা খানুম বলেন, প্রকল্পের যে সমস্যাগুলো ছিল, তা ধীরে ধীরে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছে।
    কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মোহাম্মদ ফকরুল বলেন, সারা দেশে যে বাজারগুলো রয়েছে, তাতে একটি বাড়ি একটি খাবার প্রকল্পের সমিতির সদস্যদের জন্য একটি দোকান থাকা উচিত। এতে তাঁদের উৎপাদিত পণ্য সহজে বাজারজাত করা যাবে। পাবনার ভাঙ্গুরা উপজেলার চেয়ারম্যান বাকী বিল্লাহ বলেন, যেসব জনপ্রতিনিধি ও সমিতির দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা রয়েছেন, তাঁদের জন্য প্রণোদনা থাকা জরুরি। তাহলে অন্যরা এ ধরনের দায়িত্ব পালনে উৎসাহিত হবেন।
    ব্যাংক এশিয়ার ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট কাজী মরতুজা আলী বলেন, এই প্রকল্পে তাঁরা মোবাইল ব্যাংকিং-সুবিধা দিচ্ছেন। এর মাধ্যমে গ্রামের সাধারণ মানুষ তাদের ব্যাংক হিসাব এসএমএসের মাধ্যমে জানতে পারে। এ জন্য তাদের কোনো মাশুল গুনতে হয় না।
    প্রথম আলোর সহযোগী সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম বলেন, এই প্রকল্পের সফলতা ধরে রেখে একে টেকসই করতে হলে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সঙ্গে নিজ গতিতে চলতে দিতে হবে। রাজনৈতিকভাবে প্রভাবমুক্ত হয়ে পরিচালিত হলে তা দেশের উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে আরও বেশি ভূমিকা রাখতে পারবে।

    আমাদেরও দাবি একটি বাড়ি একটি খামারকে স্থায়ী রূপ দিতে হবে।এর সাখে আমরা এবটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের জোর দাবি সময় থাকতে আমাদেরকে স্থায়ী রুপ দেওয়ার জন্যে বিনীতভাবে মিনতি জ্ঞাপন করছি।

  158. মোঃ আলমগীর হোসেন says:

    আমাদের সম্মানিত পিডি মহোদয় এর অকান্ত পরিশ্রমের কারনে আজ “প্রথম আলো” পত্রিকায় মাধ্যামে জোর দাবি জানানো হয় যে, প্রাতিস্ঠানিক রুপ দেওয়ার জন্যে। আজকে আামাদের প্রকল্প সম্পর্কে ইতিবাচক ধারনা সবার মাঝে জম্মিলো। সেইজেন্য আমরা সবাই এমন ভাবে কাজ করতে হবে ২০১২-২০১৩ অর্থবছরে যেন শতভাগ সঞ্চয় অর্জন করিতে পারি।

  159. sufia says:

    uno sir ট্যাগ অফিসারদের সম্মানীর আশ্বাস দিয়েছিলেন। দূভাগ্য uno sir আমর উপজেলা থেকে চলেগেছেন।তাই বতমান বরাদ্দে ট্যাগ অফিসারদের জন্য বরাদ্দ রাখা প্রয়োজন।নাহলে তাদের কাছ থেকে প্রয়েোজনীয় সহযোগীত পাওয়া যাবে না।ল্যাপটপের স্পেসেপিকেশন দ্রুত দেওয়া প্রয়োজন মোবাইল ব্যাংকিং এর কাজের সুবিধার জন্য।pd sir,দীপক sir,সরোয়ারsir কে ধন্যবাদ দূযোগ ভাতা ভোলা সদর উপজেলায় প্রদানের জন্য।

  160. sufia says:

    ট্যাগ অফিসারদের সম্মানী বরাদ্দ রাখা হয়নি। uno স্যার সবসময় তাদের খাটায় এমন কি তাদের ক্রাশ প্রোগ্রাম করে দেন।কিছু দিন আগে একজন ট্যাগ অফিসার কে unoস্যার বলেছিলেন আপনি আমার বারান্দায় আসবেননা এবএখা প্রকল্পে প্রয়োজনীয় সহযোগিত না করলে।মাঠ পযায়ে তাদের সহযোগিতা আমাদের প্রয়োজন।

  161. sarup says:

    যদি সঞ্চয় কর দুই’শ সরকার দিবে আরো দুই’শ
    মাসে মূলধন হবে তোমার চার’শ!
    বার মাসে বছর হলে-
    একটি কথা সবাই বলে
    হবে পুঁজি সাত হাজার পাঁচ’শ তোমার!
    দারিদ্রতা থাকবেনা আর
    স্বপ্ন গড়ার হাতিয়ার
    একটি বাড়ি একটি খামার।

    • sanjoy roy says:

      আমরা সবাই কেমন চাকরী করি যে, আত্নীয় স্বজনের নিকট বলতে পারি না। তাদের বললে বলে ২ বছরের চাকরী, এমন কি বিআরডিবি এর লোকেরা বলে অন্য কোথাও চেষ্টা করছেন তো ? আমাদের দেশের কল্যাণে গোপনে কাজ করতে হয়। অনেক সদস্য আছে তারা সঞ্চয় জমা দিতে চাই না বলে সরকার পরিবর্তন হলে প্রকল্প থাকবে না । বাস্তব কথা আমরাই জানি না এই রাজনৈতিক প্রকল্প সরকার পরিবর্তন হলে রাখবে কিনা ? আমার মত যাদের কয় টাকা আয়ে সংসার চলে তাদের অবস্থা কি হবে ? যে কোন চাকরী তে ২বছর মেয়াদ উত্তীর্ন হলে পদ স্থায়ী হয় কিন্তু আমাদের কি হবে ? তাই আমরা যারা এই প্রকল্পের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছি তাদের পরিবারের কথা ভেবে এ টি কে পাইলট প্রকল্প না ভেবে স্থায়ী রূপ দেওয়া উচিৎ। প্রকল্পের কিছু হলে আমাদের সলিল সমাধি হবে !!!!!!!!!!

      • ABU TALEB KHAN says:

        গোলটেবিল বৈঠক
        একটি বাড়ি একটি খামারকে স্থায়ী রূপ দিতে হবে
        নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ১২-০৫-২০১৩
        প্রথম আলোর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত গোলটেবিল বৈঠকে আলোচকেরা

        ছবি: প্রথম আলো
        দারিদ্র্য বিমোচন ও উন্নয়নে ‘একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ত্রুটি-বিচ্যুতি সারিয়ে একে স্থায়ী রূপ দিতে হবে। একটি জাতীয় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে প্রকল্পের অর্জনকে জাতীয় উন্নয়নে কাজে লাগাতে হবে। গতকাল শনিবার প্রথম আলো আয়োজিত ‘একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প: সাফল্য, সমস্যা ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেন।
        একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের সহযোগিতায় প্রথম আলো কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে অর্থনীতিবিদ, স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ও প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বক্তব্য দেন। তাঁরা প্রকল্পটিকে টেকসই করতে একে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবমুক্ত হয়ে পরিচালনার ওপর জোর দেন। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার পরামর্শ দিয়ে তাঁরা বলেন, সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে প্রকল্পটি যাতে বন্ধ না হয়, সেদিকে নজর দিতে হবে।
        পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) চেয়ারম্যান কাজী খলীকুজ্জমান আহমেদ বলেন, একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পকে শুধু দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য কাজ করলে হবে না, জাতীয় লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য কাজ করতে হবে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নের মতো বিষয়গুলোকে এর অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। আর প্রকল্পের মাধ্যমে যদি উৎপাদনশীলতা বাড়ানো না যায়, তাহলে তা টেকসই হবে না।
        খলীকুজ্জমান বলেন, এর আগে দেশে অনেক সুন্দর সুন্দর প্রকল্প হয়েছে। কিন্তু তা বিদেশিদের ধ্যান-ধারণা থেকে তৈরি হওয়ায় টেকেনি। তবে একটি বাড়ি একটি খামার সম্পূর্ণ দেশি চিন্তা ও প্রয়োজনে তৈরি। এর মেয়াদ ২০১৫ সালের জুনে শেষ হয়ে যাবে। এর অর্জনগুলোকে ধরে রাখতে হলে একে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে।
        স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ তোফায়েল আহমেদ প্রকল্পের কিছু সীমাবদ্ধতার দিকে আলোকপাত করে বলেন, এই প্রকল্পের মধ্যেও কিছু ভুলত্রুটি রয়েছে। তবে এটি কি সামাজিক নিরাপত্তা, না উন্নয়ন প্রকল্প, তা আগে ঠিক করতে হবে। প্রকল্পটিকে স্থায়ী করতে সমবায় প্রতিষ্ঠান হিসেবে একে গড়ে তুলতে হবে এবং এদের সহায়তার জন্য সমবায় ব্যাংক স্থাপন করতে হবে।
        পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব মিহির কান্তি মজুমদার একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, ক্ষুদ্রঋণের কিস্তি প্রতি সপ্তাহে শোধ করতে হয়। এতে ওই ঋণ মুদি দোকানসহ অন্যান্য কাজে বেশি যায়। কৃষিতে তা বিনিয়োগ হয় না। তাই একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের মাধ্যমে মাসিক কিস্তির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যাতে তা কৃষি খাতে বিনিয়োগ হতে পারে। এই প্রকল্পের আওতায় গ্রামের মানুষ ঋণ পায় এবং নিজেরাও সঞ্চয় করে। এতে গত দেড় বছরে তাঁদের পুঁজির পরিমাণ ৯০০ কোটি টাকা হয়েছে।
        রূপালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান আহমেদ আল কবীর বলেন, সরকারি ব্যাংকগুলো দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে তাদের কার্যক্রম বিস্তৃত করেছে। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর দেশের ৫০ শতাংশ সরকারি ব্যাংকের শাখাকে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। ফলে সরকার চাইলে এখন তারা একটি বাড়ি একটি খামার ধরনের প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হতে পারবে।
        একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের পরিচালক প্রশান্ত কুমার রায় বলেন, এক হাজার ৪৯২ কোটি টাকার এই প্রকল্পের মূল দর্শন জীবিকায়নের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন। দেশের প্রতিটি গ্রাম থেকে ৬০টি দরিদ্র পরিবার বাছাই করে গ্রাম উন্নয়ন সমিতি গঠন করা হয়েছে। এই দরিদ্র পরিবারগুলোকে সঞ্চয়মুখী করতে তাদের নিজস্ব সঞ্চয়ের বিপরীতে মাসে ২০০ টাকা করে সরকারি অনুদান পাচ্ছে। এখন পর্যন্ত তৈরি হওয়া ৯০০ কোটি টাকার মধ্যে ৬০০ কোটি টাকা সমিতির সদস্যরা ঋণ নিয়ে মৎস্য চাষ, মুরগির খামার, পশুপালনসহ নানা উদ্যোগ নিচ্ছে। প্রকল্পের মূল ছয়টি উদ্দেশ্যের সব কটি প্রায় শতভাগ সফল হয়েছে।
        সাবেক সচিব সমর চন্দ্র পাল প্রকল্পের সাফল্যকে আরও বেশি প্রচারের পরামর্শ দিয়ে বলেন, নারীর ক্ষমতায়নের জন্য এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
        ঢাকার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন বলেন, এই প্রকল্পের সমিতিগুলোর মাসিক বৈঠকে মাদকবিরোধীসহ নানা সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টির কাজও হয়। সিরডাপের বিশেষ কর্মকর্তা মুজিবর রহমান বলেন, প্রকল্পের আওতায় যে পরিবারগুলো রয়েছে, তাদের মধ্য থেকে হতদরিদ্র তরুণদের বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করলে দ্রুত দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব।
        মানিকগঞ্জ উপজেলা সদরের শাকরাইল গ্রাম উন্নয়ন সমিতির সদস্য পারুল বেগম ও কেরানীগঞ্জ বেহারা গ্রাম উন্নয়ন সমিতির সদস্য জোসনা বেগম জানান, তাঁরা সমিতির সদস্য হয়ে লাভবান হচ্ছেন। তাঁদের দারিদ্র্য বিমোচন হচ্ছে।
        নওগাঁর সাবেক জেলা প্রশাসক নাজমুনারা খানুম বলেন, প্রকল্পের যে সমস্যাগুলো ছিল, তা ধীরে ধীরে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছে।
        কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মোহাম্মদ ফকরুল বলেন, সারা দেশে যে বাজারগুলো রয়েছে, তাতে একটি বাড়ি একটি খাবার প্রকল্পের সমিতির সদস্যদের জন্য একটি দোকান থাকা উচিত। এতে তাঁদের উৎপাদিত পণ্য সহজে বাজারজাত করা যাবে। পাবনার ভাঙ্গুরা উপজেলার চেয়ারম্যান বাকী বিল্লাহ বলেন, যেসব জনপ্রতিনিধি ও সমিতির দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা রয়েছেন, তাঁদের জন্য প্রণোদনা থাকা জরুরি। তাহলে অন্যরা এ ধরনের দায়িত্ব পালনে উৎসাহিত হবেন।
        ব্যাংক এশিয়ার ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট কাজী মরতুজা আলী বলেন, এই প্রকল্পে তাঁরা মোবাইল ব্যাংকিং-সুবিধা দিচ্ছেন। এর মাধ্যমে গ্রামের সাধারণ মানুষ তাদের ব্যাংক হিসাব এসএমএসের মাধ্যমে জানতে পারে। এ জন্য তাদের কোনো মাশুল গুনতে হয় না।
        প্রথম আলোর সহযোগী সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম বলেন, এই প্রকল্পের সফলতা ধরে রেখে একে টেকসই করতে হলে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সঙ্গে নিজ গতিতে চলতে দিতে হবে। রাজনৈতিকভাবে প্রভাবমুক্ত হয়ে পরিচালিত হলে তা দেশের উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে আরও বেশি ভূমিকা রাখতে পারবে।

