সর্বস্তরের প্রিয় সহযাত্রী/সহযোদ্ধাবৃন্দ, সব মানুষ অসীম ক্ষমতা ও প্রতিভার অধিকারী। যুগে যুগে সে প্রতিভাকে প্রতিবাদী করেছে ন্যায়, সত্য ও অধিকার/স্বাধীকার প্রতিষ্ঠায়। বাঙ্গালী
জাতির অনুরূপ ঐতিহ্য আকাশ ছোঁয়া। তারা ভাষার জন্য রক্ত দিয়েছে- বৃথা যায়নি সে রক্তদান। স্বাধিকারের জন্য ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তে সৃষ্টি হয় নদী। বৃথা যায়নি সে অবদান। আজ আমরা স্বাধীন জাতি। আজ প্রজন্ম চত্বরে তারুণ্যের জাগরণ- বিশ্বে এ জাতির জন্য নতুন এক বিপ্লবের অগ্নি উপস্থাপন- আমরা উদ্বেলিত, আমরা গর্বিত ও আশান্বিত, আমরা প্রতিশ্রুত, আমরা সংগ্রামী জাতি, অবশ্যই এ চেতনা বৃথা যাবে না। নতুন করে পথ দেখাবে গোটা জাতিকে এ তারুণ্য। শুধু তারুণ্যই পারে এমন নতুন উপহার দিতে। আমরা অন্তর থেকে কৃতজ্ঞতা জানাই এ তরুন প্রজন্মকে। আমরা সম্মান করি এ তারুণ্যকে। আমরা আন্তরিক ভাবে সমর্থন করি ন্যায় ও সত্য প্রতিষ্ঠাসহ যুদ্ধাপরাধিদের দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে।
আসলে আবাল বৃদ্ধ বনিতা গৃহিনী সকলেই আজ প্রজন্ম চত্তরমুখী। এ এক অপ্রতিরোধ্য মানবসত্ত্বার একীভূত রূপ। আমরা অন্যায়কে ঘৃণা করি, আমরা অন্যায়ের প্রতিবাদ করি, আমরা সত্য প্রতিষ্ঠায় সংগ্রাম করি-আমরা অতীতে পেরেছি, বর্তমানেও পারব এবং ভবিষ্যতেও। এগিয়ে যেতে হবে,
পাড়ি দিতে হবে দূর পথ। রূখতে হবে স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তিকে, প্রতিষ্ঠিত করতে হবে স্বাধীনতার চেতনা উদ্ভাসিত নতুন এক বাংলাদেশ যেখানে থাকবেনা জাতি, ধর্ম, বর্ণ ও লিঙ্গ বৈষম্য। সৃষ্টি হবে এক মহান আদর্শ ও সম্প্রীতি ভিত্তিক জাতি ও দেশ – বাঙ্গালী ও বাংলাদেশ।