        আমাদেরও দাবি একটি বাড়ি একটি খামারকে স্থায়ী রূপ দিতে হবে

  162. sarup says:

    বঙ্গবন্ধুর স্বাধীন বাংলা
    রবীন্দ্রনাথের সোনার বাংলা
    জীবনানন্দের রুপসী বাংলা
    সুজলা -সুপলা শস্য শ্যামলা বেস্!
    ১৬ কোটি জনতার দেশ।
    স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধুর কন্যা
    ডাক দিয়েছে জননেত্রী শেখ হাসিনা
    ক্ষুধা দারিদ্র নিপাত যাক…….
    গণ জাগরণের নব শক্তি
    এনেছে নব জোয়ার…….
    খোলেছে দোয়ার স্বপ্ন সবার
    একটি বাড়ি একটি খামার’

  163. এবাএখা’ আসলে কি, কোন স্থায়ীরুপ হবে ?

  164. Pingback: Палю тему / Новая качественная партнерка

  165. রতন says:

    বর্তমান সরকারের নোয়া সকল অগ্রাধিকারমুলক প্রকল্পের একটা গতি বা নিরাপত্তার ব্যাবস্থা করা হয়েছে। সুধু একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পেরই দুরবস্থা। এর জন্য যে কারনটা দায়ি বলে আমি মনে করি সেটা হল প্রকল্পকে বাঙ্কিং রুপ দেওয়ার চিন্তা। বর্তমানে ব্যাকিং খাতে যে সমালচনা তাতে করে সরকার এই শেষ সময় নতুন কোন ব্যাংক করবে কিনা ভাবা উচিত। অথচ প্রকল্পকে যদি রাজস্বকরনের চিন্তা করা হত তাহলে অন্য সকল অগ্রাধিকার প্রকল্পের মত আমাদের এতদিনে একটা ব্যাবস্থা হয়ে যেত বলে আমি মনে করি। আমাদের ভবিস্যতের কথা ভাবতেও প্রচুর কষ্ট লাগে।

    • goutim sen says:

      আমরা জানি আমাদের কি হবে? দুই বৎসর মেয়াদ বাড়বে, সবাই হতাশায় পড়বে, চাকুরী ছেড়ে অনেকে চলে যাবে, আমাদের সকল অর্জন মাটি হয়ে যাবে, বিশাল বড় একটা দীর্ঘশ্বাস সারা জীবন আমাদের বয়ে বেড়াবে!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

    • eZ©gvb miKv‡ii GKwU evox GKwU Lvgvi cÖKíwU 100% mdjZvi Avm‡b Avm‡eB e‡j Avgiv wek¦vm Kwi|

    • নাইম খান says:

      সরকারের সময় শেষ পর্যায়ে, ব্যাংক বলেন, আর রাজস্ব বলেন ,আর মনে হয় কিছুই করা সম্ভব না॥
      শুধু কয়েক শত যুবকের স্বপ্ন নস্ট হয়ে গেলো শুধু উপর মহলের সিদ্ধা্ন্ত হিনতার কারনে!!!!! কে নিবে এই দায় ???

    • Mamtajul Alam says:

      কম বেশি ১০৩৮৯৬০ টি পরিবারের ভাগ্য পরিবর্তনের রোমান্চকর চ্যালেঞ্জ গ্রহন করে আমারা মটামুটি সবাই সফল ………………………………… কিন্তু আমাদের ভাগ্যর পরিবর্তন হবে না………………এর চাইতে বড়ো পরিহাস আর কি হতে পারে । চাকুরী ছেড়ে অনেকে চলে যাবে এ কথা যেমন সত্য তেমনি আমরা ত ছেরে জাবার জন্য আসিনি ………… কেন আমাদের স্বপ্ন নিয়া খেলা করা……… এর দায় কি পিডি স্যার ,সচিব স্যার কিনংবা সরকার এরাতে পারবে……………।

  166. sakhawat Hossain says:

    আমি ও গৌতম দার সাখে একমত ?

  167. goutim sen says:

    প্লিজ পিডি স্যার যেন লেখাটা দেখতে পারে
    সংশ্লিষ্ঠ সবাইকে অনুরোধ,
    আমরা আর পারি না, বি.আর.ডি বি আমাদেরকে আর সহ্য করছে না।
    কারণসমূহ:
    ১। নতুন কর্মচারীরা তাদের কাছে জয়েন্ট না করায়
    ২।মাঠসংগঠনের ট্রেনিং এ RDO এর কপি না রাখা
    ৩। অনেক চিঠিতে/ অফিস অর্ডারে RDO এর কপি না রাখা
    স্যার বাস্তবে সমস্যাটা আমাদেরকে পড়তে হয়,
    যেহেতু খামার বাড়ি আলাদা একটা প্রতিষ্ঠান সুতরাং উপজেলা সমন্বয়কারী অফিস প্রধান এই কথাও মানতে নারাজ। আমরা প্রতিটি উপজেলায় জুলাই এর পর থেকে বি.আর.ডি বি কোন ধরনের সহযোগিতা তো দূরের কথা উল্টো মাঠ পর্যায়ে সমিতিগুলোর মধ্যে অস্তিরতা করে তোলছে,তারা বলছে একটি বাড়ি একটি খামার নাকি থাকবেনা। আমাদের আগামী জুন বরই কষ্টকর হবে। লোন ফাইলে স্বাক্ষর দিতে চায় না অনেক বার রিকোয়েষ্ট করার পর পিডি স্যারের মাথা খারাপ হয়ে গেছে, হেড অফিসের সবার মাথা খারাপ এসব বলে বলে স্বাক্ষর দেন, পিডি স্যার আমাদের কাছে দেবতার মত আমরা তাদের কথা আর সহ্য করতে পারি না।
    স্যার আমাদেরকে কিছু করুন, আমরা কাজের জন্য সুন্দর একটা পরিবেশ চাই,
    আমরা এই কম জনবলের মধ্যে ও ফিল্ড ঠিক রাখছি, মোবাইল ব্যাকিং এর কাজ করছি, অফিস ঠিক রাখছি তারপর ও আমরা নাকি কিছু করিনা। আমাদেরকে তারা চাকরের চাইতেও খারাপ ব্যবহার করে থাকে, তাদের কথা এই প্রকল্প থাকবে না , তাদের সাথে ভাল ব্যবহার করে লাভ নেই। বিষয়গুলো জেলা সমন্বকারীদেরকে (উপপরিচালক বিআরডিবি) বললে ও তারা ও উল্টো আমাদেরকে দোষারোপ করে। আমরা এই মুহুর্ত্যে কি করব বা কি করতে পারি ?
    আমরা আর বি.আর.ডিবি এর সাথে থাকতে চাই না, চাই না , চাই না। না হলে একটি বাড়ি একটি খামার স্বপ্ন পূরণে ব্যর্থ প্রতিষ্ঠান হিসাবে জাতীর কাছে স্বরণীয় হয়ে থাকবে।
    বাস্তবে আমরা তা চাই না, আমরা জাতীর জনকের স্বপ্ন বাস্তবায়নে বদ্ধ পরিকর।

    • AL-PIN says:

      আমিও আপনার সাথে একমত।আমরা অতিসত্তর এর সঠিক বাস্তবায়ন চাই।

    • আলমগীর হোসেন says:

      ভাই ,
      আপনি যে আগুনে জ্বলছেন তার মধ্যে আমরা অনেকেই জ্বলছি। সত্যি কি পিডি স্যার আমাদের সমস্যগুলো পড়ে ? , না এগুলো এখান পয়র্ন্ত।

    • বাংলাদেশ ব্যাংকের
      সিদ্ধান্তের আগেই আমাদের পিডি মহোদয় তা চিন্তা করেছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর
      স্বপ্নপ্রসূত দারিদ্র বিমোচনের এ মহত প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা অনলাইন ব্যাংকে গ্রাম
      পর্যায়ে নিয়ে যেতে সক্ষম হবো ইনশাল্লাহ। বিষয়টি বিবেচনা করে সরকার যদি এবাএখা
      প্রকল্পটিকে চলমান অর্থ বছরের মধ্যে একটি স্থায়ী আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে রুপদান করে
      তাহলে দেশের দারিদ্র বিমোচনের জন্য একটি বিরাট সাফল্য হবে এবং দেশ বেকারত্বের অভিশাপ
      থেকে মুক্তি পাবে।

    • mahady hasan says:

      আমি ও গৌতম দার সাথে একমত পোষন করছি।আর ধৈয্য ধারন করতে পারছি না।জানি না কপালে কি আছে……………………….?

    • JAN says:

      Goutom Bhai,
      DD BRDB ra sob problem er hota. Because tara(DD) RDO der kotha sone,apnar kotha sonar tader somoy nai.amra to tar permanent kono staff noi.DD ra jodi amader kotha kicu sunto tahole eto somossar creat hoto na bhai.Ar PD sir to DD office er kono letter pelei bebostha nen.so……………………….BRDB theke alada howa dorkar.

      “PD sir UNO sir ra room dissen na sudhu RDO der kotha te.Please do something.Sob cheye valo hoi DDO ship theke RDO der omit kore dile.

    • নাইম খান says:

      জুনের পরে যে আমাদের কি হবে মহান আল্লা জানে। আর আমাদের পিডি স্যার জানে।

  168. এবাএখা প্রকল্পের অধীনে আমরা যারা চাকুরী করি তাদেরক কি শেষ পর্যন্ত মাদক নেশার মত চাকুরী হারিয়ে রাস্তায়-রাস্তায় নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে থাকতে হবে? নাকি এর কোন সুখবর কারো কাছে আছে? যদি চাকুরী স্হায়ী নাই-বা হয় তাহলে পিডি মহোদয় বারবার কেন ফাউন্ডেশনের কথা বলে আমাদেরকে শুধু মিথ্যা সান্ত্বনা দিচ্ছেন কেন? কেন? কেন? তার চেয়ে ভালো আমাদেরকে চিঠির মাধ্যমে উচিৎ এবাএখা’র ভবিষ্যৎ। আমরা মাননীয় পিডি মহোদয়কে অনুরোধ করবো তিনি ফাউন্ডেশন/রাজস্ব/কোনস্থায়ীরুপ অথবা এটির কোনটিই হবেনা স্যার যদি পরিস্কার বলেন তাহলে আমরা হয়তো স্যারের কাছে চিরকৃতজ্ঞ থাকবো।

    • এখনও প্রকল্পটিকে প্রতিষ্ঠানিক রুপ দান না করা হলে এটা এক সময় স্থবির হয়ে পড়বে এবং এতে গনতন্ত্রের মানসকন্যা ও দেশনেত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন দারিদ্র্য বিমোচন আর হবে না। তাই “এবাএখা”প্রকল্পকে প্রতিষ্ঠানিক রুপ দান করে প্রকল্পের কর্মকর্তা/ কর্মচারীদেরকে রাজস্ব খাতে স্থানান্তরিত করার জন্য, মাননীয় পিডি মহোদয় এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট বিনয়ের সাথে অনুরোধ জ্ঞাপন করছি। good by all ebek probaree

      • sarup says:

        শ্রদ্বেয় ‍পিডি স্যার ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিনীত আবেদন সময় থাকতে আমাদের বাঁচানোর ব্যবস্থা করুন। মাঠে দরিদ্র জনগোষ্ঠী আমাদের বিশ্বাস করেনা কারণ তারা বলে প্রকল্পের মেয়াদ শেষে তাদের এ বিপুল অর্থের অবস্থা কি হবে? তারা এটাও বলে তোমাদের প্রকল্পের দু’দিনের চাকুরীর নিরাপত্তা নাই তোমরা আমাদের অর্থের নিরাপত্তা সম্পর্কে কি আর বলবে…..তারপরেও আমরা চেলেন্স জীবন নিয়ে কাজ করতে চাই, আমাদের সাফলতা দেখাতে চাই, আমাদের বাঁচান, আমরা বাঁচতেও চাই।

      • sarup says:

        শ্রদ্বেয় ‍পিডি স্যার ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিনীত আবেদন সময় থাকতে আমাদের বাঁচানোর ব্যবস্থা করুন। মাঠে দরিদ্র জনগোষ্ঠী আমাদের বিশ্বাস করেনা কারণ তারা বলে প্রকল্পের মেয়াদ শেষে তাদের এ বিপুল অর্থের অবস্থা কি হবে? তারা আমাদেরকে এটাও বলে তোমাদের প্রকল্পের দু’দিনের চাকুরীর নিরাপত্তা নাই তোমরা আমাদের অর্থের নিরাপত্তা সম্পর্কে কি আর বলবে…..!!! তারপরেও আমরা চেলেন্স জীবন নিয়ে কাজ করতে চাই, আমাদের সাফলতা দেখাতে চাই, আমাদের বাঁচান, আমরা বাঁচতেও চাই।

        • sanjoy roy says:

          প্লিজ, আপনারা সবাই আজ ১২/০৫/২০১৩ তারিখের “প্রথম আলো” পত্রিকাটির শেষের পৃষ্ঠা পড়বেন।

  169. সত্য says:

    আমি একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের একজন কর্মকর্তা। অনেক আশা ভরশা নিয়া এই প্রকল্পে নিয়োগ করি। আমি যখন এখানে নিয়োগ করি তখন আমাদের জানা ছিল আমরা সম্পদ বিতরনের কাজ করব। দুর্ভাগ্য পরবর্তিতে আমাদের ঘারে চাপিয়ে দেওয়া হল সবচাইতে কঠিন কাজ মানুষের পকেট থেকে টাকা আনার মত সঞ্চ ও লোন আদায়ের কাজ। সমস্যা সেখানেও না, সমস্যা হল বিশাল কাজের চাপ চাপিয়ে দেওয়া হল আমাদের ২/৩ জন ব্যাক্তির উপর, যা বাস্তবায়ন করতে স্টাফ লাগে কম্পক্ষে ১০ জন, আরো আর্চাযা ব্যাপার হল আমাদের এতো কাজ কোন সাপোর্ট নাই, না আছে লোক বল, না আছে পিয়ন, না আছে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ, বেতনেক টাকায় ফিল্ড করি, বেতনের টাকায় স্টেশনারি ক্রয় করি, বেতনের টাকায় গাড়ি মেরামত করি, বেতনের টাকায় উপজেলায় উতজাপিত জাতিয় অনুষ্ঠানে, বেতনের টাকায় অফিসে আসা লোকদের চা খাওয়াই, বেতনের টাকায় জেলা অফেসে যাই ইত্যাদি। সাপোর্ট একটাই সেটা হল পিডি মহোদয়ের মুখের আশার বানি চাকুরির স্থাইত্ত্বতা। দিন রাত, সকাল-বিকাল-রাত, শুক্র-শনি অফিস করি, একটাই আশা চাকুরির স্থাইত্ত্বতা।
    কিন্তু আজ এখানে এসে স্পস্ট লাগে , আমাদের যে চাকুরির স্থাইত্ত্বতার কথা বলা হয়েছে সেটা ছিল নিছক নাটক, বানোয়াট, মিথ্যা, আমাদের কাজ করানোর কৌশল।
    ব্যাপারটা এমন এমন যে যদিনা ১৫ দিনের মদ্ধ্যে কোন স্থাইত্ত্বর সিদ্ধান্ত না হয় আমরা হব প্রতারিত, আমরা আগে বার বার প্রধান মন্ত্রি সহ সকলের দৃষ্টি আকর্ষন করার চেষ্টা করেছি কিন্তু পিডি স্যার সেটা করতে দেন নাই, বলেছেন আমি সব করে দিব। সেটা হতে পারে নিজের সার্থ বা ইমেজের জন্য। ফিল্ড পর্যায় আমরা যে সকল কথা বার্তা বলেছি সেটার ও কোন বাস্তব বাস্তবায়ন দেখছিনা।

    আরো ভয়ংকর কথা হল জুনের পরে আধিকাংশ স্টাফ এলাকা ছাড়া হতে হবে সদস্যদের চাপে এবং সন্মান রক্ষার্থে। এত কষ্ট করে আমরা কাজ করি তাতেও হেড অফিসের কাছ থেকে দুর্ব্যাবহার ছারা কিছু আজো পাইনা।
    পরে আবার লিখব-দুক্ষের কথা, অনেক জমেছে।

  170. sohel rana says:

    thank’s to ektee bari ektee khamar

  171. Ki Bhai, EBEK projecte chakri kori bole bar bar biye bangteche, karon june 2013 ar por projecter Obstan ki ta janina, bortoman age- 31+, kobe biya korbo, plz sobai mile project ke ki kore Rajosho khate stanantorit kora jay tar chinta kora uchit, Ghore bose khakle cholbe na, Gumta khule kaze juk din, jonogner bhagger chaka ghurate amra achi kinto amader chaka ke gurabe?, ami 2005 sale BRDBir sodabike chakri nilam ai buji sorkari holo, kinto ajo hoynai, 2007 te Mcpp&mp project chakir nilam, ai buji sorkari holo, kinto 2009 a chakrir mayat shes, pore mamla kore mayad barleo sokoler chakri hoyna, notun kore luk niuk daya holo, Grachuyaty pawar kotha thakleo kuno khobor nai orthat protekei nijeder niya bisto thake, kaw project er kun jonboler jonno vabena, karaon notun asbe notun khabo, EBEk kio tai, Manonio prodan montry desh nattri, shekh Hasina apona shopner project ki shopno thakbe, r amra jole basha shewlar moto Bhaste bhaste a ghat o ghat, tar por kun ak maji jol thake tule kun aborjana bhebe fele dibe, amontiki aponio chan je apnar sontanderke rastay feledak, judi na chan tahole amder bachan. plz. plz. plz plz plz.

  172. রতন says:

    তন্ময় সাহেব এতোদিন শুনছি ফাউন্ডেশন তো পাশ করানো, আবার এসব লাগবে কেন?

  173. প্রদীপ হাওলাদার says:

    এখনও প্রকল্পটিকে প্রতিষ্ঠানিক রুপ দান না করা হলে এটা এক সময় স্থবির হয়ে পড়বে এবং এতে গনতন্ত্রের মানসকন্যা ও দেশনেত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন দারিদ্র্য বিমোচন আর হবে না। তাই “এবাএখা”প্রকল্পকে প্রতিষ্ঠানিক রুপ দান করে প্রকল্পের কর্মকর্তা/ কর্মচারীদেরকে রাজস্ব খাতে স্থানান্তরিত করার জন্য, মাননীয় পিডি মহোদয় এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট বিনয়ের সাথে অনুরোধ জ্ঞাপন করছি।

    • sarup says:

      আমরা সবাই আতঙ্কিত!!! আমাদের ভবিষ্যৎ কি হবে? বিগত সময়ে আমরা যে ভাবে কাজ করেছি দিন-রাত কি তা বুঝতে চেষ্ঠা করি নাই, কারণ বর্তমান সরকার দারিদ্র বিমোচনের জন্য যে কর্মযজ্ঞ সৃষ্টি করেছেন ১০০% নিশ্চিত ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্ত বাংলাদেশ একদিন গড়ে উঠবেই। পাশাপাশি আমরাও আশা করেছি আমাদের ভবিষ্যৎ ১০০%নিশ্চিত হবেই! কিন্তু এখন কি শুনছি…
      আমরা ১০০% কষ্ট করতে রাজি তবে আমাদের ভবিষ্যদের নিরাপত্তা চাই……
      সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক শেখ মুজিবর রহমানে এর সুযোগ্য কন্যা বাংলাদেশের কর্ণধার মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন কোটি কোটি মানুষের জীবন গড়ার হাতিয়ার ‘একটি বাড়ি একটি খামার’প্রকল্প যত দ্রুত সম্ভব রাজস্ব খাতে স্থানান্তর করত: প্রকল্পের কর্মকর্তা/কর্মচারী ও বাংলাদেশের সর্বস্তরের গরীব দুঃখি মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের হাতিয়ার ‘এবাএখা’ স্থায়ীরুপ দেওয়ার জন্য মাননীয় পিডি স্যার ও বাংলাদেশের কর্ণধার মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের আকুল আবেদন করছি।

    • sarup says:

      আমরা সবাই আতঙ্কিত!!! আমাদের ভবিষ্যৎ কি হবে? বিগত সময়ে আমরা যে ভাবে কাজ করেছি দিন-রাত কি তা বুঝতে চেষ্ঠা করি নাই, কারণ বর্তমান সরকার দারিদ্র বিমোচনের জন্য যে কর্মযজ্ঞ সৃষ্টি করেছেন ১০০% নিশ্চিত ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্ত বাংলাদেশ একদিন গড়ে উঠবেই। পাশাপাশি আমরাও আশা করেছি আমাদের ভবিষ্যৎ ১০০%নিশ্চিত হবেই! কিন্তু এখন কি শুনছি…
      আমরা ১০০% কষ্ট করতে রাজি তবে আমাদের ভবিষ্যদের নিরাপত্তা চাই……
      সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক শেখ মুজিবর রহমান এর সুযোগ্য কন্যা বাংলাদেশের কর্ণধার মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন কোটি কোটি মানুষের জীবন গড়ার হাতিয়ার ‘একটি বাড়ি একটি খামার’প্রকল্প যত দ্রুত সম্ভব রাজস্ব খাতে স্থানান্তর করত: প্রকল্পের কর্মকর্তা/কর্মচারী ও বাংলাদেশের সর্বস্তরের গরীব দুঃখি মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের হাতিয়ার ‘এবাএখা’ স্থায়ীরুপ দেওয়ার জন্য মাননীয় পিডি স্যার ও বাংলাদেশের কর্ণধার মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের আকুল আবেদন করছি।

  174. আলমগীর হোসেন says:

    আমার জানামতে একটি বাড়ি একটি খামার ১৯৯৬ সালেও ছিল । আবার আমার জানা মতে ২০০১ সালের পর এর তেমন কোনো অস্থিত ছিলনা। এখন শুধু প্রতিমাসে বিআরডিবি রিপোর্ট দেয় ,যার ফলাফল শূন্যে (০)।আমি যে অফিসে চাকরি করি সেই অফিসে “পল্লী প্রগতি” একজন গ্রাম সংঘঠক ২(দুই) বছর বেতন পাননা , সঞ্চয়ের টাকার জন্যে তার একটা মাত্র সম্বল “একটা গাভী” তাও সংগঠনের লোক জন জোর করে নিয়ে গেল ।উপরোক্ত কথাগুলো কেন বললাম- বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতির কন্যা,গনতন্ত্রের মানসকন্যা, দেশনেত্রী শেখ হাসিনা,তারই নিজস্ব প্রকল্প হিসেবে এটাইকে যদি স্থায়ী রুপ না করে, তা হলে আমার মনে হয় আমাদের অবস্থাও পল্লী প্রগতির মত হবে। আমরা সবাই আঞ্চলভেদে একত্রিত হয়ে মাননীয় পিডি মহোদয় এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট বিনয়ের সাথে অনুরোধ জ্ঞাপন করি “এবাএখা”প্রকল্পকে প্রতিষ্ঠানিক রুপ দান করে আমাদের সকল কর্মকর্তা/ কর্মচারীকে রাজস্ব খাতে ষ্থানাতরিত করার জন্যে। সময় থাকতে সেতু পার হওয়া প্রয়োজন , নতুবা কপালে কষ্ঠ থাকবে। এখানে যারা চাকরি করে শতকরা ৯৫ % কর্মকর্তা/ কর্মচারীরর বয়স নাই, কোথাও দরখাস্ত পযন্ত করে নাই, এইজন্যে করে নাই আমাদের এই চাকরি অবশ্যই স্থায়ী হবে, সেইজন্যে।এখন যদি শুধৃ মেয়াদ বাড়ানো হয় ,তাহলে আমাদের জীবনে শুধু অন্ধকার ছাড়া আর কিছুই নাই।

  175. TONMOY SIKDER says:

    প্রকল্পের কোন কিছু করতে হলে এমপি, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী দিয়ে জোড় লবিংকরতে হবে। ঘুমিয়ে থাকলে চলবে না।

    • রতন says:

      তন্ময় দা ফাউন্ডেশন তো পাশ করানো, আবার এসব লাগবে কেন?

    • AL-PIN says:

      এতোদিন তো আমাদের পিডি স্যার বলে এসেছেন ফাউন্ডেশন পাশ করাই আছে।কিন্তূ এখন এখন বলছেন প্রকল্পের মেয়াদ দু্ই বছর বৃদ্ধি পাচ্ছে।এটা কেমন কথা ?

    • নাইম খান says:

      ভাই, আমাদের প্রধান কার্যালয়ে এম পি দের ডিও লেটার নিয়ে কি করলো॥ ও গুলো কি মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর কাছে পেীছানো সম্ভব হয়নাই। এটা কি আমাদের ব্যাস্ত রাখার একটা পদ্ধতি ছিলো নাকি।

      • admin says:

        Shob DO Letter gulu pochano Hoyese….

      • রতন says:

        নাইম ভাই জানুয়ারির ৮ তারিখ পিডি স্যার আমাদের বলছিল ৩ মাসের মধ্যে তোমরা ব্যাংক পাবা, আজ ৩ মাস ১৬ দিন! এখনও কি………।

  176. আলমগীর হোসেন says:

    আমরা সবাই ঘুমিয়ে পড়িছি , চাকরি সম্পর্কে কারো কাছে কি কোনো খবর আছে ? দয়া করে লিখে জানাবেন।

    • sanjoy roy says:

      গত ১৭/০৪/২০১৩ইং তারিখে পিডি স্যারের উপস্থিতিতে যশোর জেলার পুরুস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। বক্তব্যে যা মনে হলো পিডি স্যার ছাড়া প্রজেক্ট নিয়ে কোন আমলার মাথা ব্যথা নেই। তিনি বললেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে পদে পদে বাঁধা প্রাপ্ত হচ্ছি। দুঃখের সঙ্গে বললেন আমি যা করতে চাই তা আর কেহ চাই না। আমাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি কিছুই বললেন না শুধু বললেন, দুই- তিন সপ্তাহের মধ্যে একনেকে প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি পাশ হতে পারে।

      • রতন says:

        সাঞ্জয় সাহেব,
        আমাদের লোভ দেখিয়ে জিবনের এতবড় সর্বনাশ না করাই ভাল ছিল। আগেই স্যারের এইগুলা ভাবা উচিত ছিল। আমাদের চাকরির স্থাইত্তের কথা বলে লেবারের মত খাটিয়ে এখন কি জবাব দিবেন। আমরা আমদের জিবনের সবকিছু এখানে দিয়ে দিয়েছি শুধু স্যারের কথায়। এভাবে কেউ কাজ করে?

        • sanjoy roy says:

          আমাদের ভবিষৎ কি হবে জানি না। তবে পিডি স্যার আমাদের সঙ্গে আরও প্রায় ৭৫০০জন জনবল নিয়োগের অনুমোদন পেয়েছেন। মঠ সহকারী প্রতি ইউনিয়নে ১জন, প্রতি উপজেলায় ১ জন পিওন, ১জন জেলা সমন্বয়কারী এবং তার ১জন কম্পিঃ অঃ ও ১জন পিওন পর্যয়ক্রমে নিয়োগ দেওয়া হবে।কিন্তু আমরা দেখেছি দমঅক প্রকল্পের পিওনের প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ায় গত জানুয়ারীতে চাকুরীর সমাপ্তি ঘটেছে। জীবিকায়ন প্রকল্পে হিসাব সহকারী পদটি বাতিল করা হয়েছে। অপ্রধান শস্য প্রকল্পে যে একজন আছে তার গত ২বছর চাকুরী ছিল না হাইকোটের রায়ের মাধ্যমে মেয়াদ ২বছর অনুমোদন হয়েছে। তাই বলি আমাদের জীবন নিয়ে এ কি খেলা?

      • md. mazharul islam says:

        ভাই সঞ্জয়, আপনার Comments টা পড়ে মনটা খুব খারাপ হলো ।আমরা অনেক আশা নিয়ে এই প্রকেল্প যোগদান করেছি এবং নিয়মিত কর্মপ্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছি ।আমরা মনে করেছিলাম এই প্রকল্পটা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান এর ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্ত সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে মানণীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন প্রসূত প্রকল্প, তাই এটা একদিন অবশ্যই রাজস্ব খাতে যাবে!! তাছাড়া আমরা জানি যে, আমাদের শ্রদ্ধেয় পিডি স্যার অত্যন্ত ভালো মানুষ । স্যার আমাদের পথ প্রদর্শক, তিনি আমাদের জন্য যথেষ্ট চেষ্টা করেন ।তাছাড়া স্যার আমাদেরকে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ভাবে আশ্বস্ত করেছেন । আমি নিজেও ছোটখাট সরকারী চাকরী পেয়েও যায়নি ।আমার মত হয়ত আরও অনেকে আশায় বুক বেঁধে এই চাকরিটাকে আঁকড়ে ধরে পড়ে আছে, ভালো কিছু পাওয়ার আশায় । কিন্তু আপনার Comments টা পড়ে মনে হচ্ছে আমাদের ভবিষ্যত অন্ধকার ।আসলে আমাদের চাকরিটা হচ্ছে বাঘের কাছে ছাঁ পোষার মত । আমরা প্রকল্পের কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে পদে পদে বাধাঁর সম্মূখিন হয়েছি এবং হচ্ছি । তবু এখানে পড়ে আছি শ্রদ্ধেয় স্যারের উপর ভরসা করে, হয়ত একদিন সকল অন্ধকার কেটে যাবে, আমরাও আলোর মুখ দেখবো এই ভেবে । কিন্তু স্যার নিজেই যদি হতাশ হয়ে পড়েন এবং ভরসা হারিয়ে ফেলেন, তাহলে আমাদের এখানে পড়ে থাকার মানেই হয়না ।মানে মানে ভালোই ভালোই কেটে পড়া ভালো ।

      • kamrul 01919877566 says:

        এবাএখা পরিবার সময় থাকতে চাকরি খুজে তাড়াতাড়ি ঢুকে পড়েন তা না হলে আপনাদের জিবন হবে আলো ছাড়া । আর শেষ কালে সবাই সবার সাথে বলে বিদায় ঘনটা বাজিয়ে দিন ।আর আমি আপনাদের পরিবার কে বিদায় দিয়ে সচিবালয়ে চাকরিতে যোগদান করতেছি

    • আমরা সবাই আশায় বুক বেধে ছিলাম যে, এই প্রকল্পের একটা স্থায়ী রুপ হবে। কিন্তু এখন শুধু হতাশা এবং মরিচীকা ছাড়া কিছুই দেখছিনা। আমাদের সাথে আমাদের পরিবারের জীবনটা পর্যন্ত আস্তে আস্তে অন্ধকারে ঢেকে যাছ্চে। এই প্রকল্পে চাকুরী করে আমাদের অনেকেই বিয়েটা পর্যন্ত করতে পারছে না এবং পারছে না এই চাকুরী ছাড়তে। আমাদের এই সরকার এ প্রকল্পের জন্য যদি কিছু না করে তাহলে আমাদের প্রায় ৪(চার) পরিবারের জীবন অন্ধকার ও ভিবীষীকাময় জীবনে পরিনত হবে। কারন আমরা প্রতি মাসে কিছু অর্থ উপার্জন করি, আর সেই অর্থ দিয়ে আমরাসহ আমাদের পরিবারের সবার মুখে হাসি ফুটানোর চেষ্টা করি। হটৎ করে সেই যদি বন্ধ হয়ে যায় তাহলে আমাদের জীবনের কি হবে। নেশাগ্রস্ত মানুষ যেমন নেশার ছটফট করে এবং নেশা না পেলে পাগল হয়ে যায়, আমাদের জীবন কি এ রকমই হবে ? হায়রে চাকুরী………………… হায়রে জীবন……………………………….!

  177. আলমগীর হোসেন says:

    আমরা সবাই ঘুমিয়ে পড়িছি , চাকরি সম্পর্কে কারো কাছে কি কোনো কবর আছে ? দয়া করে লিখে জানাবেন।

  178. sakhawat Hossain says:

    এবাএখা প্রকল্পের সকল সকল কর্মকর্তা/কর্মচারী/সদস্য/সদস্যাদের বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা ও অভিন্দন। সেই সাথে এবাএখার ভবিষ্যৎ যাতে আরও সুন্দর ও সমৃদ্ধ হয় সে কামণা করছি।

  179. এবাএখা প্রকল্পের সকল সকল কর্মকর্তা/কর্মচারী/সদস্য/সদস্যাদের অগ্রীম বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা ও অভিন্দন। সেই সাথে এবাএখার ভবিষ্যৎ ও আমাদের চাকুরীর স্থায়ী ভবিষ্যৎ কামনা করছি।

  180. Sohag says:

    অনেক কাজ করি তবে কাজের মূল্যায়ন পাই না ।

  181. sakhawat Hossain says:

    এত দিন পর আমার মনে হচ্ছে, এই প্রকল্পে চাকুরি করে আমার জিবন টা সার্থক, কারণ আমাদের সার্থকতা দেখে এখন অন্যরা আমাদের কে হিংসা করতে শুরু করেছে। আর তাইতো নিন্দুকেরা আমাদের কে নিয়ে পত্র- পত্রিকায় লেখালেখি করে।আমার মতে ভাল কাজের পেছনে সব সময় খারাপ প্রকৃতির লোক লেগে থাকে।যেমন আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রির এই যুগান্তর কারী দারিদ্র বিমোচনের এই কর্ম সুচির মাধ্যমে দেশে দারিদ্রতার হার অনেক টাই কমে গেছে।আর এর ধারা বাহিকতায় আমরা ভবিষ্যতের ক্ষুধা দারিদ্য মুক্ত দেশ দেখতে পাব।

    • md. mazharul islam says:

      আমরা করবো জয়, আমরা করবো জয়,
      আমরা করবো জয় নিশ্চয়,
      এই বুকের গভীরে আছে প্রত্যয়,
      আমরা করবো জয় নিশ্চয়,

  182. komol_hassan says:

    desh theke daridro dur korte giye nijeai doridro hoye gelam!!!!

  183. nousadrana says:

    আমরা এবাএখা প্রকল্পের কর্মকর্তা/কর্মচারীবৃন্দ আমাদের ভবিষ্যৎ কি আলোর দেখা পাবে? নাকি অন্ধকারে থেকে যাবে চিরদিন।

    • Jalamoy Dutta says:

      Ami je adhare bondini amare aloi deke naw……………… Ai ganti dine duber gea du glass pani khaben,dekhben alor poth pae jaben.

      • রফিকুল আলম,বরগুনা সদর,বরগুনা। says:

        অনেক ব্যথা, অনেক কষ্টের কথা, আমাকে উপজেলা পরিষদে রুম বরাদ্ধ দেয়া হয়েছিল, আমি সেই রুমে উঠলাম, ২৫ দিন পরে ইউএনও স্যার আমাকে ডেকে বলেন, রফিক আপনি তো আমার লোক, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আমেরিকা থেকে আসছে উনি ছুটিতে আমেরিকা গিয়েছিলো আপনার রুমটা ওনাকে ছেড়ে দিতে হবে। তাই আমার সমস্থ মালামাল নিয়ে যেখানে ছিলাম সেখানে আসলাম মানে বিআরডিবির রুমে। এই মালামাল নেয়া আনা খরচ কোথায় পাবো ?

        ইউএনও স্যার আমাকে আরো বলেন নির্বাচন অফিস জেলায় চলে যাবে তখন আপনি ওখানে উঠবেন। তবে বর্তমানে যেখানে আছি একদম খারাপ নেই্।

        আমার ইউএনও স্যার ক্রাশ প্রোগ্রামে ৪০.৯৯ টাকা আদায় উপলক্ষ্যে মালয়শিয়া গেলেন, কিন্তু সমন্বয়কারী হিসেবে আমার কোন খবর নাই। বর্তমান মার্চ মাস পর্যন্ত আমার সঞ্চয় ৮০.৮০ টাকা।

  184. jakir says:

    “একটি বাড়ি একটি খামার” মোবাইল বেংকিং এর মাধমে জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসাবে প্রাদান্য দিন এবং
    প্রকল্পটি রাজস্ব করণ না করলে এ দেশ কোনদিনই দারিদ্র্যতার হাত থেকে মুক্তি পাবে না।

    • Md. Jakir Hossain (Bgora) says:

      “একটি বাড়ি একটি খামার” মোবাইল বেংকিং এর মাধমে জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসাবে প্রাদান্য দিন এবং দারিদ্র্য বিমোনের অন্যতম হাতিয়ার নিঃশন্দেহে ‘‘একটি বাড়ি একটি খামার” প্রকল্পটি রাজস্ব করণ না করলে এ দেশ কোনদিনই দারিদ্র্যতার হাত থেকে মুক্তি পাবে না।

  185. এবাএখা প্রকল্পের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের স্থায়ী পদক্ষেপের কারও কাছে কোন নিউজ আছে কি? থাকলে ব্লগে লিখা র জন্য অনুরোধ করছি।

  186. subratha barua says:

    রাষ্ট্রের কর্ণধার, দল মত র্নিবিশেষে সকল রাজনীতির মধ্যমুনি, সকলের শ্রদ্ধাভাজন,প্রিয়ভাজন,শান্তির প্রতীক, অভিভাবক, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যোদ্ধের গৌরবময় অবদানকারী ও গণতন্ত্রের পনরুদ্ধারকারী, জ্ঞানদ্বীপ্ত মহামান্য রাষ্ট্রপতি মহোদয়ের মত্যুতে গভীর ভাবে শোক প্রদান ও বিদেহী আত্নার মাগফেরত কামনা করি।

    সুব্রত বড়ুয়া
    মাঠ সংগঠক
    একটি বাড়ি একটি খামার
    হাটহাজারী, চট্টগ্রাম।

    • তাছলিম says:

      মাঠ সংগঠক রা ব্লগে আসুন , লিখুন মাঠের বাস্তব চিত্র । মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর নির্দেশনায় পি ডি মহোদয় কি পরিশ্রম করে চলছেন বাংলাদেশের দরিদ্র মানুষ গুলো কে আলোর পথে নিয়ে আসতে । তাই মাঠের বাস্তব চিত্র পাওয়া সম্বব মাঠ সংগঠক দের কাছ থেকে । তবে শুনেছি মাঠ সংগঠক পদ কে সুপারভাইজার নামে উন্নীত করা হবে । তাতে কি পদ ও বেতন বৈষম্য কমবে ? এই পদ টা কে আর ও আপগ্রেড করে একটা সন্মান জনক পদে রূপান্তর করলে সরকার বা সংশ্লিষ্ট সকলের সুনাম বাড়বে । এবং এদের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত লক্ষে যাওয়া অবশ্যই সম্বব ।

      • sarup says:

        আমরা পার্বত্য এলাকায় কাজ করি কিন্তু সাইকেল চালিয়ে গিয়ে কাজ করা মোটেই সম্ভব নয় প্রতি সমিতিতে যাওয়া-আসা ৫০ থেকে ১৫০টাকা ভাড়া লাগে ভাত খাইলে আরও বেশি তারপরেও নিজেকে গর্বিত মনে করি দারিদ্র বিমোচনের জন্য কাজ করতে পেরে। ফিল্ডে ও অফিসে বেশির ভাগ কাজ আমরাই করি । সারাদিন এবং উপকারভোগীদের সুবিধামত সময় রাত্রেও কাজ করি। সুতরাং উপজেলা সমন্বয়কারীর পরে আমরা মাঠ সংগঠকদের বেতন স্কেল ও পদমর্যাদা দেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করছি।

  187. goutim sen says:

    রাষ্ট্রের কর্ণধার, দল মত র্নিবিশেষে সকল রাজনীতির মধ্যমুনি, সকলের শ্রদ্ধাভাজন,প্রিয়ভাজন,শান্তির প্রতীক, জ্ঞানদ্বীপ্ত মহামান্য রাষ্ট্রপতি মহোদয়ের মত্যুতে গভীর ভাবে শোক প্রদান ও বিদেহী আত্নার মাগফেরত কামনা করি।
    একটি বাড়ি একটি খামার
    হাটহাজারী, চট্টগ্রাম।

  188. ABU TALEB KHAN says:

    সফলতা একদিন আসবেই

  189. goutim sen says:

    আমি খুব কষ্ঠ পেয়েছি, কারণ ৭০টি উপজেলায় অর্থ বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে কিন্তু বাকিগুলো কি দোষ করলাম , আমার কথা বলি আমার উপজেলায় ১৫টি ইউনিয়ন এবং ওর্য়াডগুলো লম্বাটে ধরণের যার কারনে আমার ফিল্ডে যেতে কি পরিমান কষ্ঠ এবং কি পরিমান খরচ হয় তা বিবেচনার জন্য কর্তৃপক্ষের নিকট অনুরোধ করছি।

    • abu taleb says:

      আমরাও এর সাথে এক মত পোষণ করছি । হয়তো আমাদের দিকেও দৃষ্টি দিবেন কর্তৃপক্ষ

  190. sarkertitu says:

    ekti dusongbad comilla er kew BLOG a nei.khub bajhe khub e bajhe BARD er jonmodatar deshe ACTIVE kew nei.EMON TITU,BABUL,AMAN,SAHADAT,ARIF,MASUD,NURUL HAQ,SEEULY,NASRIN,SABINA,tumra to COMILLA er maan somman kisu e rakhla na.ekjon o DO letter dite paro nai.ami kintu diyesi.tmader niye khub TENSION asi tmader niye.PLZ GHUM THEKE UTHO EBONG NCOMILLA K JAGIYE TOLO.

  191. sakhawat Hossain says:

    প্রদীপ দার সাখে একমত হয়ে বলছি। জনৈক অপারেটর সাহেব উনার দায়িত্ব কর্ত্বব্য সম্পর্কে সঠিক ভাবে জানেন না ,প্রকল্পের নির্দেশিকা টা ভালভাবে পড়ে দেখবেন, আপনি যে কথা গুলো অভিযোগের সুরে লিখেছেন, মূলতঃ আপনার কাজই হচ্ছে এগুলো। কাজ করতে এত ভয় পান কেন ? কাজের মধ্যে আনন্দ খুজে নিবেন, তাহলে জিবনে অনেক কিছু শিখতে পারবেন।

  192. I have a project that I am just now working on, and I have been looking for such information… Regards

  193. Iqbal hoq says:

    দাদা এ ব্যাপারে আমরাও একসাথে জেনেছিলাম কিন্তু আমরা আজো পর্যন্ত কোন খোজ খবর পাই নাই। তবে আমাদের ধারনা নতুন অর্থ বৎসরে হয়তো আমরা পাবো। তাড়াইল।

    • তাছলিম says:

      মাঠ সংগঠক রা ব্লগে আসুন । আপনাদের ন্যায্য দাবী তুলে ধরুন । বেতন স্কেল , প্রমোশন , সাইকেল চালিয়ে কাজ করার সমস্যা গুলো সরকার এবং পি ডি স্যার কে জানালে অবশ্যই সমাধান হবে । এখন বেশীর ভাগ মাঠ সংগঠক মাস্টার্স পাশ । অথচ অফিসে তারা অবহেলিত । সমন্বয়কারী দের চেয়ে কম কাজ সংগঠকরা করে না । কম্পিউটার অপারেটররা ভারপ্রাপ্ত সমন্বয়কারী হতে পারলে সংগঠকরা কেন পারবে না ।

      • আলমগীর হোসেন says:

        তাছলিম সাহেব ,
        আপনি মাঠ সংগঠক পদে পরিক্ষা না দিয়ে উপজেলা সমন্বলকারীর জন্যে পরিক্ষা দিতেন। আমারা সকলেই চিন্তা করা উচিত ,আমাদের যোগ্যতা অনুসারে আমাদের পদবী। আমাদের দক্ষতা আমাদের কর্মের পথে দাবিত করে।এখন আমাদের সকলের এক দাবি আমরা প্রাতিস্ঠানিক প্রতিস্ঠান চাই।একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পে উপজেলা সমন্বয়কারী পদে চাকরি করে বিয়ে করতে গেলে রিফিউস হওয়ার সম্ভবনা আছে,কিন্তু স্থায়ী হলে মাঠ সংগঠক পদে চাকরি করলে রিফিউস হওয়ার সম্ববনা নাই।১০০% গ্যারন্টি।

      • মোঃ খালিদ হোসেন says:

        আসলে ভাই চাকুরীতে নিয়ম বলে একটা কথা আছেনা ? নিয়ম অনুসারে কার অনুপস্থিতিতে কে দায়িত্ব পায় সেটা জেনে নেবেন দয়া করে!

      • JAN says:

        After 3-6 month bolben amra AD sir der cheye kom kaj kori na so amader ke varprapto AD kero dik……HAH…….HAH………HAH………

        • sarup says:

          আসলে যা সম্ভব নয় তা বলাও উচিত নয়। তবে মাঠ সংগঠক কোন অযোগ্যতায় এ ভারপ্রাপ্ত উপজেলা সমন্বয়কারী পদটি দাবি করতে পারবে না? কিন্তু সরকার কোন অযোগ্য ব্যাক্তিকে এমন একটি সুন্দর সর্বাথক জনকল্যাণমূলক জাতীর জনকের স্বপ্নের সোনারবাংলা গঠনে হাতিয়ার “একটি বাড়ি একটি খামার“ এ নিয়োগ করেনি। এ প্রকল্পের আমরা যারা কাজ করি সবাই যোগ্য। এই এবাএখা প্রকল্পের কর্ণধার যিনি আমাদের এ দারিদ্র বিমোচনের বিশাল কর্মযজ্ঞ পরিচালনার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম ও দিক নির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন তিনি আমাদের অভিভাবক ও পিতৃতূল্য বাবা, বাবার কাছে পুত্রের আবদার থাকে এবং থাকবে। কিন্তু কাজ ভুলে নয়,সামনে অনেক বেশি কাজ, মনে রাখতে হবে কাজেই আমাদের পরিচয় চলুন আমরা সবাই একত্রিত হয়ে আমাদের অভিভাবক মাননীয় পিডি মহোদয় এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট বিনয়ের সাথে অনুরোধ জ্ঞাপন করি “এবাএখা”প্রকল্পকে প্রতিষ্ঠানিক রুপ দান করে আমাদের সকল কর্মকর্তা/ কর্মচারীকে রাজস্ব খাতে ষ্থানাতরিত করার জন্যে।

  194. এবাএখা প্রকল্পের কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারী/মাঠসংগঠকদের জানুয়ারি/১৩ থেকে ১টি করে গ্রেড উন্নীত করা এবং ১টি ইন্ক্রিমেন্ট প্রদান করা হবে আমরা প্রশিক্ষণে শুনেছিলাম। কিন্তু আমরা এ বিষয়ে আজও কোন তথ্য /খোঁজ-খবর পাইনি। কারও কাছে এ বিষয়ে কারও কাছে কোন তথ্য আছে কি? আর গত 26/2/13 খ্রিঃ তারিখে আমাদের ভাগ্যের একটা পরিবর্তন হবে আসলে এ বিষয়টি কারও কাছে জানা থাকলে প্লীজ অনুগ্রহ পূর্বক ব্লগে লিখুন।

    • kamrul 01919877566 says:

      আগামি জুলাই মাস থেকে ইনকিমেনট এবং মাঠসংগঠকদের পদবি পরিবতঁন হবে আর এবাএখা পললি বাংক অথবা ফাউনডেশন হবে তবে পিডি ছার বাংকের পক্ষে

    • kamrul 01919877566 says:

      আসলে অনেক কথাই শুনছি কিনতু বাংক অথবা ফাউনডেশন যেটাই হোক না কেন আমাদের বেতন টা কোথায় থেকে দিবে সমিতি থেকে তো বেতন নেওয়া যাবে না অবশ ই .70 রাজসস আছে ৮টাকা সুদের মাজে

      • kamrul 01919877566 says:

        এবাএখা সরকারি করা হোক আমরা আর কিছুচ চা ই না এটাই আমাদের নিশচিত ববিশত বাংক অথবা ফাউনডেশন করার পয়োজন নাই আপনারা যারা BLOG A আছেন তারা সবাই PLZ COMMENT

  195. এবাএখা’র ব্লগে পড়া ও ডিও লেটার প্রেরণের জন্য মাননীয় তথ্যমন্ত্রী ও মাননীয় সংসদ সদস্য মহোদয়কে সালাম ও আন্তরিক অভিনন্দন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের ‘একটি বাড়ি একটি খামর’ এর মাধ্যমে দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে আমরা মাননীয় মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য মহোদয়ের সাথে একাত্নতা প্রকাশ করছি। সেই সাথে একটি বাড়ি একটি খামারকে স্থায়ী রুপদানের জন্য মাননীয় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মহোদয়, মন্ত্রী মহোদয় ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মহোদয়ের সুদৃষ্টি কামনা করে সার্বিক পদক্ষেপ গ্রহণের জন্যে সংশ্লিষ্ট সকল মহোদয়ের নিকট অনুরোধ জ্ঞাপন করছি।

  196. এবাএখার উপকার ভোগী ও সকল কর্মকর্তা, কর্মচারীদের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাই তথ্যমন্ত্রীসহ সকল ডিও লেটার প্রদানকারী মহোদয়দেরকে। মাননীয় তথ্যমন্ত্রী মহোদয় ও অন্যান্য সকল সংসদ সদস্য মহোদয়ের সাথে সকল কর্মকর্তা, কর্মচারী ও উপকারভোগী সকল সদস্যও একটি বাড়ি একটি খামারকে ব্যাংক/স্থায়ী একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে রুপদানের জন্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মহোদয়ের কাছে আকুল আবেদন ও বিনীত অনুরোধ রাখছি।

  197. Iqbal hoq says:

    দুঃখটা উপভোগ করতে না পারলেও এতটুকু সান্তনা পেতে পারছি এই কারনে যে মাননীয় তথ্য মন্ত্রী মহোদয়র ডিও লেটার পড়ে। মাননীয় তথ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ। আমাদের ও বিশ্বাস যে মাননীয় প্রধাণমন্ত্রী উক্ত বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে দেখবে। রোকন,জামাল,কাশেম,প্রভাত দা সহ গোটা দেশের খামার পরিবার।

  198. Mahady hasan says:

    Amra khub druto jonobol chai.Jonobol na thakate project er kaj-er onek khoti hoitese.Amar upazila te sudo ami(UCO) r ekjon FO achey tai 36 ti samitte samal dite khub kosto hoi.Tachara accountant na thakai office er sob kaj amakei korte hoi,jar karone sokol samitte te ami khub ekta somai dite pari na.

  199. sakhawat Hossain says:

    লোকবল দ্রুত নিয়োগ না হলে কাজের ধারাবাহিকতা ধরে রাখা কষ্টকর হবে।

    • Mamtajul Alam says:

      বুজতে পারছিনা লোকবল কি আমরা আদৌও পাব ?

      • dash suman says:

        আজ আমি নতুন দুই রুমের একটি অফিসে উঠলাম। আবার ভাবতেছি জুন মাসের পর কি এই অফিসে থাকতে পারব কিনা । জানুয়ারীতে জনবল দেওয়ার কথা থাকলে ও এখন পর্যন্ত নিয়োগ দেয়া হচ্ছে না । আদৌ কি নিয়োগ দেয়া হবে কিনা বুজতে পারছি না ।

        • Arif,magura says:

          নতুন অফিসে উঠতে পারার জন্য আপনাকে অভিন্দন। তবে সবাইকে দাওয়াত না দেওয়ায় কষ্ট পেলাম। আশা প্রকাশ করছি উপজেলা পরিষদের রুম দুটি এবাএখার জন্য চিরতরে বন্দোবস্ত হোক।

  200. Iqbal hoq says:

    স্বপ্নের সারথী পথের বন্ধুরা, ভয় কেনো, আমাদের নিজ নিজ জায়গায় থেকে আমদের পিডি মহোদয়কে আমাদের অণুভূতি জানাই আশা করি আমাদের এ পথ চলাটা কোন দিন বন্ধ হবেনা । আমরা আমাদের জায়গায় হতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আমাদের উদ্দেশ্য তুলে ধরি ,গরীব দুঃখি মানুষের মেহনতে কাজ করি ইনশাআল্লাহ আমাদের দিকে নজর দিবেন।

    • kamrul 01719437777 says:

      এবাএখা সরকারি হোক বা না হোক তবে একটা বিযয় দেখে খুব ই গর্বিত হলাম আর সেটা সংসথের ডিও লেটার

  201. Iqbal hoq says:

    একুশে ফেব্রুয়ারী আমদের চেতনার নাম। আর একটি বাড়ি একটি খামার আমাদের গরীব দুঃখী মানুষের হাসি ফোটানোর নাম। তাদের স্বাবলম্বী করে তোলার একমা্ত্র অবলম্বন। সবাই চেষ্টা করে যাবো আন্তরিকতার সাথে পিডি মহোদয় এটা আপনাকে জানালাম।

  202. Iqbal hoq says:

    একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প আমাদের ভাগ্য বদল করবে কিনা জানিনা, তবে এতটুকু আশায় বুক বাধলাম পরিচালক মহোদয় আমাদের সারা জীবনের জন্য কিছু হলেও করে যাবেন বলে আমার বিশ্বাস। একমাত্র পরিচালক মহোদয় পারবেন আমাদের কথা বলতে আমাদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নিকট বিস্তারিত তুলে ধরতে।

    • kamrul 01719437777 says:

      আমাদের পিডি মহোদয় এবাএখার পিছনে অনেক পরিসরম করিতছে মনে হয় এটা বিফলে যাবে না

  203. Gias Uddin says:

    গত 16/02/2013 ইং তারিখে সোনারগাঁ উপজেলায় একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের আওতায় গঠিত সমিতির উঠান বৈঠক ও ঋণ নিয়ে স্বাবলম্বী উপকারভোগীদের কিছু চিত্র বি.টি.ভি ধারন করে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানতে পারলাম আজ 19/02/2013 ইং তারিখ মঙ্গলবার বিকাল 2.15 মিনিটে বি.টি.ভি ও বি.টি.ভি ওয়াল্ড-এ প্রচার করবে।

  204. sarkertitu says:

    26 tarikhe ki jeno ekta hosse ebek er PRATISTHANIK roop debar bepare.asole e naki RUMOUR karo kase ki kono NEWS ase?

  205. mostafa says:

    আজ 6/2/2013
    সন্ন্যাস বাড়ী একটি বাড়ী একটি খামার এর উঠান বৈঠক হয়। ।উঠান বৈঠকে বি.টি.ভি সাংবাদিক এসে আমাদের কার্যক্রম
    সমন্ধে বিস্তারিত জেনে যায়।

  206. মোঃ খালিদ হোসেন says:

    আমি সত্যি অবিভূত, আনন্দিত ও উচ্ছাসিত যে এরকম সুন্দর একটি প্রকল্পে কাজ করছি যা সম্পূর্ন ডিজিটাল পদ্ধতিতে বাস্তবায়িত হচ্ছে । আমার মনে হয় এ রকম প্রকল্প এটাই বাংলাদেশে প্রথম । প্রশিক্ষন না পেলে হয়তোবা বুঝতে আরো দেরী হতো যে আমরা খুব সুন্দর একটি ডিজিটাল প্রক্রিয়ায় কাজ করতে যাচ্ছি খুব শিগ্রই। তাই বাংলাদেশের এবাএখা পরবিারের সকল স্টাফদের কাছে বিনীত অনুরোধ থাকবে যে আপনারা যত দ্রুত সম্ভব অন লাইন ডাটা এন্ট্রির কাজ সম্পন্ন করে ফেলবেন। আমার দৃঢ় বিশ্বাস বাংলাদেশের সব জেলায় মোবাইল ব্যাকিং কার্যক্রম শুরু হলে তখনই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নের ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়িত হবে এবং এই অত্যাধুনিক সেবা আমাদের সকলের প্রচেষ্টায় পৌছে যাবে প্রতিটি গ্রামের প্রতন্ত্য এলাকার প্রতিটি পরিবারে এবং এর মধ্যে দিয়েই আমাদের অবস্থান শক্ত হবে ইনশাল্লাহ। আমাদের দ্বায়িত্ব শুধু মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য বাস্তবায়ন করা অর্থাৎ দারিদ্র বিমোচন এবং যার নেতৃত্ব দিচ্ছেন আমাদের প্রকল্প পরিচালক মহোদয় । আমার বিশ্বাস মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং প্রকল্প পরিচালক মহোদয় আমাদের বিমুখ করবেন না। আমাদের শ্লোগান হবে একটাই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দারিদ্র মুক্ত সোনার বাংলা। সবাইকে ধন্যবাদ।

  207. Jahid says:

    প্রিয় সমন্বয়কারীগন দয়া করে ডিো লেটার পাঠান । আর কত দেরী করবেন আপনারা । আর কত দিন পর ঘুম ভাঙবে আপনাদের । প্লিজ এখন ঘুম থেকে উঠে তাড়াতাড়ি ডিো লেটার পাঠান । আর কত অনুরোধ করলে/বুজালে আপনারা ডিো লেটার পাঠাবেন ।

  208. দুর্বিষহ জীবন says:

    কোর্ডিনেটর ভাইয়েরা,
    আপনারা এক অন্যের সাথে যোগাযোগ করে ডিও লেটার পাঠানোর ব্যবস্থা করুন প্লিস.
    আপনার নিজের উপজেলারটা পাঠাবেন, আপনার পাশের উপজেলার টা পাঠানোর ব্যবস্থা করবেন এবং
    তাদের সবাইকে এভাবে তাদের টা সহ তাদের পাশের উপজেলার টা পাঠানোর কথা বলবেন এবং পাঠানোর কথা নিশ্চিত করবেন।
    কারন ব্যাংক হবার পথে ডিও লেটার একটি প্রধান বিষয়,
    অতি দ্রুত পাঠানোর ব্যবস্থা করুন ।

  209. রতন says:

    ভাই ডিও লেটারগুলো তারাতারি রেডি করেন প্লিজ।

  210. TONMOY SIKDER says:

    Pls sent DO letters as soon as possible.

  211. Somraj says:

    আমাদের কি হবে অবশেষে ?????

  212. Somraj says:

    ধন্যবাদ আপনাকে

    আমাদের মনের কথা ও দাবী তুলে ধরার জন্য
    নিশ্চই পিডি স্যার আমাদের কথা ও দাবী বিবেচনায় রাখবেন ইনশাআল্লাহ্‌

  213. Nioty says:

    ধন্যবাদ দাদা

    আমাদের মনের কথা ও দাবী তুলে ধরার জন্য
    নিশ্চই পিডি স্যার আমাদের কথা ও দাবী বিবেচনায় রাখবেন ইনশাআল্লাহ্‌

  214. Gones says:

    লিপটন দা আপনাকে আমাদের দাবী তুলে ধরার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ

    পিডিস্যারের কাছে আমাদের সকল কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারীদের প্রানের দাবি আমাদের মূল বেতন ৫৫০০/-টাকা হতে বাড়িয়ে ৬৪০০/-টাকা করা হোক।

    • Sohag says:

      লিপটন দা এবং গনেশ দা আপনাদের অনেক ধন্যবাদ
      সকল কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারীদের প্রানের কথা ও দাবী তুলে ধরার জন্য ………
      নিশ্চই পিডি স্যার আমাদের কথা ও দাবী বিবেচনায় রাখবেন ইনশাআল্লাহ্‌

      • Jahid says:

        লিপটন দা, গনেশ দা আপনাদের অনেক ধন্যবাদ এবঙ সোহাগ ভাই আপনাদের অনেক ধন্যবাদ। আমাদের কাজের আকার,ধরন এবং ব্যাপকতা পর্যালোচনা পূর্বক আমাদের দাবী কি অযেৌক্তিক ? আমাদের এ মনের স্বপ্নকে একটু কি বাস্তবায়ন সম্ভব না ???

        • Tania says:

          ধন্যবাদ দাদা

          আমাদের মনের কথা ও দাবী তুলে ধরার জন্য
          নিশ্চই পিডি স্যার আমাদের কথা ও দাবী বিবেচনায় রাখবেন ইনশাআল্লাহ্‌

        • Somraj says:

          thanks every one

          আমাদের মনের কথা ও দাবী তুলে ধরার জন্য
          নিশ্চই পিডি স্যার আমাদের কথা ও দাবী বিবেচনায় রাখবেন ইনশাআল্লাহ্‌

  215. Gones says:

    জাহিদ ভাই ধন্যবাদ আমাদের সকলের মনের কথা তুলে ধরার জন্য

  216. admin says:

    We will see that

    • Sohag says:

      Thanks Dear admin

      আমাদের সকল কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারীদের আকুল আবেদন এই যে আপনি এই বিষয় টাকে গুরুত্ব দিয়ে আমাদের সঠিক পদমর্যাদা দানে বাধিত করিবেন ।

    • Jahid says:

      আর কতো দিন ………wait করবো ?????

      • Jahid says:

        যে কোন কিছু একটা করেন স্যার। আমাদের মানসিক শান্তির সাথে সাথে সমিতির সদস্যসহ অন্যদের দুঃচিন্তা দুর করুন তাড়াতাড়ি।

    • মাহমুদ হাসান says:

      মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং আমাদের সম্মানিত পিডি মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন “এবাএখা”প্রকল্পকে পল্লী ব্যাংক অথবা রাজস্ব করার জন্যে। আর আরেকটি দিক বিশেষ ভাবে তুলে ধরি সেইটি হলো যারা কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারী পদবীতে কর্মরত আছে। তারা কিন্তু নিম্মরুপ কাজ গুলো সম্পাদন করে থাকে।
      ১) কম্পিউটারের যাবতীয় কাজ
      ২)হিসাব সংক্রান্ত সকল কাজ
      ৩)অফিস সহকারীরর সকল কাজ
      ৪) মাঠ মাঝে মাঝে ভিজিট করা ( মাঠ সংগঠকের ন্যায়)
      ৫)ফটোকপি করা
      ৬) উপজেলা অফিসের সাথে সমন্বয় করা
      উপরোক্ত কারণগুলো তুলে ধরলাম এইজন্য কম্পিউটার অপারেটরদেরকে সম্মানজনক বেতনকাঠামো আরডিপিপিতে অনুমোদন রাখার জন্যে।

  217. SIPON-BASAIL says:

    I WANT REVENUE EBEK SO I LOVE EBEK

  218. Ratan says:

    Excellent বলেছেন টিটু ভাই।

  219. Komol hassan says:

    Ami apnar shathe ak moth.karon amader dhaka nilo refresh korte,ami refresh howa to durer kotha ulta voy dhuke gese.ki korbe ta unarai thik vabe clear na.amar mone holo prokolpo niye dirgho mayadi kono plan unader nai.jai plan ache ta short time.

  220. goutim sen says:

    আমি আপনাকে সমর্থন করি। তারপরও কারও ঘুম ভাঙ্গে কিনা তা দেখার বিষয়।

  221. Mamtajul Alam says:

    যদি তোর ডাক শুনে কেও না আসে তবে একলা চলোরে……………………………………………।

  222. Komol hassan says:

    Kire vai ami ki english likhesi na ki.bangla kotha shudhu english letter use kore chi.

  223. goutim sen says:

    আমার মনে হয় একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প এর রুম এখনও পায়নি, যদি পেয়েও থাকে তাও সর্বমোট ২০-৩০টি উপজেলায়। আর বাকীগুলোর কি অবস্থা হবে?
    দয়া করে সবাই সবার সাথে যেনও যোগাযোগটা যেন আরও তিব্র হয়, একতা হবে আমাদের মূল শক্তি

    • আসিফ says:

      আমিও এক মত আপনার সাথে

    • mdmujahidulislam6@gmai.com says:

      BESI BOJA VALO NA

      • goutim sen says:

        বেশী বোঝা ভাল না , মানে একটু বুঝাইয়া বলবেন কী, আর আপনার পরিচয় দিবেন প্লিজ!!!!!!!!!!
        ব্লকে এ ধরণের কথা লিখা মনে হয় আমাদের জন্য ভাল হবে না।

      • SIPON-BASAIL says:

        I WANT EBEK REVENUE, SO I LOVE EBEK

  224. ঋণের পরিমাণ: says:

    এই সাধারণ পাবলিক যে স্ট্যানলি কিং অর্থ কোম্পানী, কোনো আর্থিক সাহায্য দরকার প্রতি এক করার সুযোগ খোলা সূচিত হয়.
    আমরা দিতে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান এবং কোম্পানি ঋণ আউট ইমেইলের মাধ্যমে একটি সুস্পষ্ট এবং বোধগম্য পদ এবং condition.contact আমাদের অধীন: stanleykingsfinance@gmail.com.

    গ্রাহকরাও তথ্যের প্রয়োজন পূরণ করুন এবং ফিরে আসুন.

    নাম:
    বয়স:
    লিঙ্গ:
    ঠিকানা:
    শহরের:
    দেশ:
    ফোন:
    E-mail:
    লোন স্টেট উদ্দেশ্য:
    ঋণের পরিমাণ:

  225. VILLIE RICHARDSON says:

    আপনি কি একটি লোন? প্রয়োজন কি ঋণী এবং ঋণ হতে মুক্ত, একটি মুক্ত বন্ধকী, ব্যবসা বা ব্যক্তিগত ঋণ প্রয়োজন চান?
    আপনি কি যুক্তিসঙ্গত কম সুদের হারে ঋণ প্রয়োজন? আপনি কি পরিশোধ চাপ ছাড়াই আপনার ঋণ চালু করতে আগ্রহী? ঋণ একীকরণ প্রয়োজন? ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক ঋণ? তারপর আপনি সঠিক জায়গা আছে, হিসাবে বর্তমানে VILLIE ঋণ সংস্থার ব্যবস্থাপনা প্রদান করা হয় একটি নিম্ন সুদের হারে ঋণ আউট একটি 1-30 years.If আগ্রহী নীচের ফর্ম পূরণ করে আমাদের ফিরে পেতে এখন পর্যন্ত বর্ধিত ঋণ পরিশোধের সময়কাল,.

    ঋণ আবেদন নিদর্শটি
    ———————–
    প্রথম নাম: ….
    শেষ নাম: ……
    ঠিকানা: ….
    দেশ: ……
    ফোন নম্বর: …..
    ফ্যাক্স: …..
    বৃত্তি: …..
    মাসিক আয়: …..
    বয়স: ……………
    ঋণের পরিমাণ প্রয়োজন: …..
    ইমেইল: ……
    লোন সময়কাল …..
    জন্ম প্রয়োজন ……

    আগ্রহী আমাদের ফিরে যান মাধ্যমে দয়া করে উচিত: ইমেইল: villieloan@hotmail.com

  226. Komol hassan says:

    Goto koydin dhore je traning holo tate prokolper prodhan ra je boktobbo gulo dilo amar kase ta dharabahik mone hoy ni.manush juner por tader tk kollanonudan shoho tulte parbe kinaa ta sposto kore bola hoy ni.ta jodi tulte na pare taile amra pass boite tader kollanonudan tule dewar dorker ki?r goru chagoler tk tulte bole,kintu goru to amra bitorn kori ni.goru jokhon bitoron kora hoy,brdb kormokortara manush ke bolsilo aigula shorkar tomader ke free dise, akhon tk tulte gele manus bole back dite hobe ta to bolen ni.amar kase job tai ak ajob mone hoche.ki loan dibo,loan nibo,joma nibo na gorur tk nibo.pagol pagol obostha.ak ta valo job paile ai job ta chere ditam

    • goutim sen says:

      ভাই বাংলায় লিখতে পারেন না—————

    • md. mazharul islam says:

      ভাই কমল হাছান দয়া করে আপনার মোবাইল নম্বর টি দিলে খুশি হব।আপনার সাথে কিছু কথা বলতাম। ভাই ভালো কিছু পেতে হলে ধর্য্য ধরতে হয়। আপনি জানেন কিনা জানিনা, অনেক প্রকল্প আছে যেগুলো ১৮,১৯, অথবা ২০ বছর ধরে চলছে, কিন্তু আজও রাজস্ব খাতে যায়নি।সেই তুলনায় আমরাতো খুব বেশি দিন ধর্য্য ধরে নেই। তাই হতাস না হয়ে মনোযোগ সহকারে কাজ করুন। আর আমাদের শ্রদ্ধেয় পিডি স্যার অত্যন্ত ভালো মানুষ, তিনি আমাদের জন্য যথেষ্ঠ চেষ্টা করছেন। আমাদের সকলের উচিৎ পিডি স্যারের মাধ্যমে মানণীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করা, সম্ভব হলে মন্ত্রীদের মাধ্যমে ডিও লেটার পাঠানো, যাতে করে আমাদের প্রকল্পটি দ্রুত রাজস্ব খাতে যেতে পারে। আর একটা অনুরোধ করবো, ব্লগে যা কিছু লেখা হয় সেগুলো এডমিন স্যার, ডিপিডি স্যার, পিডি স্যার নিয়মিত পড়েন ও দেখেন। তাই এমন কিছু লেখা ঠিক নয় যাতে স্যাররা কষ্ট পান। ক্ষমা করবেন, আমি আপনাকে অসম্মান করার জন্য এই কথাগুলো বলছি না। আমার কথাগুলো একটু ভেবে দেখবেন। আপনাকে ও এবাএখা’র সকলকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা।

  227. আসিফ says:

    ঠিক বলেছেন দাদা

  228. Manas Nandy says:

    আমরা যদি নিজেদের হাত নিজে না তুলি তাহলে কেউ আমাদের হাত তুলবে না

    • JAN says:

      Hat jodi tultei hobe keno sei hat ta agay tulte parlam na?PD sir sir keno ekhon bolbe DO letter anar kotha?Ei kotha to 6 month agay bolar kotha cilo.Jei dekhlo je se nije kajta parbe na tokhon amader bollo je DO letter enay dao…..bah sabash……ki mochotkar!!!!!!!Hashi passay bhai………………..

  229. AL-PIN says:

    কিছু লোক আছে যারা শুধু মুখেই বড় বড় কথা বলে কাজের বলোয় ঠন্ ঠন্।তারা ভাবে অন্যেরা কাজ করুক আর তারা শুধু বসে বসে ফায়দা লুটবে ।এই রকম মনোভব পরিহার করে সবার উচিত যার পক্ষে যতটুকু করা সম্ভব করা।সারা বাংলাদেশের ৪৮৩ জন উপজেলা সমন্বয়কারী একজোট হয়ে কাজ করলে সফলতা অবশ্যই আসবে।

  230. goutim sen says:

    আমার মনে হয় আপনারা এভাবে ডিও লেটার দিতে পারেন———-
    জয় বাংলা জয় বঙ্গঁবন্ধু

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,

    আসসালামু আলাইকুম।দেশ গঠনের কারিগড়, জাতীর জনক বঙ্গঁবন্ধু কন্যা আপনাকে জানাচ্ছি হাটহাজারী সাধারণ জনগণের পক্ষ হতে আন্তরিক অভিনন্দন। আমি সবপ্রথম গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, সবর্কালের সবশ্রেষ্ঠ বাঙ্গাঁলী জাতীর জনক বঙ্গঁবন্ধুকে। আমি হাটহাজারী সব সাধারণের পক্ষ হতে বঙ্গঁবন্ধু এবং বঙ্গঁবন্ধু পরিবরের ১৯৭৫ সালের শহীদ সকলের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, জাতীর জনকের স্বপ্নের সোনারবাংলা গঠনে ক্ষুধা, দারিদ্র নিরসনে, দেশকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে মধ্য আয়ের দেশে পরিণত এবং ভিশন-২০২১ কমসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আপনার মহতী উদ্দ্যোগে পরিচালিত “একটি বাড়ি একটি খামার“ প্রকল্প গ্রহণকে আমি স্বাগত জানাচ্ছি।

    আমার ব্যক্তিগত অভিমত দিয়ে জানাচ্ছি যে, এ যাব কালে সমাজে অবহেলিত হতদরিদ্র মানুষের কল্যাণে সুন্দর পরিছন্ন জনকল্যাণময় এই রকম প্রকল্প কখনও হয়নি কিংবা দেখিনি। এ প্রকল্পের যে মূল দশর্ন- “দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সৃজনী সত্তাকে কাজে লাগানোর মধ্য দিয়ে জীবিকায়ন নিশ্চিত করা এবং এর মাধ্যমে দরিদ্র পরিবরের আয় বৃদ্ধি করে দারিদ্র মুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা“- যা আমার হৃদয়ে স্বশ করে। আমরা জানি জাতীর জনকের স্বপ্ন বাস্তবায়নে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প আপনার একটি স্বপ্নজাত প্রকল্প।
    প্রকল্পের প্রথমদিকে ৬০টি দরিদ্র পরিবারকে বাচাই করে তৈরি করা হয়েছিল গ্রাম উন্নয়ন সংগঠন এবং ৪টি ইউনিয়নে করা হয়েছিল ২০টি সমিতি। কৃষি, ম সচাষ, হাসঁ-মুরগী ও পশুপালন, নার্সারী ও সব্জিবাগান গড়ার লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি প্রদান করা হয় ১০০টি পরিবারে গরু, ৩০টি পরিবারে হাসঁ-মুরগী, ৪৪টি পরিবারে গৃহ মেরামতের জন্য ঢেউটিন, ৯০টি পরিবারে সব্জিবীজ এবং ১২০টি পরিবারে গাছের চারা।

    পরবর্তীতে নতুন আরো ১৬টি সমিতি বৃদ্ধির সাথে সাথে সমিতির সদস্যের সঞ্চয় জমা এবং প্রকল্প অফিস হতে প্রাপ্ত বোনাস এবং ঘূণয়মান ঋণ তহবিল বাবদ প্রাপ্ত টাকা মিলিয়ে প্রতিটি গ্রাম উন্নয়ন সমিতি আজ ভবীষ্য বুনীয়াদের স্বপ্ন দেখছে। পাশাপাশি প্রতিটি গ্রাম উন্নয়ন সমিতি তাদের ঋণের অথ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ও আয়বধক প্রকল্পে বিনিয়োগ করে স্বাবলম্বির পথে এগুচ্ছে। যা জনগণের বিশাল সম্বাবনার দুয়ার উম্নোচন করে দিয়েছে।
    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আমি ব্যক্তিগতভাবে বিভিন্ন সমিতি এবং সমিতির উঠান বৈঠকে অংশগ্রহণ করে সরকারের মহতী উদ্দ্যোগের উদ্দেশ্য এবং সফলতার দিক তুলে ধরেছি। আমার মনে হয় এই ধারা অব্যাহত ও প্রকল্পকে একটি স্থায়ীরূপ প্রদানে এবং উপজেলার সব ইউনিয়নকে প্রকল্পের আওতাভুক্ত করে আরো ব্যপক জনগোষ্ঠিকে উক্ত কাযক্রমে অর্ন্তভুক্তির মাধ্যমে সত্যিকার অথে আমাদের দেশ একটি মধ্য আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার দিকে এগুচ্ছে এবং সাথে সাথে আমাদের জিডিপি ও বৃদ্ধি পাবে পরিচালনার সত্যিকারের বাংলাদেশ বঙ্গঁবন্ধুর স্বপ্নের সোনারবাংলা গঠনে অনেকদূর এগিয়ে যাবে এই আশা করছি।

    গভীর শ্রদ্ধান্তে-
    একান্তভাবে আপনার
    বি:দ্র:-বানানে কিছু ভুল আছে , তা ঠিক করে নিবেন।

  231. goutim sen says:

    আমার মনে হয় আমরা অনেকে ব্লক নিয়মিত পড়ি না। আবার অনেকে আছে ব্লক বলতে যে কিছু একটা আছে তাও জানে না।দয়া করে সবাই নিয়মিত ব্লক দেখবেন এবং লিখবেন। আশা রাখি এটা আমাদের ভাল কিছু দিবে।

  232. রতন says:

    অনেক দিন পর লিখছি। এখন আর ব্লগে লিখতে ভাল লাগেনা। কেনো লাগেনা জানিনা। শিতের কথা লিখতে ইচ্ছা করছে তাই লিখছি। প্রচন্ড শিত পরতেছে। হার কাপানো শিত। এই শিতে উপজেলার অফিসে কর্মচারি/কর্মকর্তা আসেন একটু দেরিতে, যায়ও আগে। কিন্তু একটা অফিস নিয়মিত অফিসে আশে কখন ছুটি হয় যানেনা। রাত ৭.৪২ মিনিটে ফিল্ড থেকে মোটর সাইকেল যোগে বাড়িতে ফেরার সময় শিত জনিত কারনে দূর্ঘটার শিকার হই, আমি একা না অনেকের ই এরকম দুর্ঘটনার শিকার হয়ার কথা শোনা যায়। এই অফিস্টা কিনা আবার প্রকল্প। সেই অফিসের একজন কর্মকর্তা হিসাবে নিজেকে গর্বিত মনে হয়। যখন সেই প্রকল্পের একজন সৈনিক হয়ে আমাদের উর্ধতন কার কাছে যানতে চাই আমাদের ভবিশ্বত কি? যখন উত্তর পাই তোমাদের প্রকল্পের তো দুই বছর Extension করা হয়েছে আর কি চাও, তোমাদের কি UNO বানাতে হবে। তখন এতো কষ্ট হয় যে চোখে পানি আসে। আমরা তো Extension চাইনা, আমরা চাই আমাদের চাকরির স্থাইত্বতা। যে সপ্ন আমাদের দেখানো হয়েছে। এ চাওয়ায় আমদের অপরাধ কোথায়।
    আমাদের চাকরি গেলে একটা সমস্যায় পরব এটা সত্যি কথা। তার চেয়ে বড় কষ্টের হবে যে প্রকল্পকে এতো ভালোবাসি, যে প্রকল্পকে নিয়ে এতো গর্ব করি, যে প্রকল্পর জন্য এতো কষ্ট করি সে প্রকল্পর যদি কোনরকম দূর্গতি হয় সেটা কিভাবে সহ্য করব। আর আমরা লকদের মুখ দেখাবো কেমন করে।

    • nuri says:

      i love ebek and i hope our job will be permanent.

    • পিকুল আবেদ says:

      আপনার কথা শুনে আমার খুব কষ্ট লাগল। একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প দারিদ্র বিমোচনের একটা হাতিয়ার। এ হাতিয়ার বহনের একানিষ্ঠ সৈনিক হল। আপনার আমার মত আশাহত যুবক। যাদের একান্ত প্রচেষ্টাই এ দারিদ্র নামক অভিশাপ দুর হচ্ছে তারাই আর দুই বছর পর দরিদ্র হয়ে পড়বে। বড় মজার না?। হাস্যকর ও অপমান জনক ।

    • nizam says:

      ভালোই লিখেছেন ।

  233. mony says:

    রূম বরাদ্দ িনয়া আরিডওেদর এত আপি্ত্ েকন এটা িক কােরা জানা নাই

  234. japani TITU says:

    দুই বছর মেয়াদ বাড়ানো এবং ১৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ কথাটি ছিল ভুল, সরি । সবার মতামত জানার জন্য লিখেছিলাম।

    • sipon-Basail-Tangail says:

      “শেখ হাসিনা দিচ্ছে ডাক
      ক্ষুধা দারিদ্র দূরে থাক,
      উন্নয়নের দিন আসছে আবার
      একটি বাড়ি একটি খামার”
      এই উন্নয়নের জন্য একটি বাড়ি একটি খামারকে রাজস্ব/জাতীয়করন খুবই জরুরী ও অত্যাবশাক।
      প্রকল্পের মাধ্যমে স্থায়ীভাবে উন্নয়ন সম্ভব নয়।
      এইজন্য অতিশীগ্রই একটি বাড়ি একটি খামারকে জাতীয়করনের মাধ্যমে স্থায়ীভাবে অসচ্ছল মানুষের পাশে থেকে তাদের দারিদ্র দূর করার মাধ্রমে আপনার স্বপ্ন আপনার আশা, জাতীয় অলো, জাতীয় স্বাধীনতার নায়ক, জাতীয় পিতা বঙ্গবন্দুর স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য স্থায়ীরুপ দেওয়ার জন্য আপনার কাছে সবিনয় আকুল আবেদন জানাচ্ছি।
      শিপন সুপ্রিয়
      মোবাঃ ০১৬৭১-৪০২৫৪৮

  235. sakhawat says:

    যে সকল ইউনিয়ন পূর্বে প্রকল্পের আওতায় আসেনি সে সব ইউনিয়ন কে দুবছর মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়।আর পুরাতন গুলোকে নিয়ে একটি স্থায়ী প্রাতিষ্ঠানিক রুপ দেওয়ার জন্য অর্থ ও জন প্রসাশন মন্ত্রণালয় কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা রেজুলেশনে বলা আছে।আমার তো মনে হয় কথা গুলো এভাবেই।

    • Komol hassan says:

      Onekei dekhi bole EBEK bank hobe,polli bank.kintu ebek jodi bank hoto taile ebeker shathe privet bank gulor cukti hobe keno?shob obastob kotha.prokolpo prokolpoi thakbe.

  236. goutim sen says:

    আসেন সবাই একত্র হই। খামার বাড়ির উন্নয়নে নিজেকে সচেষ্ট থেকে কাজ করি এবং আমাদের অধিকার সমূহ সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করি।01815-501393,01938879524

    • shopon says:

      ‘‘একটি বাড়ি একটি খামার’’

      দারিদ্র্য বিমোচনের ক্ষেত্রে বর্তমান সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প হ’ল -‘‘একটি বাড়ি একটি খামার’’ প্রকল্প। এ প্রকল্পের আওতায় দেশের ৬৪টি জেলার ৪৮২টি উপজেলার ১৯২৮টি ইউনিয়নের (প্রতি উপজেলা হতে ৪টি ইউনিয়ন) ৯৬৪০টি গ্রাম (প্রতিটি ইউনিয়ন হতে ৫টি গ্রাম) বাস্তবায়ন কার্যক্রম চলছে। খানা জরিপের মাধ্যমে ইতোমধ্যে নির্বাচিত ৩৯৭ উপজেলার ১৫৮৮ ইউনিয়নের ৭৯৪০ গ্রামের প্রতি গ্রাম হতে ৬০টি করে পরিবার নির্বাচন করা হয়েছে এবং গ্রাম সংগঠনকে কার্যকর করার মাধ্যমে নির্বাচিত গ্রামসমূহের উপকারভোগীদের সমন্বয়ে এ পর্যন্ত মোট ৭৯৪০টি গ্রাম সংগঠন সৃষ্টি হয়েছে। গ্রাম সংগঠনের মাধ্যমে নির্বাচিত উপকারভোগীদের মাঝে প্রশিক্ষণ, প্রশিক্ষনোত্তর ঋণ সহায়তা ও সম্পদ বিতরণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ প্রকল্পের আওতায় নবসৃষ্ট ৯৬৪০টি গ্রাম সংগঠনকে সমবায় আইনের আওতায় সমবায় সমিতি হিসেবে নিবন্ধন কার্যক্রম এগিয়ে চলছে। এ প্রকল্পের বাস্তবায়ন মেয়াদে ৫,৭৮,৪০০টি পরিবার তথা ২৮,৯২,০০০ মানুষ সরাসরি সম্পদ সহায়তা পাবে। অন্যন্য বৈশিষ্ট্যের এ প্রকল্পটি দারিদ্র্য বিমোচনে ও পল্লী উন্নয়নে যুগান্তকারী সুফল বয়ে আনবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

      সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন কর্মসূচি (সিভিডিপি)

      এক গ্রাম এক সমিতিঃ

      স্মরণাতীত কাল থেকে গ্রাম একটি অখন্ড সত্ত্বা এবং গ্রামাঞ্চলে পেশাগত পরিবর্তন ও অনেক পেশার বিলুপ্তি সত্ত্বেও সকল মানুষের মধ্যে এখনো রয়েছে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক নিবিড় বন্ধন। এ বন্ধনই হচ্ছে গ্রামের সকলকে নিয়ে উন্নয়নের প্রধান পুঁজি। গ্রামের নিজস্ব সত্ত্বা বজায় রেখে ‘এক গ্রাম এক সমিতি’কে কার্যকর করার মাধ্যমে সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। প্রতিটি গ্রামে সৃষ্টি করা হয়েছে একটি কমন প­াটফরম। এখানে ধনী-গরিব, কৃষক ভূমিহীন, যুবক-যুবতী ও শিশু-কিশোর নির্বিশেষে সকল নারী পুরুষের অংশ গ্রহণের অবাধ সুযোগ রয়েছে। প্রতিটি গ্রামের সকল শ্রেণী ও পেশায় নিয়োজিত এবং সকল বয়সের নারী-পুরুষ’কে একটি সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতির আওতায় এনে স্বচেষ্টায় ও জনঅংশগ্রহণের ভিত্তিতে তাদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সাধন ও দারিদ্র্য বিমোচন করাই এ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। ১ম পর্যায়ে বাস্তবায়িত প্রকল্পের কার্যক্রম ১৯টি জেলার ২১টি উপজেলার ১৫৭৫টি গ্রামে বাস্তবায়িত হয়। প্রকল্পটির সফল বাস্তবায়নের ফলশ্রুতিতে ২য় পর্যায়ে প্রকল্পটি দেশের ৬৪টি জেলার ৬৬টি উপজেলায় ৪২৭৫টি গ্রামে শুরু করা হয়েছে। এ প্রকল্পের উপাদানসমূহ হলঃ প্রশিক্ষণ ও উদ্বুদ্ধকরণ, উন্মুক্ত সদস্যপদ, প্রশিক্ষিত গ্রাম উন্নয়ন কর্মী, পুঁজি সংগ্রহ ও বিনিয়োগ কার্যক্রম, অর্থনৈতিক ও আত্ম-কর্মসংস্থানমূলক কার্যক্রম, সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রম, স্থানীয় পর্যায়ে পরিকল্পনা প্রণয়ন, মাসিক যৌথসভা। প্রকল্পের আওতায় ডিসেম্বর,২০১০ পর্যন্ত সমিতি গঠন করা হয়েছে ১৯২৭টি, মাসিক যৌথ ইউনিয়ন সমন্বয় সভা, পুজি গঠন ২৬৫৫.৭৯ লক্ষ টাকা, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ৩৯৬৯৬ জন, মাসিক যৌথ ইউনিয়ন সমন্বয় সভা ১৬৭৮২১টি, আত্নকর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হয়েছে ২৩১৬৭জনকে এবং সমিতির নিজস্ব তহবিল থেকে ২৪০০.৫০ লক্ষ টাকা বিতরণ করা হয়েছে।

  237. goutim sen says:

    আমরা করব জয়।
    একটি বাড়ী একটি খামার, পূরন হলো স্বপ্ন আপনার।
    নজর দিন কর্মকতা/কর্মচারীর উপর,প্রকল্প হবে আরো স্বনির্ভর।
    চাকরি যদি হয় রাজস্ব ,ভ্রান্তি ধারনা দুর হবে অবশ্য।
    মোদের গর্ব মোদের আশা, খামার বাড়ী পাবে জনগনের ভালোবাসা।
    চাকরি হবে আবশ্যই জাতীয়করন, গ্রাম সমিতি গুলোর হবে সার্বিক উন্নয়ন।
    সুব্রত বড়ুয়া
    মাঠ সংগঠক
    একটি বাড়ী একটি খামার
    হাটহাজারী উপজেলা,চট্টগ্রাম।

  238. goutim sen says:

    প্রিয় উপজেলা সমন্বয়কারী ভাইয়েরা আশা করি সবাই খুব ভাল আছেন, দুই বছর বাড়ানোর সুসংবাদ নিশ্চয় পেয়েছেন, তাহলে তো আর কি থাকে বলেন? আমাদের উচিত নাকে তেল লাগিয়ে ঘুমানো!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
    প্লিজ আসেন কিছু একটা করি, আমরা জোড়ালো ভাবে একত্র হই।
    আমাদের সবাইকে ৪০জন করে ডাকবে কি একটা করতে হবে।

  239. japani TITU says:

    10 tarikhe meeting 2 bachor meyad baranu hobe abong 1500 coti taka boraddo deoya hobe. atae siddanto